Go to Bangali.Network
Go to Bangali.Network



লেখা পাঠান


আমাদের কথা
Contests

উদ্যোগ
Web Magazine


উদ্যোগ Web Magazine
Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
অচেনা ক্রিসমাস
এই জন্যই পুরনো মানুষদের বলতে শুনেছি — পুরুষ মানুষকে কখনো বিশ্বাস করতে নেই। বাবা শুধু মা নয়, আমার সঙ্গেও সততা করেননি। যে বিশ্বাস, শ্রদ্ধা নিয়ে এ বাড়িতে পা দিয়েছিলাম, সেই বিশ্বাস আজ ভেঙে গেল।
অচেনা ক্রিসমাস

আজ রেনির বাবার পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী। প্রতিবছর এই দিনটাতে রেনি বাবার বাড়িতেই কাটায়। বাবার ফেভারিট চকলেট ওয়াইন কেক বানিয়ে বাবার ফটো সামনে রাখলে একটা অদ্ভুত শান্তি আসে তার মনে। বাবার শেষ সময়টাতে তেমনভাবে কিছুই করে উঠতে পারেনি মেয়েটা। তখন সদ্যোজাত কন্যা "জাগরী" তার কোলে, স্বামী কনাদ অনেকটাই দেখাশোনা করেছে তার শ্বশুরমশাইয়ের। এই সময়টাতে রোজ অফিস থেকে ফিরবার পথে ও বাড়ি হয়ে এসেছে, ওদের সুবিধা-অসুবিধা অনেকটাই হ্যান্ডেল করেছে।

সেই কলেজ লাইফে কনাদের সঙ্গে রেনির পরিচয়। মেট্রো করে কলেজ যেত রেনি। ওর অলিভ রঙা সবুজ চোখের প্রেমে পড়ে যায় কনাদ। প্রথম প্রথম কনাদের মুগ্ধতা রেনি লক্ষ্য করলেও খুব বেশি পাত্তা দেয়নি। কিন্তু শেষমেশ কনাদের চোখের দৃষ্টি রেনির চোখের মণি ভেদ করে অন্তরাত্মাকে যেন স্পর্শ করতে চাইত, আদায় করতে চাইত তার সম্মতিটাও। একদিন সাদা শাড়িতে কলেজে গান গাওয়ার কথা ছিল রেনির, দিনটা ১৫ই আগস্ট। মেট্রো স্টেশনে কনাদ পরাধীনতার ইচ্ছা প্রকাশ করে ফেলে রেনির কাছে। স্বাধীনতা দিবসের দিন পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ হওয়ার এই ইচ্ছের কথা শুনে রেনি না হেসে পারল না। আর সেই হাসির মিলিত স্রোত এখনো কনাদ আর রেনির জীবনকে এগিয়ে নিয়ে চলেছে।

আজ দিনটা রবিবার। মেয়ে জাগরী গেছে আঁকার স্কুলে। কনাদ বাজারে। বাড়ি ফিরে যখন মেয়ে শুনবে তারা তিনজনে যাবে দক্ষিণ দমদমে দিয়ানের বাড়ি, তখন জাগরী লাফিয়ে উঠবে। দিয়ানের হাতে সব রান্নাই তার ভীষণ প্রিয়। এইটুকু বয়সে তিনি তাকে যাই দেন, তাই সে মহাআনন্দে খেয়ে নেয়। কিন্তু বাড়িতে খেতে বসলেই তার বায়না শুরু। আসলে এতে জাগরীর খুব একটা দোষ নেই, তার দিয়ান মানুষটাই এইরকম। সারা জীবন তিনি শুধু ত্যাগের তপস্যাই করেছেন। পূজা-অর্চনা আর সংসারে জীবন উৎসর্গ করা এক নারী, যার স্নেহের উত্তাপ রেনিকে বাঁচার প্রেরণা যোগায়। অথচ ওই সাধারণ মানুষটার জীবনের একমাত্র ব্রত ছিল রেনিকে অসাধারণ করে গড়ে তোলা। হয়তো তার আশীর্বাদ, শিক্ষা আর ডেডিকেশনই তাকে এনএসডি কলেজের রেনিসা ম্যাম হয়ে উঠতে সহায়তা করেছে। এক দূর সম্পর্কের আত্মীয়া রেনির মা, মানে মালিনী দেবীকে দেখাশোনা করে ওই বাড়িতে। চায়ের কাপ হাতে এসব কথাই ভাবছিল রেনি।

