Go to Bangali.Network
Go to Bangali.Network



লেখা পাঠান


আমাদের কথা
Contests

উদ্যোগ
Web Magazine


উদ্যোগ Web Magazine
Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
মৃত্যুর আলো
শ্যামলাল ভয়ে চিৎকার উঠল, "দয়া করুন, হরিনাথ বাবু। দাঁড়িয়ে যান। নাহলে যে মৃত্যু ঘটবে। ট্রাকটা আমাদের ওপর দিয়ে চলে যাবে, হরিনাথ বাবু। আমরা কেউ বাঁচব না। আপনি যদি না দাঁড়ান, তাহলে কিন্তু আমি লাফিয়ে নামতে বাধ্য হবো।"
মৃত্যুর আলো

কুয়াশার ঘেরাটোপে ঠিকমতো পথ দেখা যাচ্ছে না। সময়েরও কোনো হিসেব নেই। সূর্যি মামা ডুবেছে ঘণ্টা দেড়েক আগে। একে অন্ধকার, তার ওপর আবার কুয়াশা। সঙ্গে আজ হাত টর্চটি আনতে ভুলে গেছে শ্যামলাল।

মুশকিলের বিষয়, আজ সে বাড়ি ফেরার শেষ বাসটি চেষ্টা করেও ধরতে পারেনি।

কলকাতা শহরে শ্যামলাল ক্যাব চালাত। বেশিরভাগ সময় রাতের রাস্তাই ছিল তার কর্মক্ষেত্র। রাত বাড়লে ভাড়া ভালো মেলে, এই ভরসাতেই সে নাইট ডিউটি করত। মানুষ চিনত না সে, রাস্তাই চিনত। কোন মোড়ে কখন ট্রাফিক আটকে যায়, কোন গলি শর্টকাট — এই সব হিসেবই ছিল তার পুঁজি।

কয়েকদিন আগেই সব এলোমেলো হয়ে গেছে। একটি নাইট ক্লাব থেকে মদ্যপ অবস্থায় এক মহিলা যাত্রীকে বাড়ি পৌঁছে দিতে গিয়েছিল শ্যামলাল। গন্তব্যে পৌঁছে হঠাৎ করেই মহিলা অ্যাপে দেখানো ভাড়াটা দিতে অস্বীকার করে বসে। চেঁচিয়ে বলে শ্যামলাল নাকি তাকে ঠকাচ্ছে, ইচ্ছে করে ঘুরপথে নিয়ে এসেছে। শ্যামলালের মাথাটা তখন ঠিক থাকেনি। অপমান, ক্লান্তি আর রাগ একসঙ্গে মাথায় উঠে গিয়েছিল। সেও গলা চড়িয়ে পাল্টা মহিলাকে 'জোচ্চোর' বলে গাল দিয়েছিল। রাস্তায় দাঁড়িয়ে দুজনের চেঁচামেচি চলেছিল কিছুক্ষণ।

পরদিন সকালে থানার নোটিশ এসে যায়। অভিযোগ — অশালীন আচরণ, হুমকি, ভয় দেখানো। শ্যামলাল হাত তোলেনি, চেঁচামেচি ছাড়া আর কিছু করেনি। রাস্তার একটা সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে সব পরিষ্কার থাকলেও, পুলিশি জেরা আর অফিসের ঝামেলায় কাজটা আর টেকেনি। কোম্পানির কাছে সে তখন দায়।

অপমান আর ক্ষোভ বুকের ভেতর জমিয়ে শহর ছেড়ে গ্রামের পথে রওনা দিয়েছে সে। ভাবছিল, কয়েকদিন বাড়িতে থাকলে মাথাটা একটু ঠান্ডা হবে। তারপর আবার কিছু একটা দেখা যাবে। আজ শনিবার। শেষ জমানো টাকায় ট্রেন ধরে এসেছে। কিন্তু ভাগ্য যেন এখানেও তাকে ছাড়ল না — শেষ বাসটাও ঠিক তার চোখের সামনেই ছেড়ে বেরিয়ে গেল।

যদিও তার অবশ্য কোনো দোষ নেই। সে যথা সময়েই এসেছে স্টপে। কিন্তু বাস আজ পাঁচ মিনিট আগেই ছেড়ে বেরিয়ে গেছে। এমন অজ পাড়া গাঁয়ে তার বাড়ি যে ফেরার আর কোনো অবলম্বন নেই। না আছে কোনো বাস, না আছে অন্য কোনো গাড়িঘোড়া। আর না আছে কোনো জনমানব।

