Information

Contests

উদ্যোগ
Web Magazine


Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
বিভাগ : ছোটগল্প (short story)
বিশ্বাসের গ্র্যাচুইটি
এই শহরে ভালো মানুষ হওয়া গুণ নয়, নিছক এক বিপজ্জনক অক্ষমতা। সেটা বুঝতে বুঝতে শুধু টাকা নয়, হারিয়ে যায় মধ্যবিত্ত মানুষের অগাধ বিশ্বাস।
নিম কাঠের বাসর
ইছামতির পাড়ে প্রেম আর প্রতারণার মুখোশ এক রাতে খুলে যায়। কূহেলির সামনে ভেঙে পড়ে বিশ্বাসের সমস্ত ভ্রম।
সুখ
বাইশ বছর আগের সেই বৃষ্টির দিনটা আলোকপর্ণা ভুলতে পারেনি — অভিমান আর এক নীরব প্রস্থান। আজ আরেক দুর্যোগে সে ফিরবে — কিন্তু এবার গল্পটা অন্য।
শিকার
তক্ষক আর দিনকানা পাখির ডাক, সাথে জ্বলন্ত বাঘের চোখ!। জঙ্গল কি শিকার করতে শেখায়, না ছাড়তে শেখায়?
ওপারে সপ্তদ্বার
ভয়, মায়া, নীরবতা, ছায়া, ত্যাগ, সত্য আর ভাগ্যের দ্বারে দাঁড়িয়ে এক সাধারণ কিশোর। শেষ দ্বারে শক্তি না রাজত্ব — কি বেছে নেবে?
কর্কশ কান্ড
বছরের শেষ সন্ধ্যায় ভাঙা গাড়ি আর ভাঙা মন নিয়ে নীল কুয়াশার জঙ্গলে ঢুকেছিল বারীন। পরদিন সে ফিরল রক্তাক্ত, আর বনটা নাকি নতুন গাছ পেল!
ফেরেশতা
অপারেশনের পর সবাই ভেবেছিল মৃত্যু ফিরে গেছে। শেষ মুহূর্তে সে-ই জানাল, এতদিন আসলে একা দর্শক ছিল না — নাটকের মঞ্চে পাশা উল্টে দিয়েছিল সে নিজেই।
মুহূর্তেরা মুহূর্তের কাছে ঋণী
লোকাল ট্রেনের ভিড়ে এক তরুণ জুটিকে দেখে হঠাৎ ফিরে এল ষোলো বছর আগের চোদ্দো ফেব্রুয়ারি — রেডিওর গান, লুকিয়ে মেট্রো যাওয়া, আর এক বন্ধুত্বের নিঃশব্দ ঈর্ষা।
সে আমায় এখনও ডাকে
গরমের ছুটিতে মামার বাড়ি গিয়ে বুঝলাম — কিছু কুয়ো শুধু ইট-কংক্রিটে বন্ধ হয় না। কিছু নাম, কিছু অসমাপ্ত জীবন, একদিন শরীর ছেড়ে ভেতরেই বাসা বাঁধে।
শ্যামল দুধ খায় না
কম কথা বলা শ্যামলের সব চিঠিতে পড়াশুনা ও আমি কেমন আছি, জানতে চাওয়া ছাড়া অন্য কোনও জিজ্ঞাসা ছিল না কোনদিন।
বিড়ম্বিত বসন্ত
মায়ের চাপে বিয়ে করতে বাধ্য হয়েছিল জয়। ঋতু যে একান্তই ওর মায়ের পছন্দ, ওর নয় — সে তথ্য জানাতে ভোলেনি ফুলশয্যার রাতেই।
এক্স টু দি পাওয়ার জিরো
অনিলের ইউরিন টেস্ট করানোর উপদেশ ছ্যাঁত করে লাগে রণিতার বুকে। এই ঘটনার বেশ কিছুদিন পরে ওষুধের দোকানে রনিতাকে দেখে অনিল।
বিনি সুতোয়
কলেজে পড়তে অভিজিতের সাথে এতো প্রেম, গোটা পাড়া জেনে গেল এই আমাদের জামাই হবে। কে না বলেছে ওদের লেক, রবীন্দ্র সদন, অলি-গলিতে দেখা গেছে।
লটারি
প্রভাত স্নান সারিয়া ঘরে প্রবেশ করিতেই চাঁপা বলিয়া বসিল, “তনি মাসীর বর লটারিতে বিস্তর টাকা পেয়েছে। তুমিও তো একটা লটারি কাটতে পার!”
