Go to Bangali.Network
Go to Bangali.Network



লেখা পাঠান


আমাদের কথা
Contests

উদ্যোগ
Web Magazine


উদ্যোগ Web Magazine
Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
লক্ষ্মীপুজো ও বঙ্গসংস্কৃতি — আচার, ঐতিহ্য, লোকবিশ্বাস ও পুরান
লক্ষ্মীপুজো ও বঙ্গসংস্কৃতি — আচার, ঐতিহ্য, লোকবিশ্বাস ও পুরান

এসো মা লক্ষ্মী, বসো ঘরে,
আমার এই ঘরে থাকো আলো করে।


বাংলায় শারদীয়া দুর্গোৎসবের পর যে পূর্ণিমা তিথি আসে তা 'শারদ পূর্ণিমা' নামে খ্যাত। পুরাণ মতে, শারদ পূর্ণিমার রাতে চাঁদ তার ১৬ কলা সম্পন্ন করে ধরা'য় অমৃত বর্ষণ করে। বৈজ্ঞানিক মতে, এই দিন থেকে প্রকৃতিতে আবহাওয়ার পরিবর্তন শুরু হয় এবং শীতের পথ চলা শুরু হয়। শারদ পূর্ণিমাকে 'কোজাগরী পূর্ণিমা'ও বলে।

'লক্ষ্মী' হলেন ধন সম্পত্তির দেবী। মনে করা হয়, শারদ পূর্ণিমায় সমুদ্র মন্থন থেকে দেবী লক্ষ্মীর জন্ম হয়েছিল। বঙ্গসমাজে সারা বছর প্রতি বৃহস্পতিবার গৃহে লক্ষ্মী দেবীর পূজা করা হয়। শস্য-সম্পদ প্রদায়িনী দেবীকে ভাদ্র সংক্রান্তিতে, পৌষ সংক্রান্তিতে, চৈত্র সংক্রান্তিতে, আশ্বিন-শারদ পূর্ণিমায় ও দীপাবলীতে পূজা করা হয়। কৃষিভিত্তিক গ্রামীণ সমাজে খারিফ শস্য ও রবি শস্য ঠিক যে সময় হতো, ঠিক সেই সময়ই বাঙালি হিন্দুরা মেতে উঠতেন লক্ষ্মী দেবীর আরাধনায়।

এই দিনে ব্রহ্মমুহূর্তে ঘুম থেকে উঠে পবিত্র নদীতে স্নান করে পরিষ্কার জামাকাপড় পরে চৌকিতে লাল কাপড় বিছিয়ে গঙ্গাজল ছিটিয়ে দিয়ে মা লক্ষ্মীর মূর্তি স্থাপন করা হতো। তারপর মা'কে লাল ওড়না ও শাড়ি অর্পণ করে লাল ফুল, সুগন্ধি, নৈবেদ্য, ধূপ-প্রদীপ, সুপারি দিয়ে পুজো করা হতো। এরপর সন্ধ্যায় মা লক্ষ্মী এবং শ্রীহরি বিষ্ণুর পূজা করে চন্দ্রকে অর্ঘ্য নিবেদন করা হতো।

প্রাচীন সংস্কৃতি অনুসারে, শারদীয় পূর্ণিমার রাতে চাঁদের আলোয় ক্ষীর রাখার রীতি রয়েছে। মাঝরাতে দেবী লক্ষ্মীকে ক্ষীর নিবেদন করে সেটিকে প্রসাদ হিসাবে বিতরণ করা হতো। আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যা অনুযায়ী, শারদ পূর্ণিমার রাতে চাঁদের শীতল আলোয় কয়েক ঘণ্টা বসে থাকলে তা মনে স্থিরতা ও স্নিগ্ধতা প্রদান করে।