এদিকে শীতটাও পড়েছে বেশ জাঁকিয়ে। কোনোরূপ উপায় না পেয়ে গায়ের ওপর গরম শাল চাপিয়ে কোনো রকমে হাঁটা পথ শুরু করল শ্যামলাল।

রাত তখনও হয়নি। অথচ গ্রামের এখন এমন পরিবেশ, যা দেখে মনে হয় — এখন বুঝি মাঝরাত। অর্ধেকের বেশি গৃহস্থের বাড়িতে আলো নিভে গেছে। চারদিক ভীষণরকম নিঃশ্চুপ নিস্তব্ধ। পথের কুকুরগুলো পর্যন্ত শীতের দাপটে কোনো নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছে। কুয়াশার কারণে অবশ্য আলোগুলোকে ছোটো ছোটো বিন্দুর মতো দেখাচ্ছে। সেই আলো দেখেই কোনোরকমে হাতড়ে হাতড়ে পথ হাঁটছে শ্যামলাল।

মিনিট কুড়ি-পঁচিশ হাঁটার পর হঠাৎ পিছন থেকে একটা সাইকেলের মৃদু বেলের শব্দ শুনতে পাওয়া গেল। শ্যামলাল যেন একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল। কেউ তো একজন আসছে। অন্তত তার সাথে যাওয়া যাবে।

ক্রমশ অন্ধকার আর কুয়াশা ভেদ করে এগিয়ে এল সাইকেল আর সাইকেলচালক। শ্যামলালকে ফেলে রেখে প্রায় কিছুটা এগিয়ে গেল সাইকেল। শ্যামলালের ডাক শুনে সে দাঁড়াল।

"কে যাচ্ছো ভাই? আমাকেও একটু নিয়ে চলো না। আজকে বাসটা ধরতে পারিনি। অনেকটা যেতে হবে এখনো। নিয়ে গেলে খুব উপকার হয়।" শ্যামলাল উদগ্রীব হয়ে তার কাছে গিয়ে বলল।

লোকটার মুখ স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে না। তাই বয়স আন্দাজ করা কঠিন। কিছুক্ষণ থেমে থাকার পর লোকটি বলল, "কোন গাঁয়ে যাবেন?"
"আমি যাবো মুকুন্দপুর। আপনি?"
"আমি যাবো অনেক দূর। আমার যাত্রাপথ অনেক। আপনার অবশ্যই এখন ওখানে যাওয়ার সময় হয়নি। উঠে পড়ুন, আপনাকে বরং মুকুন্দপুর পৌঁছে দিই।"
"অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।" এই বলে শ্যামলাল সাইকেলে উঠে বসল। সাইকেলের চাকা ধীরে-সুস্থে ঘুরে গেল।

কিছুটা পথ তারা কেউই কোনো কথা বলল না। শ্যামলালই প্রথম প্রশ্নটা করল।
"তা মশাইয়ের নাম কী?"
লোকটি কাশতে কাশতে বলল, "হরি। ভালো নাম হরিনাথ মুদি।"
"আপনি আসাতে আমার অনেক উপকার হলো। নইলে কখন বাড়ি পৌঁছাতাম কে জানে!"
"কিন্তু আমি তো এখনো আপনার কোনো উপকারই করলাম না। আগে আপনাকে সুস্থ শরীরে মুকুন্দপুর গাঁয়ে পৌঁছে দেব, তারপর।"
"সাইকেল যখন এগোচ্ছে, তখন ঠিকই পৌঁছে যাবো। সে নিয়ে আর চিন্তা নেই। হ্যাঁ, একটু দেরি হবে — এই আর কী।"

লোকটির গলার স্বর শুনে শ্যামলালের মনে হলো, ওর বয়স তারই আশেপাশে। খুব বেশি হলে ওই পঁয়তাল্লিশ, আর কম হলে চল্লিশ। এর চেয়ে অন্যথা হবে না। তবে একটা বিষয় খুব অদ্ভুত। লোকটি সাইকেল চালাচ্ছে সঠিকভাবেই, কিন্তু কোনো রকম আলো ছাড়া। এই ঘুটঘুটে অন্ধকার আর কুয়াশার ভেতরে এভাবে সাইকেল চালিয়ে যাওয়া বড়োই কঠিন, আর অদ্ভুতও বটে।

