Contests

উদ্যোগ
Web Magazine


উদ্যোগ Web Magazine
Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
একটি প্রয়োজনীয় বিরতি, এক নতুন সূচনা | সম্পাদকীয় – চৈত্র ১৪৩২
ডেডিকেটেড সার্ভারের গতির সঙ্গে, স্বতন্ত্র সত্তায় নতুন আঙ্গিকে ❛উদ্যোগ❜। বাঙালির সৃজনশীল অভিব্যক্তির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দ্রুত ও মসৃণ পাঠ্যভ্রমণের অভিজ্ঞতা।
পেন মহোৎসব ৫ — সেলফির যুগে অটোগ্রাফ
স্মার্টফোনের যুগে কলম কি ক্রমশ অপ্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে, নাকি তার স্পর্শের নিজস্ব মূল্য আজও অটুট? কলকাতার 'পেন মহোৎসব ৫' সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজারই এক প্রয়াস।
মোহিনী
যাদের দূরে রাখতেই শিখেছিল চন্দনা, সেরকম একজন মানুষ এগিয়ে আসে ঠিক সবচেয়ে দরকারের মুহূর্তে। সমাজের বদ্ধ দৃষ্টিভঙ্গি কি সবসময় ঠিক? নাকি সত্যিটা লুকিয়ে থাকে?
DINK couple : আধুনিক জীবনধারায় নবতর সংযোজন
সন্তান নেবেন, না নেবেন না — এই সিদ্ধান্ত কি শুধুই ব্যক্তিগত, নাকি সমাজেরও কিছু বলার আছে? কেন ক্রমশ বেশি দম্পতি স্বেচ্ছায় বেছে নিচ্ছেন সন্তানহীন জীবন?
কালিয়া কান্ড
হঠাৎ এক ফেসবুক ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট খুলে দিল বিশ বছরের পুরোনো হস্টেল জীবনের দরজা — যেখানে আছে ফুটবল মাঠের অদ্ভুত কৌশল আর একের পর এক অবিশ্বাস্য ঘটনা।
লাদাখ, ওয়াংচুক, আর উন্নয়নের প্রশ্ন
সোনম ওয়াংচুকের গ্রেফতার বা মুক্তি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় — এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে এক বৃহত্তর প্রশ্ন, যা লাদাখ ছাড়িয়ে আমাদের সবার ভবিষ্যতের সঙ্গে যুক্ত।
মেরুন পাঞ্জাবি
এক শিক্ষক আর এক বস্তির মেধাবী মেয়ের জীবনের বন্ধনে গড়ে ওঠে ত্যাগ, স্বপ্ন আর শ্রদ্ধার এক গভীর সম্পর্ক। কিন্তু দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যবস্থার আঘাতে সবকিছু কি ভেঙে পড়বে?
পশ্চিমবঙ্গে সাম্প্রদায়িকতার উত্থান ও ধর্মনিরপেক্ষতার অনিবার্যতা
পশ্চিমবঙ্গ কি নীরবে বদলে যাচ্ছে? সহাবস্থানের দীর্ঘ ঐতিহ্যের ভেতরে কি ঢুকে পড়েছে নতুন সাম্প্রদায়িক বাস্তবতা? কঠিন সত্য এবং সম্ভাব্য ভবিষ্যতের স্পষ্ট ছবি।
নীল আলোয় জীবন
আপনি কি কখনও ভেবেছেন, পুলিশের জীবনের ভেতরে ঠিক কী থাকে? গল্পটা শুধু ইউনিফর্মের নয় — লুকিয়ে আছে দায়িত্ব, ক্লান্তি আর অদেখা মানবিকতার গভীর স্তর।
রান্নাঘর — মানব সভ্যতার প্রথম গবেষণাগার?
সুযোগ পেলে শিম্পাঞ্জিও রান্না করা খাবারই বেছে নেয় — এমনকি তার জন্য অপেক্ষাও করে। তাহলে মানুষ আর শিম্পাঞ্জির ফারাকটা কোথায়?