বর্তমানে লক্ষ্মী পূজা (বারোমাসী পূজা বাদে) সকাল থেকে হলেও কিন্তু এই পূজার প্রকৃষ্ট সময় প্রদোষকাল (অর্থাৎ, সূর্যাস্ত থেকে দু ঘণ্টা পর্যন্ত যে সময়)। লোকবিশ্বাস, এই দিন যার বাড়ির দরজা বন্ধ থাকে, তার বাড়িতে মা লক্ষ্মী প্রবেশ করেন না এবং আশীর্বাদ না করে সেখানে থেকে তিনি মুখ ফিরিয়ে চলে যান।

আঞ্চলিক রীতি ও উপাচার
কোজাগরী লক্ষ্মীপূজাতে বহু স্থানে জেলা ভিত্তিক কিছু আঞ্চলিক আচার অনুষ্ঠান দেখা যায়। যদিও বাংলার ঘরে ঘরে প্রতি বৃহস্পতিবারে লক্ষ্মীর পাঁচালি পাঠ করে ফল, মিষ্টি, মোয়া, মুড়কি, নাড়ু, ধূপ, দীপ সহযোগে তাঁর আরাধনা করা হয়, তবুও, কোনও কোনও পরিবারে দেবীর পূজায় মোট ১৪টি পাত্রে উপাচার রাখা হয়। অনেক বাড়িতে কলাপাতায় টাকা, স্বর্ণ মুদ্রা, ধান, পান, কড়ি, হলুদ ও হরিতকী দিয়ে সাজানো হয় দেবীর পূজা স্হল। কিছু কিছু জায়গায় লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে মেলা বা নৌকাবাইচও অনুষ্ঠিত হয়।

'কোজাগরী' শব্দটির উৎপত্তি 'কোই জাগতী?' অর্থাৎ 'কে জেগে আছো?' - কথাটির থেকে। এই পুজোর সাথে গ্রামবাংলার এক মজার রীতিও জড়িয়ে আছে। আগের সময়ে কেউ কেউ এই দিন পরের বাগানের ফলমূল চুরি করতো। এই কাজের মাধ্যমে তারা ভাবতো যে, লক্ষ্মী দেবী তাদের কৃপা করবেন।

আলপনা ও প্রতীক
'আলপনা' এই পূজার এক বিশেষ দিক। অন্যান্য পূজা আর কোজাগরী লক্ষ্মী পূজার আলপনাতে বেশ কিছু পার্থক্য থাকে। এই পূজাতে মূল আল্পনার সঙ্গে বাড়ি জুড়ে আঁকা হয় ধানের ছড়া, মুদ্রা, আর মা লক্ষ্মীর পায়ের ছাপের ছবি।

বৈদিক ও পুরাণিক ব্যাখ্যা
বৈদিক শাস্ত্র অনুসারে লক্ষ্মীর উদ্ভব ও পরিচিতি নিয়ে নানা রকম ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। যেমন —
🔸 কিছু পুরাণ অনুযায়ী লক্ষ্মীদেবী কার্তিকেয় পত্নী দেবসেনা।
🔸 কিছু পুরাণ মতে তিনি গণেশপত্নী।
🔸 আর্য মতে, পুণ্যতোয়া নদীরূপিনী সরস্বতী'ই আদি উর্বরতা ও শস্যদায়িনী দেবী সারদা। কারণ, তখন লক্ষ্মী-সরস্বতী একইরূপে (দেবী সারদা) গণ্য হতেন। ধীরে ধীরে সমাজ বর্ণাশ্রম ও চতুরাশ্রমে ভাগ হওয়ার সময় থেকেই শস্য ও সম্পদের দেবী হিসেবে দেবী লক্ষ্মীকে ধনসম্পদ ও দেবী সরস্বতীকে অধ্যয়ন, নৃত্য, গীত, অঙ্কন, চারুকলার দেবী রূপে পূজা করা শুরু হয়।
🔸 আবার কোথাও তিনি শস্যের দেবী ধরিত্রী বা বসুমতী।

