Go to Bangali.Network
Go to Bangali.Network



লেখা পাঠান


আমাদের কথা
Contests

উদ্যোগ
Web Magazine


উদ্যোগ Web Magazine
Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
ভূত তত্ত্ব কথন — অধ্যায় : ১ । ২ । ৩
ভূত তত্ত্ব কথন — অধ্যায় : ১ । ২ । ৩

প্রথম অধ্যায়


আচ্ছা আপনি কি ভূতে বিশ্বাস করেন? কী মনে করেন, ভূতের অস্তিত্ব আছে?

এই দুটো প্রশ্নের উত্তরে যারা মনে মনে বলছেন, "একেবারে না, কোনওভাবেই না", তাদের জন্য দু-একটা বিষয় জানাই যা একদা মানুষ বিশ্বাস করত নিশ্চিত সত্যি হিসাবে —
🔹 এই পৃথিবী সমতল।
🔹 সূর্য ও বাকি নক্ষত্রগুলো পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে।
🔹 চাঁদ সবুজ পনির দিয়ে তৈরি।

আজ কিন্তু, তিনটেই মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।

আমি জানি আপনাদের ভেতর বেশিরভাগ মানুষ কী পড়তে ভালোবাসেন। নির্ভেজাল ভূতের গল্প! ঠিক বলছি তো?

চিন্তা করবেন না, প্রচুর ভৌতিক গল্প আসবে, যদি এই সফরে সঙ্গী হয়ে থাকেন আগামী দিনগুলোতে। ভূত গবেষকদের মতে নথিভুক্ত থাকা এ জগতের সবচেয়ে প্রাচীন গল্পটাও বলব আপনাদের। কিন্তু, তার আগে আমরা ভুতুড়ে জগতের নানান কিংবদন্তিগুলো যে পটভূমিতে বিকশিত হয়েছে সেটাকে একটু নেড়েচেড়ে দেখব। সোজা কথায় ভূত বিষয়ক নানা তত্ত্ব। আমরা উঁকিঝুঁকি দেব অতীতের নানা সভ্যতায় মৃত্যুর পরেও 'বেঁচে' থাকার বিষয়ে মানুষ কী ভাবত এবং তারা কী বিশ্বাস করত, সেই বিষয়ে। অথবা মরে যাওয়ার পরে যদি আমরা ফিরেও আসি, তাহলে আমরা কোন রূপে ফিরে আসব?

আমি বেশ কিছু ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করেছি লেখার সময়। কারণ তাদের বাংলা করলে হয়তো আপনাদেরকে অভিধান খুলে বসতে হবে মানে বোঝার জন্য। অবশ্য উৎসুক পাঠক-পাঠিকারা ইংরেজি শব্দটার মানে জানার জন্য চেষ্টা করবেন অনেক সময় এটাও আমি জানি। এই আলোচনা সিরিজ নিছক নিরস নিবন্ধে যাতে পরিণত না হয়, তার জন্য আমি এই লেখাকে দুজন মানুষের কথোপকথনের রূপ দিয়েছি। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।

একাদশীর দুপুর। রাস্তাটা ফাঁকা। বাড়ি ফিরছি। হঠাৎ একটা ঢিল এসে পড়ল গায়ে। আর তারপরেই শুনতে পেলাম সেই চেনা কণ্ঠস্বর —
➖ ঠিক দুক্কুরবেলা, ভূতে মারে ঢেলা।
ঘুরে তাকাতেই দেখতে পেলাম এক এবং অদ্বিতীয় সবজান্তা দাদাকে। একগাল হেসে এগিয়ে এসে বললেন,
➖ কিরে শুনলাম তুই নাকি ভূত নিয়ে গবেষণা করছিস?
➖ ভূত নিয়ে গবেষণা তাও আবার আমি? পাগল নাকি?
➖ বচ্ছরকার দিনে মিথ্যা বলিস না ভাই, সব খবর পেয়ে যাই আমি। তোর সঙ্গে একটা ওয়েব ম্যাগে এ নিয়ে লেখার কথা হয়েছে।

সত্যিই অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। বললাম,
➖ পোষা ভূতটুত আছে নাকি তোমার?
➖ হ্যাঁ তা বলতেই পারিস। তবে সেটা প্রযুক্তির ভূত। যাকগে। তথ্য-টথ্য দরকার হলে আমাকে জিজ্ঞেস করতে পারিস।