মৃত্যুর পর
দিশার মনে জমা অপমান আর না-বলা যন্ত্রণার স্তর, বেঁচে থাকাটাই হয়ে ওঠে বোঝা। তাৎক্ষণিক এক সিদ্ধান্ত তাকে ঠেলে দেয় জীবনের এক চূড়ান্ত সীমানায়।
অলক্ষ্য বিবেকানন্দ : যন্ত্রণার ভিতরে জন্ম নেওয়া এক বিশ্ববিজয়ী
যাকে আজ বিশ্বগুরু বলে সম্মান করি, জীবদ্দশায় তিনিই ছিলেন অবহেলা আর অপমানের শিকার। নীরব যন্ত্রনার সংগ্রামে মহাজাগরণের অজানা, অস্বস্তিকর সত্য।
শালুকফুলের জীবন
গ্রামবাংলার সরল জীবনের আড়ালে লুকিয়ে ছিল এক ভয়ংকর সত্য। মদনকাকার চোখে ধরা এই কাহিনি দেখায়, আসল সাধু কে — আর ন্যায়ের মূল্য কি?
অপারেশন মকিংবার্ড
অতীতের এক শিহরণ জাগানো বাস্তবতা — যেখানে সংবাদ হয়ে উঠেছিল অদৃশ্য এক শক্তির হাতে লেখা স্ক্রিপ্ট। অতীতের সেই ছায়া কি আজও আমাদের চারপাশে বেঁচে আছে?
অনুরাগের উষ্ণতা
একাকিত্বের নীরবতার মাঝে আকস্মিক মুখোমুখি সেই অতীত, যেখান থেকে অনন্যা কখনো বেরোতে পারেনি। মুখোমুখি অসমাপ্ত সম্পর্ক আর প্রতারণার স্মৃতি।
Tui Amar Valentine 2026 — Bangali.Network
A spontaneous selfie with pet — capturing the quiet, unconditional bond between human parents and their non-human children. Check the winning entries.
বাংলা কি আমাদের পিছিয়ে রাখে? | সম্পাদকীয় – ফাল্গুন ১৪৩২
আমরা কি আধুনিক হতে বাংলা এড়িয়ে চলি — নাকি আত্মবিশ্বাসের অভাব ঢাকতে? মাতৃভাষা দিবসের প্রেক্ষাপটে এই প্রশ্ন নতুন করে প্রাসঙ্গিক।
ভূত তত্ত্ব কথন — অধ্যায় : ১০ । ১১ । ১২
ভূতের গল্প নয়, ভূতের দর্শনের খোঁজে — ভূতের অস্তিত্ব, বিশ্বাস ও বিজ্ঞানের সংযোগ নিয়ে এক তথ্যবহুল আলোচনা।
ভাষাদিবসের মাসে আসুন, একটু লজ্জা পাই
ভাষাদিবস কেবল স্মরণের দিন নয় — আত্মসমালোচনার সময়। মাতৃভাষা থেকে দূরে সরে গিয়ে ছদ্ম-আধুনিকতার মোহে আমরা কি শিকড়কেই অস্বীকার করছি?
বিশ্বাসের গ্র্যাচুইটি
এই শহরে ভালো মানুষ হওয়া গুণ নয়, নিছক এক বিপজ্জনক অক্ষমতা। সেটা বুঝতে বুঝতে শুধু টাকা নয়, হারিয়ে যায় মধ্যবিত্ত মানুষের অগাধ বিশ্বাস।
বন্ধ হয়ে গেলো পশ্চিমবঙ্গ কবিতা অ্যাকাডেমির কবিতা উৎসব
নিছক প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, না কি গভীরতর সংকটের ইঙ্গিত? নীরবতার আড়ালে জমে উঠছে প্রশ্ন, স্বচ্ছতার দাবি তুলছে সাহিত্য মহল।
নিম কাঠের বাসর
ইছামতির পাড়ে প্রেম আর প্রতারণার মুখোশ এক রাতে খুলে যায়। কূহেলির সামনে ভেঙে পড়ে বিশ্বাসের সমস্ত ভ্রম।
আর্থারাইটিস (বাত) প্রতিরোধে আমলকীর ভূমিকা
আমলকী কি সত্যিই বাতের ব্যথা কমাতে পারে? প্রাকৃতিক উপাদানেই কি মিলবে জয়েন্টের সুরক্ষা? একটি বৈজ্ঞানিক পর্যালোচনা।
সুখ
বাইশ বছর আগের সেই বৃষ্টির দিনটা আলোকপর্ণা ভুলতে পারেনি — অভিমান আর এক নীরব প্রস্থান। আজ আরেক দুর্যোগে সে ফিরবে — কিন্তু এবার গল্পটা অন্য।
নয়া গ্লোবাল অর্ডারের প্রয়োজনীয়তা
সংঘাত, কূটনীতি ও শক্তির নতুন সমীকরণে বিশ্ব রাজনীতি। সহযোগিতা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার দ্বৈত স্রোতে কোন ভবিষ্যতের দিকে এগোচ্ছে বিশ্ব?