পুরাণেও, দেবী লক্ষ্মীর আটটি বিশেষ রূপ ও তার সম্পদের উৎস বর্ণিত আছে —
🔸 আদিলক্ষ্মী বা মহালক্ষ্মী: আদিরূপ
🔸 ধনলক্ষ্মী: অর্থ ও স্বর্ণদাত্রী রূপ
🔸 ধান্যলক্ষ্মী: কৃষিসম্পদের প্রদানকারী রূপ
🔸 গজলক্ষ্মী: গবাদিপশু ও হাতিসম্পদদাত্রীরূপ
🔸 সন্তান লক্ষ্মী: সন্তানপ্রদানকারী রূপ
🔸 বীরলক্ষ্মী বা ধৈর্যলক্ষ্মী: যুদ্ধে বীরত্ত প্রদায়িনী রূপ
🔸 বিজয়লক্ষ্মী: বিজয়প্রদানকারী রূপ
🔸 বিদ্যালক্ষ্মী: কলা ও বিজ্ঞানের জ্ঞান প্রদানকারী রূপ

পূজার বিভিন্ন রূপ
এছাড়াও, লক্ষীদেবীর পূজন রূপেও বিভিন্নতা আছে। যেমন —
🔸 মাটির দিয়ে তৈরী ছাঁচে বা কাঠামো তৈরি করে দেবী মূর্তি তৈরি করে পূজা করা হয়।
🔸 আড়ি লক্ষ্মী: বেতের ছোট চুপড়ি বা ঝুড়িতে ধান ভর্তি করে তার ওপর দুটি কাঠের লম্বা সিঁদুর কৌটো লালচেলি দিয়ে মুড়ে দেবীর রূপ দেওয়া হয়, তাঁকেই বলা হতো ‘আড়ি লক্ষ্মী’।
🔸 কলা-বেড়: প্রথমে কলার বাকলকে গোল করে নারকেলের নতুন কাঠি দিয়ে আটকিয়ে তাতে সিঁদুর দিয়ে স্বস্তিক চিহ্ন এঁকে নেওয়া হয়। কলার বাকল দিয়ে তৈরী এই চোঙাকৃতির ভিতরে নিচুনি রাখা হয়। কাঠের আসনের উপরে লক্ষ্মীর পা অঙ্কিত আলপনার উপরে ৯ টি চোঙা রাখা হয়। এই ৯ টি বাকলের মধ্যে পঞ্চশস্য দেওয়া হয়, সর্বশেষে শীষযুক্ত নারকেল রেখে লাল চেলি দিয়ে ঢেকে বউ সাজিয়ে তাকেই দেবী লক্ষ্মী কল্পনা করে পূজা করা হয়।
🔸 সপ্ততরী: নবপত্রিকা বা কলার পেটোর তৈরি নৌকাও এই পূজার অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই নৌকা এখনও বহু গৃহস্থের বাড়িতেই তৈরি হয়, আবার বাজারেও কিনতে পাওয়া যায়। একে 'সপ্ততরী' বলা হয়। এই তরীকে 'বাণিজ্যের নৌকা' হিসাবে ধরা হয়। তাতে অনেকেই টাকা-পয়সা, চাল, ডাল, হরিতকি, কড়ি, হলুদ সাজিয়ে রাখেন।
🔸 ঘটলক্ষ্মী: দেবী লক্ষ্মীর মুখ সমন্বিত পোড়া মাটির ঘটে চাল বা কখনো কখনো জল ভরে সেটিকেও দেবী লক্ষ্মী রূপে কল্পনা করে পূজা করা হয়।
🔸 সরালক্ষ্মী বা পটলক্ষ্মী: অনেক বাড়িতেই পূর্ববঙ্গীয় রীতি মেনে সরার পটচিত্রে দেবীর পূজা করা হয়। এই সরাতে লক্ষ্মী, জয়া-বিজয়া সহ কয়েকটি বিশেষ পুতুলকে চিত্রায়িত করা হয়। লক্ষ্মী সরাও নানা রকমের হয় — ঢাকাই সরা, ফরিদপুরি সরা, সুরেশ্বরী সরা, শান্তিপুরী সরা। নদীয়া জেলার তাহেরপুর, নবদ্বীপ এবং উত্তর চব্বিশ পরগনার বিভিন্ন স্থানে লক্ষ্মীসরা আঁকা হয়। অঞ্চল ভেদে লক্ষ্মী সরায় তিনটি, পাঁচটি বা সাতটি পুতুল আঁকা হয়। এতে থাকে লক্ষ্মী, জয়া-বিজয়া, রাধাকৃষ্ণ, সপরিবার দুর্গা ইত্যাদি। ফরিদপুরি সরায় দেবদেবীরা সাধারণত একটি চৌখুপির মধ্যে থাকেন। আবার সুরেশ্বরী সরায় উপরের অংশে মহিষমর্দিনী আঁকা হয় আর নিচের দিকে থাকেন সবাহন লক্ষ্মী।