কথাটা হরিনাথকে বলতে সে কিছুটা মৃদু হাসল। আর তারপর বলল, "আমার এসব অভ্যাস আছে। আর তাছাড়া পথ আমার খুব চেনা। রোজ যাতায়াত আমার। প্রায়ই দোকানের মাল নিয়ে রাতে ফিরি। কোনো অসুবিধা হয় না।"

এ কথা সত্য। অভ্যাসে মানুষ অনেক কিছুই করতে পারে। পথ চেনা থাকলে অন্ধকারেও যাওয়া খুব একটা সমস্যার নয়। বেশিরভাগটাই মনের জোরের ওপর নির্ভর করে।

কিছুটা পথ আবার কেউ কোনো কথা বলল না। সাইকেল প্যাডেল আর চেনের ঘটঘট শব্দ ভেসে যাচ্ছে ওদের সঙ্গে সঙ্গে। এবার হরিনাথ নিজেই বলল, "একটা বলবো?"
"হ্যাঁ, বলুন না!"
"আচ্ছা, একটু আগে আপনি বললেন আপনার কোনো চিন্তা নেই। সাইকেল যখন রয়েছে, তখন দেরি হলেও আপনি ঠিক বাড়ি পৌঁছে যাবেন। কিন্তু যদি আপনি বাড়ি না ফেরেন?"

শ্যামলাল হরিনাথের কথার কোনো মাথামুন্ডু বুঝতে পারে না। বাড়ি ফেরার জন্যই যখন বেরিয়েছে, তখন বাড়িই তো ফিরবে — সেটাই তো স্বাভাবিক। তাহলে ভদ্রলোক এমন অদ্ভুত কথা কেন বলছেন? উত্তরে শ্যামলাল বলল, "বাড়ি ফিরব বলেই এসেছি যখন, তখন বাড়ি ছাড়া আর কোথায় যাবো বলুন! আর তাছাড়া ফেরার তো আর কোনো জায়গাও নেই।"
"কে বলেছে আর কোনো জায়গা নেই। আছে, শ্যামলাল বাবু, আছে। আমাদের সকলকেই একদিন সেই ঠিকানায় যেতে হয়। আমিও তাই যাচ্ছি। যাওয়ার আগে ভাবলাম আপনার একটু উপকার করে যাই।"

হরিনাথ কী বলে শ্যামলালের মাথায় কিছুই ঢোকে না। কিন্তু একটা বিষয়ে ভীষণরকম অবাক লাগল ওর। ওর নাম যে শ্যামলাল, এটা তো ওনাকে বলেনি সে। তাহলে জানল কী করে? প্রশ্নটা করতে যাবে, আর তখনই হরিনাথ আবার বলল, "মনে করুন, আমরা এই অন্ধকারের মধ্যে বেশ দিব্যি যাচ্ছি। কিন্তু হঠাৎ যদি অন্ধকার ভেদ করে উল্টো দিক থেকে আসা কোনো একটি ট্রাক আমাদের দুজনকে পিষে দিয়ে চলে যায়, তখন কী হবে?"
"যদি এমনটা হয়, তাহলে আমাদের দুজনের কেউই আর জীবিত থাকব না। কিন্তু আপনি এমন অদ্ভুত ধরনের কথা কেন বলছেন?"
"দুজন না, শ্যামলাল বাবু। বলুন একজন। অর্থাৎ আপনি।"
"মানে?"
"মানেটা একবার সামনের দিকে তাকালেই বুঝতে পারবেন।"

হরিনাথের কথা মতো শ্যামলাল সামনের দিকে দৃষ্টি দিল। কুয়াশা আর অন্ধকারের মিশ্রণে অনেক দূরে দুটো আলোর বিন্দু দেখা যাচ্ছে। শ্যামলাল দেখে বলল, "কারোর বাড়িতে বাতিটাতি জ্বলছে মনে হয়।"
"আমিও সেদিন তাই ভেবেছিলাম। ভেবেছিলাম কারোর বাড়িতে বাতি জ্বলছে। কিন্তু অবাকের বিষয় কী জানেন!"
"কী?"
"আমরা এখন যে জায়গার ওপর দিয়ে যাচ্ছি, সেখানে কোনো বাড়িঘর নেই।"
"তাহলে ওগুলো কীসের আলো?"
"মৃত্যুর আলো।"

শ্যামলাল এবার ভয়ে শিউরে উঠল। তার গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল। হরিনাথ বলে কী এইসব। এ কোথায় এসে ফাঁসল সে। আলোর বিন্দু দুটো ক্রমশ কাছে এগিয়ে আসছে।

"হরিনাথ বাবু, দয়া করে বলুন ওগুলো কীসের আলো?"

