Go to Bangali.Network
Go to Bangali.Network



লেখা পাঠান


আমাদের কথা
Contests

উদ্যোগ
Web Magazine


উদ্যোগ Web Magazine
Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
‘গোপনে নেশা ছাড়ান’ বিজ্ঞাপনে প্রভাবিত না হয়ে সাহায্য নিন বিশেষজ্ঞের

কথোপকথনে — তনয়া রায়চৌধুরী

মাদকাসক্তি অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়, এই নিয়ে আলোচনা করতে আমাদের সময় দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।

— হ্যাঁ, এস ইউ ডি এখন খালি ইন্ডিভিজুয়াল হেলথ কনসার্ন নয়, একটা সামাজিক সংকট।

এস ইউ ডি মানে?

— সাবস্টেন্স ইউজ ডিসঅর্ডার। সংক্ষেপে এস ইউ ডি। ড্রাগ অ্যাডিকশনের মেডিকেল টার্ম।

ডিসঅর্ডার কেন? মাদকাসক্তি কি মানসিক সমস্যা?

— হ্যাঁ। অ্যাডিকশন একটা মানসিক সমস্যা যেখানে আপনি কোনো একটা বিশেষ সাবস্টেন্স ব্যবহারে এতটাই অভ্যস্ত হয়ে পড়েন, যে সেটা আপনার লাইফকে কন্ট্রোল করতে শুরু করে। সময়ের সাথে সাথে সেই সাবস্টেন্স, বা মাদকদ্রব্য, আপনার ব্রেইনের স্বাভাবিকভাবে চিন্তাভাবনা করার ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। হেলথ-এর উপরেও সাংঘাতিক এফেক্ট ফেলে।

আচ্ছা, মাদকদ্রব্য কত রকমের হয়?

— ব্যবহারকারীর ওপর যে যে প্রভাব ফেলে, তার উপর ভিত্তি করে মাদকদ্রব্যকে স্টিমুলান্ট, ওপিওয়েড, হালুসিনোজেনস, ডিপ্রেসেন্ট ইত্যাদি শ্রেণীতে ক্যাটাগরাইজ করা হয়।

এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে কোন ধরণের মাদকদ্রব্যের ব্যবহার বেশি?

— সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় গাঁজা। ইললিগাল, কিন্তু খুব সহজেই পাওয়া যায়। তারপরেই আছে হেরোইন, যেটা অ্যাডিক্টদের মধ্যে 'ব্রাউন সুগার' নামে পরিচিত। এছাড়াও ইনজেকশন দিয়ে নেওয়া হয় ওপিওয়েড আর মেথামফেটামিন বা ক্রিস্টাল মেথ-এর মতো সিন্থেটিক ড্রাগ। কলকাতার মতো বড় শহরগুলোতে কলেজ স্টুডেন্ট এবং ইয়ং প্রফেশনালদের মধ্যে এল এস ডি, এম ডি এম এ, কোকেনের মতো পার্টি ড্রাগগুলোর ব্যবহার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। গ্রামের দিকে বাড়ছে ডি এক্স এম-যুক্ত কাশির সিরাপ যথেচ্ছ পরিমানে খাওয়া, এমনকি স্বেচ্ছায় শরীরে সাপের বিষ ঢোকানোর অভ্যাসও! এছাড়া অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষের মধ্যে দেখা যায় ইনহাল্যান্ট ইউজ ডিসঅর্ডার বা গন্ধ শুঁকে নেশা করার প্রবণতা। অ্যাসিটোনযুক্ত মেকআপ প্রোডাক্ট যেমন নেইল পলিশ বা একটি বিশেষ ব্র্যান্ড-এর আঠার গন্ধ শোঁকার নেশা খুবই প্রচলিত।

এটা কি সত্যি যে কেউ মাদকের মতো প্রেসক্রিপশনের ওষুধেও আসক্ত হতে পারেন?

