Go to Bangali.Network
Go to Bangali.Network



লেখা পাঠান


আমাদের কথা
Contests

উদ্যোগ
Web Magazine


উদ্যোগ Web Magazine
Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
কুয়াশার ছবি
কুয়াশার ছবি

কুয়াশা ঢাকা ভোর। রবীন্দ্রনগরের নাইটগার্ড ধনঞ্জয়ের ভোরের কিছুটা আগে একটু তন্দ্রা মতো এসে গিয়েছিল। আজ একটু আগেই ঘোরাঘুরি শেষ করে ফেলেছে। প্রতিদিন রাতে ওপাড়ার দূর্গাদাস এসে বসে, কতরকম গল্পগাছা হয়। ধনঞ্জয়ের বেশ লাগে।

ঘুরে ঘুরে পাহারা দাও, আর বসে বসে বই পড়ো, নয়তো ভাবো। ভাবতে ধনঞ্জয়ের খুব ভালো লাগে। কতরকম চিন্তা মাথায় আসে, সেগুলোকে কল্পনায় ফেলে আরও কতদূর চলে যাওয়া যায়। কেউ জানতেও পারে না, সমালোচনাও করে না। এইরকম ভাবতে ভাবতে ও কত প্রশ্নের যে জবাব পেয়ে গেছে, তার ইয়ত্তা নেই।

নিয়মমাফিক লেখাপড়া সে সম্পূর্ণ করেছে। পুলিশে চাকরি পেল না তো কী হয়েছে, এই কাজেও তো যথেষ্ট সাহস লাগে, শক্তি লাগে, বুদ্ধিও লাগে। এসবের সবগুলিই তার আছে। পাড়ার মানুষজন তাকে কত সম্মান করে, তার ওপর নির্ভর করে! তার কোনো দুঃখ নেই।

দূর্গাদাসও তারই মতো। গতকাল ও আসেনি। ওর ডিউটির জায়গা মানে নজরুলপল্লীর দেবী মায়ের মন্দিরে মায়ের গা থেকে সমস্ত গয়না চুরি গেছে।

এই মা কালী নাকি একসময় ডাকাতদের পূজিতা ছিলেন। দূর্গাদাসটা এক-একদিন একপাক ঘুরে এসেই নিশ্চিন্তে স্কুলের বারান্দায় শুয়ে পড়ে। কী করে যে ও এত নিশ্চিত! শাস্তিও হয়েছে তেমন!

ওপাড়ার তো বটেই, পাশাপাশি সব পাড়া থেকে লোকজন মায়ের কাছে আসে একটু শান্তি পেতে। সবাই দাবি করেছে দূর্গাদাসকে দিনরাত পাড়ায় থাকতে হবে, নজর রাখতে হবে মন্দিরের আশেপাশে কিংবা পাড়ায় অচেনা বা সন্দেহজনক চেনা কেউ ঘোরাঘুরি করছে কিনা।

চোর আবার আসতে পারে, কারণ মায়ের নাকের টানা নথখানি সে টানাটানি করেও খুলে নিয়ে যেতে পারেনি। ও জিনিসে অনেকখানি সোনা আর মাঝখানে দামি পাথর আছে। সেটি অবশ্যই লোভনীয় এবং চোরবাবাজীর লাভদায়ক হতো। কিন্তু মা একদমই চাননি ওটা ও নিক, তাই নিতে পারেনি। সেই কারণে ওকে একদম সজাগ থাকতে হবে।

দূর্গাদাসের বুদ্ধিটা ততটা প্রখর নয়। আর মনটাও নরম। ধনঞ্জয় জানে ওর খুব মন খারাপ। তাই ডিউটি আওয়ার শেষ হতেই দূর্গার কাছে যাবে ভাবল। তকাল ও আসেনি বলে বকবকানি না হওয়ায় "আরণ্যক"টা অনেকটা শেষ করে এনেছে। তাড়াতাড়ি শেষ হলে লাইব্রেরিতে ফেরত দিয়ে অন্য বই আনতে পারবে। তাই আরও একটু পড়তে ইচ্ছে করছে, আবার দূর্গাদাসের কাছে যাওয়াও দরকার।