শিকার
তক্ষক আর দিনকানা পাখির ডাক, সাথে জ্বলন্ত বাঘের চোখ!। জঙ্গল কি শিকার করতে শেখায়, না ছাড়তে শেখায়?
কাদম্বরী দেবীর সুইসাইড নোট
কাদম্বরী দেবীর অকালপ্রয়াণ কি কেবল ব্যক্তিগত বেদনা, নাকি এক নিঃশব্দ সামাজিক ট্র্যাজেডি? তাঁর আত্মহত্যার নোট আজও বাংলা ইতিহাসের অন্যতম রহস্য।
ওপারে সপ্তদ্বার
ভয়, মায়া, নীরবতা, ছায়া, ত্যাগ, সত্য আর ভাগ্যের দ্বারে দাঁড়িয়ে এক সাধারণ কিশোর। শেষ দ্বারে শক্তি না রাজত্ব — কি বেছে নেবে?
আন্দামানে বাঙালি ও বাংলার বিপর্যয়
স্বপ্নের আন্দামানের আড়ালে ভাষা, শিক্ষা ও অস্তিত্বের এক জটিল লড়াই। আশার উদ্যোগের পাশাপাশি ইতিহাস ও রাজনীতির অস্বস্তিকর বাস্তবতা।
কর্কশ কান্ড
বছরের শেষ সন্ধ্যায় ভাঙা গাড়ি আর ভাঙা মন নিয়ে নীল কুয়াশার জঙ্গলে ঢুকেছিল বারীন। পরদিন সে ফিরল রক্তাক্ত, আর বনটা নাকি নতুন গাছ পেল!
প্রেম, ভালোবাসা আর ডেটিং : মিলেনিয়াল vs Gen Z
সরস্বতী পুজোর লাজুক প্রেম থেকে ডেটিং অ্যাপের swipe — ভালোবাসা কি এখন চটজলদি পছন্দ? আমরা কি সম্পর্ক খুঁজছি, নাকি আরও একা হয়ে যাচ্ছি?
ফেরেশতা
অপারেশনের পর সবাই ভেবেছিল মৃত্যু ফিরে গেছে। শেষ মুহূর্তে সে-ই জানাল, এতদিন আসলে একা দর্শক ছিল না — নাটকের মঞ্চে পাশা উল্টে দিয়েছিল সে নিজেই।
নীরা আরিয়া: ত্যাগ, নির্যাতন ও বিস্মরণের ইতিহাস
আজাদ হিন্দ ফৌজের সাহসী সদস্যা — যিনি নেতাজির প্রাণ বাঁচাতে নিজের স্বামীকেও হত্যা করেছিলেন। ত্যাগ ও আত্মসম্মানের এক মর্মস্পর্শী ইতিহাস।
মুহূর্তেরা মুহূর্তের কাছে ঋণী
লোকাল ট্রেনের ভিড়ে এক তরুণ জুটিকে দেখে হঠাৎ ফিরে এল ষোলো বছর আগের চোদ্দো ফেব্রুয়ারি — রেডিওর গান, লুকিয়ে মেট্রো যাওয়া, আর এক বন্ধুত্বের নিঃশব্দ ঈর্ষা।
পুরুলিয়ার মাটিতে লোকসংস্কৃতির মহাসংগম
হেমন্তের সোনালি বিকেলে খড়িদুয়ারার টিলায় জেগে ওঠে সৃজন উৎসবের প্রাণ। লোকসংস্কৃতি, গান আর মানুষের মিলনে তৈরি হয় এক ক্ষুদ্র ভারতবর্ষ।
অপরাজিতা
ঝলসে যাওয়া মুখ, হারানো দৃষ্টি — তবু নত হয়নি মাথা। পনেরো বছরের আগুন বুকে নিয়ে, এক মেয়ের লড়াই বদলে দিল ক্ষমতার চেহারা।
চন্ডীভিটে ও রজকিনী রাই
চণ্ডীদাসের প্রকৃত জন্মস্থান — নানুর না কেতুগ্রাম? কিংবদন্তি, ইতিহাস ও বিতর্কের অন্তরালে লুকিয়ে আছে কোন সত্য?