মেঘ না চাইতেই জল। সবজান্তা দাদা যদি সহায় হয়, লেখা তরতর করে এগিয়ে যাবে। তাই বললাম,
➖ বেশ তাহলে সময় নষ্ট না করে শুরু করেই দিই।

দাদা বললেন,
➖ রাস্তার মাঝে। তার চেয়ে চল তোর বাড়িতে যাই। কাকিমা নিমকি বানিয়েছেন না? তবে যেতে যেতে তুই ঠিক কী ভাবছিস, মানে কীভাবে এগোতে চাস সেটা আমাকে বল।
➖ দেখো দাদা, যেটা লিখতে চাই সেটা ভূতের ইতিহাস বলতে পারো। মানে কীভাবে ভূত ভাবনার সূত্রপাত হল মানব সমাজে। কারোর বিশ্বাসে আঘাত করা বা কাউকে বিশ্বাসী করে তোলার কোনও উদ্দেশ্য আমার নেই। বিশ্ব জুড়ে ভূতের নানান প্রচলিত গল্পগাছা আছে। এই সিরিজে সেসব নিয়ে আলোচনা করার আগে এ জগতে ভূত বা মৃত্যু পরবর্তী জগত নিয়ে সাধারণত কী ভাবনা প্রচলিত আছে সেটাই সবার আগে লিখব।
➖ বাহ্‌, বেশ বেশ। তাহলে একটা ব্যাপার নিশ্চয় জানিস, ভূতের আলোচনায় দুটো মাত্র বিষয়, ওদের অস্তিত্ব আছে এটা বিশ্বাস করা এবং না করা। আর যদি ওদের অস্তিত্বে তুই বিশ্বাস করিস তাহলে আবার দুটো প্রশ্ন তৈরি হয় তুই ওদের ভয় পাস, নাকি পাস না।
➖ দাদা, আমার বিশ্বাস অবিশ্বাসের ছাপ এই লেখায় আমি রাখতে চাই না। আশা করি তুমি এটা ভালো করেই বোঝো যে, যারা বিশ্বাস করে, তাদের জন্য কোনও প্রমাণের দরকার পড়ে না। আর যারা বিশ্বাস করে না, তাদের জন্য কোনও প্রমাণই যথেষ্ট নয়।
➖ তাহলে অন্তত বল তুই কোন দলে?

ভেবেছিলাম উত্তর দেব না, তবুও বলেই ফেললাম,
➖ চরম অবিশ্বাসীর দলে। তারজন্যই তো এই খোঁজখবর শুরু করেছি। আশা রাখছি আমার মতই খোলা মনে পাঠকপাঠিকারা এই সিরিজের লেখাগুলো পড়বেন। তা সে তারা ভুতপ্রেতে বিশ্বাসী হন বা অবিশ্বাসী। এমন অনেক 'গল্প' বা 'ঘটনা'র কথা আগামীদিনে লিখব, যা হয়তো অবিশ্বাসীকে 'বিশ্বাসী' বানিয়ে দেবে!
➖ ভূতে অবিশ্বাসীকে বিশ্বাসী করতে চাইছিস?
➖ উল্টোটাও হতে পারে, বিশ্বাসী অবিশ্বাসীতে বদলে যাবেন।

এই কথাগুলো বলতে বলতেই বাড়ির কাছে এসে গিয়েছিলাম। ভিতরে ঘরে গিয়ে বসার পর মা দিয়ে গিয়েছিলেন বিজয়ার নিমকি আর নারকেলের নাড়ু। যা খেতে খেতেই আবার শুরু হয়েছিল আমাদের আলোচনা।

