Go to Bangali.Network
Go to Bangali.Network



লেখা পাঠান


আমাদের কথা
Contests

উদ্যোগ
Web Magazine


উদ্যোগ Web Magazine
Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
গার্গী এসেছিল
গার্গী এসেছিল

গার্গী যে এমনভাবে এমন দিনে এমন সময় সামনে এসে দাঁড়িয়ে থাকবে, শংকর ভাবতেও পারেনি। অথচ সারাক্ষণ শংকর তার কথাই ভাবছিল। আর আজকের দিনটা তো তার কাছে গার্গী দিবস। স্মৃতির রঙিন কালিতে রঞ্জিত ক্যালেন্ডারের পাতা। মনে মনে প্রস্তুতি নেয়, শ্রাবণের এই দিনটার জন্য। অনেক সমারোহে উদযাপন করবে। ছোট্ট ঘরটার মধ্যে গার্গীর স্মৃতি জড়িত যা কিছু রয়েছে, সবই সে স্পর্শ করেছে নতুন অনুভূতি নিয়ে। মনের কোণের মেঘ-বাষ্প বৃষ্টির সোঁদা গন্ধ ছড়িয়ে দিয়ে গেছে অনেকবার — কখনো না-পাওয়ার আনন্দে, কখনো হারানোর সুপ্ত বেদনায়।

শংকর হাতের ফুলঝাড়ুটা এক কোণে নামিয়ে রেখে গার্গীর মুখোমুখি হলো। বলল, "তোমাকে পথভোলা পথিকই লাগছে। বস। কোথায় বসতে দিই বলো তো?" তৎপরতার সঙ্গে চেয়ারের ওপর দাড়ি কাটার সাজ-সরঞ্জামগুলো টেবিলটার ওপর এলোমেলো ছড়িয়ে রাখল।

গার্গী চুপচাপ দেখছে সবকিছু। শংকর গামছা দিয়ে চেয়ারটা মুছে ফেলে বলল, "বসো।"
গার্গী বসে পড়ল দুম করে। বলল, "বড্ড গরম। একটা ফ্যান রাখোনি কেন?"
শংকর বলল, "বাড়িওয়ালার নিষেধ আছে। মিটার বেশি ভোল্টেজ টানার ক্ষমতা রাখে না। হাতপাখাটা নাও।"
"শহরের চারদিকে কত কী হচ্ছে, কেবল তোমাদের এই মেসটার কিছু উন্নতি হলো না। ছাড়ো না কেন এই জঙ্গলপুরিটা?"
"এমন স্বর্গ ছেড়ে কোথায় যাই বলো তো?"
"কেন, মর্তে। কত ভালো ভালো মেস আছে। ভাড়া না হয় একটু বেশি দিলে। রোজগার তো কম করছ না।"

শংকর মৃদু হাসছে আর শুনছে। গার্গী বলল, "এক চিলতে ঘর। এরই মধ্যে রান্না-খাওয়া। থাকো কী করে তাই ভাবছি! বাথরুম-টাথরুম আছে তো?"
"ওই নিচে দেখা যায়। বারোয়ারি। লম্বা লাইন লেগে আছে।"
"ছিঃ ছিঃ, পারো বটে।"
"এক দশক তো কাটিয়ে দিলাম।"
"দশক কেন, শতকও কাটিয়ে দিতে পারবে। নিশ্চিত ভগবানের আশীর্বাদ পেয়েছ। লোকটাকে তুমি বিশ্বাস করো? বিশ্বাস না করলে, অ্যাডজাস্টমেন্ট করার এত শক্তি কোথা থেকে পাও! ওই কোণে ওসব কী? তুমি কৌপিন পর?" গার্গী হাসল।

"আরে না না, ওটা মাল্টিপারপাস। চা ছাঁকা, হাঁড়ি-কড়া মোছা সব চলে। শুকানোর জন্য মেলা হয়েছে।"
"ও মাই গড! তুমি এখনও বেঁচে আছো!"
"হ্যাঁ গার্গী। স্টিল অ্যালাইভ! মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে। তা গরিবের ভবনে দু-এক পেগ চা পান করো।"

"তুমি ম্যাকডয়েল নাম শুনেছো?" গার্গী চকিতে বলে উঠল।
"ম্যাগাজিনে অ্যাড দেখেছি। আমরা বলি মেঘদোয়েল। এই দুধ ছাড়া লাল চা আর কী। তুমি মেঘদোয়েল খাও?"
"পার্টিতে গেলে খেতেই হয়। মন্দ না। আমেজ আসে।"
"পাপবোধ হয় না?"
"দেখো শংকর, ওই মধ্যবিত্ত পাপবোধগুলো আঁকড়ে ধরে আমাদের জীবনগুলো পঙ্গু হতে বসেছে। সচলতার তুমি কী দেখলে? আমার হাসবেন্ড দেবাংশুকে দেখেছি, যে মানুষটা ম্যাকডয়েল খায় সেই মানুষটাই গীতার শ্লোক উদাত্ত গলায় আবৃত্তি করে। তাছাড়া তুমি আমাকে দেখছ, প্রেম-ভালোবাসা যাই বলো, একদিন তোমার আমার মধ্যে গড়ে উঠেছিল তা নিবিড়ভাবে —"