নিশীথের নিশাত
শীতের কুয়াশায় ফাঁকা রাস্তায় লিফট চাওয়া এক মেয়ে — আর তারপর শুরু হয় নীলাভ আলো, আতরের গন্ধ, আর এক অচেনা জগতের ডাক।
প্রযুক্তির নেশায় বন্দি ভবিষ্যৎ
ভার্চুয়াল দুনিয়ার আলোয় ডুবে কি আমরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে প্রশ্নহীন করে দিচ্ছি? স্ক্রিনের আড়ালে কি হারিয়ে যাচ্ছে চিন্তা, সাহস আর প্রতিবাদের আগুন?
সে আমায় এখনও ডাকে
গরমের ছুটিতে মামার বাড়ি গিয়ে বুঝলাম — কিছু কুয়ো শুধু ইট-কংক্রিটে বন্ধ হয় না। কিছু নাম, কিছু অসমাপ্ত জীবন, একদিন শরীর ছেড়ে ভেতরেই বাসা বাঁধে।
একান্নবর্তী পরিবার ভাঙনের গল্প
আধুনিকতার স্রোতে একান্নবর্তী পরিবারের বন্ধন ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছে। ভালোবাসা, সময় ও মূল্যবোধ ফিরিয়ে আনলেই সম্পর্ক আবার শক্ত হতে পারে।
নতুন ক্যালেন্ডারে পুরনো লক্ষ্য | সম্পাদকীয় – মাঘ ১৪৩২
জানুয়ারি মানে নতুন করে শুরু করার এক ধরনের আনুষ্ঠানিক মুহূর্ত। স্মৃতি, দায়িত্ব আর নতুন যাত্রার মাঝখানেই ‘উদ্যোগ’-এর ২০২৬।
ভূত তত্ত্ব কথন — অধ্যায় : ৭ । ৮ । ৯
ভূতের গল্প নয়, ভূতের দর্শনের খোঁজে — ভূতের অস্তিত্ব, বিশ্বাস ও বিজ্ঞানের সংযোগ নিয়ে এক তথ্যবহুল আলোচনা।
শ্যামল দুধ খায় না
কম কথা বলা শ্যামলের সব চিঠিতে পড়াশুনা ও আমি কেমন আছি, জানতে চাওয়া ছাড়া অন্য কোনও জিজ্ঞাসা ছিল না কোনদিন।
নেতাজি ও এক বামপন্থী : একটি কাল্পনিক সংলাপ
যুদ্ধ আর ঔপনিবেশিকতার যুগে একটি কঠিন প্রশ্ন উঠে এসেছিল — দেশ আগে, না আদর্শ? ইতিহাসের এক সন্ধিক্ষণে সেই অগ্রাধিকারের দ্বন্দ্ব নিয়ে আলোচনা।
উনিশশো ছেচল্লিশ
"মাস্টারমশাই গো, মাস্টারমশাই গো — একটা জিনিস। এখানেও এঁনারা আছেন। আজ মাঠ চষতে গিয়ে এটা পেলাম। পিদিম মনে হচ্ছে।"
রাজ্য সরকারী অফিসের টক্সিক পরিবেশ
সমস্ত অফিসেই কর্মচারীর সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় নেহাতই অপ্রতুল। নতুন কর্মচারীর ওপর পড়ছে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশী চাপ। জুটছে না পর্যাপ্ত ট্রেনিংও!
