Go to Bangali.Network
Go to Bangali.Network



লেখা পাঠান


আমাদের কথা
Contests

উদ্যোগ
Web Magazine


উদ্যোগ Web Magazine
Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
বিভাগ : বড়গল্প
চোখ খোল
কারখানার বিষে মরছে মানুষ, শুকিয়ে যাচ্ছে ঝোরা। ঠিক তখনই পাহাড়ের গভীরে ঝিংকু এমন কী দেখেছিল, যা বদলে দিতে পারে পুরো জঙ্গলমহলের ভবিষ্যৎ?
শোধ
শৈশবের সখী লক্ষ্মী বারো বছর পর হঠাৎ ফিরে আসে নবাসনে। কিন্তু জেলফেরত সেই মেয়ের চোখে এবার অন্য আগুন — আর সেই আগুনে পুড়ে ছাই হতে চলেছে কার জীবন?
মেরুন পাঞ্জাবি
এক শিক্ষক আর এক বস্তির মেধাবী মেয়ের জীবনের বন্ধনে গড়ে ওঠে ত্যাগ, স্বপ্ন আর শ্রদ্ধার এক গভীর সম্পর্ক। কিন্তু দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যবস্থার আঘাতে সবকিছু কি ভেঙে পড়বে?
শালুকফুলের জীবন
গ্রামবাংলার সরল জীবনের আড়ালে লুকিয়ে ছিল এক ভয়ংকর সত্য। মদনকাকার চোখে ধরা এই কাহিনি দেখায়, আসল সাধু কে — আর ন্যায়ের মূল্য কি?
অনুরাগের উষ্ণতা
একাকিত্বের নীরবতার মাঝে আকস্মিক মুখোমুখি সেই অতীত, যেখান থেকে অনন্যা কখনো বেরোতে পারেনি। মুখোমুখি অসমাপ্ত সম্পর্ক আর প্রতারণার স্মৃতি।
অপরাজিতা
ঝলসে যাওয়া মুখ, হারানো দৃষ্টি — তবু নত হয়নি মাথা। পনেরো বছরের আগুন বুকে নিয়ে, এক মেয়ের লড়াই বদলে দিল ক্ষমতার চেহারা।
নিশীথের নিশাত
শীতের কুয়াশায় ফাঁকা রাস্তায় লিফট চাওয়া এক মেয়ে — আর তারপর শুরু হয় নীলাভ আলো, আতরের গন্ধ, আর এক অচেনা জগতের ডাক।
উনিশশো ছেচল্লিশ
"মাস্টারমশাই গো, মাস্টারমশাই গো — একটা জিনিস। এখানেও এঁনারা আছেন। আজ মাঠ চষতে গিয়ে এটা পেলাম। পিদিম মনে হচ্ছে।"
সামন্তদের নালা
ওদিকে পিছনে অনুসরণকারী নারীটি আবার কাছে এসে পড়েছে। — “কী গো, পড়ে গেলে নাকি? ছুটছো কেন? আস্তে চলো না।”
মায়াবৃত্ত
তিনি জামার বোতাম খুলে বুকটা দেখালেন। বুকের বাঁদিকে চামড়ার নিচে একটা যন্ত্র বসানো। একটা নীল আলো সেখানে দপদপ করছে।
ধুপছায়া
বোঝা যাচ্ছে এরা এখানে নিয়মিত খরিদ্দার। সবিতা সবাইকে হেসে অভ্যর্থনা জানিয়ে একে একে সবার পছন্দ মতো চায়ের পাত্র বিস্কুট সহযোগে এগিয়ে দিল।
চিঠি যার ঠিকানা পেল না
লাগেজ বেল্ট থেকে স্যুটকেসটা তুলতেই নীরার মনে হলো — ওজন যেন শুধু পোশাকের নয়, বরং বহু বছরের জমাট বাঁধা স্মৃতির, অকথা কথার, হারিয়ে যাওয়া উষ্ণতার।
কপিল বাবার আশ্চর্য কাহিনী
দেখলাম ঘরের ভেতরে একটা ঘিয়ের প্রদীপ টিমটিম করে জ্বলছে। তার আলোয় দেখলাম ঘরের ঠিক মধ্যিখানে একজন বৃদ্ধ তান্ত্রিক বাবা বসে আছে।
অসম্পূর্ণ সুরের রেশ
অবয়বটি কয়েক হাত দূরে দাঁড়িয়ে। তিনি টর্চের আলো সোজা জলের উপর ফেললেন। অবয়বটি কোনো উত্তর দিল না। শুধু ইশারায় জলে নামতে বলল।
নিঃশব্দতার সেমিওটিক্স
আঙুলের চাপ দিলেই পাতাটি আলগা হয়ে এল। আর তার ভেতর লুকানো ছিল — একটি ছোট চিরকুট। হাতে আঁকা এক নকশা। প্রথম দেখায় মনে হয় স্রেফ অলংকরণ।
ফেসবুক পেজ
Udyog Bengali Web Magazine by Bangali Network

বিভিন্ন বিষয় থেকে বেছে নিয়ে লেখা পড়ুন

    বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশিত হওয়া লেখা পড়ুন

    মাসিক সংখ্যাগুলি দেখুন
    Scroll to Top