Go to Bangali.Network
Go to Bangali.Network



লেখা পাঠান


আমাদের কথা
Contests

উদ্যোগ
Web Magazine


উদ্যোগ Web Magazine
Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
ধানসিঁড়ি
ডিসেম্বর হলেই শর্বরীর মন ছটপট করে ওঠে। এই সময় এয়ার টিকিটের দাম বেড়ে যায়। অবশ্য দু মাস আগেই বুক করে রাখে কলকাতার টিকিট। গত পাঁচ বছর ধরে এই দু কামরার ফ্ল্যাটে এসে সারা বছরের রসদ নিয়ে যায়। কানাডায় ধীরে ধীরে এই রসদ খরচ করে।
ধানসিঁড়ি

রাত্রে ভালো ঘুম হয়নি। সকালে উঠতে বেশ দেরি হয়েছে। ইউটিউবে গান চালিয়ে শর্বরী বারান্দায় এল। "কাদা দিলি সাদা কাপড়ে...।"

নজরে এল একটা দুধসাদা গাড়ি — কোন বিদেশি মডেল হবে — সামনে নীচে এসে দাঁড়াল। উর্দি পরা ড্রাইভার নেমে এসে পেছনের দরজা খুলে দিল। ধীরে ধীরে নামলেন এক বৃদ্ধা। ইনি সেই ধানসিঁড়ি ফ্ল্যাটের ম্যাডাম মনে হচ্ছে। সঙ্গে এক অচেনা ভদ্রলোক, আর... আর... এত চেনা এক মুখ — দুধ মাসি। শর্বরী আর নিজেকে সামলাতে পারল না। "দুধ মাসি—ই" বলে ডাকতে ডাকতে দরজা খুলে দৌড়ে নীচে এল।

"মাসি তুমি এখানে… কত দিন পরে তোমায় দেখলাম… কোথায় ছিলে এতদিন... শর্বরী আর প্রশ্ন না করে মাসির বুকে ঝাঁপ দিল। তোমায় কত খুঁজেছি, কোথায় ছিলে তুমি, আমায় ভুলে...।"

চোখ পড়ল বৃদ্ধার দিকে... সুনন্দা ম্যাডাম... উনি শান্ত গলায় বললেন, "তোমার দুধ মাসি আমাদের কাছেই থাকত।"

"তোমাদের কাছে থাকত? স্ট্রেঞ্জ!"

এবার অন্য ভদ্রলোক এগিয়ে এলেন, "আমি ঘনশ্যামজির ব্রাদার ইন লা। উনি দু বছর আগে ক্যান্সারে মারা গেছেন। আমাদের ভেতরে নিয়ে চলুন, অনেক কথা আছে।"

এর আগের কথা।

ডিসেম্বর হলেই শর্বরীর মন ছটপট করে ওঠে। এই সময় এয়ার টিকিটের দাম বেড়ে যায়। অবশ্য দু মাস আগেই বুক করে রাখে কলকাতার টিকিট। গত পাঁচ বছর ধরে এই দু কামরার ফ্ল্যাটে এসে সারা বছরের রসদ নিয়ে যায়। কানাডায় ধীরে ধীরে এই রসদ খরচ করে — এক বছর হেঁসে খেলে চলে যায়। বাপির ছবি মুছে মালা পরিয়ে দীপ জেলে আশীর্বাদ চায়। তার জন্মদিন আর কোভিডে বাবার চলে যাবার দিন এক। পাঁচ বছর আগে, শেষ দেখা দেখতে পায়নি। সেদিন ফ্লাইট খুব লেট ছিল। নিমতলা যখন পৌঁছল, তখন সব শেষ, কেবল কলস নিয়ে অপেক্ষা নিমাই কাকু... যিনি বাবাকে শেষ কয়েকবছর দেখা-শোনা করতেন। এবার আসার সময় গরম জামাকাপড় আনা হয়নি। শর্বরীর মনে ছিল, আলমারিতে বাপির বেশ কিছু গরম কাপড় দেখেছিল। বাবার কিছু কোট-সোয়েটার ঝুলছিল। শর্বরী বাপির ব্লেজারটা বের করে এনে গায়ে চাপাল। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রেস্ট লাগান। শর্বরীর গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল। মনে হল বাবা তাকে জড়িয়ে ধরে আদর করছেন। বোতাম লাগাতে গিয়ে ইনার পকেটে মনে হল কিছু আছে। একটা কাগজ — রঙিন খামে ভরা। শর্বরী কাগজ বের করে সামনে মেলে ধরল।

