Go to Bangali.Network
Go to Bangali.Network



লেখা পাঠান


আমাদের কথা
Contests

উদ্যোগ
Web Magazine


উদ্যোগ Web Magazine
Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
রাতশেষের আগেই
আলো নিভতেই চারদিকে চিৎকার শোনা গেল। ইরা অরিন্দমের হাত আঁকড়ে ধরল। এক সেকেন্ডের মধ্যে গোলমাল, ঠেলাঠেলি, ভাঙচুর শুরু হয়ে গেল। একটি বন্দুকের গুলি গর্জে উঠল — ঠাস! আলো ফিরে এল। হুড পরা লোকটি পড়ে আছে মাটিতে।
রাতশেষের আগেই

কলকাতার শীতের রাত। রাস্তার আলো হালকা কুয়াশার ভিতর মিলিয়ে গেছে। নিস্তব্ধতা আর অনিশ্চয়তার গন্ধ ছড়িয়ে আছে পার্ক স্ট্রিটের চারপাশে। মানুষজন তখনো উৎসবের আবেশে মাতোয়ারা, কিন্তু শহরের এক প্রান্তে, আলো আর আওয়াজের বাইরে দাঁড়িয়ে আছে একটি পুরনো নৈশ ক্লাব — 'মিডনাইট লোটাস'। এখানে সাধারণত যে ধরনের মানুষ আসে, তারা নিজেরাই নিজেদের ছায়ার মতো। কেউ কিছু ভুলতে আসে, কেউ কিছু খুঁজতে আসে, কেউ বা কারো কাছ থেকে পালিয়ে আসে। আজকের রাতটাও এই ক্লাবের কাছে আর দশটা রাতের মতোই মনে হয়েছিল। কিন্তু এই রাতের হিসেব আলাদা। কারণ আজ — দুজন অপরিচিত মানুষ, একটি ঘটনাবহুল রাত, আর সূর্য ওঠার আগেই শেষ হয়ে যাওয়া কিছু ভাগ্য — সব একসূত্রে বাঁধা পড়তে চলেছে।

রাত দশটা নাগাদ ক্লাবের দরজা ঠেলে ঢুকল অরিন্দম। তাঁর চোখে দীর্ঘদিনের ক্লান্তি। মুখে দাড়ি না কাটা। পরনে কালো ওভারকোট। তিনি সাধারণত এই জায়গায় আসেন না। কিন্তু আজ তাকে আসতে হয়েছে। কারো বিশেষ নির্দেশে। পকেটে রাখা কাগজটা তিনি বারবার স্পর্শ করছিলেন — একটি ছোট নোট: "আজ রাত বারোটার আগে মিডনাইট লোটাসে আসুন। আপনি যে সত্য খুঁজছেন, তা আমি জানি।" নাম নেই, পরিচয় নেই। কিন্তু সত্য? অরিন্দম মাসের পর মাস সেই সত্যটাই খুঁজছেন — তার বোন অনুষ্কার মৃত্যুর সত্য। পুলিশ বলেছিল আত্মহত্যা। অরিন্দম কখনো বিশ্বাস করেননি। আজ তিনি সেই লোককে খুঁজতে এসেছেন, যে দাবি করেছে সে সত্য জানে।

ঠিক তার কিছুক্ষণ পর ক্লাবে ঢুকল ইরা। আচরণ আর চোখের চাহনি দেখে মনে হবে সে ভীষণ নার্ভাস। কিন্তু তার মধ্যে একটা জেদ আছে, কেউ সেটা না বললেও বোঝা যায়। ইরা একজন জুনিয়র ডাক্তার। আজ সে এখানে এসেছে এমন এক কারণের জন্য, যা তাকে ভিতর থেকে নাড়া দিচ্ছে। সকাল আটটায় সে একটি অচেনা নাম্বার থেকে একটি বার্তা পেয়েছিল — "তোমার মা যাকে হত্যার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলেন, তিনি আসলে নির্দোষ। প্রমাণ আজ রাতে ক্লাবে দেবে। বারোটার আগেই এসো।" ইরার গলা শুকিয়ে গিয়েছিল। তার মা সাত বছর ধরে জেলে। একটি হত্যার মামলা — যা কখনোই ইরা বিশ্বাস করেনি। আজ কি সেই সত্য প্রকাশ হবে? নাকি এটাও আরেকটা ফাঁদ?

