Contests

উদ্যোগ
Web Magazine


উদ্যোগ Web Magazine
Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
সে আমায় এখনও ডাকে
গরমের ছুটিতে মামার বাড়ি গিয়ে বুঝলাম — কিছু কুয়ো শুধু ইট-কংক্রিটে বন্ধ হয় না। কিছু নাম, কিছু অসমাপ্ত জীবন, একদিন শরীর ছেড়ে ভেতরেই বাসা বাঁধে।
একান্নবর্তী পরিবার ভাঙনের গল্প
আধুনিকতার স্রোতে একান্নবর্তী পরিবারের বন্ধন ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছে। ভালোবাসা, সময় ও মূল্যবোধ ফিরিয়ে আনলেই সম্পর্ক আবার শক্ত হতে পারে।
নতুন ক্যালেন্ডারে পুরনো লক্ষ্য | সম্পাদকীয় – মাঘ ১৪৩২
জানুয়ারি মানে নতুন করে শুরু করার এক ধরনের আনুষ্ঠানিক মুহূর্ত। স্মৃতি, দায়িত্ব আর নতুন যাত্রার মাঝখানেই ‘উদ্যোগ’-এর ২০২৬।
ভূত তত্ত্ব কথন — পর্ব ৩ | অধ্যায়: ৭–৮–৯
ভূতের গল্প নয়, ভূতের দর্শনের খোঁজে — ভূতের অস্তিত্ব, বিশ্বাস ও বিজ্ঞানের সংযোগ নিয়ে এক তথ্যবহুল আলোচনা।
শ্যামল দুধ খায় না
কম কথা বলা শ্যামলের সব চিঠিতে পড়াশুনা ও আমি কেমন আছি, জানতে চাওয়া ছাড়া অন্য কোনও জিজ্ঞাসা ছিল না কোনদিন।
নেতাজি ও এক বামপন্থী : একটি কাল্পনিক সংলাপ
যুদ্ধ আর ঔপনিবেশিকতার যুগে একটি কঠিন প্রশ্ন উঠে এসেছিল — দেশ আগে, না আদর্শ? ইতিহাসের এক সন্ধিক্ষণে সেই অগ্রাধিকারের দ্বন্দ্ব নিয়ে আলোচনা।
উনিশশো ছেচল্লিশ
"মাস্টারমশাই গো, মাস্টারমশাই গো — একটা জিনিস। এখানেও এঁনারা আছেন। আজ মাঠ চষতে গিয়ে এটা পেলাম। পিদিম মনে হচ্ছে।"
রাজ্য সরকারী অফিসের টক্সিক পরিবেশ
সমস্ত অফিসেই কর্মচারীর সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় নেহাতই অপ্রতুল। নতুন কর্মচারীর ওপর পড়ছে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশী চাপ। জুটছে না পর্যাপ্ত ট্রেনিংও!
বিড়ম্বিত বসন্ত
মায়ের চাপে বিয়ে করতে বাধ্য হয়েছিল জয়। ঋতু যে একান্তই ওর মায়ের পছন্দ, ওর নয় — সে তথ্য জানাতে ভোলেনি ফুলশয্যার রাতেই।
মুক্তির রং ও নেতাজি সুভাষ
আবেগআপ্লুত মানুষ তাঁর কথা শুনছেন অবাক হয়ে আর ভাবছেন — এই গর্ব তারা রাখবে কোথায়? সারা ভারতের মানুষ যা পেল না, তা তারা পেয়ে গেল অবলীলায়!
এক্স টু দি পাওয়ার জিরো
অনিলের ইউরিন টেস্ট করানোর উপদেশ ছ্যাঁত করে লাগে রণিতার বুকে। এই ঘটনার বেশ কিছুদিন পরে ওষুধের দোকানে রনিতাকে দেখে অনিল।
মানুষ কি ঈশ্বরের ভূমিকা নিতে প্রস্তুত?