"আমি তোমার বিরহে রহিব বিলিন...।" লাভ লেটার!? তারিখ বোঝা না গেলেও সাল বোঝা যাচ্ছে — ১৯৮৫। বাবার প্রেমিকা! না দ্বিতীয় স্ত্রী? মাকে ঠিক মনে পড়ে না শর্বরীর। অনেক ছোটবেলায় তিনি মারা গেছেন... তারপর বাবা দ্বিতীয়বার বিয়ে করেনি বলেই শর্বরী জানত... তাহলে কি কোনো গুপ্ত প্রেমিকা... কলেজের কেউ? শর্বরীর মাথাটা কেমন ঘুরে গেল... বাবার গুপ্ত প্রেমিকা... শর্বরী কোট খুলে ফেলল। এই অল্প সময়ের মধ্যে শীতের সিরসিরানি চলে গিয়ে সে ঘেমে উঠেছে... ব্যাপারটা কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না... কিছুতেই। চিন্তা মাথা থেকে দূর করতে না পেরে শর্বরী এই প্রেমিকাকে খুঁজে বের করার মনস্থির করল। আবার আলমারি খুলে বাবার পুরনো ফাইল, খাতা, ডাইরি সব তন্ন তন্ন করে খুঁজতে লাগল, যদি কোনো সূত্র পাওয়া যায়। কিছু কিছু জায়গার তার কথা পেল ডাইরিতে। বাবার ডাইরি লেখার কোনো ছিরিছাঁদ ছিল না। একটা মোটা পুরনো ডাইরির বিভিন্ন সময়ে লেখা, হিজিবিজি করে... তারিখ ছাড়াই।

"গোল পার্কের মিষ্টির দোকানে এসেছিল। খুব ব্যস্ত মনে হল।"
"ওরা বোধ হয় এখানে আর থাকে না।"
"কাল দেখা পেলাম। মনে হল কিছু বলতে চাইছে।"
"আজ প্রথম চিঠি পেলাম। আসতে লিখেছে গড়িয়াহাটের ফটোর দোকানে।"
"গড়িয়াহাটে গিয়েছিলাম, এসেছিল। সঙ্গে দুজন ছিল। বোধ হয় ফটো তুলতে এসেছিল। চলে গেল।"

এর পরের পাতা ওলটাতেই বেরিয়ে এল একটা খাম। ভেতরে কিছু ছবি — পোস্টকার্ড সাইজের। সলজ্জ এক তরুণীর ছবি — পাঁচ কপি... এত কপি কেন... কে ইনি? একই ছবি পাঁচ কপি করার কি দরকার পড়েছিল? খামের গায়ে স্টুডিওর নাম — ধানসিঁড়ি। সঙ্গে একটা রসিদ... গড়িয়াহাটের ঠিকানা।

শর্বরী ঠিক করল, গড়িয়াহাটে ধানসিঁড়ি ফটোর দোকানে গিয়ে যদি কোনো হদিশ পাওয়া যায়। বিকালে শর্বরী গড়িয়াহাট তন্ন তন্ন করে খুঁজে ঠিকানা মিলিয়ে পেলেও সেখানে কোনো "ধানসিঁড়ি" খুঁজে পাওয়া গেল না। সেখানে এখন শাড়ির দোকান। দোকানের বয়স্ক এক ভদ্রলোক বললেন, "শুনেছিলাম এখানে আগে একটি ফটোগ্রাফির দোকান ছিল। আপনি এই প্রিমাইসেসের মালিক কাছেই থাকেন। ওখানে গিয়ে খোঁজ নিতে পারেন।"

শর্বরী ঠিকানা নিয়ে হাজির হল সার্দান এভিনিউ একটি হাউসিং কমপ্লেক্সে। বর্তমান মালিকের কাছ থেকে কিছু খবর পাওয়া গেল না। তার বাবা অনেকক্ষণ ছবি ও রসিদ দেখে চিন্তা করেও কিছু বলতে পারলেন না। উনি ছবি আর রসিদ রেখে যেতে বললেন। পুরাতন কিছু রসিদবই আছে। তার থেকে মিলিয়ে দেখতে হবে। তবে চল্লিশ বছর আগের রসিদবই পাওয়া মুশকিল। দুদিন পর শর্বরী গেল। কোনো কিছু উদ্ধার হয়নি। তবে উনি বললেন, "একটা ঘটনা আমার মনে আছে। একবার অদ্ভুত কাণ্ড হয়েছিল। এক বিবাহযোগ্য মেয়ের ছবির সব প্রিন্ট আর নেগেটিভ অন্য কেউ এসে নিয়ে গিয়েছিল। আসল মালিক, বড় ব্যবসায়ী পরে এসে বেশ গালাগাল দিয়েছিলেন। যতদূর মনে পড়ে, উনি মেয়ের ছবি ছেলের বাড়িতে আর্জেন্ট পাঠাতেন। ছেলেরা দিল্লিতে থাকত। দু-এক দিন পরেই আমেরিকা চলে যাবার কথা ছিল। হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, আমার স্টুডিও বন্ধ করে দেবেন। তাই করতে হয়েছিল। দোকান আমি বিক্রি করে দিতে বাধ্য হই।"