সে বেরিয়েই পড়ল। বেশিদূরে তো নয়, দুটো গলি পরেই।

যা ভেবেছিল ঠিক তাই। দূর্গাদাস মাথা নিচু করে বসে আছে। কাছে যেতেই হাউমাউ করে বলল, "ভাইরে, মায়ের গয়নাগুলো আমি থাকতেও চোরটা নিয়ে গেল, মানতে পারছি না। কী কালঘুমে যে পেয়েছিল! মা কালীকে এমন নিরাভরণা দেখতে যে কী খারাপ লাগছে, মায়ের পায়ে মাথা ঠুকলেও কোনো ক্ষমা নেই আমার। আমার জন্যই কাণ্ডটা ঘটল।"

এতক্ষণে বাঁধভাঙা স্রোতের মতো মনের সব কথা বন্ধুকে বলে একটু শান্ত হলো দূর্গাদাস। ধনঞ্জয় তাকে আশ্বস্ত করে দৃঢ় গলায় বলল, "চোরকে ধরতেই হবে। তুই মনে করে করে বলতো, সন্ধ্যে থেকে কেমন দেখতে সব লোক মন্দিরে এসেছিল — পুজো দিতে, আরতি দেখতে?"

আসলে এ পাড়ায় মন্দির আছে বলে দূর্গাদাসের ডিউটি সন্ধ্যা থেকেই।

"ধনা, তুই কি ভাবছিস তোর গোয়েন্দা গল্প পড়ার বিদ্যে দিয়ে তুই চোর ধরে ফেলবি? এরা হলো ডাকাত বুঝলি, না হলে মায়ের গা থেকে গয়না খোলে?"

ধনঞ্জয়ের রহস্য-রোমাঞ্চের গল্প পড়তে খুব ভালো লাগে। সে মনে মনে আশা করেছে গোয়েন্দার মতো ক্লু পেয়ে গেলেই সে চোরকে ধরে ফেলবে। সে অন্য মন্দিরে যায় না, ঘোর ঠাকুর-দেবতা ভক্তও সে নয়। তবু এই দেবীমূর্তিতে যে কী টান আছে... সে মাঝে মাঝেই এখানে আসে। সেই মায়ের গয়না চুরি!

পরের রাতে এইসব ভাবতে ভাবতে একটু ঘুমঘুম পাচ্ছিল। হঠাৎ একটা খুট করে শব্দে চোখ মেলে তাকাল। মনটা খুশিখুশি হয়ে উঠল। "ঊষাকাল, অন্ধকার আর আলোর সন্ধিক্ষণ, কী অপূর্ব!" বিড়বিড় করতে করতে সাহিত্যপ্রেমীটি একটু ভাবুক হয়ে গেল। বেশ যেন একটা পদ্য-পদ্য ভাব এসেছে। প্রাতঃকৃত্য সেরে এসে সামনের মাঠটার কাছে দাঁড়িয়ে প্রকৃতির শোভা উপভোগ করছে। আজ কুয়াশাও বেশ। শীতটা চলে যাচ্ছে, একটু একটু ঠান্ডা লাগছে। বিভোর হয়ে আকাশ দেখতে দেখতে দূরের কুয়াশাঘেরা ইউক্যালিপটাসের গায়ে-গায়ে লেগে থাকা ঘন জায়গাটায় কিসের যেন অবয়ব ফুটে উঠছে।

কী ওটা? চোরটা নাকি?

ধনঞ্জয় তীক্ষ্ণ দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে থাকল। চোখ, হাত, পা সব যেন অবশ হয়ে আসছে। কী যেন দেখছে। একটা... আরও একটা আবছা মূর্তি। হাত তুলে... না, না, লাঠির মতো কী যেন সঙ্গে নিয়ে কাকে খোঁচাচ্ছে। মন্দিরের দেবী মায়ের মুখ যেন... তাঁর গা থেকে গয়না খুলে নিচ্ছে।

"কিন্তু আমি কিভাবে দেখছি? ওখানে কি আছে?"