কাঁটাতার
রহমত এপারে দাঁড়িয়ে সেনা জওয়ানকে বলছে, "বাবু, আমারে ছাইড়া দ্যান। আমার বড় সাধ এই দ্যাশে থাকুম। আপনারে আমি পদ্মার খাঁটি ইলিশ ধরাইয়া খাওয়ামু।
সুচেতনা
আপনার বান্ধবী ছেলেটিকে জনবহুল রাস্তায় এতটাই অপমান করে যে ছেলেটি মানসিক ভারসাম্য হারায় তৎক্ষণাৎ।
অপেক্ষার গুড়
ভবঘুরে ব্যক্তিটি অবাক হয়ে ভাঁড়ের দিকে তাকালো, তারপর কৃতজ্ঞতায় চোখ ছলছল করে উঠলো। "ঈশ্বর আপনার ভালো করবেন, বাবা," সে বলল।
অন্তিম প্রহরের ভুল নম্বর
আমি শিশিটা তুলে নিলাম। ড্রয়ারে রেখে দিলাম। চোখের নিচে কালি, চুল উসকোখুসকো। কিন্তু চোখের মণি দুটোতে একটা নতুন ঝিলিক।
বৃষ্টির পরে
দেখলাম ঘন চুলের মধ্যে গাছের পাতা। কষ্ট করে আটকালাম নিজেকে। শুনতে পেলাম বলছে, "এই বইটা আমার প্রিয়, 'পুতুল নাচের ইতিকথা', পড়িস।"
ছবি
সিঁড়ি নেমে গেছে গঙ্গার দিকে। তারই একপাশে মগ্ন হয়ে আঁকছে পাগলটা। ছেলেটা পাগলটার কাছে গিয়ে চায়ের গ্লাস দিয়ে তৃণার দিকে তাকিয়ে কি বলল।
ছাদ হারাবার ভয়
চলে যাওয়ার আগে ইব্রাহিম বলে, "বহ্নি, যোগাযোগ যখন হয়েই গেল, আবার দেখা কোরো।" বহ্নি বলেছে, "তুমিও বাড়ি এসো একদিন। বাবা খুব খুশী হবে।"
টিক্ টিক্ টিক্
দাদু পড়াশোনা শেষ করে যখন ফেরত আসবেন ঠিক করেছিলেন, সেই সময় চাকরির সুযোগ এসে গেল — প্লেন চালানোর সুযোগ। তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ লেগেছে।
ধুপছায়া
বোঝা যাচ্ছে এরা এখানে নিয়মিত খরিদ্দার। সবিতা সবাইকে হেসে অভ্যর্থনা জানিয়ে একে একে সবার পছন্দ মতো চায়ের পাত্র বিস্কুট সহযোগে এগিয়ে দিল।
মৃত্যুর আলো
গন্তব্যে পৌঁছে হঠাৎ করেই মহিলা অ্যাপে দেখানো ভাড়াটা দিতে অস্বীকার করে বসে। চেঁচিয়ে বলে শ্যামলাল নাকি তাকে ঠকাচ্ছে, ইচ্ছে করে ঘুরপথে নিয়ে এসেছে।
আক্রোশ
হঠাৎ দরজায় কেউ নক করছে মনে হলো। শম্পার মা-বাবা ভয়ে স্তব্ধ। শরীরে কাপুনি, দরজার দিকে এগোনোর জন্য পা বাড়াতে পারছে না।
হরির চায়ের দোকান
একবার ফুটবল টুর্নামেন্টের সময় চা বিক্রির কথা ওর মাথায় চাপল। একটা গাছের তলায় বসলো। বিক্রি হলো ভালোই।
খোঁজ
সেই সপ্তাহেই টিনা অফিসের কাজে দিল্লি যায়। সুযোগ নিয়ে বাবার পৈতৃক বাড়ির খোঁজ করে পৌঁছায় লোধী গার্ডেনে। দরজা খুলে অনিমেষ নামে এক ভদ্রলোক।
চিঠি যার ঠিকানা পেল না
লাগেজ বেল্ট থেকে স্যুটকেসটা তুলতেই নীরার মনে হলো — ওজন যেন শুধু পোশাকের নয়, বরং বহু বছরের জমাট বাঁধা স্মৃতির, অকথা কথার, হারিয়ে যাওয়া উষ্ণতার।
হৃদমাঝারে
টিফিনের সময় ছুটি হয়ে গেল। আসার সময় একটা নৌকো পাওয়া গেল। মাঝি বললেন, "আমার বয়স হয়েছে। আমি অতদূর নৌকা বাইতে পারব না বাবু।"