ভদ্রলোকের ছেলে এগিয়ে এসে বললেন, "পাশের ব্লকে কয়েক বছর আগে কেউ এসেছেন। ফ্ল্যাটের নাম দিয়েছেন আমাদের স্টুডিওর নামে, 'ধানসিঁড়ি'। সেখানে একবার খোঁজ নিতে পারেন।"

দোতলায় একটি ফ্ল্যাটের নাম "ধানসিঁড়ি" দেখে সেখানেই শর্বরী বেল বাজাল। তলায় নাম লেখা সুনন্দা পোদ্দার। কিছুক্ষণ পরে একটি মেয়ে — কাজের লোক বোধহয় — দরজা খুলে দিল। শর্বরী বুঝিয়ে বলতে, সে শর্বরীকে বসিয়ে ভেতরে চলে গেল। বসার ঘরের চারদিকে দামী আসবাবে সাজান। একটু পরে একজন বয়স্ক মহিলা ওয়াকার নিয়ে হেঁটে হেঁটে ঘরে ঢুকলেন... সঙ্গে একটি মেয়ে। শর্বরী উঠে দাঁড়িয়ে নমস্কার করল।

"তুমি এখানে কার খোঁজে এসেছ? আমাকে শ্যামা বলল তুমি কাউকে খুঁজছ?"
"আই রিসাইড ইন কানাডা। বাবা কলকাতায় থাকতেন... পাঁচ বছর আগে কোভিডে আক্রান্ত হয়ে উনি আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। আজ বাবার আলমারিতে কিছু জিনিস পেলাম..."। শর্বরী চুপ করে গেল। কীভাবে কথাগুলো বলা যায়।
"কী পেয়েছ? আমায় দেখাও...।"

শর্বরী কাছে গিয়ে প্রথমে ছবির গুচ্ছ — পরে চিঠি দেখাল। শর্বরী লক্ষ্য করছিল — ভদ্র মহিলার চোখে জল।

"এই ছবি যত নষ্টের গোড... তুমি আদিত্যর মেয... কানাডায় থাক... কাছে এস... মুখটা দেখ... মিল আছে অনেক।"

"বাপি যাদবপুরে পড়াতেন... ডু ইউ নো সুনন্দা রায়?" বৃদ্ধা থমকে গেলেন।
"না, আমি চিনি না... সে আমার কেউ হয় না। আই এম সুনন্দা পোদ্দার।"

শর্বরী হাত তিনি ধরে রেখেছিলেন। কাঁপতে কাঁপতে সোফায় বসে পড়লেন। মেয়েটি বলল, "আপনি কাছে থাকুন, আমি জল নিয়ে আসছি।" জল খেয়ে একটু পরে উনি চোখ খুললেন। শর্বরীর মুখের দিকে তাকিয়ে রইলেন।
"কে তুমি? এখানে কেন এসেছ?
"আপনাকে একটু আগে ছবি আর চিঠি দেখালাম। দেখে আপনি কিছু বলতে চাইছিলেন।"
"আমাকে তুমি ছবি দেখালে? চিঠি দেখালে? মনে পড়ছে না কিছু।"
"আপনাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, আপনি সুনন্দা রায়কে চেনেন কি না?"
"আগে বল তুমি কে? তোমায় কে পাঠিয়েছে?"
"কেউ পাঠায়নি, আমি নিজেই এসেছি। একটু আগে আপনি বললেন, তুমি আদিত্যর মেয়ে, আর এখন চিনতে পারছেন না?"

মেয়েটি বলল, "লন্ডন থেকে আসার পর সুনন্দা মায়ের এই ডিমেনশিয়া হয়েছে। কাউকে চিনছেন, আবার পর মুহূর্তে চিনতে পারছেন না।"
"আপনারা লন্ডনে ছিলেন।"
"হ্যাঁ, অনেক বছর। ওনার বাবা, মানে ঘনশ্যামজির ওখানে ফ্ল্যাট আছে। আপনি আজ যান, কাল আসুন। দেখুন, কাল চিনতে পারেন কি না?"