ক্লাব প্রায় ভরা। আলো কম, সুর ঝাপসা। লোকে হাসছে, নাচছে, মদ খাচ্ছে। যেন পৃথিবীর সব সুখ শীতের রাতটাকে গলিয়ে দিচ্ছে। অরিন্দম কাউন্টারের পাশে বসে একটি ব্ল্যাক কফি নিলেন। ইরা একটু বোঝার চেষ্টা করছিল কোথায় বসবে। ঠিক তখন ক্লাবের মালিক বলল — "ম্যাডাম, ওই টেবিলটা খালি। ওই ভদ্রলোক একা বসে আছেন।" ইরা তাকিয়ে দেখল — একজন চওড়া কাঁধের, গভীর চোখের মানুষ বসে আছে। অরিন্দম। ইরা মাথা নেড়ে টেবিলে এসে বসল। দুজনই প্রথমে নীরব। হঠাৎ অরিন্দম বলল, "আপনিও কারো জন্য অপেক্ষা করছেন?" ইরা অবাক। "হ্যাঁ… আপনি?" "হ্যাঁ। তবে মনে হয় একই উদ্দেশ্যে নাও হতে পারে।" ইরা হেসে ফেলল। "এই ক্লাবে কেউ খুব ভালো উদ্দেশ্যে আসে বলে মনে হয় না।" অরিন্দমও হাসল। প্রথমবার। দুজনের মধ্যে দূরত্ব একটু কমল। ইরা জিজ্ঞেস করল, "আপনার মুখটা খুব চাপা দেখাচ্ছে। কোনো সত্য খুঁজতে এসেছেন?" অরিন্দম চমকে গেলেন। কিন্তু নরম গলায় বললেন, "হ্যাঁ। আমার বোনের মৃত্যুর সত্য।" ইরা তাকিয়ে রইল। তার চোখে কষ্ট জমে উঠল। "আমিও আমার মায়ের নির্দোষতার সত্য খুঁজতে এসেছি।" এবার দুজনের মধ্যে একটা অদ্ভুত সংযোগ তৈরি হল। অপরিচিত হলেও, দুজনেই একই জিনিস খুঁজছে — সত্য।

ঠিক তখনই ক্লাবের আলো দু’বার ঝাপসা হয়ে গেল। মিউজিক এক মুহূর্ত থেমে গেল। আলো যেন নিভে যেতে চায়। অরিন্দম চারদিকে তাকাল। "এই ক্লাবটা স্বাভাবিক নয়।" ইরাও টের পেল। ক্লাবের কোণে দু’জন লোক তাদের দিকে তাকিয়ে আছে — একদম স্থির, একদম নির্দয় চোখ। ইরা ফিসফিস করে বলল, "ওরা আমাদের দেখছে।" অরিন্দমও লক্ষ্য করেছেন। "হ্যাঁ। এবং ওরাই জানে আমরা কেন এখানে।" দু’জনই উঠে দাঁড়াতে যাচ্ছিল — ঠিক তখন ক্লাবের মালিক দ্রুত এসে বলল, "না। এখনই বেরোবেন না। তোমাদের দুজনকে যে ডেকেছে, সে এখনো আসেনি।" ইরা তাড়াতাড়ি বলল, "কে ডেকেছে? কোথায় সে?" ক্লাব মালিক নার্ভাস। তার কণ্ঠে আতঙ্ক। "আমি জানি না।" কিন্তু তার চোখ বলছে — সে জানে।

ঘড়ির কাঁটা যখন ঠিক বারোটা স্পর্শ করল, হঠাৎ দরজা দিয়ে ঢুকল এক কালো হুড পরা মানুষ। তার মুখ দেখা যাচ্ছে না, কিন্তু তার উপস্থিতিতে চারপাশে অদ্ভুত চাপা উত্তেজনা। সে সোজা অরিন্দম আর ইরার দিকে এগিয়ে এল। টেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে সে ধীরস্বরে বলল, "তোমরা দুজন — অনুষ্কা আর আরাবার ঘটনার সত্য জানতে চাও, ঠিক?" দুজনই অবাক। সে তাদের দুজনের নাম কীভাবে জানল? অরিন্দম দাঁড়িয়ে বলল, "তুমি কে?" লোকটি বলল, "আমি সত্য জানি। কিন্তু এই সত্য প্রকাশের সময় খুব কম। সূর্য ওঠার আগে এই রাত শেষ হয়ে যাবে। শুধু তোমরা দুজনই পারবে সত্যটা বাঁচিয়ে রাখতে।" হঠাৎ ক্লাবের আলো নিভে গেল।