হতবাক হয়ে যাচ্ছে ধনঞ্জয়। এত সাহসীও ভয়ে চোখ ফিরিয়ে নিতে চাইছে, কিন্তু ঘাড় ঘোরাতেই পারছে না। যেন কেউ নির্দেশ দিয়েছে — দেখতেই হবে। যেন গাছের গুড়ির মতো স্থানু করে দিয়েছে কেউ।

হঠাৎ দেখল ছায়া ছায়া অনেক লোক। হাতে কী ধরা আছে? মশাল কি? হ্যাঁ, ঘন কুয়াশায় মশালের আবরণহীন লেলিহান আগুন এক অপার্থিব দৃশ্য তৈরি করেছে। একটি বধূবেশী মেয়ে কাঁদছে। হাতজোড় করে কাঁদছে। পাশে গলবস্ত্র মধ্যবয়স্ক দুটি নারী-পুরুষ আকুল নয়নে কিছু অনুনয় করছে। মনে হচ্ছে ভীষণ ভয়ার্ত তারা। মশালধারীরা দাপাদাপি করছে। মেয়েটির দিকে হাত বাড়াল। একটা চকচকে জিনিস এক মশালধারীর হাতে। কী ওটা? চোখ কচলে বোঝার চেষ্টা করল ধনঞ্জয়। সোনার হার কি?

দু-এক মিনিটে ঘটে গেল আরও অনেক ঘটনা। মধ্যবয়স্ক ব্যক্তিটি মাটিতে পড়ে যাচ্ছেন, অন্যরা ছুটে আসছে তাঁকে তুলে ধরতে। তবে কি বিয়ের কনের গয়না জোর করে কেউ কেড়ে নিচ্ছে? এসব কী দেখছে?

ক্রমাগত সিনেমার আবছা ছবির মতো ভেসে উঠছে ঘটনাগুলো। যেন কেউ ফাস্ট ফরওয়ার্ড করে দেখাচ্ছে। একটি যুবক মশালধারীদেরকে হাত নেড়ে নেড়ে কী যেন বলছে। পেছন থেকে একটি লোক তার মাথায় আঘাত করল। সে মাটিতে পড়ে গেল। উঠল না বোধহয়। অন্যদিকে মেয়েটির হাত ধরে জোরে টান দিচ্ছে আরেকজন। না, তাকে জোর করে নিয়ে যাচ্ছে না, চুড়িগুলো খুলতে চাইছে। তারপর আবার একটা অবয়ব লাঠি হাতে, মারতে উদ্যত কাউকে...

পূর্ব আকাশ হালকা লালচে হতে চমক ভাঙল তার। ইউক্যালিপটাস গাছগুলোর দিকে তাকিয়ে থাকল অনেকক্ষণ। কই, আর তো কিছু দেখা যাচ্ছে না! আর চিন্তা করার শক্তি নেই তার। হতভম্ব অবস্থায় এসে বসলো। খুব ঘুম পাচ্ছে, ক্লান্ত লাগছে।

অনেক বেলায় ঘুম ভাঙল তার। মনে মনে কুয়াশা-কাহিনীর দৃশ্যগুলো একবার ফিরে দেখার চেষ্টা করল। চা খেতে হবে।

একটু হেঁটে চায়ের দোকানে গিয়ে দেখল অনেক লোকজন, দূর্গাদাসও আছে। সবারই আলোচনার বিষয় মন্দিরের চুরি আর চোর। দূর্গাকেও অনেকে দু-এক কথা শোনাচ্ছে। সে বন্ধুর দিকে করুণ চোখে চেয়ে আশ্বাস খুঁজছে। একটা নতুন কথা শুনল — মন্দিরের বেদিতে কাগজের টুকরো পাওয়া গেছে। লেখা — "নিয়ে গেলাম মা, মায়ের গয়না নিয়ে গেলাম।"

অদ্ভুত তো! চোরটা কি এইভাবেই লিখে জানায় নাকি? হীরু ডাকাতের বংশধর?