মন ভেঙে গেলেও শর্বরী নিরাশ হয়নি। মোবাইল নাম্বার আর ঠিকানা লিখে দিয়ে চলে এসেছিল।

বাড়ি ফিরে শর্বরী পাসপোর্টে তার বাবা, মার নাম আর একবার দেখল। মার নাম সুনন্দা রায়। তাহলে সুনন্দা পোদ্দার কে? উনি আমাকে আদিত্যর মেয়ে বলে চিনলেন! তিনি কি সেই গুপ্ত প্রেমিকা?

পরদিন বেল বাজাতে সেই মেয়েটি দরজা খুলে দিল। "আপনি শীঘ্রি আসুন, কাল রাত থেকে উনি আপনাকে খুঁজছেন।"

মেয়েটির পেছনে পেছনে ভেতরের ঘরে গিয়ে শর্বরী অবাক বিস্ময়ে দেখল বাবার বিয়ের ছবি। বর-বৌ দুজনের একসাথে ছবি ফ্রেম করে রাখা। আর একটি ছবি তার বাবার, সেখানে মালা দেওয়া। বাবার ডাইরিতে পাওয়া মেয়ের ছবির সঙ্গে ফটোর বৌয়ের মুখের মিল হুবহু।

"তুমি আবার এসেছ?"
"আপনি আমায় খুঁজছিলেন!"
"হ্যাঁ, তোমায় আমি খুঁজছিলাম। অনেক কথা আছে তোমার সঙ্গে। তোমার নাম কি?"
"আমি শর্বরী।"
"তোমার বাবা কি করেন?"
"বাবা নেই। পাঁচ বছর আগে মারা গেছেন। এর আগের দিন সব বলেছি।"
"আদিত্য তোমার বাবার নাম। দেখ, আমি ঠিক মনে রেখেছি। ওরা বলে, আমি নাকি সব ভুলে যাই। জানো, আদিত্যকে আমি চিনতাম... আবার চিনতাম না। খুব জেদি ছিল। একবার বলেছিল... আমায় নিয়ে পালিয়ে যাবে... আমার বিয়ে বন্ধ করে দেবে... তারপর সব যেন এলোমেলো হয়ে গেল। সেই থেকে আমি বসে আছি। আর কত বসে থাকব?"

শেষের কথা বলার সময় উনি চিৎকার করে উঠলেন। মেয়েটি এগিয়ে এল, "ওনার ওষুধ খাবার সময় হয়ে গেছে। আজ আর কথা হবে না।"

শর্বরী সেদিন চলে এসেছিল। সারা রাত ঘুম আসেনি। ভোরের দিকে ঘুমিয়ে পড়েছিল। সকালে বাড়ির সামনে নীচে এসে দাঁড়াল এক দুধসাদা গাড়ি।

বর্তমান


শর্বরী সবাইকে নিয়ে ওপরে এল।

"দুধ মাসি, তুমি এই বাড়ি দেখনি। এটা বাবা আমার জন্য কিনে রেখেছিল। শেষ পাঁচ বছর এখানেই কাটিয়েছেন।"

শর্বরী সবাইকে বসাল। ঘনশ্যামজির শালা শুরু করলেন।

"আপনার ফাদারের সঙ্গে আমরা খুব অন্যায় করেছি। ম্যাডাম সুনন্দা পোদ্দারই আপনার নিজের মা। আপনি হওয়ার পর বার্থ সার্টিফিকেটে সুনন্দা পোদ্দারের জায়গায় রায় লেখা হয়। সবই হয়েছিল ঘনশ্যামজির নির্দেশে। তোমার মা সুনন্দা পোদ্দারকে নার্সিংহোম থেকে রিলিজ করে লন্ডন পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এই নানিয়া, আপনার দুধ মাসি আপনাকে নিয়ে আসে আদিত্য বাবুর কাছে।"

শর্বরী দুধ মাসির হাত টেনে ধরে বলেন, "মাসি, তুমি কেন আমায় মিথ্যে বলেছিলে, মা মারা গেছে? বল কেন বলেছিল?"