— হ্যাঁ, প্রেসক্রাইবড ড্রাগের অ্যাবিউজও ইললিগাল ড্রাগের মতোই বাড়ছে। ওই যে বললাম কাশির সিরাপ! এছাড়া পেইনকিলার, অ্যাংজাইটির ওষুধ, এ ডি এইচ ডি-র স্টিমুল্যান্ট, ঘুমের ওষুধ এসবেরও অ্যাডিকশন তৈরী হতে পারে। বিশেষ করে তাঁদের মধ্যে যাঁরা মেন্টালি স্ট্রং নন। সেইজন্য মানসিক সমস্যা বা অ্যাডিকশনের চিকিৎসার প্রেসক্রিপশন আর ওষুধ স্ট্রিক্টলি রোগীর বাড়ির লোকের কাছে রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়। সময়ে সময়ে পেশেন্টকে ওষুধটা খাইয়ে দিতে বলা হয়। কিন্তু প্রেসক্রিপশন বা সব ওষুধ পেশেন্টকে দিয়ে দিতে বারণ করা হয়।

মানুষ কেন মাদকাসক্ত হয়?

— অ্যাডিকশনের পেছনে বিভিন্ন ফ্যাক্টর কাজ করতে পারে। আমরা সেগুলোকে মোটামুটি তিনটে ক্যাটাগরিতে ফেলি। এর একটা হচ্ছে বায়োলজিক্যাল ফ্যাক্টর, যার মধ্যে পড়ে জেনেটিক প্রিডিসপোজিশন। মানে অ্যাডিকশনের প্রতি কারোর কারোর জিনগত প্রবণতা থাকতে পারে। বিশেষত বাড়ির কারোর বা কোনো আত্মীয়র অ্যাডিকশনের হিস্ট্রি থাকলে। তবে মূল কারণ দুটো হলো এনভায়রনমেন্টাল আর সাইকোলজিকাল।

এনভায়রনমেন্টাল ফ্যাক্টরের মধ্যে আছে পিয়ার প্রেশার। মানে অ্যাডিক্টেড বন্ধুবান্ধব, সহপাঠী বা সহকর্মীদের চাপে পড়ে, অথবা তাদের কাছে নিজেকে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে কেউ কেউ ড্রাগ ব্যবহার শুরু করে। অনেকসময় হিরো-ওয়ারশিপিং-এর মতো সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্স ও কাজ করে। মানে আমি যাঁকে আইডল ভাবি, তাঁর অ্যাডিকশন আছে। তো আমিও সাবস্টেন্স অ্যাবিউজ শুরু করলাম! ফ্যামিলি ডায়ানামিক্স-এর দিক দিয়ে দেখলে অল্প বয়েসে প্রপার পেরেন্টাল গাইডেন্স না পাওয়া, বা ফ্যামিলির সাথে বন্ডিংয়ে খামতি থেকে যাওয়া থেকেও মানুষ অ্যাডিকশনের শিকার হতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে হয়তো সে খুবই কম বয়েসে, মানে ঠিক-ভুলের বিচারক্ষমতা তৈরী হওয়ার আগেই এক্সপোজার পেয়ে গেছে।

আর সাইকোলজিকাল ফ্যাক্টর?

— স্ট্রেস, ট্রমা, ডিপ্রেশন, অ্যাংজাইটি, পি টি এস ডি-র মতো সাইকোলজিকাল সমস্যা, নানারকম মেন্টাল ডিসঅর্ডার যেমন বাইপোলার বা অ্যান্টিসোশাল পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডার, এমনকি শুধুমাত্র বোর হওয়া থেকেও কোমরবিডিটি হিসাবে এস ইউ ডি শুরু হতে পারে। যাঁদের ইম্পালসিভ ট্রেইটস দেখা যায়, তাঁদের মধ্যে অ্যাডিকশনের মাত্রা খুব বেশি। ইম্পালসিভিটি আর এস ইউ ডি-র মধ্যে খুব জটিল সম্পর্ক আছে। ইম্পালসিভিটি থেকে ড্রাগ অ্যাবিউজ শুরু হয়, আবার সেই ড্রাগের অ্যাডিকশন নতুন রকম ইম্পালসিভিটি তৈরি করে। এছাড়া যাঁদের লো সেলফ এস্টিম-এর সমস্যা আছে, বা নিজেকে খুব নিচু দরের সামান্য মানুষ মনে করার প্রবণতা আছে, তাঁরা খুব চট করে অ্যাডিকশনের কবলে পড়ে যান।