২১শ শতকের সবচেয়ে আলোচিত আবিষ্কারগুলোর একটি হলো CRISPR-Cas9 — যে প্রযুক্তি 'ডিজাইনার বেবি' সৃষ্টি করতেও সক্ষম।
বিনি সুতোয়
কলেজে পড়তে অভিজিতের সাথে এতো প্রেম, গোটা পাড়া জেনে গেল এই আমাদের জামাই হবে। কে না বলেছে ওদের লেক, রবীন্দ্র সদন, অলি-গলিতে দেখা গেছে।
লেখালেখির চর্চাও জরুরি
সবাই লেখক হবে না — এ নিয়ে কোনও দ্বিমত নেই। কিন্তু যারা লিখতে শেখে, তারা প্রশ্ন করতে শেখে। তারা কেবল তথ্য গ্রহণকারী নয়, চিন্তাশীল নাগরিক হয়ে ওঠে।
সামন্তদের নালা
ওদিকে পিছনে অনুসরণকারী নারীটি আবার কাছে এসে পড়েছে। — “কী গো, পড়ে গেলে নাকি? ছুটছো কেন? আস্তে চলো না।”
অস্তিত্বের সংকটে আমাজনের মাশকো পিরো
শুষ্ক মরসুমে তারা নদীর তীরে এসে কচ্ছপের ডিম সংগ্রহ করে এবং পাম পাতা দিয়ে তৈরি অস্থায়ী কুঁড়েঘরে বাস করে।
মায়াবৃত্ত
তিনি জামার বোতাম খুলে বুকটা দেখালেন। বুকের বাঁদিকে চামড়ার নিচে একটা যন্ত্র বসানো। একটা নীল আলো সেখানে দপদপ করছে।
‘মা’য়ের ভোগ যেখানে নুডুলস্
কালীপূজার পর যে প্রসাদ পরিবেশন করা হয়, তাতে থাকে চপ সুয়ে, রামেন, নুডুলস ও চাইনিজ রাইস — যা ভারতের আর কোথাও দেখা যায় না।
লটারি
প্রভাত স্নান সারিয়া ঘরে প্রবেশ করিতেই চাঁপা বলিয়া বসিল, “তনি মাসীর বর লটারিতে বিস্তর টাকা পেয়েছে। তুমিও তো একটা লটারি কাটতে পার!”
সম্পর্কের ভূমিকা ও সামাজিক বন্ধন
ব্যক্তিগত আক্রোশ, স্বার্থসর্বস্বতা, অবমাননা, অহঙ্কার, লাভ-ক্ষতি ইত্যাদি নেতিবাচক অনুভবগুলি ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ককে কলুষিত করে, শিক্ষাঙ্গন তথা সমাজের অবনমন ঘটায়।
কাঁটাতার
রহমত এপারে দাঁড়িয়ে সেনা জওয়ানকে বলছে, "বাবু, আমারে ছাইড়া দ্যান। আমার বড় সাধ এই দ্যাশে থাকুম। আপনারে আমি পদ্মার খাঁটি ইলিশ ধরাইয়া খাওয়ামু।
কুন্তী : গোপন মাতৃত্বের অনুচ্চারিত আগুন
কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে কুন্তী গেলেন কর্ণের কাছে — সেই গোপন, নিষিদ্ধ, অশ্রু-ভেজা সত্যটি জানাতে — "আমি তোমার মা..."