মনের কুয়াশা
সীমাও পবনকে অবাক করে কাঞ্চনের জন্য চা নিয়ে এলো। সেই থেকে কাঞ্চনের যাতায়াত শুরু হয়েছে বাড়িতে। কত কী নিয়ে আসে সীমার জন্য।
গোপন মাণিক্য
একটা নির্জন পার্কে এসে বসলো দুজনে। জায়গাটা ভারী মনোরম। অভ্র ওর এক বন্ধুকে বলে রেখেছিল। সেই বন্ধু এসে ওদের দুজনের বেশ কিছু ফটো তুললো।
অচেনা ক্রিসমাস
তাহলে তিনি ছিলেন বাবার প্রেমিকা। তাহলে বোধহয় কিছু কিছু প্রশ্নের উত্তর এবার মিলছে — কেন তার মা সারা জীবন এত চুপচাপ থেকেছেন।
নন্দদুলালের অভিজ্ঞতা
সাহেবটা ভালো। একটা বড় ঘোড়ার পিঠে চেপে ছুটল। সাহেবের ঘোড়াটা কোথায় ছিল? দেখেনি তো আগে, কাছাকাছি ছিল হয়তো। এই অঞ্চলে ঘোড়া দেখেছে নন্দ।
অনুভব
হৃদয় বুদ্ধিমান ছেলে, কিন্তু ডাউন সিনড্রোমে আক্রান্ত। সমাজের চোখে 'অক্ষম'। আর এই অক্ষমতাকেই নিজের ক্ষমতায় রূপান্তর করেছিলেন উদয়।
কপিল বাবার আশ্চর্য কাহিনী
দেখলাম ঘরের ভেতরে একটা ঘিয়ের প্রদীপ টিমটিম করে জ্বলছে। তার আলোয় দেখলাম ঘরের ঠিক মধ্যিখানে একজন বৃদ্ধ তান্ত্রিক বাবা বসে আছে।
কুয়াশার অন্তরালে
পুরুষ মূর্তিটি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছিল। নারী মূর্তিটি রয়ে গেছে এক ডানা ভাঙা অবস্থায় — অসম্পূর্ণ, যেন বহুদিন ধরে কারোর অপেক্ষা করে আছে।
ভোলাদার মর্মান্তিক পরিণতি
ডাক্তার বোস ভোলাদার স্ত্রী দেবস্মি আর ওদের একমাত্র পুত্র অনিকে বলেছিলেন, "ভোলাবাবুর যা অবস্থা, তাতে বাজার-ঠাজার আর পাঠাবেন না ওনাকে।"
পার্কের শূন্য বেঞ্চটা
জহরের মনে পড়ে তার নিজের মা হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে বলেছিলেন, "একটু হাতটা ধরবি, জহর?" জহর তখন বলতে পারেননি, "ধরছি, মা।"
নিস্তব্ধ রাতের ঝংকার
তিনি টর্চটা মাটিতে নামিয়ে ধরলেন। যেখানে ছায়া দুটি দাঁড়িয়েছিল, ঠিক সেই ভেজা মাটি আর পাথরের ওপর পড়ে আছে একটি ছেঁড়া স্কুলব্যাগ।
চুল কাটতে গেল বেলা
ডাক্তার বলে, "ঠিকঠাক ছোট ছোট করে চুল কাটার কথা ছিল। আমাকে দু-মাসের মধ্যেই আসতে হল।" কথা না বলে কেশব চুল কাটতে থাকে।
সেই চিঠিটা
আমার সাথে বড় পিসি থাকতো, তাঁকে ডিঙিয়ে সাহস ছিল এসে কথা বলার? তার ওপর যা মুখচোরা ছিল সে। শুধু দেখতাম চেয়ে থাকতো এক নাগাড়ে।
কুয়াশার আড়ালে
এক নয়, একাধিক। ছায়া-ছায়া শিশু অবয়ব। অন্ধকারে শুধু লাল লাল আলোর ফুটকি। ওরা পার্কের দোলনায় দুলছে, তার দরুন ক্যাঁচ ক্যাঁচ শব্দ হচ্ছে।
অসম্পূর্ণ সুরের রেশ
অবয়বটি কয়েক হাত দূরে দাঁড়িয়ে। তিনি টর্চের আলো সোজা জলের উপর ফেললেন। অবয়বটি কোনো উত্তর দিল না। শুধু ইশারায় জলে নামতে বলল।
যে রাতে সময় পিছিয়ে গিয়েছিল