বিড়ম্বিত বসন্ত
মায়ের চাপে বিয়ে করতে বাধ্য হয়েছিল জয়। ঋতু যে একান্তই ওর মায়ের পছন্দ, ওর নয় — সে তথ্য জানাতে ভোলেনি ফুলশয্যার রাতেই।
মুক্তির রং ও নেতাজি সুভাষ
আবেগআপ্লুত মানুষ তাঁর কথা শুনছেন অবাক হয়ে আর ভাবছেন — এই গর্ব তারা রাখবে কোথায়? সারা ভারতের মানুষ যা পেল না, তা তারা পেয়ে গেল অবলীলায়!
এক্স টু দি পাওয়ার জিরো
অনিলের ইউরিন টেস্ট করানোর উপদেশ ছ্যাঁত করে লাগে রণিতার বুকে। এই ঘটনার বেশ কিছুদিন পরে ওষুধের দোকানে রনিতাকে দেখে অনিল।
মানুষ কি ঈশ্বরের ভূমিকা নিতে প্রস্তুত?
২১শ শতকের সবচেয়ে আলোচিত আবিষ্কারগুলোর একটি হলো CRISPR-Cas9 — যে প্রযুক্তি 'ডিজাইনার বেবি' সৃষ্টি করতেও সক্ষম।
বিনি সুতোয়
কলেজে পড়তে অভিজিতের সাথে এতো প্রেম, গোটা পাড়া জেনে গেল এই আমাদের জামাই হবে। কে না বলেছে ওদের লেক, রবীন্দ্র সদন, অলি-গলিতে দেখা গেছে।
লেখালেখির চর্চাও জরুরি
সবাই লেখক হবে না — এ নিয়ে কোনও দ্বিমত নেই। কিন্তু যারা লিখতে শেখে, তারা প্রশ্ন করতে শেখে। তারা কেবল তথ্য গ্রহণকারী নয়, চিন্তাশীল নাগরিক হয়ে ওঠে।
সামন্তদের নালা
ওদিকে পিছনে অনুসরণকারী নারীটি আবার কাছে এসে পড়েছে। — “কী গো, পড়ে গেলে নাকি? ছুটছো কেন? আস্তে চলো না।”
অস্তিত্বের সংকটে আমাজনের মাশকো পিরো
শুষ্ক মরসুমে তারা নদীর তীরে এসে কচ্ছপের ডিম সংগ্রহ করে এবং পাম পাতা দিয়ে তৈরি অস্থায়ী কুঁড়েঘরে বাস করে।
মায়াবৃত্ত
তিনি জামার বোতাম খুলে বুকটা দেখালেন। বুকের বাঁদিকে চামড়ার নিচে একটা যন্ত্র বসানো। একটা নীল আলো সেখানে দপদপ করছে।
‘মা’য়ের ভোগ যেখানে নুডুলস্
কালীপূজার পর যে প্রসাদ পরিবেশন করা হয়, তাতে থাকে চপ সুয়ে, রামেন, নুডুলস ও চাইনিজ রাইস — যা ভারতের আর কোথাও দেখা যায় না।
লটারি
প্রভাত স্নান সারিয়া ঘরে প্রবেশ করিতেই চাঁপা বলিয়া বসিল, “তনি মাসীর বর লটারিতে বিস্তর টাকা পেয়েছে। তুমিও তো একটা লটারি কাটতে পার!”