না, চোর হীরু ডাকাতের বংশধর নয়। তবে যে জয়কৃষ্ণবাবুর মেয়ে, ছেলে-মেয়েদের চাকরি হয়েছে, তাদের বিবাহসূত্রে বড়োলোক কুটুম্ব হয়েছে বলে প্রতিবছর শারদোৎসবে শ্যামাপূজায় মাকে গয়না দিয়ে সাজিয়ে দিতেন তিনি — ডাকাতবংশীয়, ডাকাতের উত্তরাধিকারী।

এসব তথ্য দূর্গাদাস সংগ্রহ করেছে জয়কৃষ্ণবাবুর চোদ্দো বছরের নাতি সৃঞ্জয়ের কাছ থেকে। সে বাড়ির এখানে-ওখানে জিনিসপত্র ঘাঁটাঘাঁটি করতে করতে পাওয়া পুরোনো ছেঁড়া একটি ডায়েরির কথা একবার দূর্গাকে বলেছিল। সেই ডায়েরি সে হস্তগত করেছে "অর্জুন সমগ্র"-এর বিনিময়ে।

ডায়েরিটা জয়কৃষ্ণবাবুর বাবার। কিন্তু চোরের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক কী?

ডায়েরিতে আছে — জয়কৃষ্ণ সাহার বাবার দাদু রাঢ় বাংলার দুর্ধর্ষ ডাকাতরাজা ছিলেন। এই গয়নাগুলি এবং আরও অনেক গয়না, যার জোরে তাঁদের এত ধনসম্পত্তি — সবই লুণ্ঠিত, চোখের জলে ভেজা। জয়কৃষ্ণবাবুর মেয়ে সেটি জানতে পেরে ডাকাত কালিকে একটু একটু করে সেই অলঙ্কারে ভূষিত করেছেন — ভয়ে, লজ্জায়। এই কথা সুমনাদেবী কিছুতেই নিজে স্বীকার করতে চাইছিলেন না। শেষ পর্যন্ত অমাবস্যা পুজোর দিন মন্দিরে মায়ের সামনে তাঁকে ধরল ধনঞ্জয়। বলতেই হলো তাঁকে।

এবার খুঁজে বার করতে হবে ধাঁধার রচয়িতা চোরটিকে। যে এমনভাবে লিখেছে — "নিয়ে গেলাম মা, মায়ের গয়না নিয়ে গেলাম।" কোন মায়ের কথা বলছে? মা কালী, নাকি অন্য কিছু জানাতে চাইছে? ভাবতে ভাবতে ধনঞ্জয়ের সেই আবছা চলচ্ছবির দৃশ্য চোখের সামনে ভেসে উঠল। বধূবেশী মেয়েটির কাছ থেকে মশালধারী গয়না কেড়ে নিচ্ছে।

দূর্গাদাসকে মনে করতে বলেছিল সেদিন কেমন লোকেরা মন্দিরে এসেছিল। ও বলেছে, একজন বৃদ্ধ নাকি সন্ধ্যার পুজো শুরুর প্রায় প্রথম থেকেই তার সঙ্গে অনেক গল্প করেছিলেন। বাড়িতে বোধহয় কেউ নেই, গরিবও। সেই বৃদ্ধর কথা আজ আবার ধনঞ্জয় ওকে জিজ্ঞাসা করতে ও বলল, "জানিস, উনি বলছিলেন ওনার পূর্বপুরুষের পরিবার কালী ডাকাতের কবলে পড়ে সর্বস্বান্ত হয়েছিল। ওনার বাবার পিসির বিয়ের আসরে ডাকাত পড়েছিল। আগে জানান দিয়ে যেমন আসত, তেমন নয়। সব লুটে নিয়ে চলে গেল। একটা বর্ধিষ্ণু পরিবার এক রাতে নিঃস্ব হয়ে গেল। ধারদেনায় জমিগুলোও বেদখল হয়েছিল। আর মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি। ওঁদের আদি বাড়ি ২৪ পরগণাতেই বললেন বোধহয়।"

ধনঞ্জয়ের কাছে এইবারে স্পষ্ট হলো সেদিনের আবছা ছায়াচিত্রের কাহিনী। তাকেই কেন দেখালেন মা! মা কি তবে চোখের জলে ভেজা, রক্তমাখা গয়না পরতে চান না? তাই চোরকে স্পষ্ট দেখালেন না?