সুচেতনা
আপনার বান্ধবী ছেলেটিকে জনবহুল রাস্তায় এতটাই অপমান করে যে ছেলেটি মানসিক ভারসাম্য হারায় তৎক্ষণাৎ।
একুশ শতকে দাসপ্রথার নতুন রূপ
আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর যৌথ হিসাব বলছে, ২০২১ সালে পৃথিবীর যেকোনো একদিনে প্রায় ৫০ মিলিয়ন মানুষ আধুনিক দাসত্বের ভেতরে বাস করছিল।
অপেক্ষার গুড়
ভবঘুরে ব্যক্তিটি অবাক হয়ে ভাঁড়ের দিকে তাকালো, তারপর কৃতজ্ঞতায় চোখ ছলছল করে উঠলো। "ঈশ্বর আপনার ভালো করবেন, বাবা," সে বলল।
স্মৃতির ভ্যানিলা এসেন্স আর গল্পের বই | সম্পাদকীয় – পৌষ ১৪৩২
ছ’মাস পূর্তি উপলক্ষে উদ্যোগ ওয়েব ম্যাগাজিনের বিশেষ গল্প সংখ্যা — শীতের সোয়েটারের মতোই পাঠককে আলতো করে জড়িয়ে রাখুক।
অন্তিম প্রহরের ভুল নম্বর
আমি শিশিটা তুলে নিলাম। ড্রয়ারে রেখে দিলাম। চোখের নিচে কালি, চুল উসকোখুসকো। কিন্তু চোখের মণি দুটোতে একটা নতুন ঝিলিক।
বৃষ্টির পরে
দেখলাম ঘন চুলের মধ্যে গাছের পাতা। কষ্ট করে আটকালাম নিজেকে। শুনতে পেলাম বলছে, "এই বইটা আমার প্রিয়, 'পুতুল নাচের ইতিকথা', পড়িস।"
ছবি
সিঁড়ি নেমে গেছে গঙ্গার দিকে। তারই একপাশে মগ্ন হয়ে আঁকছে পাগলটা। ছেলেটা পাগলটার কাছে গিয়ে চায়ের গ্লাস দিয়ে তৃণার দিকে তাকিয়ে কি বলল।
ছাদ হারাবার ভয়
চলে যাওয়ার আগে ইব্রাহিম বলে, "বহ্নি, যোগাযোগ যখন হয়েই গেল, আবার দেখা কোরো।" বহ্নি বলেছে, "তুমিও বাড়ি এসো একদিন। বাবা খুব খুশী হবে।"
টিক্ টিক্ টিক্
দাদু পড়াশোনা শেষ করে যখন ফেরত আসবেন ঠিক করেছিলেন, সেই সময় চাকরির সুযোগ এসে গেল — প্লেন চালানোর সুযোগ। তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ লেগেছে।
ধুপছায়া
বোঝা যাচ্ছে এরা এখানে নিয়মিত খরিদ্দার। সবিতা সবাইকে হেসে অভ্যর্থনা জানিয়ে একে একে সবার পছন্দ মতো চায়ের পাত্র বিস্কুট সহযোগে এগিয়ে দিল।
মৃত্যুর আলো
গন্তব্যে পৌঁছে হঠাৎ করেই মহিলা অ্যাপে দেখানো ভাড়াটা দিতে অস্বীকার করে বসে। চেঁচিয়ে বলে শ্যামলাল নাকি তাকে ঠকাচ্ছে, ইচ্ছে করে ঘুরপথে নিয়ে এসেছে।
আক্রোশ
হঠাৎ দরজায় কেউ নক করছে মনে হলো। শম্পার মা-বাবা ভয়ে স্তব্ধ। শরীরে কাপুনি, দরজার দিকে এগোনোর জন্য পা বাড়াতে পারছে না।
হরির চায়ের দোকান
একবার ফুটবল টুর্নামেন্টের সময় চা বিক্রির কথা ওর মাথায় চাপল। একটা গাছের তলায় বসলো। বিক্রি হলো ভালোই।
খোঁজ
সেই সপ্তাহেই টিনা অফিসের কাজে দিল্লি যায়। সুযোগ নিয়ে বাবার পৈতৃক বাড়ির খোঁজ করে পৌঁছায় লোধী গার্ডেনে। দরজা খুলে অনিমেষ নামে এক ভদ্রলোক।
চিঠি যার ঠিকানা পেল না
লাগেজ বেল্ট থেকে স্যুটকেসটা তুলতেই নীরার মনে হলো — ওজন যেন শুধু পোশাকের নয়, বরং বহু বছরের জমাট বাঁধা স্মৃতির, অকথা কথার, হারিয়ে যাওয়া উষ্ণতার।