ভোগ ও আহার রীতি
কোজাগরী লক্ষ্মীপূজার ভোগে অনেক বাড়িতেই জোড়া ইলিশ রাখা হয়। তাছাড়াও, খিচুড়ি, লাবড়া থাকা আবশ্যিক। সঙ্গে প্রসাদে ফলমূল, নারকেল নাড়ু, তিলের নাড়ু, লুচি, পায়েস, মিষ্টির আয়োজন থাকে। পূর্ববঙ্গীয় রীতিতে এই দিন মাছের পাঁচ পদের রান্না হয়। আবার পশ্চিমবঙ্গীয় রীতিতে এই দিন পুরো নিরামিষ খাওয়া-দাওয়া হয় এবং চালের কোনো রান্না করা হয় না।

প্রতীক ও দার্শনিক অর্থ
'ধান' হল লক্ষ্মীর প্রতীক এবং 'পেঁচা' হলো দেবীর বাহন। প্রাচীন কৃষিভিত্তিক সমাজ অনুযায়ী, ধানক্ষেতের আশেপাশে ইঁদুর বা মূষিকের বাস করতো এবং এরা ধানের ক্ষতি করতো। পেঁচা সেই ইঁদুর খেয়ে খাদ্যশস্য রক্ষা করতো। গোলাঘরকে 'লক্ষ্মীর প্রতীক'ও বলা হতো, কারণ সেখানে শস্য সঞ্চয় ও সমৃদ্ধির প্রতীক নিহিত।

তুলনামূলক পুরাণ
দেবী সরস্বতী বা দেব সেনাপতি কার্তিকের মতো দেবী লক্ষ্মীর যদিও কোনো নির্দিষ্ট বিদেশি রূপ নেই, তবে বিভিন্ন সংস্কৃতিতে সম্পদ ও সমৃদ্ধির দেবীর ধারণা প্রচলিত রয়েছে, যাদের মধ্যে লক্ষ্মীর সঙ্গে মিল পাওয়া যায়। উদাহরণস্বরূপ, রোমান পুরাণের দেবী ভেনা (প্রেম, সৌন্দর্য, উর্বরতা ও সমৃদ্ধির প্রতীক), গ্রিক পুরাণের দেবী আফ্রোদিতি (প্রেম, সৌন্দর্য ও সাফল্য প্রদায়িনী), রোমান দেবী ফরচুনা (ভাগ্য ও সমৃদ্ধির প্রতীক) — তাঁদের কিছু ক্ষমতার সঙ্গে দেবী লক্ষ্মীর গুণাবলি মিল রয়েছে।

বৌদ্ধধর্মের দেবী হ্যারিতি বা হারীতি (যিনি একসময় শিশুদের গ্রাসকারী রাক্ষসী ছিলেন, কিন্তু বুদ্ধের প্রভাবে শিশু-রক্ষাকারী ও উর্বরতার দেবী রূপে পরিচিত হন) দেবী লক্ষ্মীর মতোই উর্বরতা ও ধন-সম্পদের সঙ্গে সম্পর্কিত। বৌদ্ধ এই দেবী 'মা হারীতী' নামে নেপালের কাঠমান্ডুতে পূজিত হন এবং শিশুদের সুরক্ষা, সহজ প্রসব এবং সুখী সন্তান লালন-পালনের দায়িত্ব পালন করেন।




আপনি কি লিখতে ভালোবাসেন?