পরের দিন সাইকেল নিয়ে দুজনে সবকটি বস্তি এলাকায় বৃদ্ধকে খুঁজে বেড়াল। শহরের একেবারে প্রান্তে ছোট্ট একটি বাড়িতে তাঁকে পাওয়া গেল। বাড়িতে অনেক সদস্য — স্ত্রী, ছেলে, বৌমা, নাতি, নাতনি। কষ্টের সংসার। তবু বাড়িতে বেশ কিছু ভালো বই আছে।

ভদ্রলোক একটুও অবাক হলেন না ওদের দেখে। বললেন, "আমি তোমাদের দুজনকেই ওখানে দেখেছি। মন বলছিল তোমরা আমাকে খুঁজে পাবে। তোমাদের নামও জানি। দূর্গাদাসকে সেদিন আমি চায়ের মধ্যে ঘুমের ওষুধ দিয়েছিলাম।

ওই মন্দিরের মায়ের গয়না আমার বাবার পিসিমার। হয়তো আরও অনেক মায়ের গয়না ওগুলোর সঙ্গে মিশে আছে। কিন্তু সেই সময়ে পরগণা অঞ্চলে আমার পূর্বপুরুষের সমকক্ষ যথেষ্ট ধনী আর ছিলেন না। সুতরাং বেশিরভাগ গয়নাই তাঁদের। জয়কৃষ্ণর পূর্বপুরুষ ডাকাতি করে বড়লোক হলো, আমরা বংশপরম্পরায় গরিব থেকে গেলাম।

আমি বহু খোঁজখবর করে মন্দিরের কথা, জয়কৃষ্ণের কথা জানতে পেরেছি। আমি গরিবিতে যে কষ্ট পেয়েছি, আমার উত্তরপুরুষকে তা পেতে দেব না।"
"কিন্তু ওরা যদি পুলিশের সাহায্যে আপনার খোঁজ পায়?" — আশঙ্কিত হয়ে জানতে চায় দূর্গা।
"আমি বিচারকের কাছে সেই ডাকাতির ঘটনার বিচার চাইব।" — বললেন তিনি।
"এতকাল পরে এর কোনো বিচার হয় না কাকাবাবু।" — ধনঞ্জয় বোঝাল তাঁকে।
"তাহলে তোমাদের বিচারে কী বলে?"

ধনঞ্জয় আশ্বাসের দৃষ্টিতে তাঁকে বুঝিয়ে দিল কী চায়। পরোপকারী ধনঞ্জয়ের প্রতিজ্ঞ-প্রতিশ্রুত হওয়ার অর্থ দূর্গাদাস জানে। ওরা উঠে পড়ল।

নজরুলপল্লীতে এসে ধনঞ্জয়ের পরিকল্পনামতো দূর্গাদাস সৃঞ্জয়ের মায়ের কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি আদায় করে নিল। উনি যেন পাড়ার থেকে করা পুলিশ ডায়েরি উইথড্র করে নিতে অনুরোধ করেন, আর সবাইকে যেন বলেন — উনি বুঝতে পেরেছেন মা ওই গয়না পরতে চান না। ও গয়না তাঁর পূর্বপুরুষদের দ্বারা লুণ্ঠিত, কতশত মানুষকে নিঃস্ব করে দুঃখময় জীবনে ঠেলে দেওয়া পাপের উপার্জন।

সুমনাদেবী বৃদ্ধ গণপতিবাবুর প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে পূর্বপুরুষের পাপের দায় নিজের মাথায় নিলেন। তিনি গণপতিবাবু ও তাঁর পরিবারের পাশে থেকে তাঁদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলেছেন আজও।




আপনার ভোটেই নির্ধারিত হবে ‘মাসের সেরা কলম’