হৃদমাঝারে
টিফিনের সময় ছুটি হয়ে গেল। আসার সময় একটা নৌকো পাওয়া গেল। মাঝি বললেন, "আমার বয়স হয়েছে। আমি অতদূর নৌকা বাইতে পারব না বাবু।"
মনের কুয়াশা
সীমাও পবনকে অবাক করে কাঞ্চনের জন্য চা নিয়ে এলো। সেই থেকে কাঞ্চনের যাতায়াত শুরু হয়েছে বাড়িতে। কত কী নিয়ে আসে সীমার জন্য।
গোপন মাণিক্য
একটা নির্জন পার্কে এসে বসলো দুজনে। জায়গাটা ভারী মনোরম। অভ্র ওর এক বন্ধুকে বলে রেখেছিল। সেই বন্ধু এসে ওদের দুজনের বেশ কিছু ফটো তুললো।
অচেনা ক্রিসমাস
তাহলে তিনি ছিলেন বাবার প্রেমিকা। তাহলে বোধহয় কিছু কিছু প্রশ্নের উত্তর এবার মিলছে — কেন তার মা সারা জীবন এত চুপচাপ থেকেছেন।
নন্দদুলালের অভিজ্ঞতা
সাহেবটা ভালো। একটা বড় ঘোড়ার পিঠে চেপে ছুটল। সাহেবের ঘোড়াটা কোথায় ছিল? দেখেনি তো আগে, কাছাকাছি ছিল হয়তো। এই অঞ্চলে ঘোড়া দেখেছে নন্দ।
অনুভব
হৃদয় বুদ্ধিমান ছেলে, কিন্তু ডাউন সিনড্রোমে আক্রান্ত। সমাজের চোখে 'অক্ষম'। আর এই অক্ষমতাকেই নিজের ক্ষমতায় রূপান্তর করেছিলেন উদয়।
কপিল বাবার আশ্চর্য কাহিনী
দেখলাম ঘরের ভেতরে একটা ঘিয়ের প্রদীপ টিমটিম করে জ্বলছে। তার আলোয় দেখলাম ঘরের ঠিক মধ্যিখানে একজন বৃদ্ধ তান্ত্রিক বাবা বসে আছে।
কুয়াশার অন্তরালে
পুরুষ মূর্তিটি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছিল। নারী মূর্তিটি রয়ে গেছে এক ডানা ভাঙা অবস্থায় — অসম্পূর্ণ, যেন বহুদিন ধরে কারোর অপেক্ষা করে আছে।
ভোলাদার মর্মান্তিক পরিণতি
ডাক্তার বোস ভোলাদার স্ত্রী দেবস্মি আর ওদের একমাত্র পুত্র অনিকে বলেছিলেন, "ভোলাবাবুর যা অবস্থা, তাতে বাজার-ঠাজার আর পাঠাবেন না ওনাকে।"
পার্কের শূন্য বেঞ্চটা
জহরের মনে পড়ে তার নিজের মা হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে বলেছিলেন, "একটু হাতটা ধরবি, জহর?" জহর তখন বলতে পারেননি, "ধরছি, মা।"
নিস্তব্ধ রাতের ঝংকার
তিনি টর্চটা মাটিতে নামিয়ে ধরলেন। যেখানে ছায়া দুটি দাঁড়িয়েছিল, ঠিক সেই ভেজা মাটি আর পাথরের ওপর পড়ে আছে একটি ছেঁড়া স্কুলব্যাগ।
চুল কাটতে গেল বেলা
ডাক্তার বলে, "ঠিকঠাক ছোট ছোট করে চুল কাটার কথা ছিল। আমাকে দু-মাসের মধ্যেই আসতে হল।" কথা না বলে কেশব চুল কাটতে থাকে।
সেই চিঠিটা
আমার সাথে বড় পিসি থাকতো, তাঁকে ডিঙিয়ে সাহস ছিল এসে কথা বলার? তার ওপর যা মুখচোরা ছিল সে। শুধু দেখতাম চেয়ে থাকতো এক নাগাড়ে।
কুয়াশার আড়ালে
এক নয়, একাধিক। ছায়া-ছায়া শিশু অবয়ব। অন্ধকারে শুধু লাল লাল আলোর ফুটকি। ওরা পার্কের দোলনায় দুলছে, তার দরুন ক্যাঁচ ক্যাঁচ শব্দ হচ্ছে।
অসম্পূর্ণ সুরের রেশ