➖ আচ্ছা দাদা, তোমার কি মনে হয়, আমরা কী কখনও নিশ্চিতভাবে জানতে পারব যে ভূত আছে?
➖ এটা কি তোর নিজের জন্য জিজ্ঞেস করছিস নাকি পাঠকদের তরফ থেকে জানতে চাইছিস?
➖ দু' তরফই ধরে নাও।
➖ সেক্ষেত্রে বলব, একজন ভালো পাঠক/গবেষক হতে হলে সংশয়বাদী হতেই হবে। কিন্তু নিজের বিশ্বাসকে একমাত্র মাপকাঠি ধরে মানুষের বিশ্বাসকে ১০০ শতাংশ অবিশ্বাস করে চললে অনেক সত্যিই চোখ এড়িয়ে যেতে পারে। 'ওপেন মাইন্ডেড পার্সন' হওয়াটা জরুরী।
➖ তুমি কোনোদিন ভূত দেখেছ?
➖ না, আজ অবধি সে সৌভাগ্য হলো না। তবে এটা বলতে পারি অনেক অদ্ভুত এবং যুক্তি দিয়ে ব্যাখ্যা করা যাবে না এমন 'গল্প' কথা শুনেছি, পড়েছি।
➖ হঠাৎ করে লোডশেডিং হয়ে গেলে অন্ধকারে গা হাত পা ঠান্ডা হয়ে এসেছে?
➖ হ্যাঁ, সেটা হয়েছে। এরকমটাও মনে হয়েছে আমি যেন একা নেই। আরও কেউ যেন আমার আশেপাশেই আছে। কিন্তু তারমানেই যে ভূতের অস্তিত্ব প্রমাণ হচ্ছে, তা কিন্তু আমার কোনোদিন মনে হয়নি। আসলে সেই কবে থেকেই তো অনেক মানুষ একটাই দাবি করে আসছে। আমাদের মাঝেই ভূতেরা বিচরণ করে! প্রাচীনকাল থেকেই লিখিত শব্দের জন্ম হওয়ার অনেক আগে থেকেই মৌখিক লোককথায় ভূতের গল্প নিজের জায়গা করে নিয়েছে। 'অ্যানিমিস্টিক' সমাজের মানুষেরা প্রায়শই তাদের পূর্বপুরুষদের ভূত দেখতে পেতেন। ভবিষ্যতের পূর্বাভাস জানতে, প্রাচীন সমাজের 'বিজ্ঞ' ব্যক্তিরা আত্মাদের আবাহন করতেন এটা আশা করি তোর জানা আছে।

ইতিবাচকভাবে ঘাড় নেড়ে বললাম,
➖ দাদা, আমি চাই ভূতেদের জগত নিয়ে লেখার আগে একটা কাজ করতে চাই।
➖ কি কাজ?
➖ 'সুপারন্যাচারাল' শব্দটাকে ভূত গবেষকেরা পাত্তা দেন না কেন তার একটা ব্যাখ্যা রাখতে চাই। তোমার কী মনে হয়?
➖ 'সুপারন্যাচারাল' অর্থাৎ বাংলায় অতিপ্রাকৃত। ঠিকই বলেছিস বেশিরভাগ আত্মা দর্শন বিষয়ক গবেষকেরা এই শব্দটা থেকে দূরে থাকেন। এই শব্দের স্পষ্ট অর্থ হলো — আমাদের চেনাজানা পরিচিত জগতের ভিতর ঘটে যাওয়া এমন কিছু ঘটনা যার ব্যাখ্যা অসম্ভব। শব্দটা এসেছে ল্যাটিন 'সুপার' এবং 'নাস্কি' থেকে। যাদের ইংরেজি অর্থ 'অ্যাবভ' এবং 'টু বি বর্ন'। অর্থাৎ দুটোকে এক করে এটাই বলা যায়, এমন কিছু যার জন্ম আমাদের ভাবনার বাইরে। বা বলতে পারি, এর সৃষ্টি হয়েছে কিন্তু কীভাবে তা আমরা জানি না। সোজাকথায় আমরা যা জানি বা বুঝি তার বাইরে এর অবস্থান।
➖ এর কি কারণ বলে তোমার মনে হয়?
➖ দ্যাখ, ভূত বিষয়ে আলোচনা বেশ কিছু পরিমাণে উদ্ভট এবং প্রশ্ন উদ্রেককারী বিষয় বলেই হয়তো এই অতিপ্রাকৃত শব্দটাকে ওর সাথে জুড়তে চান না অনেকে। একাধিক গবেষকের মতে 'অতিপ্রাকৃত' শব্দটাকে একটু বিশেষ গুরুত্ব সহকারে দেখা হয়। যার সাথে ঐশ্বরিক, গুপ্তজ্ঞান এমনকি শয়তানের সম্পর্ক জড়িয়ে আছে বলেই ভাবা হয়। এই কারণেই 'সুপারন্যাচরাল' শব্দর বদলে ওরা 'প্যারানরমাল' শব্দটা ব্যবহার করতে পছন্দ করেন। আশা করি তুই 'ই এস পি' এই শব্দবন্ধটা শুনেছিস?
➖ হ্যাঁ, 'এক্সট্রা সেন্সরি পারসেপশন'। বেশিরভাগ মানুষ যারা ভূতের বিষয়ে আগ্রহী তারা একইসাথে সবরকম 'সাইকিক ফেনোমেনা' বা ঘটনার প্রতিও এক ধরণের স্বাভাবিক আগ্রহ বোধ করেন। 'প্যারাসাইকোলজি'র একটা শাখা মনের দ্বারা সৃষ্ট সেই সব ঘটনার প্রমাণ খোঁজে যাদের ব্যাখ্যা করা যায় না। একেই বলে 'ই এস পি'।
➖ একদম। 'সাইকিক ফেনোমেনা'র মূলত তিনটে ভাগ আছে যাকে আমরা মোটামুটি চিনি। 'টেলিপ্যাথি', 'ক্লেয়ারভয়েন্স' আর 'সাইকোকাইনেসিস'। এসবের সুত্রেই ভৌতিক বা প্যারানরম্যাল ঘটনাগুলোকে ব্যখ্যা করার চেষ্টা চালানো হয়।
➖ 'টেলিপ্যাথি' মানে তো পাঁচ ইন্দ্রিয়র বদলে অন্য কোনোভাবে যোগাযোগ স্থাপন করা। একে কেউ কেউ 'মাইন্ড রিডিং'ও বলে থাকেন। 'ক্লেয়ারভয়েন্স' শব্দটা গ্রীক সাহিত্যে খুব পাওয়া যায়। এমন বস্তু বা ঘটনা দেখা যা কেউ জানে না এবং পঞ্চ ইন্দ্রিয় দ্বারা অনুধাবন করা যায় না। উদাহরণ স্বরূপ, ভবিষ্যতের পূর্বাভাস। কিন্তু তিন নম্বরটা কী?
➖ 'সাইকোকাইনেসিস'। যে কোনও বস্তুকে মনের শক্তিতে নড়ানোর ঘটনাকে এই পারিভাষিক নামে ডাকা হয়। আর একটা শব্দ তোর লেখার সূত্রে আসতেই পারে। 'অ্যানিমিজম'। একটু আগে আমি নিজেই বলেছি।
➖ হ্যাঁ সে তো থাকবেই। 'অ্যানিমিজম' হলো এ জগতের প্রথম ধর্ম বিশ্বাস।
➖ একদম, আধুনিক 'অ্যানথ্রোপলজি'র স্রষ্টা ই বি টাইলরের এটাই মত। এই ভাবনা অনুসারে বিশ্বাস করা হয় মানব শরীর ছেড়ে গিয়েও আত্মা 'বেঁচে' থাকে। ১৮৭১ সালে তার লেখা 'প্রিমিটিভ কালচার' বইতে উনি এই তত্ত্বর বিষয়ে জানিয়েছেন। প্রমাণ হিসাবে তুলে ধরেছেন একাধিক আদিবাসি সমাজের উদাহরণ। উনি দু ধরণের আত্মার কথা বলেছেন – এক, যারা মানুষের মৃতদেহ থেকে বেরিয়ে আসে এবং দুই, যাদের নিজস্ব 'জীবন' আছে।