এখনই আপনার পছন্দ বেছে নিন

বিস্তারিত নিয়ম

একজন পাঠক একটি সংখ্যায় সর্বোচ্চ ৫টি ভিন্ন কলম প্রতিক্রিয়া দিতে পারবেন — অর্থাৎ প্রতিটি প্রতিক্রিয়া একবার করে দেওয়া যাবে। একই মাসে একই প্রতিক্রিয়া ভিন্ন কোনো লেখায় নতুন করে নির্বাচন করলে, আগেরটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে এবং সর্বশেষ নির্বাচিত প্রতিক্রিয়াটিই গণ্য হবে। অর্থাৎ, পাঠক প্রতিটি প্রতিক্রিয়া বিভাগে একটি করে লেখা নির্বাচন করতে পারবেন। এই প্রতিক্রিয়াগুলির ভিত্তিতেই নির্বাচিত হবেন ‘মাসের সেরা কলম’ সম্মানের ‘পাঠকের প্রতিক্রিয়া’ বিভাগে পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক–লেখিকারা।

আপনি কি লিখতে ভালোবাসেন?

❛উদ্যোগ❜ ওয়েব ম্যাগাজিনের আষাঢ় সংখ্যাটি প্রকাশিত হবে ২৫ জুন, ২০২৬। ওয়েবসাইটে ঘোষিত বিভাগগুলি থেকে আপনার পছন্দের বিষয়ে লেখা পাঠান ২০ জুনের মধ্যে। লেখা পাঠানোর আগে অবশ্যই শর্তাবলী পড়ুন। নির্বাচিত লেখাগুলি লেখক / লেখিকার ছবি ও সংক্ষিপ্ত পরিচিতিসহ প্রকাশিত হবে, এবং ১২ জন পর্যন্ত লেখক / লেখিকা পাবেন ‘মাসের সেরা কলম’ সম্মান। বিস্তারিত তথ্য এবং লেখা পাঠানোর ডিজিটাল ফর্ম ওয়েবসাইটে দেওয়া আছে।

পৃষ্ঠা

ডিসক্লেইমার : লেখা, মতামত, মন্তব্য বা সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত সকল বক্তব্য সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকা / সাক্ষাৎকারদাতার নিজস্ব এবং সম্পূর্ণ দায়ভার তাঁদের উপরই বর্তায়। প্রকাশিত মতামত বা বিশ্লেষণ Bangali Network-এর নিজস্ব অবস্থান, নীতি বা মতাদর্শের প্রতিফলন নাও হতে পারে। লেখক পরিচিতিতে প্রদত্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজস্ব বিবরণ অনুযায়ী প্রকাশিত। Bangali Network উক্ত তথ্যের যথার্থতা, সম্পূর্ণতা বা নির্ভুলতা সম্পর্কে কোনো প্রকার নিশ্চয়তা প্রদান করে না এবং এ সংক্রান্ত কোনো দায় গ্রহণ করে না।

ডিসক্লেইমার : লেখা, মতামত, মন্তব্য বা সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত সকল বক্তব্য সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকা / সাক্ষাৎকারদাতার নিজস্ব এবং সম্পূর্ণ দায়ভার তাঁদের উপরই বর্তায়। প্রকাশিত মতামত বা বিশ্লেষণ Bangali Network-এর নিজস্ব অবস্থান, নীতি বা মতাদর্শের প্রতিফলন নাও হতে পারে। লেখক পরিচিতিতে প্রদত্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজস্ব বিবরণ অনুযায়ী প্রকাশিত। Bangali Network উক্ত তথ্যের যথার্থতা, সম্পূর্ণতা বা নির্ভুলতা সম্পর্কে কোনো প্রকার নিশ্চয়তা প্রদান করে না এবং এ সংক্রান্ত কোনো দায় গ্রহণ করে না।

ভালো লাগলে ভালোবাসা দিন
অপছন্দ হলে পরামর্শ দিন
মতামত জানাতে মন্তব্য করুন
0 0 ভোট
স্টার
guest
0 কমেন্ট
নতুন থেকে পুরোনো
পুরোনো থেকে নতুন ভোটসংখ্যা অনুসারে
ইনলাইন প্রতিক্রিয়া
সকল কমেন্ট দেখুন
ফেসবুক পেজ
Udyog Bengali Web Magazine by Bangali Network

বিভিন্ন বিষয় থেকে বেছে নিয়ে লেখা পড়ুন

    বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশিত হওয়া লেখা পড়ুন

    মাসিক সংখ্যাগুলি দেখুন
    Scroll to Top