হরিনাথ কোনো উত্তর দিল না। সাইকেলের গতি মন্থর থেকে ওপরে তুলল। একটা সময় আলোগুলো কাছে এগিয়ে এল। তখন শ্যামলাল বুঝতে পারল — ওগুলো অন্য কিছু নয়, বরং ট্রাকের আলো। খুব দ্রুত গতিতে তাদের দিকেই এগিয়ে আসছে। শ্যামলাল এবার ভয়ে চিৎকার উঠল, "দয়া করুন, হরিনাথ বাবু। দাঁড়িয়ে যান। নাহলে যে মৃত্যু ঘটবে। ট্রাকটা আমাদের ওপর দিয়ে চলে যাবে, হরিনাথ বাবু। আমরা কেউ বাঁচব না। শুনছেন আপনি? আপনি যদি না দাঁড়ান, তাহলে কিন্তু আমি লাফিয়ে নামতে বাধ্য হবো।"
একটা অট্টহাসি হেসে হরিনাথ বলল, "চেষ্টা করে দেখুন নামতে পারেন কি না। তবে আমার মনে হয় পারবেন না। তাই চেষ্টা করাই আপনার জন্য ভালো।"
"আমি আপনার আর কোনো কথা শুনতে চাই না।"

শ্যামলাল সাইকেল থেকে নামতে উদ্যত হলো। কিন্তু পারল না। কোনো এক অদৃষ্ট অদৃশ্য মায়াবলে যেন পা দুটো সাইকেলের মধ্যেই আটকে গেছে। শত চেষ্টাতেও পা দুটো নড়াতে পারছে না। পা দুটো অবশ হয়ে গেছে অনেক আগেই। এই হাড়কাঁপানো ঠান্ডাতেও শ্যামলালের কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জড়ো হয়েছে। চারপাশের অদ্ভুত ঘটনাগুলো বড্ড বেশি অসহ্য লাগছে। এদিকে ট্রাক সাইকেলের একদম সামনে এসে পড়েছে। বাঁচার কোনোরূপ আশা না দেখে মৃত্যুকে আপন করে নিতে চোখ দুটো খুব শক্ত করে বন্ধ করে ফেলল শ্যামলাল। কেবল কানে ভেসে আসছে ট্রাকের ইঞ্জিনের বিকট শব্দ আর হরিনাথের বিচ্ছিরি হাসির মেলবন্ধন। কী ভীষণ একটা দুর্বিষহ মুহূর্ত। কতক্ষণ এভাবে কেটেছে, জানে না শ্যামলাল। চোখ যখন খুলল, তখন কোথায় কী! ট্রাক নেই। ট্রাকের ওই মৃত্যুমুখী আলো নেই। আবার সেই অদ্ভুত নিস্তব্ধতা।

এত কিছুর মাঝেও সাইকেল আছে। হরিনাথ বাবু আছেন। দিব্যি সাইকেলে প্যাডেল করছেন। শ্যামলাল পিছনে বসে বসে অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাই দেখছে। এখন পা দুটো সে নাড়াতে পারছে। আর কোনো অবশতা নেই। ব্যাপারটা কী হলো, কিছুই বুঝতে পারে না।
"কি, ভয় পেলেন নাকি শ্যামলাল বাবু?"
"ভয় পাওয়ার কথা নয় বলছেন!"
"তবে সেদিন প্রথমে কিন্তু আমি ভয় পাইনি। হঠাৎ আচমকা অন্ধকার থেকে সজোরে ট্রাকটা আমার ওপর দিয়ে চলে গেল। তখন অবশ্য ভয় পেয়েছিলাম। যদিও তারপরে আর কিছু করারও থাকেনি। তখন তো দেহে প্রাণটাই আর ছিল না। ফুড়ুৎ করে উড়ে গিয়েছিল। আপনারও আজকে তাই হতো। অন্ধকারে হেঁটে আসতেন। আর কখন এই ট্রাক এসে আপনাকে পিষে চলে যেত। তাই তো আজ আপনাকে দায়িত্ব নিয়ে বাঁচিয়ে বাড়ি পৌঁছে দিতে এলাম। আপাতত আপনার আর কোনো ভয় নেই।"
"আমি তো কিছুই বুঝতে পারলাম না।"
"আপনাকে বুঝতে হবে না। আপনি নিশ্চিন্তে বাড়ি যান, তাহলেই হবে। আমাকেও অনেকটা পথ যেতে হবে। দেরি করলে আমার হবে না।"
"কিন্তু আপনি আমার নাম জানলেন..."
বাকি কথা শেষ করতে না দিয়েই হরিনাথ সাইকেল থামিয়ে বলল, "আর কোনো কিন্তু নয়। নিন, আপনার মুকুন্দপুর এসে পড়েছি। চটপট নামুন তো। আর বাড়ি যান। আমাকে ছাড়ুন এবার।"