একজন মাদকাসক্তকে কীভাবে শনাক্ত করবেন?

— আপনি কি প্রফেশনাল অ্যাপ্রোচের কথা জিজ্ঞেস করছেন? সেক্ষেত্রে বলবো একটা থরো হিস্ট্রি নেওয়া, বিহেভেরিয়াল প্যাটার্নগুলোকে অবসার্ভ করা, মেন্টাল স্টেটাস পরীক্ষা করা, এইসবের মধ্যে দিয়ে আমরা অ্যাডিক্টেড ব্যক্তিকে আইডেন্টিফাই করার চেষ্টা করি।

দয়া করে একটু বিস্তারিতভাবে বলবেন?

— হ্যাঁ, নিশ্চই। বিহেভেরিয়াল মানে আচরণের দিক থেকে বিচার করলে একজন অ্যাডিক্টের মধ্যে অ্যাগ্রেশন বা ঔদ্ধত্য থাকতে পারে। চট করে রেগে যাওয়ার প্রবণতা থাকতে পারে। এনারা খুব সিক্রেটিভ হন। বেশি প্রশ্ন করলে ধরা পড়ে যাওয়ার ভয় থেকে অ্যাঙ্গার আউটবার্স্ট হয়। সাংঘাতিক মিথ্যে কথা বলা আর লোককে ম্যানিপুলেট করার অভ্যেস থাকে। ঘন ঘন মুড সুইং হতে পারে। ধার করার অভ্যেস থাকে, এবং সেটার অ্যামাউন্টটা বিশাল হয়। বাড়ির লোকের সাথে কথা বললে চুরি করার অভ্যেস আছে জানা যেতে পারে। এনাদের স্কুল, কলেজ, বা অফিসে ঘন ঘন অ্যাবসেন্ট হওয়ার অভ্যাস থাকতে পারে। এগুলো কিন্তু বাড়ির বা অন্যান্য কাছের লোকেরা চাইলে নিজেরাও খুব ইজিলি নজর করতে পারবেন। যদি আপনার পরিবারের কোনো মেম্বারের মধ্যে এগুলো দেখা দেয়, তাহলে নজর রাখুন তিনি অ্যাডিকশনের শিকার হয়েছেন কিনা।

মাদকাসক্তি পরিবারকে কীভাবে প্রভাবিত করে?

— প্রভাব অনেক সুদূরপ্রসারী। অ্যাডিক্টের ওপরেও, পরিবারের ওপরেও। প্রথমত, ফ্যামিলি রিলেশনশিপের কোয়ালিটি নষ্ট হয়। অ্যাডিক্টের সাথে ফ্যামিলি মেম্বারদের ইমোশনাল বন্ডিং কমতে থাকে। দ্বিতীয়ত, অ্যাডিক্ট একজন ইন্ডিভিজুয়াল হিসাবে, বা তাঁর পরিবার একটা ইউনিট হিসাবে, সোশ্যালি আইসোলেটেড হয়ে যেতে পারেন। তৃতীয়ত, অ্যাডিকশনের যে নেগেটিভ আউটকামগুলো থাকে, তাতে অ্যাডিক্টের ফ্যামিলি মেম্বাররা অ্যাংজাইটি আর স্ট্রেস-এর মধ্যে থাকেন। চতুর্থত, অ্যাডিক্ট যদি ফ্যামিলির আর্নিং মেম্বার হন, তাহলে ফিনান্সিয়াল স্ট্রেস তৈরী হয়। লস অফ ইনকামেরও চান্স থাকে।

মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে কীভাবে সাহায্য করতে পারি?