অবয়বটি কয়েক হাত দূরে দাঁড়িয়ে। তিনি টর্চের আলো সোজা জলের উপর ফেললেন। অবয়বটি কোনো উত্তর দিল না। শুধু ইশারায় জলে নামতে বলল।
যে রাতে সময় পিছিয়ে গিয়েছিল
সে দশ বছরের, দাদুর সঙ্গে নদীর ধারে বসে কাগজের নৌকা ভাসাচ্ছে। দাদু বলছেন, "জীবনটাও নৌকার মতো, অর্ণব। ভেসে যেতে হয়।"
ধুলোর নিচে লুকোনো লাইনগুলো
রাত বারোটার পাঁচ মিনিট আগে আমি স্কুটার থামালাম। রঘুবাবু লেন একটা সরু গলি। দুইপাশে পুরোনো ভাঙা বাড়ি, অর্ধেক আলো, অর্ধেক অন্ধকার।
রাতশেষের আগেই
ক্লাবের দরজা ঠেলে ঢুকল অরিন্দম। তাঁর চোখে দীর্ঘদিনের ক্লান্তি। মুখে দাড়ি না কাটা। পরনে কালো ওভারকোট। তিনি সাধারণত এই জায়গায় আসেন না।
নিঃশব্দতার সেমিওটিক্স
আঙুলের চাপ দিলেই পাতাটি আলগা হয়ে এল। আর তার ভেতর লুকানো ছিল — একটি ছোট চিরকুট। হাতে আঁকা এক নকশা। প্রথম দেখায় মনে হয় স্রেফ অলংকরণ।
ধানসিঁড়ি
শর্বরী বাপির ব্লেজারটা বের করে গায়ে চাপাল। বোতাম লাগাতে গিয়ে ইনার পকেটে মনে হল কিছু আছে। একটা কাগজ — রঙিন খামে ভরা।
গভীর রাতের সওয়ারী
সোমনাথ বলল, "এই রাতে ভাড়া ভালো মেলে। ট্রাফিকও কম।" তিনি ধীরে বললেন, "মানুষও কম।" সোমনাথ জিজ্ঞেস করল, "কি বললেন, দিদি?"
আত্মজা
সুজয় বাবু বললেন, "১৯৫০ এ এই ক্যাফে আমার মেয়ের নামে খুলেছিলাম, তখন ওর বয়স মাত্র ১ বছর। আমরা ওর বায়োলজিক্যাল মা বাবা ছিলাম না।"
গুপ্তধনের সন্ধানে
বহু চেষ্টার পর তালা ভাঙতেই ঢাকনা খুলে গেল — ঠান্ডা বাতাস মুখে এসে লাগল। ভেতরে ছিল এক মানুষের কঙ্কাল। বুক-খাঁচা ভাঙা, গলায় ঝুলছে তাবিজ।
মধ্যরাতের হিসেব
লোকটি একটি দোতলা বাড়ির সামনে গাড়ি থামাতে বললেন। সুকুমার দেখল বাড়ির বাইরেটা ভগ্নপ্রায়, বট-অশ্বত্থের শিকড় মাথা উঁচিয়ে উঠেছে দেওয়াল বেয়ে।
যে চিঠিটা খোলা হয় নি
সন্ধে নামছে। লাল মাটির ওপর কুয়াশার হালকা আস্তরণ। মাধবী স্টেশনমুখী রাস্তায় হাঁটছে। আজ তার মনে অদ্ভুত হালকা একটা স্বস্তি।
অনুসন্ধান
তুলিকা মুখার্জীর সঙ্গে কল্যাণের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেই সম্পর্ক গাঢ় থেকে গাঢ়তর হয়। দু’জনে একসঙ্গে পুরী বেড়াতে যায়। তুলিকার গর্ভে সন্তান চলে আসে।
কুয়াশা মাখা রহস্যময় পার্ক
ঠিক তখনই গেটের দিক থেকে আরেকজন গার্ড এসে বলল, "দাদা, এই সময় লেকের কাছে কেন? জানেন তো, বছর দশেক আগে সেই ঘটনাটা?
পকেট
আরতির ঘরে একটি অসম্পূর্ণ পোর্ট্রেট — চশমা-পরা, উষ্ণ হাসির এক পুরুষ। তানিয়া বুঝল — তাঁর বাবা। আরতি বললেন, পোর্ট্রেটটা শেষ করতে পারেননি।
Amar Anka Baba-Maa 2025 — Bangali.Network
An online drawing contest to celebrate Children's Day for kids aged 4–11 where children express their love for their parents through art.