আলো নিভতেই চারদিকে চিৎকার শোনা গেল। ইরা অরিন্দমের হাত আঁকড়ে ধরল। এক সেকেন্ডের মধ্যে গোলমাল, ঠেলাঠেলি, ভাঙচুর শুরু হয়ে গেল। একটি বন্দুকের গুলি গর্জে উঠল — ঠাস! আলো ফিরে এল। হুড পরা লোকটি পড়ে আছে মাটিতে। তার গলায় রক্ত। ইরা চিৎকার করল, "না! না! সে তো সত্য জানত!" অরিন্দম চারদিকে তাকাল — কেউ একজন পেছনের দরজা দিয়ে দৌড়ে পালাচ্ছে। "চলো!" দুজন একটি অন্ধকার গলি ধরে দৌড়াতে লাগল। শ্বাস নিতে পারছে না, তবু দৌড় থামে না।

গলির শেষে এসে দেখে যে লোকটি পালাচ্ছিল, সে একটি পুরনো গাড়িতে উঠছে। অরিন্দম লাফিয়ে দরজা টানল। কিন্তু গাড়ি ছুটে গেল। ইরা হাঁপাতে হাঁপাতে বলল, "আমরা কি এখনো ফিরে যেতে পারি?" অরিন্দম শান্ত গলায় বলল, "ফিরে গেলে আমাদেরও মৃত্যু নিশ্চিত।" দুজন রাস্তার কোণে এসে দাঁড়াল। শহরের আলো দূরে ঝাপসা। তারা সম্পূর্ণ একা।

ঠিক তখন ইরা দেখতে পেল — তার জ্যাকেটের পকেটে একটি ছোট কাগজ রাখা। খুলতেই অরিন্দম তাকিয়ে রইল। কাগজে লেখা — "সূর্য ওঠার আগেই সত্য নিজেদের বাঁচাতে হবে। অনুষ্কার খুন আর আরাবার মামলার মূল রহস্য — দুটো একই সূত্রে বাঁধা। তোমরা কেউ জানো না, কিন্তু — দুজনেই একই শত্রুর পাশে বসে আছ।" ইরা শিউরে উঠল। "এর মানে? আমাদের শত্রু — একই?" অরিন্দম কাগজ ধরে বলল, "যে আমার বোনকে মেরেছে, সেই তোমার মায়ের ওপর মিথ্যা অভিযোগ চাপিয়েছে।" ইরার চোখে জল চলে এল। "কে? এমন কে আমাদের দুজনের জীবন নষ্ট করেছে?" অরিন্দম গভীর গলায় বলল, "আমি জানি… কারা আমাদের দেখছিল ক্লাবের ভিতরে।"

দুজন আবার ক্লাবের সামনে গেল। এখন ক্লাব বন্ধ। বাইরে দাঁড়িয়ে আছে সেই দুজন লোক — যারা প্রথম থেকেই তাদের দেখছিল। একজন বলল, "বেশি খোঁজাখুঁজি ভাল নয়। সূর্য ওঠার আগে তোমাদেরও শেষ হয়ে যাবে।" অরিন্দম চিৎকার করে বলল, "আমার বোনকে কেন মেরেছিলে? ইরার মাকে কেন ফাঁসিয়েছিলে?" লোকদুই হেসে উঠল। "কারণ ওরা ভুল জায়গায় সত্য খুঁজছিল। তোমরাও সেই পথে যাচ্ছ।" লোক দুজন ছুরি বের করল। ইরা ভয়ে কাঁপলেও অরিন্দম তার হাত ধরে পাশে টেনে নিল। "দৌড়াও!"