— সবচেয়ে জরুরি হলো ট্রিটমেন্ট-এর জন্য এনকারেজ করা। প্রফেশনাল হেল্প-এর চেয়ে এফেক্টিভ আর কিছু হতে পারে না। সেইজন্য অ্যাডিক্টেড ব্যক্তিকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব একজন কাউন্সেলর, সাইকোলজিস্ট বা কোনো ডিঅ্যাডিকশন সেন্টার-এর সাথে যোগাযোগ করে ট্রিটমেন্ট শুরু করতে মোটিভেট করুন। পাশাপাশি, একজন লেম্যান হিসাবে আপনি তাঁর সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে পারেন। প্রত্যেকটা মানুষেরই কোনো না কোনো ট্যালেন্ট বা স্ট্রেংথ থাকে। আলোচনার সময় অ্যাডিক্টের সেই গুনগুলোর ওপর ফোকাস করুন। তাঁকে সেই গুনগুলোর জন্য সময় ডেডিকেট করতে, সেই গুণগুলোকে ঘষামাজা করতে উদ্বুদ্ধ করুন। কারণ সেটা করলে অ্যাডিক্টের মাইন্ড ডাইভার্টেড হবে। মনে রাখবেন যে অ্যাডিকশন একটা রোগ, তাই আলোচনা করার সময় মোরাল পোলিসিং-এর কোনো মানে দাঁড়াবে না। মানে, অ্যাডিক্টকে দোষ দেওয়া বা "তুমি একটা খুব বাজে কাজ করছো" ধরণের কথা বলে কোনো হেল্প করতে পারবেন না। তাছাড়া অ্যাডিক্টেড ব্যক্তি অনেক সময় সুইসাইডালও হতে পারেন। তাই কথার মধ্যে সেনসিটিভিটি রাখুন। ধৈর্য ধরে নন-জাজমেন্টালি তাঁর কথা শোনাটা খুব জরুরি। নন-জাজমেন্টালি, কিন্তু বাউন্ডারি মেইন্টেন করে। সহানুভূতি রাখুন। ধৈর্য ধরুন। কন্সিস্টেন্ট হোন। তাঁকে বোঝান যে আপনি তাঁর জন্য কনসার্নড। কিন্তু কোনোভাবেই বাউন্ডারি ব্রেক করবেন না।

এই বাউন্ডারির বিষয়টা ঠিক বোঝা গেলো না!

— প্রথমত, টাকা ধার চাইলে দেবেন না। দ্বিতীয়ত, নেশা করার সময় সঙ্গ দিতে অনুরোধ করলে কখনই শুনবেন না। অনেক সময় কাছের লোকেরা ভাবেন যে চোখের সামনে নেশা করতে দিলে বা সঙ্গ দিলে অ্যাডিক্টেড ব্যক্তি একটা লিমিটে নেশা করবেন। চূড়ান্ত ভুল অ্যাপ্রোচ! পরিষ্কার বুঝিয়ে দিন যে অ্যাডিকশন থেকে বেরিয়ে আসতে আপনি সবরকম হেল্প করতে রাজি। কিন্তু না আপনি টাকা ধার দেবেন, না নেশাতে পার্টিসিপেট করবেন। এমপ্যাথি রাখুন, উইকনেস রাখবেন না। এবং সেটা অ্যাডিক্টেড ব্যক্তির ভালোর জন্যই।

নিজের মাদকাসক্তি কীভাবে কাটিয়ে উঠতে পারি?