চমক ভাঙল কনাদের গলার আওয়াজে, "বাজার থেকে পালং শাক আর পাবদা মাছ নিয়ে এসেছি। বীনা মাসিকে বলব ভালো করে মাছের ঝালটা রান্না করে রাখতে, যাতে রাত্রিবেলা এসে খেতে পারি।" রেনি বুঝল আজকের তারিখটা ভুলে যায়নি কনাদ।

যথারীতি সকালবেলা স্নান সেরে ওরা তিনজনে বেরিয়ে পড়ল দমদমের বাড়ির উদ্দেশ্যে। পুরনো বাড়ি, পরতে পরতে শুধু স্মৃতি আর স্মৃতি। মোমবাতি, চন্দন, ফুলের মালা আর চকলেট কেকটা নিয়ে রেনি ঘণ্টাখানেক বাবার ফটোর সামনে বসে রইল। মায়ের গলার আওয়াজে তার হুঁশ এলো, "রেনি ওঠো, এবার কিছু মুখে দাও।"

খাবার টেবিলে ততক্ষণে মালিনী নাতনিকে খাইয়ে দিচ্ছিলেন মিষ্টি পোলাও আর বাটার পনির। অপেক্ষা করছিল কনাদ রেনির জন্য। খাওয়ার পর্ব শেষ হতেই কনাদ বলল, "আমি তো এখানে আসি বিশ্রাম নেওয়ার জন্য। পুরনো বাড়ি বিশ্রামের জন্য নিরিবিলি আর চমৎকার।" কনাদ পাশের ঘরে যেতেই হঠাৎ রেনির মনে হল উপরে উঠে বাবার ঘরটা একবার খুলে দেখলে কেমন হয়। পাশের ঘরে উঁকি মেরে দেখল জাগরী অর্ধনিমীলিত নেত্রে ঘুমের দোরগোড়ায়, সে তখনও গল্প শুনছে তার দিয়ানের কাছে।

ঘোরানো সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠে গেল রেনি। বাবা অনন্ত চৌধুরী ছিলেন একজন এফআরসিএস ডাক্তার। ঘরে বর্মিস কাঠের ডিম্বাকৃতি খুব শখের আয়নাটায় এখন ধুলোর আস্তরণ, বুকশেলফে সাজানো বইগুলো খুব মলিন, সেই সঙ্গে ওয়ার্ডরোবে রাখা কোটগুলোয় হাত পড়েনি কারও দীর্ঘদিন। দেখতে ইচ্ছে হল সেই অফ-হোয়াইট রঙের ব্র্যান্ডেড কোটটাকে, যেটা প্রায়ই কনফারেন্স অ্যাটেন্ড করতে পড়ে যেতেন তার বাবা। পকেটে গোঁজা থাকত একটা মেরুন রঙা রুমাল।

নিজের অজান্তেই রেনি কোটের পকেট থেকে পেয়ে গেল একটা খাম। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখল বিদেশের ঠিকানা লেখা। প্রথমে ভেবেছিল হয়তো কোনও অফিসিয়াল চিঠি। রেখে দিচ্ছিল, কী মনে হতে আবার বের করল চিঠিটা। তাতে লেখা ছিল —

"Dear Ananta,
The time we spent together was very precious to me. You taught me to know myself anew. I am blessed to have such a beautiful person in my life. I am grateful to you for your company. Coming to India very soon with a great gift for you from your Liza.
Your Eliza"