কিশোর মানসিক স্বাস্থ্যের নিঃশব্দ বিপর্যয় | সম্পাদকীয় – অগ্রহায়ণ ১৪৩২
যে কিশোর নিজেকে শেষ করে ফেলেছে, সে কি সত্যিই একা ছিল? না কি আমরা সকলে মিলে তাকে একা করে দিয়েছিলাম?
ভূত তত্ত্ব কথন — পর্ব ২ | অধ্যায়: ৪–৫–৬
ভূতের গল্প নয়, ভূতের দর্শনের খোঁজে — ভূতের অস্তিত্ব, বিশ্বাস ও বিজ্ঞানের সংযোগ নিয়ে এক তথ্যবহুল আলোচনা।
আন্দামানের বিপন্ন জারোয়ারা
কল্পনার রোমাঞ্চ নয় — ৩০ বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতায় লেখা জারোয়াদের প্রকৃত রূপরেখা — যা পর্যটকদের চোখে ধরা পড়ে না।
শব্দ, কম্পন ও প্রাচীন উপাসনালয়ে লুকিয়ে থাকা কোয়ান্টাম সত্য
প্রাচীন ধর্মস্থানের স্থাপত্য কি উপাসনার প্রয়োজনে — না কি আত্মার বিজ্ঞান মেনে? প্রার্থনার সুর যা বলেছিলো হাজার বছর আগে — কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞান আজ তাই বলছে।
বিশ্বাসের জগন্নাথ, প্রবাদের ঠুঁটো জগন্নাথ, বিকৃতির Juggernaut
বিদেশি অনুভব মাপতে পারেনি প্রাচ্যের ভক্তির গভীরতা — ভক্তের আত্মসমর্পণ পাশ্চাত্যের চোখে বিকৃত হয়ে পরিণত হলো আত্মবলির উন্মাদনায়।
হেমচন্দ্র কানুনগো — ভারতের প্রথম ত্রিবর্ণ পতাকার রূপকার
একদিকে আঁকার হাত অপরদিকে রসায়নবিদ, দুটিকেই তিনি কাজে লাগিয়েছিলেন স্বাধীনতার বিপ্লবে। শিষ্য ক্ষুদিরাম বসুর হাতেও তুলে দিয়েছিলেন বোমা।
স্টক মার্কেটে বিনিয়োগকারীদের কাছে ন্যায্য মূল্যের গুরুত্ব
বিপুল মানুষ শেয়ার বাজারে আসছেন, কিন্তু ভুল Valuation-এ শেয়ার কেনার কারণে লোকসানও বাড়ছে। কোন শেয়ার কখন কিনবেন, আর ন্যায্য মূল্য কীভাবে বুঝবেন?
ফ্যাটি লিভার — শরীরের নীরব আর্তনাদ ও জীবনের দ্বিতীয় সুযোগ
কোনো ব্যথা নেই, কোনো সতর্ক বার্তা নেই, অথচ তার কোষে জমছে চর্বি, আর জন্ম নিচ্ছে এক নীরব আতঙ্ক — যা ক্যান্সারের দিকেও মোড় নেয়।
বড়দিনের কেক-এর ইতিহাস
কেরালার এক বিস্কুটের দোকানে হঠাৎ অর্ডার আসে কেক বানানোর — আজ থেকে ১৪০ বছর আগে! তৈরী হয় ভারতের প্রথম প্লাম কেক।
শুধু প্রকৃতির নয়, এখন বৃষ্টি নামছে মানুষেরও মর্জিতে
দিল্লির দূষণ রুখবে কৃত্রিম বৃষ্টি? ব্যয় হবে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা। কিন্তু কৃত্রিম মেঘ বীজ বপনের বিজ্ঞান কতটা সফল?