তারা দৌড়াতে লাগল। পার্ক স্ট্রিটের আলো পেছনে মিলিয়ে গেল। শহর নিঃশ্বাস ফেলে হাপিয়ে উঠল। দুজন অবশেষে এসে পৌঁছল একটি পুরনো ছাদে। পেছন থেকে তাড়া আসছে। সূর্য উঠতে আর মাত্র বিশ মিনিট। অরিন্দম পকেট থেকে মোবাইল বের করল। শেষবারের মতো বার্তাটির নম্বরে কল দিল। কল রিসিভ হল। এক নারীকণ্ঠ বলল, "তোমরা কি সত্যের জন্য প্রস্তুত?" অরিন্দম বলল, "হ্যাঁ। কে তুমি?" ওপাশ থেকে মহিলা বললেন, "আমি অনুষ্কার বন্ধু। তোমার বোন সত্যি এক চক্র ফাঁস করতে যাচ্ছিল… যা তোমারও পরিবারকে লক্ষ্য করেছিল। আর ইরার মা? তিনিও সেই একই চক্র দেখেছিলেন। তাই ওদের সরিয়ে দেওয়া হয়।" ইরা ফিসফিস করে বলল, "আমাদের শত্রু কে?" মহিলা বললেন, "যে তোমাদের বাবা-মায়ের ব্যবসায়িক পার্টনার ছিল… রুদ্র মালিক।"

অরিন্দম স্তব্ধ হয়ে গেল। "রুদ্র? ও তো আমাদের জীবন বাঁচানোর কথা বলত।" ইরা গলা শুকিয়ে বলল, "ও তো ছোটবেলায় আমাকে দাদার মতো দেখত…" ওপাশ থেকে শান্ত গলায় উত্তর এল, "দেখা সবসময় সত্য নয়। ও-ই তোমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় শত্রু। ও-ই ক্লাবে লোক পাঠিয়েছিল তোমাদের মারার জন্য।" অরিন্দম তীব্র স্বরে বলল, "ওকে আমরা ছাড়ব না।" মহিলা বললেন, "তোমাদের বাঁচতে হলে এখনই ছাদ থেকে নেমে জংশন রোডে আসো। সূর্য উঠলে সব শেষ হয়ে যাবে।"

দুজন সিঁড়ি ধরে ছাদ থেকে নামতে থাকল। পেছন থেকে তাড়া আসছে। প্রতি ধাপেই মৃত্যু আরও কাছে আসছে। রাস্তার মোড়ে এসে তারা দেখল — একটি কালো SUV দাঁড়ানো। সামনে দাঁড়িয়ে আছে — রুদ্র মালিক। ইরা হতবাক। অরিন্দমের চোখে আগুন। রুদ্র ঠান্ডা হাসি দিয়ে বলল, "তোমরা দুজনেই খুব বুদ্ধিমান। কিন্তু সত্য জানার মানুষ খুব কম বাঁচে। তাই… শেষ করে দিতে এসেছি।" সে পিস্তল তুলল। ইরা চিৎকার করল, "তুমি আমার মাকে ফাঁসিয়েছ, তুমি অনুষ্কাকে মেরেছ!" রুদ্র বলল, "আর তোমাদেরও মারব।"

ঠিক তখন পিছন থেকে এক মহিলা রুদ্রের হাতে কাঠি ঢুকিয়ে দিল। রুদ্র পিস্তল ফেলে দিল। সে মহিলা — অনুষ্কার বন্ধু, আরাবার মায়ের সহকর্মী। তিনি চিৎকার করলেন, "দৌড়াও! এখনই!" রুদ্র মাটিতে লুটিয়ে পড়ল। পুলিশের সাইরেন শোনা যাচ্ছে। শহর ধীরে ধীরে আলোয় ভরছে। সূর্য উঠছে। রুদ্রকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেল। ইরার মা মুক্তি পেলেন। অরিন্দমের বোনের মৃত্যুর সত্য প্রকাশ পেল।