➖ হ্যাঁ, পড়েছি। বর্তমান সময়ে এসে অবশ্য টাইলরের অনেক ভাবনাই নস্যাৎ হয়ে গেছে। কিন্তু প্রাথমিক যে ধারণা উনি দিয়েছিলেন, মৃত্যুর পর আত্মা জাতীয় কিছুর অস্তিত্ব আছে এবং তাদের সঙ্গে জীবিত মানুষ যোগযোগ করতে পারে, তা আজও মুছে দেওয়া সম্ভব হয়নি।
➖ সেটা কী করেই বা সম্ভব। এই ধারণার জন্মই তো হয়েছে সভ্যতার আদিতে। যা নিয়ে তর্কবিতর্ক সমান তালে চলছে। প্রথম শতাব্দীর সূচনা হতেই সেই সময়ের অনেক ইতিহাসবিদ শুরু করেন জনপ্রিয় ভূতের গল্পগাছা এবং কিংবদন্তি নথিবদ্ধ করার কাজ। দু হাজার বছর পার হয়ে এসেও, আমাদের সেই বিষয়ে কৌতূহল আজও অব্যাহত। প্রচুর প্রচুর আধিভৌতিক এবং ভুতুড়ে ঘটনার রিপোর্ট আমরা শুনেছি এবং পড়েছি। যাদের আমরা উপেক্ষা করতেই পারি। যে সবের দ্বারা একটাই বিষয় 'যেন' সামনে আসে-মনে হয় কিছু একটা তো অবশ্যই আছে! ওই যে বলে না যা রটে তার কিছু তো বটে। আর সেটাই ফলে ফুলে বিকশিত হয়েই চলেছে।
➖ ঠিক, কিন্তু দাদা প্রশ্ন হলো এত এত মানুষ কী দেখেছে বা কী শুনেছে বা কিসের অভিজ্ঞতা লাভ করেছে?
➖ এর উত্তর দেওয়া খুব মুশকিল। কেন বলতো? দ্যাখ, এর আগে আরেকটা প্রশ্ন আছে, সেটারও কোনও সমাধান নেই বা করা সম্ভব নয়। আদপেই তারা কিছু দেখেছিল কি? আশা করছি, যেদিন তোর ওই সিরিজের লেখা শেষ হবে, সেদিন মনের ভেতর জমে থাকা এরকম অনেক প্রশ্নের জবাব তোর পাঠক-পাঠিকারা পেয়ে যাবেন।
➖ তুমি সঙ্গে থাকবে তো? কারণ অনেক তথ্য প্রয়োজন।
➖ আমি সবসময় আছি।