গলায় গামছা, মুখে বুলি
এসআইআর বিতর্কের আড়ালে হারিয়ে গেল বাঙালির ঐতিহ্য-লড়াই। ভাষা, কৃষ্টি, রাজনীতি ও পরিচয়ের টানাপোড়েন নিয়েই রইলো বাংলা।
রাখিগাড়ি — সিন্ধু সভ্যতার অজানা অধ্যায়
এমন এক আবিষ্কার, যা ইতিহাসকে নতুন করে লিখতে বাধ্য করছে। প্রমাণ করেছে সিন্ধু সভ্যতার প্রকৃত হৃদস্পন্দন ছিল ভারতে।
বিশ্বের আজব শহর
এমন ১১টি শহর যাদের অস্তিত্বই হতবাক করে দেয়! কোথাও মরতে মানা, কোথাও আজও গুহাবাসী মানুষ! যেন গল্পের কল্পনা পৃথিবীতে নেমে এসেছে।
ফলাফলভিত্তিক শিক্ষা — লক্ষ্যমাত্রা থেকেই শুরু হওয়া জ্ঞানযাত্রা
এক আধুনিক বাস্তবমুখী শিক্ষাপদ্ধতি যেখানে শুরুতেই নির্ধারণ করা হয় শিক্ষার্থী শিক্ষাজীবনের শেষে কোন দক্ষতা অর্জন করবে।
বন্ধুত্বের নতুন সংজ্ঞা — ভার্চুয়াল সংযোগ নাকি বাস্তব আশ্রয়?
বাস্তবমুখী সম্পর্ককে ছাপিয়ে যাচ্ছে অনলাইনে তৈরি হওয়া ঘনিষ্ঠতা। এটা কি অ্যালগরিদমের ফাঁদ, নাকি সম্পর্কের সংজ্ঞা সত্যিই নতুন পথে হাঁটছে?
পৃথিবীর আয়নায় গ্রেটা
তাঁর How dare you? শুনে শুধু সভাকক্ষ নয়, কাঁপে গোটা পৃথিবী। কেবল জলবায়ু আন্দোলনের প্রতীক নন — তিনি মানবিক চেতনার ভাষা।
বাস্তব পরাবাস্তব মিলিয়ে রবীন্দ্রনাথ, নজরুল ও জীবনানন্দের চেতনায় নারী
তাঁদের কবিতায় নারী শুধুই রূপসী নন — শক্তি, স্বাধীনতা ও বেদনার তিন ভুবন। প্রতিবাদী, স্বয়ংসিদ্ধা, চিরকালীন এক প্রবাহের নাম নারী।
কালী পূজার হারানো সুর
বাঙালিকে মা কালীর কাছে নিয়ে এসেছিলেন রামপ্রসাদ। মাটির প্রদীপ, নাড়ু আর মিলনমেলা আজও ফিরে আসে ছোটবেলার কালী পূজার স্মৃতিতে।
বিকল্প রাজনীতির সন্ধানে — পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
পরিবর্তনের নামে পালাবদল হয়েছে — কিন্তু প্রশ্ন উঠছে আজও। বাংলার রাজনীতি কি সত্যিই বদলেছে? নাকি বিকল্প রাজনীতি আসছে?
হোমো ডিজিটালিসের পদধ্বনি
মানবসভ্যতার জয়যাত্রা শুরু হয়েছিল ভাষা ও লেখার ক্ষমতা থেকে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি মানবপ্রজাতির পরবর্তী বিবর্তন?
পর্যটনের আগ্রাসন — সভ্যতার আড়ালে তবু নিরাপদ নয় অহল্যাভূমি
ঝোপে-ঝাড়ে পুটুস ফুল আর বনে-বাদাড়ে পলাশের রং মেখে, মহুলের গন্ধে মাতাল হয়ে এই বাংলাতেও আছে এক লুকোনো অযোধ্যা।
মাতৃত্ব এবং আধুনিক নারী
মেয়েরা কি আজও নিজের জীবনের সিদ্ধান্ত নিজে নিতে পারে? মাতৃত্ব কি নারীর সন্তানস্পৃহা না সমাজের চোখে নারীর গ্রহণযোগ্যতা?
অতিপ্রাকৃত — যেখানে যুক্তি থেমে যায়
ভূত কি সত্যিই মৃত মানুষের আত্মা, নাকি আমাদেরই অজানা কোনো সমান্তরাল সত্তা — যাদের আমরা ঠিকমতো দেখতে বা বুঝতে পারি না?