সম্পর্কের ভূমিকা ও সামাজিক বন্ধন
ব্যক্তিগত আক্রোশ, স্বার্থসর্বস্বতা, অবমাননা, অহঙ্কার, লাভ-ক্ষতি ইত্যাদি নেতিবাচক অনুভবগুলি ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ককে কলুষিত করে, শিক্ষাঙ্গন তথা সমাজের অবনমন ঘটায়।
কাঁটাতার
রহমত এপারে দাঁড়িয়ে সেনা জওয়ানকে বলছে, "বাবু, আমারে ছাইড়া দ্যান। আমার বড় সাধ এই দ্যাশে থাকুম। আপনারে আমি পদ্মার খাঁটি ইলিশ ধরাইয়া খাওয়ামু।
কুন্তী : গোপন মাতৃত্বের অনুচ্চারিত আগুন
কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে কুন্তী গেলেন কর্ণের কাছে — সেই গোপন, নিষিদ্ধ, অশ্রু-ভেজা সত্যটি জানাতে — "আমি তোমার মা..."
সুচেতনা
আপনার বান্ধবী ছেলেটিকে জনবহুল রাস্তায় এতটাই অপমান করে যে ছেলেটি মানসিক ভারসাম্য হারায় তৎক্ষণাৎ।
একুশ শতকে দাসপ্রথার নতুন রূপ
আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর যৌথ হিসাব বলছে, ২০২১ সালে পৃথিবীর যেকোনো একদিনে প্রায় ৫০ মিলিয়ন মানুষ আধুনিক দাসত্বের ভেতরে বাস করছিল।
অপেক্ষার গুড়
ভবঘুরে ব্যক্তিটি অবাক হয়ে ভাঁড়ের দিকে তাকালো, তারপর কৃতজ্ঞতায় চোখ ছলছল করে উঠলো। "ঈশ্বর আপনার ভালো করবেন, বাবা," সে বলল।
স্মৃতির ভ্যানিলা এসেন্স আর গল্পের বই | সম্পাদকীয় – পৌষ ১৪৩২
ছ’মাস পূর্তি উপলক্ষে উদ্যোগ ওয়েব ম্যাগাজিনের বিশেষ গল্প সংখ্যা — শীতের সোয়েটারের মতোই পাঠককে আলতো করে জড়িয়ে রাখুক।
অন্তিম প্রহরের ভুল নম্বর
আমি শিশিটা তুলে নিলাম। ড্রয়ারে রেখে দিলাম। চোখের নিচে কালি, চুল উসকোখুসকো। কিন্তু চোখের মণি দুটোতে একটা নতুন ঝিলিক।
বৃষ্টির পরে
দেখলাম ঘন চুলের মধ্যে গাছের পাতা। কষ্ট করে আটকালাম নিজেকে। শুনতে পেলাম বলছে, "এই বইটা আমার প্রিয়, 'পুতুল নাচের ইতিকথা', পড়িস।"
ছবি
সিঁড়ি নেমে গেছে গঙ্গার দিকে। তারই একপাশে মগ্ন হয়ে আঁকছে পাগলটা। ছেলেটা পাগলটার কাছে গিয়ে চায়ের গ্লাস দিয়ে তৃণার দিকে তাকিয়ে কি বলল।
ছাদ হারাবার ভয়
চলে যাওয়ার আগে ইব্রাহিম বলে, "বহ্নি, যোগাযোগ যখন হয়েই গেল, আবার দেখা কোরো।" বহ্নি বলেছে, "তুমিও বাড়ি এসো একদিন। বাবা খুব খুশী হবে।"
টিক্ টিক্ টিক্
দাদু পড়াশোনা শেষ করে যখন ফেরত আসবেন ঠিক করেছিলেন, সেই সময় চাকরির সুযোগ এসে গেল — প্লেন চালানোর সুযোগ। তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ লেগেছে।
ধুপছায়া
বোঝা যাচ্ছে এরা এখানে নিয়মিত খরিদ্দার। সবিতা সবাইকে হেসে অভ্যর্থনা জানিয়ে একে একে সবার পছন্দ মতো চায়ের পাত্র বিস্কুট সহযোগে এগিয়ে দিল।
