তালপাতায় হাতে লেখা চর্যাপদের পংক্তি থেকে মোবাইলে টাইপ করা মজাদার টুইট, বাংলা ভাষা পেরিয়েছে অনেক শতাব্দী, পেয়েছে অনেক রূপ। আজ ২২ কোটি মানুষের মাতৃভাষা বাংলা, এবং পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম জাতিগত গোষ্ঠী বাঙালি।
সাহিত্যর সাথে বাঙালির চিরকাল-ই গভীর রোমান্স। সে উপন্যাস হোক কি ছোটগল্প, কাব্য হোক কি ছড়া, সনেট হোক কি নৃত্যনাট্য — যে কোনো প্রকার সাহিত্যের প্রতি অনুরাগ বাঙালি উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে।
সেই অনুরাগ কিন্তু শুধু সাহিত্য পাঠের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, সাহিত্য রচনাতেও বাঙালি সমান আগ্রহী। অল্প বয়েসে প্রেমের কবিতা লেখার চেষ্টা করে নি, এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া দুষ্কর (সেই কবিতা পড়ে যদি প্রিয় মানুষটির বুক ধুকপুক করার বদলে মাথা বনবন ঘুরে থাকে, তার দায়িত্ব কবির নয়)।
দক্ষিণ এশিয়ার আধুনিক সাহিত্যের বিকাশে বাঙালি ছিল পথিকৃত। কিন্তু বিশ্বায়নের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় বাংলা লেখা ও পড়ার অভ্যাস কি ক্রমশ আমাদের মধ্যে সম্মিলিতভাবে হ্রাস পাচ্ছে? শিক্ষিত বাঙালিরা কমপক্ষে তিনটি ভাষা জানেন — এর মধ্যে মাতৃভাষার চর্চাটাই কি ধীরে ধীরে আমরা কমিয়ে দিচ্ছি?
এই প্রশ্ন থেকেই জন্ম নিয়েছে একটি বাংলা মাসিক ই-পত্রিকা বা ওয়েব ম্যাগাজিন —
দেশের বাঙালি, বিদেশের বাঙালি, অধিবাসী, অভিবাসী, প্রবাসী বাঙালি, এবং অ-বাঙালি যাঁরা ভালোবাসেন বাঙালির ভাষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য কে — সকলকে মৈত্রীর সূত্রে বাঁধতে একটি আন্তরিক উদ্যোগ —
বাঙালি.নেটওয়ার্ক-এর
উদ্যোগ — বাংলার ডিজিটাল কলম। আসুন আমরা হাতে হাত মেলাই, বাংলা ভাষায় নানা বিষয়ে পড়তে... এবং লিখতেও...
একটি ভাষা, একটি সংস্কৃতি, একটি সম্প্রদায় — আমাদের গৌরব, আমাদের ঐতিহ্য। বাঙালি.নেটওয়ার্ক-এর
উদ্যোগ হলো সেই গৌরবকে সাহিত্যের মাধ্যমে নতুনভাবে বাঁচিয়ে রাখার প্রয়াস, আর Bangali Network সংস্থা সেই বৃহত্তর উদ্যোগের ছাতা — যার পরিকল্পনায় আছে প্রতিযোগিতা, ভক্সপপ ভিডিও, সাংস্কৃতিক আয়োজন এবং একদিন হয়তো একটি বাস্তব কমিউনিটি ক্লাব।
বাঙালি.নেটওয়ার্ক-এর উদ্যোগ ওয়েব ম্যাগাজিনে আপনি কি লিখতে ইচ্ছুক? ম্যাগাজিনের কোনো একটি পাতা হয়তো আপনারই লেখার পথ চেয়ে আছে! আপনার মুক্তচিন্তা ও কল্পনাশক্তি হয়ে উঠুক আগামী সংখ্যার #VoiceofUdyog.
(আর্টিকেল)
মুর্শিদাবাদে রেশমের উৎপাদন শুরু হয় ১৩ শতাব্দীতে, এবং ১৭ শতাব্দী থেকে বিদেশী ব্যবসায়ীরা মুর্শিদাবাদ থেকে রেশম রপ্তানির ব্যবসা শুরু করেন। একসময় বাংলা ছিল ভারতের প্রধান রেশম-বয়ন কেন্দ্র। সেই ঐতিহাসিক মুর্শিদাবাদি সিল্কের হাল-হাকিকত জানালেন সাইফুল হাসান।