শ্যামলাল সাইকেল থেকে নেমে এল। হরিনাথ আর কোনো কথা না বাড়িয়ে সাইকেল সামনের দিকে ছুটিয়ে দিল। শ্যামলাল অদ্ভুতভাবে দেখল — সাইকেলের ওপর কেউ বসে নেই। সাইকেল একাই নিজে থেকে এগিয়ে চলেছে। খুব দ্রুত সাইকেলটা অন্ধকার আর কুয়াশার মধ্যে মিলিয়ে গেল।

শ্যামলাল কী একটা যেন ভেবে নিজের ঘর ঠাহর করে নিয়ে সেই দিকে দৌড় দিল।




আপনি কি লিখতে ভালোবাসেন?

‘উদ্যোগ’ ওয়েব ম্যাগাজিনের এপ্রিল সংখ্যা ❛নববর্ষ ১৪৩৩❜ প্রকাশিত হবে ১৫ এপ্রিল। ওয়েবসাইটে ঘোষিত বিভাগগুলি থেকে আপনার পছন্দের বিষয়ে লেখা পাঠান ১০ই এপ্রিলের মধ্যে। লেখা পাঠানোর আগে অতি অবশ্যই শর্তাবলী পড়ুন। নির্বাচিত লেখাগুলি লেখক / লেখিকার ছবি ও সংক্ষিপ্ত পরিচিতিসহ Bangali.Network ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে, এবং ১২ জন পর্যন্ত লেখক / লেখিকা পাবেন 'মাসের সেরা কলম' সম্মান। বিশদে জানতে ও আপনার লেখা পাঠাতে এখানে ক্লিক করুন

পৃষ্ঠা

ডিসক্লেইমার : লেখা, মতামত, মন্তব্য বা সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত সকল বক্তব্য সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকা / সাক্ষাৎকারদাতার নিজস্ব এবং সম্পূর্ণ দায়ভার তাঁদের উপরই বর্তায়। এই সমস্ত মতামত Bangali Network-এর নিজস্ব মতামত, অবস্থান বা নীতির প্রতিফলন নাও হতে পারে। লেখক পরিচিতিতে প্রদত্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজস্ব বিবরণ অনুযায়ী প্রকাশিত। Bangali Network উক্ত তথ্যের যথার্থতা, সম্পূর্ণতা বা নির্ভুলতা সম্পর্কে কোনো প্রকার নিশ্চয়তা প্রদান করে না এবং এ সংক্রান্ত কোনো দায় গ্রহণ করে না।

ডিসক্লেইমার : লেখা, মতামত, মন্তব্য বা সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত সকল বক্তব্য সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকা / সাক্ষাৎকারদাতার নিজস্ব এবং সম্পূর্ণ দায়ভার তাঁদের উপরই বর্তায়। এই সমস্ত মতামত Bangali Network-এর নিজস্ব মতামত, অবস্থান বা নীতির প্রতিফলন নাও হতে পারে। লেখক পরিচিতিতে প্রদত্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজস্ব বিবরণ অনুযায়ী প্রকাশিত। Bangali Network উক্ত তথ্যের যথার্থতা, সম্পূর্ণতা বা নির্ভুলতা সম্পর্কে কোনো প্রকার নিশ্চয়তা প্রদান করে না এবং এ সংক্রান্ত কোনো দায় গ্রহণ করে না।

ভালো লাগলে ভালোবাসা দিন
অপছন্দ হলে পরামর্শ দিন
মতামত জানাতে মন্তব্য করুন
4.6 5 ভোট
স্টার
guest
0 কমেন্ট
নতুন থেকে পুরোনো
পুরোনো থেকে নতুন ভোটসংখ্যা অনুসারে
ইনলাইন প্রতিক্রিয়া
সকল কমেন্ট দেখুন
ফেসবুক পেজ
Udyog Bengali Web Magazine by Bangali Network

বিভিন্ন বিষয় থেকে বেছে নিয়ে লেখা পড়ুন

    বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশিত হওয়া লেখা পড়ুন

    মাসিক সংখ্যাগুলি দেখুন
    Scroll to Top