মৃত্যুর আলো
গন্তব্যে পৌঁছে হঠাৎ করেই মহিলা অ্যাপে দেখানো ভাড়াটা দিতে অস্বীকার করে বসে। চেঁচিয়ে বলে শ্যামলাল নাকি তাকে ঠকাচ্ছে, ইচ্ছে করে ঘুরপথে নিয়ে এসেছে।
আক্রোশ
হঠাৎ দরজায় কেউ নক করছে মনে হলো। শম্পার মা-বাবা ভয়ে স্তব্ধ। শরীরে কাপুনি, দরজার দিকে এগোনোর জন্য পা বাড়াতে পারছে না।
হরির চায়ের দোকান
একবার ফুটবল টুর্নামেন্টের সময় চা বিক্রির কথা ওর মাথায় চাপল। একটা গাছের তলায় বসলো। বিক্রি হলো ভালোই।
খোঁজ
সেই সপ্তাহেই টিনা অফিসের কাজে দিল্লি যায়। সুযোগ নিয়ে বাবার পৈতৃক বাড়ির খোঁজ করে পৌঁছায় লোধী গার্ডেনে। দরজা খুলে অনিমেষ নামে এক ভদ্রলোক।
চিঠি যার ঠিকানা পেল না
লাগেজ বেল্ট থেকে স্যুটকেসটা তুলতেই নীরার মনে হলো — ওজন যেন শুধু পোশাকের নয়, বরং বহু বছরের জমাট বাঁধা স্মৃতির, অকথা কথার, হারিয়ে যাওয়া উষ্ণতার।
হৃদমাঝারে
টিফিনের সময় ছুটি হয়ে গেল। আসার সময় একটা নৌকো পাওয়া গেল। মাঝি বললেন, "আমার বয়স হয়েছে। আমি অতদূর নৌকা বাইতে পারব না বাবু।"
মনের কুয়াশা
সীমাও পবনকে অবাক করে কাঞ্চনের জন্য চা নিয়ে এলো। সেই থেকে কাঞ্চনের যাতায়াত শুরু হয়েছে বাড়িতে। কত কী নিয়ে আসে সীমার জন্য।
গোপন মাণিক্য
একটা নির্জন পার্কে এসে বসলো দুজনে। জায়গাটা ভারী মনোরম। অভ্র ওর এক বন্ধুকে বলে রেখেছিল। সেই বন্ধু এসে ওদের দুজনের বেশ কিছু ফটো তুললো।
অচেনা ক্রিসমাস
তাহলে তিনি ছিলেন বাবার প্রেমিকা। তাহলে বোধহয় কিছু কিছু প্রশ্নের উত্তর এবার মিলছে — কেন তার মা সারা জীবন এত চুপচাপ থেকেছেন।
নন্দদুলালের অভিজ্ঞতা
সাহেবটা ভালো। একটা বড় ঘোড়ার পিঠে চেপে ছুটল। সাহেবের ঘোড়াটা কোথায় ছিল? দেখেনি তো আগে, কাছাকাছি ছিল হয়তো। এই অঞ্চলে ঘোড়া দেখেছে নন্দ।
অনুভব
হৃদয় বুদ্ধিমান ছেলে, কিন্তু ডাউন সিনড্রোমে আক্রান্ত। সমাজের চোখে 'অক্ষম'। আর এই অক্ষমতাকেই নিজের ক্ষমতায় রূপান্তর করেছিলেন উদয়।
কপিল বাবার আশ্চর্য কাহিনী
দেখলাম ঘরের ভেতরে একটা ঘিয়ের প্রদীপ টিমটিম করে জ্বলছে। তার আলোয় দেখলাম ঘরের ঠিক মধ্যিখানে একজন বৃদ্ধ তান্ত্রিক বাবা বসে আছে।
কুয়াশার অন্তরালে
পুরুষ মূর্তিটি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছিল। নারী মূর্তিটি রয়ে গেছে এক ডানা ভাঙা অবস্থায় — অসম্পূর্ণ, যেন বহুদিন ধরে কারোর অপেক্ষা করে আছে।
ভোলাদার মর্মান্তিক পরিণতি
ডাক্তার বোস ভোলাদার স্ত্রী দেবস্মি আর ওদের একমাত্র পুত্র অনিকে বলেছিলেন, "ভোলাবাবুর যা অবস্থা, তাতে বাজার-ঠাজার আর পাঠাবেন না ওনাকে।"