— প্রথমত, আপনার যদি একটা দল বা পিয়ার গ্রুপ থাকে যাঁদের সঙ্গে আপনি নেশা করেন, ইম্মিডিয়েটলি সেই দল পরিত্যাগ করুন। যদি আপনার নেশা করার কোনো প্যাটার্ন থাকে, মানে কোনো নির্দিষ্ট দিনে বা কোনো নির্দিষ্ট সময়ে আপনি নেশা করেন, তাহলে ওই সময়টায় অন্য ইনভল্ভমেন্ট তৈরী করে মাইন্ড ডাইভার্ট করুন। সেটা কোনো ইন্টারেস্টিং কাজে এনগেজ হওয়া, বা আপনার নিজেরই কোনো হবি বা ট্যালেন্টকে সময় দেওয়াও হতে পারে। তৃতীয়ত, নিজের দিকে নজর দিন। একটা হেলদি লাইফস্টাইল অ্যাডপ্ট করার চেষ্টা করুন। নিয়মিত এক্সারসাইজ, ব্যালান্সড নিউট্রিশন, ভালো কোনো হবি, এসবের ওপর বেস করে তৈরী একটা রুটিন ফলো করুন। এতে নেশার ক্রেভিং কমবে। এরপরেও যদি দেখেন ম্যানেজ হচ্ছে না, সেক্ষেত্রে প্রফেশনাল হেল্প নিন।

মাদকাসক্তি থেকে মুক্তির যাত্রায় কী কী সমস্যা দেখা দেয়?

— সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে যে মানুষ ঠিক বুঝতেই পারে না কি রকম চিকিৎসার প্রয়োজন। শরীরে একটু জ্বর জ্বর ভাব হলেই আমরা চটজলদি একটা প্যারাসিটামল খেয়ে ফেলি। অথচ মনের মধ্যে সাংঘাতিক জট পাকিয়ে থাকলেও আমরা বিশেষ পাত্তা দি না। শারীরিক সমস্যার জন্য আমরা যতটা খোলাখুলিভাবে ডাক্তারের কাছে যাই, মানসিক সমস্যার জন্য ঠিক ততটাই লুকোছাপা করি। আর সমস্যা যদি ড্রাগ অ্যাডিকশন হয় তাহলে তো কথাই নেই, সোশ্যাল স্টিগমার ভয়ে বেশিরভাগ সময়েই আমরা মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছেই যাই না। ল্যাম্প পোস্টের গায়ে লাগানো ফ্লায়ার বা দেওয়াল লিখনে দেখা গোপনে নেশা ছাড়ানোর বিজ্ঞাপন গুলোর ওপর ভরসা করে পৌঁছে যাই এমন একজন চিকিৎসকের কাছে, যাঁর হয়তো মানসিক সমস্যার চিকিৎসা করার পেশাদার শিক্ষা, অভিজ্ঞতা, এমনকি অনেকসময় কোনো লাইসেন্স বা ডিগ্রীও থাকে না। এদিকে অ্যাডিকশন থেকে রিকভারি করতে দরকার প্রপার সাইকিয়াট্রিক ট্রিটমেন্ট এবং নিয়মিত ওষুধ খাওয়া। পাশাপাশি কাউন্সেলিং বা সাইকোথেরাপিও কন্টিনিউ করা প্রয়োজন।

মাদকাসক্তি সম্পর্কে অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য কি আমাদের জেনে রাখা উচিত?

— ১৪৪১৬ ... এই ফোন নম্বরটা জেনে রাখতে পারেন। এটা গভর্ণমেন্ট অফ ইন্ডিয়ার মেন্টাল হেলথ হেল্পলাইন টেলি মানস-এর ফোন নম্বর। অ্যাডিকশনকে যেহেতু মানসিক সমস্যা হিসাবেই গণ্য করা হয়, তাই প্রয়োজনে এই হেল্প লাইনে ফোন করে সাহায্য চাইতে পারেন। পশ্চিমবঙ্গে ২০ জন সাইকোলজিস্ট আছেন স্বাস্থ্যভবনে পোস্টেড, এবং আরও ২০ জন আছেন ইনস্টিটিউট অফ সাইকিয়াট্রি, যেটা এস এস কে এম হসপিটালের সাথে একই ক্যাম্পাসে, সেখানে পোস্টেড। পশ্চিমবঙ্গ থেকে ১৪৪১৬ নম্বরে ফোন করলে, অপরপ্রান্তে এই ৪০ জন সাইকোলজিস্টের একজনকে গাইডেন্স দেওয়ার জন্য সবসময় পাওয়া যাবে। নম্বরটা টোল ফ্রি, এবং ২৪×৭ অ্যাক্টিভ থাকে।




আপনি কি লিখতে ভালোবাসেন?