সুনন্দা এবার উঠে এলেন, "ওর কোনো দোষ নেই। সবই হয়েছিল আমার বাবার চালনায়। মা, তুই আমায় ক্ষমা করে দে। বাবার অমতে আমি আর যেতে পারিনি। শাস্ত্র মতে আদিত্যর সাথে আমাদের বিয়ে হয়নি। আমরা পালিয়ে বেরাতাম বাবার নজর থেকে। সামনে গিয়ে দাঁড়াবার সাহস ছিল না। নার্সিংহোম থেকে বাবার কাছে খবর যায়। উনি আমার ডেলিভারি হয়ে গেলে এক সপ্তাহ পরে তোর দুধ মাসিকে দিয়ে তোকে বাড়ি, আর আমাকে লন্ডন পাঠিয়ে দেন। বাবা মারা যাবার পর ইন্ডিয়া ফেরত এসে তোদের অনেক খুঁজেছি।"

"আর হবে আর না মা, এই — তো আমি এসে গেছি। তোমায় আর খুঁজতে হবে না।" শর্বরী এগিয়ে গিয়ে মার হাত ধরল। "এতদিন ধরে আমি ধানসিঁড়ির দরজায় বসে ছিলাম তোমার আশায়। তোমায় আজ পেয়েছি। মা আমার... অনেক কষ্ট দিয়েছি...।"

শর্বরী মাকে আর দুধ মাসিকে নিয়ে বিছানায় বসাল।

"আজ আমি দুই মাকে ফিরে পেয়েছি। আমার কোনো কষ্ট আর নেই। আমি খুব খুব খুশি।"




আপনি কি লিখতে ভালোবাসেন?

‘উদ্যোগ’ ওয়েব ম্যাগাজিনের এপ্রিল সংখ্যা ❛নববর্ষ ১৪৩৩❜ প্রকাশিত হবে ১৫ এপ্রিল। ওয়েবসাইটে ঘোষিত বিভাগগুলি থেকে আপনার পছন্দের বিষয়ে লেখা পাঠান ১০ই এপ্রিলের মধ্যে। লেখা পাঠানোর আগে অতি অবশ্যই শর্তাবলী পড়ুন। নির্বাচিত লেখাগুলি লেখক / লেখিকার ছবি ও সংক্ষিপ্ত পরিচিতিসহ Bangali.Network ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে, এবং ১২ জন পর্যন্ত লেখক / লেখিকা পাবেন 'মাসের সেরা কলম' সম্মান। বিশদে জানতে ও আপনার লেখা পাঠাতে এখানে ক্লিক করুন

পৃষ্ঠা

ডিসক্লেইমার : লেখা, মতামত, মন্তব্য বা সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত সকল বক্তব্য সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকা / সাক্ষাৎকারদাতার নিজস্ব এবং সম্পূর্ণ দায়ভার তাঁদের উপরই বর্তায়। এই সমস্ত মতামত Bangali Network-এর নিজস্ব মতামত, অবস্থান বা নীতির প্রতিফলন নাও হতে পারে। লেখক পরিচিতিতে প্রদত্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজস্ব বিবরণ অনুযায়ী প্রকাশিত। Bangali Network উক্ত তথ্যের যথার্থতা, সম্পূর্ণতা বা নির্ভুলতা সম্পর্কে কোনো প্রকার নিশ্চয়তা প্রদান করে না এবং এ সংক্রান্ত কোনো দায় গ্রহণ করে না।

ডিসক্লেইমার : লেখা, মতামত, মন্তব্য বা সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত সকল বক্তব্য সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকা / সাক্ষাৎকারদাতার নিজস্ব এবং সম্পূর্ণ দায়ভার তাঁদের উপরই বর্তায়। এই সমস্ত মতামত Bangali Network-এর নিজস্ব মতামত, অবস্থান বা নীতির প্রতিফলন নাও হতে পারে। লেখক পরিচিতিতে প্রদত্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজস্ব বিবরণ অনুযায়ী প্রকাশিত। Bangali Network উক্ত তথ্যের যথার্থতা, সম্পূর্ণতা বা নির্ভুলতা সম্পর্কে কোনো প্রকার নিশ্চয়তা প্রদান করে না এবং এ সংক্রান্ত কোনো দায় গ্রহণ করে না।

ভালো লাগলে ভালোবাসা দিন
অপছন্দ হলে পরামর্শ দিন
মতামত জানাতে মন্তব্য করুন
0 0 ভোট
স্টার
guest
0 কমেন্ট
নতুন থেকে পুরোনো
পুরোনো থেকে নতুন ভোটসংখ্যা অনুসারে
ইনলাইন প্রতিক্রিয়া
সকল কমেন্ট দেখুন
ফেসবুক পেজ
Udyog Bengali Web Magazine by Bangali Network

বিভিন্ন বিষয় থেকে বেছে নিয়ে লেখা পড়ুন

    বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশিত হওয়া লেখা পড়ুন

    মাসিক সংখ্যাগুলি দেখুন
    Scroll to Top