ঠিকানাটা ছিল — Twelve High Street, Wim Blenden, United Kingdom।

একটা বিরাট ধাক্কা লাগল। তাহলে তিনি ছিলেন বাবার প্রেমিকা। তাহলে বোধহয় কিছু কিছু প্রশ্নের উত্তর এবার মিলছে — কেন তার মা সারা জীবন এত চুপচাপ থেকেছেন। সারা জীবন তিনি নিজেকে সংসার আর পূজা-অর্চনার মধ্যে ব্যস্ত রাখতেন, আর আমি ছিলাম তার জীবনের একমাত্র উপলক্ষ। ভেতরটা ধীরে ধীরে পুড়ছে যেন। যিনি আমায় তার সর্বস্ব দিয়ে আগলেছেন, মানুষ করেছেন, যার অবদান জীবনের প্রতিটি মূল্যবোধের নিরিখে — তিনি তার স্বামীর কাছ থেকে কতটা গুরুত্ব পেয়েছেন, সে বিষয়ে আমার যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।

এই জন্যই পুরনো মানুষদের বলতে শুনেছি — পুরুষ মানুষকে কখনো বিশ্বাস করতে নেই। বাবা শুধু মা নয়, আমার সঙ্গেও সততা করেননি। যে বিশ্বাস, শ্রদ্ধা নিয়ে এ বাড়িতে পা দিয়েছিলাম, সেই বিশ্বাস আজ ভেঙে গেল। যে মানুষটা আজীবন তার পিতার কাছে শুধুমাত্র আটপৌরে মানুষ হিসেবেই থেকে গেছেন, সেই মানুষটার ভেতরকার অসাধারণ আত্মাকে কোনওদিন চেনারই চেষ্টা করেনি তার ডাক্তার স্বামী। হয়তো সবটাই জানতেন তার মা। কিন্তু যে ছাইচাপা আগুনটা তার মায়ের বুকের ভেতরে রয়েছে, তাকে নতুন করে আর উসকে দিতে চায় না রেনি। তবে মনে মনে স্থির করে এই ঘটনার জট সে খুলবেই, এবং সেটা এই নববর্ষের আগেই।

চুপচাপ মায়ের পাশে এসে শুয়ে পড়ে মেয়েটা। অজান্তেই তার চোখ থেকে জল গড়িয়ে আসে। কনাদের ডাকে যখন ঘুম ভাঙল, মনে পড়ল আজ তাদের বিকেলেই ৬১ কাটা পুকুর থার্ড বাই লেনের "আশা ভরসা" নামক বৃদ্ধাশ্রমে যাওয়ার কথা আছে। প্রতিবছর এই দিনটাতে রেনি বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের জন্য উপহার নিয়ে যায় কোনও না কোনও আশ্রমে। ঠিক হল ওরা দুজনেই যাবে, জাগরী থাকবে তার দিয়ানের কাছে।

চিঠির ব্যাপারে কনাদকে কোনও কথাই বলতে পারল না রেনি। ভেতরটা তোলপাড় করছে। মনে আর সেই জোর কোথায়। আপাতত হেরে যাওয়া একটা মানুষ হিসেবেই সে ঢুকল বৃদ্ধাশ্রমে। কিন্তু কিছু সময় পার হতেই অনুধাবন করল, তার দুঃখ নেহাতই অল্প। এদের মধ্যে কেউ সন্তানকে বিশ্বাস করে ঠকেছে, কেউ বা ভালোবেসে জীবনের শেষ সম্বল, আস্তানা টুকু লিখে দিয়েছে, কিন্তু সেখানে আর ঠাঁই হয়নি। বৃদ্ধ দম্পতি শুধুমাত্র গণগ্রাস হবে না বলেই স্বেচ্ছায় চলে এসেছে এখানে। আর লীলা আন্টির মতো মানুষেরা মিশনারি স্কুলে চাকরি করে দিন যাপন করে ভালোবেসেছেন পরের দেশকে। যীশু নয়, কৃষ্ণ নাম না করে ব্রেকফাস্ট সারতে পারেন না এখন।

কিছু শীতের পোশাক আর গল্পের বই নিয়ে গিয়েছিল ওদের জন্য। চোখ চিকচিক করে ওঠে মানুষগুলোর। লীলা আন্টি বলে ওঠেন, "আয়ুষ্মতি ভব। কী আশ্চর্য এই পৃথিবী — কেউ ভারতীয়ত্ব ভুলতে চায়, কেউ বা ভারতীয় না হয়েও হয়ে যায়।"