‘উদ্যোগ’ ওয়েব ম্যাগাজিনের এপ্রিল সংখ্যা ❛নববর্ষ ১৪৩৩❜ প্রকাশিত হবে ১৫ এপ্রিল। ওয়েবসাইটে ঘোষিত বিভাগগুলি থেকে আপনার পছন্দের বিষয়ে লেখা পাঠান ১০ই এপ্রিলের মধ্যে। লেখা পাঠানোর আগে অতি অবশ্যই শর্তাবলী পড়ুন। নির্বাচিত লেখাগুলি লেখক / লেখিকার ছবি ও সংক্ষিপ্ত পরিচিতিসহ Bangali.Network ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে, এবং ১২ জন পর্যন্ত লেখক / লেখিকা পাবেন 'মাসের সেরা কলম' সম্মান। বিশদে জানতে ও আপনার লেখা পাঠাতে এখানে ক্লিক করুন

পৃষ্ঠা

ডিসক্লেইমার : লেখা, মতামত, মন্তব্য বা সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত সকল বক্তব্য সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকা / সাক্ষাৎকারদাতার নিজস্ব এবং সম্পূর্ণ দায়ভার তাঁদের উপরই বর্তায়। এই সমস্ত মতামত Bangali Network-এর নিজস্ব মতামত, অবস্থান বা নীতির প্রতিফলন নাও হতে পারে। লেখক পরিচিতিতে প্রদত্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজস্ব বিবরণ অনুযায়ী প্রকাশিত। Bangali Network উক্ত তথ্যের যথার্থতা, সম্পূর্ণতা বা নির্ভুলতা সম্পর্কে কোনো প্রকার নিশ্চয়তা প্রদান করে না এবং এ সংক্রান্ত কোনো দায় গ্রহণ করে না।

ডিসক্লেইমার : লেখা, মতামত, মন্তব্য বা সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত সকল বক্তব্য সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকা / সাক্ষাৎকারদাতার নিজস্ব এবং সম্পূর্ণ দায়ভার তাঁদের উপরই বর্তায়। এই সমস্ত মতামত Bangali Network-এর নিজস্ব মতামত, অবস্থান বা নীতির প্রতিফলন নাও হতে পারে। লেখক পরিচিতিতে প্রদত্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজস্ব বিবরণ অনুযায়ী প্রকাশিত। Bangali Network উক্ত তথ্যের যথার্থতা, সম্পূর্ণতা বা নির্ভুলতা সম্পর্কে কোনো প্রকার নিশ্চয়তা প্রদান করে না এবং এ সংক্রান্ত কোনো দায় গ্রহণ করে না।

ভালো লাগলে ভালোবাসা দিন
অপছন্দ হলে পরামর্শ দিন
মতামত জানাতে মন্তব্য করুন
5 3 ভোট
স্টার
guest
0 কমেন্ট
নতুন থেকে পুরোনো
পুরোনো থেকে নতুন ভোটসংখ্যা অনুসারে
ইনলাইন প্রতিক্রিয়া
সকল কমেন্ট দেখুন
ফেসবুক পেজ
Udyog Bengali Web Magazine by Bangali Network

বিভিন্ন বিষয় থেকে বেছে নিয়ে লেখা পড়ুন

    বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশিত হওয়া লেখা পড়ুন

    মাসিক সংখ্যাগুলি দেখুন
    Scroll to Top