নীল নরক — আকাশের সেই শয়তানি আয়না
তার গভীর নীল সৌন্দর্য আসলে নরকের মুখোশ! আকাশ থেকে ঝরে পড়ে ধারালো কাঁচের বৃষ্টি, বাতাস ছোটে ঘণ্টায় ৭,০০০ কিমি গতিতে, আর তাপমাত্রা ছোঁয় ১,৭০০°C!
লাক্সারি বনাম আত্মসম্মান — নতুন প্রজন্মের বিপথগামী পথ
দামি ফোন, বিদেশ ভ্রমণ, ফটোশুটের হাসি — সবই কি সাফল্য? নাকি সোশ্যাল মিডিয়ার গ্ল্যামারের আড়ালে লুকিয়ে আছে ভয়ঙ্কর শূন্যতা ও সম্পর্কহীনতা?
বনমালী তুমি আর জনমে হইও রাধা
বানো মুস্তাকের গল্প শেষ হয় না, নীরবে আমাদের ভেতরে জ্বলতে থাকে। চুপ করে থাকা ঈশ্বরকে ঝাঁকুনি দিয়ে জাগাতে চায় নারীজীবনের ছিন্নভিন্ন অস্তিত্বের আর্তনাদ।
আমার জীবনের এক বিশেষ শিক্ষক
বিদ্যালয়ের গন্ডির বাইরে একজন মানুষ হয়ে ওঠেন জীবনের প্রকৃত শিক্ষক। তাঁর দেওয়া জীবনের পাঠ আজও মনে আলো হয়ে জ্বলছে।
প্রাণ, মন এবং আত্মা — অস্তিত্ব, চেতনা ও পরিণতির দার্শনিক বিশ্লেষণ
মৃত্যু কী শেষ? নাকি শুধু আমিত্বের সমাপ্তি? প্রাণ, মন আর আত্মা কি এক? নাকি সম্পূর্ণ ভিন্ন স্তরের তিনটি পৃথক সত্তা?
মন — আমাদের নীরব সঙ্গী ও উপেক্ষিত অসুস্থতা
মনের অসুস্থতা চোখে ধরা পড়ে না — তাই আমরা তাকে গুরুত্বও দিই না। কিন্তু এই অদৃশ্য যন্ত্রণাই মানুষকে নীরবে সবচেয়ে বেশি ভাঙে।
কলকাতা ও আমি
শহর, নাকি এক জীবন্ত সত্তা — যার চেতনা আমাদের জীবনকে নীরবে গড়ে ও ভেঙে দেয়? জীবন, মায়া, অস্তিত্ব আর অবক্ষয়ের ভেতর দিয়ে উন্মোচিত তিলোত্তমা।
গ্রিনহাউস গ্যাস — অদৃশ্য শত্রু, দৃশ্যমান বিপর্যয়
পৃথিবীর তাপমাত্রা আরেকটু বাড়লেই ফিরতে না-পারার পথ শুরু! মানবসভ্যতার যে সংকটের মুখে — রয়েছে ভবিষ্যৎ জলযুদ্ধের আশঙ্কাও।
বাঙালির খাওয়া-দাওয়া — স্বাদ, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের গল্প
বর্ষার ইলিশ হোক বা ভোগের লাবড়া — বাঙালির খাবার নিজেই এক জীবন্ত সংস্কৃতি — ঐতিহ্য, আবেগ আর ইতিহাসের সমানুপাতিক মিশ্রণ।
চাঁদের ধুলোয় ঘুমিয়ে থাকা মানুষ
মৃত্যুর পরেও ইচ্ছাপূরণের এক অদ্ভুত, অলৌকিক যাত্রা। ইউজিন শুমেকার — যিনি পৃথিবী ছাড়লেও চাঁদের আলোয় বেঁচে রইলেন চিরকাল।
[1] [2] [3] [4]
ফেসবুক পেজ
Udyog Bengali Web Magazine by Bangali Network

বিভিন্ন বিষয় থেকে বেছে নিয়ে লেখা পড়ুন

    বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশিত হওয়া লেখা পড়ুন

    মাসিক সংখ্যাগুলি দেখুন
    Scroll to Top