সে দশ বছরের, দাদুর সঙ্গে নদীর ধারে বসে কাগজের নৌকা ভাসাচ্ছে। দাদু বলছেন, "জীবনটাও নৌকার মতো, অর্ণব। ভেসে যেতে হয়।"
ধুলোর নিচে লুকোনো লাইনগুলো
রাত বারোটার পাঁচ মিনিট আগে আমি স্কুটার থামালাম। রঘুবাবু লেন একটা সরু গলি। দুইপাশে পুরোনো ভাঙা বাড়ি, অর্ধেক আলো, অর্ধেক অন্ধকার।
রাতশেষের আগেই
ক্লাবের দরজা ঠেলে ঢুকল অরিন্দম। তাঁর চোখে দীর্ঘদিনের ক্লান্তি। মুখে দাড়ি না কাটা। পরনে কালো ওভারকোট। তিনি সাধারণত এই জায়গায় আসেন না।
নিঃশব্দতার সেমিওটিক্স
আঙুলের চাপ দিলেই পাতাটি আলগা হয়ে এল। আর তার ভেতর লুকানো ছিল — একটি ছোট চিরকুট। হাতে আঁকা এক নকশা। প্রথম দেখায় মনে হয় স্রেফ অলংকরণ।
ধানসিঁড়ি
শর্বরী বাপির ব্লেজারটা বের করে গায়ে চাপাল। বোতাম লাগাতে গিয়ে ইনার পকেটে মনে হল কিছু আছে। একটা কাগজ — রঙিন খামে ভরা।
গভীর রাতের সওয়ারী
সোমনাথ বলল, "এই রাতে ভাড়া ভালো মেলে। ট্রাফিকও কম।" তিনি ধীরে বললেন, "মানুষও কম।" সোমনাথ জিজ্ঞেস করল, "কি বললেন, দিদি?"
আত্মজা
সুজয় বাবু বললেন, "১৯৫০ এ এই ক্যাফে আমার মেয়ের নামে খুলেছিলাম, তখন ওর বয়স মাত্র ১ বছর। আমরা ওর বায়োলজিক্যাল মা বাবা ছিলাম না।"
গুপ্তধনের সন্ধানে
বহু চেষ্টার পর তালা ভাঙতেই ঢাকনা খুলে গেল — ঠান্ডা বাতাস মুখে এসে লাগল। ভেতরে ছিল এক মানুষের কঙ্কাল। বুক-খাঁচা ভাঙা, গলায় ঝুলছে তাবিজ।
মধ্যরাতের হিসেব
লোকটি একটি দোতলা বাড়ির সামনে গাড়ি থামাতে বললেন। সুকুমার দেখল বাড়ির বাইরেটা ভগ্নপ্রায়, বট-অশ্বত্থের শিকড় মাথা উঁচিয়ে উঠেছে দেওয়াল বেয়ে।
যে চিঠিটা খোলা হয় নি
সন্ধে নামছে। লাল মাটির ওপর কুয়াশার হালকা আস্তরণ। মাধবী স্টেশনমুখী রাস্তায় হাঁটছে। আজ তার মনে অদ্ভুত হালকা একটা স্বস্তি।
অনুসন্ধান
তুলিকা মুখার্জীর সঙ্গে কল্যাণের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেই সম্পর্ক গাঢ় থেকে গাঢ়তর হয়। দু’জনে একসঙ্গে পুরী বেড়াতে যায়। তুলিকার গর্ভে সন্তান চলে আসে।
কুয়াশা মাখা রহস্যময় পার্ক
ঠিক তখনই গেটের দিক থেকে আরেকজন গার্ড এসে বলল, "দাদা, এই সময় লেকের কাছে কেন? জানেন তো, বছর দশেক আগে সেই ঘটনাটা?
পকেট
আরতির ঘরে একটি অসম্পূর্ণ পোর্ট্রেট — চশমা-পরা, উষ্ণ হাসির এক পুরুষ। তানিয়া বুঝল — তাঁর বাবা। আরতি বললেন, পোর্ট্রেটটা শেষ করতে পারেননি।
icons bangali.network contact
udyog logo 2026 bangali.network

বিভিন্ন বিষয় থেকে বেছে নিয়ে লেখা পড়ুন

    বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশিত হওয়া লেখা পড়ুন

    পূর্ববর্তী মাসিক সংখ্যাগুলি দেখুন
    ফেসবুক পেজ
    Scroll to Top