বাড়ি ফিরছিল ওরা তিনজনে। হঠাৎ জাগরী বলে ওঠে, "আমায় কোথায় পেয়েছিলে মা?" রবি ঠাকুরের ভাষায় রেনি জবাব দেয়, "ইচ্ছে হয়েছিলি মনের মাঝারে।" কিছু না বুঝেই জাগরী আদর করে মাকে। রেনির ক্ষতে প্রলেপ লাগে সন্তানস্নেহের ছত্রছায়ায়।

নববর্ষ, মানে নিউ ইয়ার, এখনও ছয় দিন বাকি। জাগরী বারেবারে অরেঞ্জ কেক খেতে চেয়েছে। রেনি কলেজের ফাঁকে ফাঁকে রেসিপি ঘাঁটে। মনমতো পায় না। হঠাৎ খেয়াল হয় লীলা আন্টির কথা। তিনিই তো তাকে শেখাতে পারেন। কলেজ ফেরত যায় "আশা ভরসা"-য়। শুধু কেক নয়, বেদ-উপনিষদের প্রভাব আমাদের জীবনে কতটা — সেসব নানা কথা উঠে আসে লীলা আন্টির কথায়। মুগ্ধ হয়ে শুনছিল রেনি। মনে মনে ঠিক করে অরেঞ্জ কেকটা লীলা আন্টিকেও টেস্ট করাবে।

সবকিছুই ঠিকঠাক চলছিল। জাগরীর বায়নায় দিয়ানকে নিয়ে আসা হল ২৫শে ডিসেম্বর। দিদা-নাতনি মিলে ক্রিসমাস ট্রি, রঙবেরঙের বেলুন আর টুনি লাইট দিয়ে সাজিয়ে তুলল ড্রয়িংরুমটা। সন্ধ্যেবেলা সবাই আনন্দ করছিল।

ছন্দপতন ঘটল সেই ফোনটায়, "আজ সকালেই একটা মাইল্ড অ্যাটাক হয়েছে লীলা গোমসের। তিনি রেনিসা গুপ্তর সঙ্গে দেখা করতে চান।" অবাক হয় কনাদ, "রিনিকে দেখতে চায়?" আশ্রমে গিয়ে শুনল, তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কন্ডিশন খুবই সিরিয়াস।

কনাদ সেই মুহূর্তে বাথরুমে গেলে আশ্রমের কর্ণধার শ্রীমতী ধৃতি পাল রেনির হাতে একটি চিঠি দিয়ে বলেন, "বেশ কিছুদিন আগে লিখেছিলেন হয়তো। অসুস্থ হওয়ার পর আকার-ইঙ্গিতে আপনাকে দিতে বলেন।"

কাঁপা হাতে চিঠিটা খুলে রেনি পড়ল —

"স্নেহের রেনিসা,
আমি তোমার জন্মদাত্রী মা। তুমি হয়তো জানো না, তোমার বাবার সঙ্গে আমার বিয়ে না হলেও তুমি ছিলে আমাদের জীবনের শ্রেষ্ঠ উপহার। যেটা আমি তাকে দিয়েছিলাম। এছাড়া আমি আর কিছুই করিনি। তাই যে মহীয়সী মানুষটি তোমায় মানুষ করেছেন, সেই তোমার প্রকৃত মা। ঈশ্বরের করুণায় আমি আমার শেষ দিনে আমার আত্মজার দেখা পেয়েছি। আমার জীবন পূর্ণ হয়েছে।
ইতি, লীলা আন্টি"

চিঠিটা খানিকক্ষণের জন্য রেনিকে স্তম্ভিত করলেও একটা কানেকশন অনেক দিন ধরেই সে যেন অনুভব করছিল। তাই এই ধাক্কাটা সামলানোর ক্ষমতাও তার আগে থেকেই তৈরি ছিল। চিঠিটা মুঠোর মধ্যে নিয়ে রেনি ঠিক করল — এই চিঠিটা একান্ত গোপনই থাকবে। যে বিধ্বংসী ঝড় তার মুঠোর মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে, সেটা ওলট-পালট করে দিতে পারে তার বর্তমান জীবন আর অনেকগুলো মানুষের জীবন। তাই সেই ঝড়ের আঁচ সে লাগতে দেবে না তার অস্তিত্বে।