পার্কের শূন্য বেঞ্চটা
জহরের মনে পড়ে তার নিজের মা হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে বলেছিলেন, "একটু হাতটা ধরবি, জহর?" জহর তখন বলতে পারেননি, "ধরছি, মা।"
নিস্তব্ধ রাতের ঝংকার
তিনি টর্চটা মাটিতে নামিয়ে ধরলেন। যেখানে ছায়া দুটি দাঁড়িয়েছিল, ঠিক সেই ভেজা মাটি আর পাথরের ওপর পড়ে আছে একটি ছেঁড়া স্কুলব্যাগ।
চুল কাটতে গেল বেলা
ডাক্তার বলে, "ঠিকঠাক ছোট ছোট করে চুল কাটার কথা ছিল। আমাকে দু-মাসের মধ্যেই আসতে হল।" কথা না বলে কেশব চুল কাটতে থাকে।
সেই চিঠিটা
আমার সাথে বড় পিসি থাকতো, তাঁকে ডিঙিয়ে সাহস ছিল এসে কথা বলার? তার ওপর যা মুখচোরা ছিল সে। শুধু দেখতাম চেয়ে থাকতো এক নাগাড়ে।
কুয়াশার আড়ালে
এক নয়, একাধিক। ছায়া-ছায়া শিশু অবয়ব। অন্ধকারে শুধু লাল লাল আলোর ফুটকি। ওরা পার্কের দোলনায় দুলছে, তার দরুন ক্যাঁচ ক্যাঁচ শব্দ হচ্ছে।
অসম্পূর্ণ সুরের রেশ
অবয়বটি কয়েক হাত দূরে দাঁড়িয়ে। তিনি টর্চের আলো সোজা জলের উপর ফেললেন। অবয়বটি কোনো উত্তর দিল না। শুধু ইশারায় জলে নামতে বলল।
যে রাতে সময় পিছিয়ে গিয়েছিল
সে দশ বছরের, দাদুর সঙ্গে নদীর ধারে বসে কাগজের নৌকা ভাসাচ্ছে। দাদু বলছেন, "জীবনটাও নৌকার মতো, অর্ণব। ভেসে যেতে হয়।"
ধুলোর নিচে লুকোনো লাইনগুলো
রাত বারোটার পাঁচ মিনিট আগে আমি স্কুটার থামালাম। রঘুবাবু লেন একটা সরু গলি। দুইপাশে পুরোনো ভাঙা বাড়ি, অর্ধেক আলো, অর্ধেক অন্ধকার।
রাতশেষের আগেই
ক্লাবের দরজা ঠেলে ঢুকল অরিন্দম। তাঁর চোখে দীর্ঘদিনের ক্লান্তি। মুখে দাড়ি না কাটা। পরনে কালো ওভারকোট। তিনি সাধারণত এই জায়গায় আসেন না।
নিঃশব্দতার সেমিওটিক্স
আঙুলের চাপ দিলেই পাতাটি আলগা হয়ে এল। আর তার ভেতর লুকানো ছিল — একটি ছোট চিরকুট। হাতে আঁকা এক নকশা। প্রথম দেখায় মনে হয় স্রেফ অলংকরণ।
ধানসিঁড়ি
শর্বরী বাপির ব্লেজারটা বের করে গায়ে চাপাল। বোতাম লাগাতে গিয়ে ইনার পকেটে মনে হল কিছু আছে। একটা কাগজ — রঙিন খামে ভরা।
গভীর রাতের সওয়ারী
সোমনাথ বলল, "এই রাতে ভাড়া ভালো মেলে। ট্রাফিকও কম।" তিনি ধীরে বললেন, "মানুষও কম।" সোমনাথ জিজ্ঞেস করল, "কি বললেন, দিদি?"
[1] [2] [3]
ফেসবুক পেজ
Udyog Bengali Web Magazine by Bangali Network

বিভিন্ন বিষয় থেকে বেছে নিয়ে লেখা পড়ুন

    বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশিত হওয়া লেখা পড়ুন

    মাসিক সংখ্যাগুলি দেখুন
    Scroll to Top