‘উদ্যোগ’ ওয়েব ম্যাগাজিনের এপ্রিল সংখ্যা ❛নববর্ষ ১৪৩৩❜ প্রকাশিত হবে ১৫ এপ্রিল। ওয়েবসাইটে ঘোষিত বিভাগগুলি থেকে আপনার পছন্দের বিষয়ে লেখা পাঠান ১০ই এপ্রিলের মধ্যে। লেখা পাঠানোর আগে অতি অবশ্যই শর্তাবলী পড়ুন। নির্বাচিত লেখাগুলি লেখক / লেখিকার ছবি ও সংক্ষিপ্ত পরিচিতিসহ Bangali.Network ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে, এবং ১২ জন পর্যন্ত লেখক / লেখিকা পাবেন 'মাসের সেরা কলম' সম্মান। বিশদে জানতে ও আপনার লেখা পাঠাতে এখানে ক্লিক করুন

পৃষ্ঠা

ডিসক্লেইমার : লেখা, মতামত, মন্তব্য বা সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত সকল বক্তব্য সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকা / সাক্ষাৎকারদাতার নিজস্ব এবং সম্পূর্ণ দায়ভার তাঁদের উপরই বর্তায়। এই সমস্ত মতামত Bangali Network-এর নিজস্ব মতামত, অবস্থান বা নীতির প্রতিফলন নাও হতে পারে। লেখক পরিচিতিতে প্রদত্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজস্ব বিবরণ অনুযায়ী প্রকাশিত। Bangali Network উক্ত তথ্যের যথার্থতা, সম্পূর্ণতা বা নির্ভুলতা সম্পর্কে কোনো প্রকার নিশ্চয়তা প্রদান করে না এবং এ সংক্রান্ত কোনো দায় গ্রহণ করে না।

ডিসক্লেইমার : লেখা, মতামত, মন্তব্য বা সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত সকল বক্তব্য সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকা / সাক্ষাৎকারদাতার নিজস্ব এবং সম্পূর্ণ দায়ভার তাঁদের উপরই বর্তায়। এই সমস্ত মতামত Bangali Network-এর নিজস্ব মতামত, অবস্থান বা নীতির প্রতিফলন নাও হতে পারে। লেখক পরিচিতিতে প্রদত্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজস্ব বিবরণ অনুযায়ী প্রকাশিত। Bangali Network উক্ত তথ্যের যথার্থতা, সম্পূর্ণতা বা নির্ভুলতা সম্পর্কে কোনো প্রকার নিশ্চয়তা প্রদান করে না এবং এ সংক্রান্ত কোনো দায় গ্রহণ করে না।

ভালো লাগলে ভালোবাসা দিন
অপছন্দ হলে পরামর্শ দিন
মতামত জানাতে মন্তব্য করুন
3.5 2 ভোট
স্টার
guest
0 কমেন্ট
নতুন থেকে পুরোনো
পুরোনো থেকে নতুন ভোটসংখ্যা অনুসারে
ইনলাইন প্রতিক্রিয়া
সকল কমেন্ট দেখুন
ফেসবুক পেজ
Udyog Bengali Web Magazine by Bangali Network

বিভিন্ন বিষয় থেকে বেছে নিয়ে লেখা পড়ুন

    বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশিত হওয়া লেখা পড়ুন

    মাসিক সংখ্যাগুলি দেখুন
    Scroll to Top