ধীরে ধীরে কনাদের সঙ্গে বেরিয়ে এলো বৃদ্ধাশ্রম থেকে। ঈশ্বরের কাছে লীলা আন্টির আরোগ্য কামনা করল। ঈশ্বরের কাছে নিজেকে স্বার্থপর মনে হলেও, সন্তান হিসেবে এর বেশি আর হয়তো কিছুই করার রইল না তার।




আপনি কি লিখতে ভালোবাসেন?

‘উদ্যোগ’ ওয়েব ম্যাগাজিনের এপ্রিল সংখ্যা ❛নববর্ষ ১৪৩৩❜ প্রকাশিত হবে ১৫ এপ্রিল। ওয়েবসাইটে ঘোষিত বিভাগগুলি থেকে আপনার পছন্দের বিষয়ে লেখা পাঠান ১০ই এপ্রিলের মধ্যে। লেখা পাঠানোর আগে অতি অবশ্যই শর্তাবলী পড়ুন। নির্বাচিত লেখাগুলি লেখক / লেখিকার ছবি ও সংক্ষিপ্ত পরিচিতিসহ Bangali.Network ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে, এবং ১২ জন পর্যন্ত লেখক / লেখিকা পাবেন 'মাসের সেরা কলম' সম্মান। বিশদে জানতে ও আপনার লেখা পাঠাতে এখানে ক্লিক করুন

পৃষ্ঠা

ডিসক্লেইমার : লেখা, মতামত, মন্তব্য বা সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত সকল বক্তব্য সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকা / সাক্ষাৎকারদাতার নিজস্ব এবং সম্পূর্ণ দায়ভার তাঁদের উপরই বর্তায়। এই সমস্ত মতামত Bangali Network-এর নিজস্ব মতামত, অবস্থান বা নীতির প্রতিফলন নাও হতে পারে। লেখক পরিচিতিতে প্রদত্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজস্ব বিবরণ অনুযায়ী প্রকাশিত। Bangali Network উক্ত তথ্যের যথার্থতা, সম্পূর্ণতা বা নির্ভুলতা সম্পর্কে কোনো প্রকার নিশ্চয়তা প্রদান করে না এবং এ সংক্রান্ত কোনো দায় গ্রহণ করে না।

ডিসক্লেইমার : লেখা, মতামত, মন্তব্য বা সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত সকল বক্তব্য সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকা / সাক্ষাৎকারদাতার নিজস্ব এবং সম্পূর্ণ দায়ভার তাঁদের উপরই বর্তায়। এই সমস্ত মতামত Bangali Network-এর নিজস্ব মতামত, অবস্থান বা নীতির প্রতিফলন নাও হতে পারে। লেখক পরিচিতিতে প্রদত্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজস্ব বিবরণ অনুযায়ী প্রকাশিত। Bangali Network উক্ত তথ্যের যথার্থতা, সম্পূর্ণতা বা নির্ভুলতা সম্পর্কে কোনো প্রকার নিশ্চয়তা প্রদান করে না এবং এ সংক্রান্ত কোনো দায় গ্রহণ করে না।

ভালো লাগলে ভালোবাসা দিন
অপছন্দ হলে পরামর্শ দিন
মতামত জানাতে মন্তব্য করুন
2.3 3 ভোট
স্টার
guest
0 কমেন্ট
নতুন থেকে পুরোনো
পুরোনো থেকে নতুন ভোটসংখ্যা অনুসারে
ইনলাইন প্রতিক্রিয়া
সকল কমেন্ট দেখুন
ফেসবুক পেজ
Udyog Bengali Web Magazine by Bangali Network

বিভিন্ন বিষয় থেকে বেছে নিয়ে লেখা পড়ুন

    বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশিত হওয়া লেখা পড়ুন

    মাসিক সংখ্যাগুলি দেখুন
    Scroll to Top