প্রথম অধ্যায় উপভোগ করেছেন? দ্বিতীয় অধ্যায় পড়তে ক্লিক করুন




আপনি কি লিখতে ভালোবাসেন?

‘উদ্যোগ’ ওয়েব ম্যাগাজিনের এপ্রিল সংখ্যা ❛নববর্ষ ১৪৩৩❜ প্রকাশিত হবে ১৫ এপ্রিল। ওয়েবসাইটে ঘোষিত বিভাগগুলি থেকে আপনার পছন্দের বিষয়ে লেখা পাঠান ১০ই এপ্রিলের মধ্যে। লেখা পাঠানোর আগে অতি অবশ্যই শর্তাবলী পড়ুন। নির্বাচিত লেখাগুলি লেখক / লেখিকার ছবি ও সংক্ষিপ্ত পরিচিতিসহ Bangali.Network ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে, এবং ১২ জন পর্যন্ত লেখক / লেখিকা পাবেন 'মাসের সেরা কলম' সম্মান। বিশদে জানতে ও আপনার লেখা পাঠাতে এখানে ক্লিক করুন

পৃষ্ঠা

ডিসক্লেইমার : লেখা, মতামত, মন্তব্য বা সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত সকল বক্তব্য সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকা / সাক্ষাৎকারদাতার নিজস্ব এবং সম্পূর্ণ দায়ভার তাঁদের উপরই বর্তায়। এই সমস্ত মতামত Bangali Network-এর নিজস্ব মতামত, অবস্থান বা নীতির প্রতিফলন নাও হতে পারে। লেখক পরিচিতিতে প্রদত্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজস্ব বিবরণ অনুযায়ী প্রকাশিত। Bangali Network উক্ত তথ্যের যথার্থতা, সম্পূর্ণতা বা নির্ভুলতা সম্পর্কে কোনো প্রকার নিশ্চয়তা প্রদান করে না এবং এ সংক্রান্ত কোনো দায় গ্রহণ করে না।

ডিসক্লেইমার : লেখা, মতামত, মন্তব্য বা সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত সকল বক্তব্য সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকা / সাক্ষাৎকারদাতার নিজস্ব এবং সম্পূর্ণ দায়ভার তাঁদের উপরই বর্তায়। এই সমস্ত মতামত Bangali Network-এর নিজস্ব মতামত, অবস্থান বা নীতির প্রতিফলন নাও হতে পারে। লেখক পরিচিতিতে প্রদত্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজস্ব বিবরণ অনুযায়ী প্রকাশিত। Bangali Network উক্ত তথ্যের যথার্থতা, সম্পূর্ণতা বা নির্ভুলতা সম্পর্কে কোনো প্রকার নিশ্চয়তা প্রদান করে না এবং এ সংক্রান্ত কোনো দায় গ্রহণ করে না।

ভালো লাগলে ভালোবাসা দিন
অপছন্দ হলে পরামর্শ দিন
মতামত জানাতে মন্তব্য করুন
3 21 ভোট
স্টার
guest
22 কমেন্ট
নতুন থেকে পুরোনো
পুরোনো থেকে নতুন ভোটসংখ্যা অনুসারে
ইনলাইন প্রতিক্রিয়া
সকল কমেন্ট দেখুন
ফেসবুক পেজ
Udyog Bengali Web Magazine by Bangali Network

বিভিন্ন বিষয় থেকে বেছে নিয়ে লেখা পড়ুন

    বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশিত হওয়া লেখা পড়ুন

    মাসিক সংখ্যাগুলি দেখুন
    Scroll to Top