দিদির আবদার মেটাতে মেটাতে এবার সত্যিই সহ্যের সীমা পেরিয়ে গিয়েছিল বিশ্বজ্যোতির। কিন্তু প্রতিশোধ নিতে গিয়ে এমন কী শুনল, যা তার নিজের হিসেবটাই ওলটপালট করে দিল?
বাবার সঙ্গে বাজারে যাওয়া মানেই ছিল বিস্কুট, অঙ্ক শেখা আর অফুরন্ত আনন্দ। ষাটের দশকের সেই বর্ষার রবিবারে এমন কী ঘটেছিল, যার কথা বাবা বাকি জীবন ভুলতে পারেননি?
পাই স্যারের অদ্ভুত বিজ্ঞান শেখানো, পরাণদার পান্তুয়া আর পটুয়াপাড়ার পুকুরপাড় — বহু বছর পরে ফিরে এসে কি শৈশবের হারিয়ে যাওয়া মুহূর্তগুলো আবার ফিরে পাওয়া যায়?
পত্রিকা অফিসে ঢোকার সময় সুনীতের গল্পের চেয়ে তাঁর পরিচয়টাই যেন বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত গল্পের মূল্য ঠিক করবে কে — লেখা, না লেখকের নাম?
নিজের হাতে গড়া বাড়ি সন্তানদের দিয়ে আজ একটি বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রয় নিতে চলেছেন অঙ্কূরবাবু। কিন্তু সেই ঠিকানার সঙ্গে তাঁর নিজের জীবনের কী অজানা সম্পর্ক রয়েছে?
অন্যের অসহায়তার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছিল বাপনের সাফল্য। কিন্তু নিজের ছেলের জীবন-মৃত্যুর লড়াই শুরু হলে সে কি বুঝতে পারবে হিসেবের খাতার বাইরে মানুষের মূল্য কতটা?
শান্তিনিকেতনে এসে হারিয়ে যাওয়া নিজেকে খুঁজতে চেয়েছিল সুচরিতা। কিন্তু লাল মাটি, বাউলের সুর আর এক মৃৎশিল্পীর সান্নিধ্যে সে কি খুঁজে পেল নিজের চেয়েও বড় কিছু?
যাদের দূরে রাখতেই শিখেছিল চন্দনা, সেরকম একজন মানুষ এগিয়ে আসে ঠিক সবচেয়ে দরকারের মুহূর্তে। সমাজের বদ্ধ দৃষ্টিভঙ্গি কি সবসময় ঠিক? নাকি সত্যিটা লুকিয়ে থাকে?
‘উদ্যোগ’ ওয়েব ম্যাগাজিন ইনস্টল করুন। ইনস্টলের পর অ্যাপ তালিকা থেকে আইকনটি হোমস্ক্রিনে যোগ করে নিতে পারেন। এরপর সহজেই পড়ুন আপনার প্রিয় ম্যাগাজিন। ভালো না লাগলে যেকোনো সময় এক ক্লিকে আনইনস্টল করতে পারবেন।