ইরা আর অরিন্দম একে অপরের সামনে দাঁড়াল। এই রাতটিই তো তাদের একসাথে এনেছে — দুটি ভাঙা জীবন, দুটি অদেখা সত্য, দুটি অপরিচিত মানুষ। ইরা ধীরে বলল, "যদি আমরা একে অপরকে আজ রাতে না পেতাম… হয়তো আমরা কেউই বাঁচতাম না।" অরিন্দম নরম গলায় বলল, "কখনো কখনো অপরিচিতরাই সবচেয়ে কাছের হয়ে ওঠে।" সূর্য পুরো আকাশ জুড়ে উঠে গেছে। রাত শেষ। কিন্তু দুজনের জীবনে একটি নতুন আলো ফুটে উঠেছে। কখনো কখনো সবচেয়ে অন্ধকার রাতই আমাদের জীবনের সবচেয়ে আলোকিত মানুষটিকে সামনে এনে দেয়। আর সূর্য উঠতেই গল্পের পথ বদলে যায় — চিরতরে।




আপনি কি লিখতে ভালোবাসেন?

‘উদ্যোগ’ ওয়েব ম্যাগাজিনের এপ্রিল সংখ্যা ❛নববর্ষ ১৪৩৩❜ প্রকাশিত হবে ১৫ এপ্রিল। ওয়েবসাইটে ঘোষিত বিভাগগুলি থেকে আপনার পছন্দের বিষয়ে লেখা পাঠান ১০ই এপ্রিলের মধ্যে। লেখা পাঠানোর আগে অতি অবশ্যই শর্তাবলী পড়ুন। নির্বাচিত লেখাগুলি লেখক / লেখিকার ছবি ও সংক্ষিপ্ত পরিচিতিসহ Bangali.Network ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে, এবং ১২ জন পর্যন্ত লেখক / লেখিকা পাবেন 'মাসের সেরা কলম' সম্মান। বিশদে জানতে ও আপনার লেখা পাঠাতে এখানে ক্লিক করুন

পৃষ্ঠা

ডিসক্লেইমার : লেখা, মতামত, মন্তব্য বা সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত সকল বক্তব্য সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকা / সাক্ষাৎকারদাতার নিজস্ব এবং সম্পূর্ণ দায়ভার তাঁদের উপরই বর্তায়। এই সমস্ত মতামত Bangali Network-এর নিজস্ব মতামত, অবস্থান বা নীতির প্রতিফলন নাও হতে পারে। লেখক পরিচিতিতে প্রদত্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজস্ব বিবরণ অনুযায়ী প্রকাশিত। Bangali Network উক্ত তথ্যের যথার্থতা, সম্পূর্ণতা বা নির্ভুলতা সম্পর্কে কোনো প্রকার নিশ্চয়তা প্রদান করে না এবং এ সংক্রান্ত কোনো দায় গ্রহণ করে না।

ডিসক্লেইমার : লেখা, মতামত, মন্তব্য বা সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত সকল বক্তব্য সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকা / সাক্ষাৎকারদাতার নিজস্ব এবং সম্পূর্ণ দায়ভার তাঁদের উপরই বর্তায়। এই সমস্ত মতামত Bangali Network-এর নিজস্ব মতামত, অবস্থান বা নীতির প্রতিফলন নাও হতে পারে। লেখক পরিচিতিতে প্রদত্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজস্ব বিবরণ অনুযায়ী প্রকাশিত। Bangali Network উক্ত তথ্যের যথার্থতা, সম্পূর্ণতা বা নির্ভুলতা সম্পর্কে কোনো প্রকার নিশ্চয়তা প্রদান করে না এবং এ সংক্রান্ত কোনো দায় গ্রহণ করে না।

ভালো লাগলে ভালোবাসা দিন
অপছন্দ হলে পরামর্শ দিন
মতামত জানাতে মন্তব্য করুন
0 0 ভোট
স্টার
guest
0 কমেন্ট
নতুন থেকে পুরোনো
পুরোনো থেকে নতুন ভোটসংখ্যা অনুসারে
ইনলাইন প্রতিক্রিয়া
সকল কমেন্ট দেখুন
ফেসবুক পেজ
Udyog Bengali Web Magazine by Bangali Network

বিভিন্ন বিষয় থেকে বেছে নিয়ে লেখা পড়ুন

    বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশিত হওয়া লেখা পড়ুন

    মাসিক সংখ্যাগুলি দেখুন
    Scroll to Top