শংকর বাধা দিল। "থাক গার্গী, ওসব প্রসঙ্গ আর নাই বা তুললে।"
গার্গী হাসি ফুটিয়ে বলল, "সেন্টিমেন্ট! টু রেসপেক্ট দ্য হাইনেস অফ লাভ!"
শংকর সশব্দে অবজ্ঞার হাসি ছড়াল। বলল, "ইচ্ছে করে ঘৃণা করি।"
"পারবে না। কারণ পাপবোধ তোমাকে পেছনে টানবে।"

কাজের মেয়ে এসে দাঁড়াল নির্দ্বিধায়। ঘরে ঢোকার অনুমতি নেওয়ার সৌজন্যবোধটুকুও দেখাল না। এক কোণে জমা করা রাতের এঁটো বাসনগুলো একটার ওপর আরেকটা সাজিয়ে নিয়ে কলতলায় যাওয়ার জন্য পা বাড়াল। শংকর বলল, "কাল আসিস নাই কেন?" মেয়েটি বলল, "সিনেমা গেছিলাম।"

গার্গী মেয়েটিকে সূক্ষ্ম দৃষ্টিতে অপলক দেখছে। সালোয়ার-কামিজ পরেছে। শ্যাম্পু মাখা চুল চিকচিক করছে। বয়সের আনুমানিক হিসাব শুরু করল গার্গী। শংকরের চোখ দুটির গতিবিধিও অতি সন্তর্পণে পর্যবেক্ষণ করে চলল। শংকর মেয়েটিকে যাওয়ার অনুমতি দিল। গার্গীর দিকে চেয়ে বলল, "অন্ধের যষ্টি। এর ওপর আমাকে অনেকখানি ভরসা করতে হয়।"

গার্গী চকিতে বলল, "কতদিন কাজ করছে এ?"
"মাস ছয়েক হবে।"
"মেয়েটিকে অনেক প্রশ্রয় দিয়েছো!"
"প্রশ্রয় চাই বটে, কিন্তু দিতে বাধে... কী, ম্যাকডয়েল খাবে না দুধ দেবো?"

গার্গী বলল, "দুটো জিনিস তোমার মধ্যে বেশ লক্ষ্য করছি।"
"যেমন?"
"রিসেপশন কালচারটা তোমার মধ্যে বেশ গ্রো করেছে।"
"অতিথি হয়ে কোনোদিন তো তুমি আসোনি!"
"কী হয়ে আসতাম?" গার্গী প্রশ্ন তুলল।
"সে কথা থাক। আর একটা পরিবর্তনের কী দেখলে বলো।"
"ঘরটা বেশ ছিমছাম রেখেছো।"
"থ্যাংকস ফর ইয়োর কমপ্লিমেন্ট। বাট সারাটা সকাল এর পিছনে গেল।"
"কাজের মেয়েটিকে দিয়ে করাতে পারো।"
"ওই কাজটা কন্ট্রাক্টের বাইরে পড়ে। তাছাড়া প্রয়োজনও হয় না। আর কী-ই বা সাফাই করবে, এই বেশ আছে। সপ্তাহে একদিন।"
"হঠাৎ আজই এত ধূম পড়ল?" গার্গী জেরা করল।

শংকর বুঝে উঠতে পারল না গার্গীকে। ও কি ভেবে বসেছে আজকের দিনটা শংকরের মনে নেই! নাকি যাচাই করে নিতে চায়। গার্গী বলল, "সবকিছুর মধ্যে একটা পরিপাটি লক্ষ্য করছি, ব্যাপারটা কী বলো তো?"
শংকর অন্য পথ ধরল। বলল, "ব্যাচেলরগুলো যে মানুষ, সে কথা কেন ভুলে যাও গার্গী?"
তাচ্ছিল্যভরা হাসি হেসে গার্গী বলল, "দুদিনের বাবাজি ভাতকে বলে অন্ন! কত ব্যাচেলরই তো দেখলাম। শঙ্খদার খবর কী?"

"সেই এখনও কবিতা লিখছে।" শংকর চা বাড়িয়ে দিল গার্গীকে। বলল, "চন্দননগরের চানাচুর আছে। ভালো লাগবে, দিই?" চানাচুর বের হলো একটা প্লেটে।

কবিতার সুর কি এখনও সেই তুমি তুমি তুমি...

"আচ্ছা শংকর, শঙ্খদার তুমিটা কি কোনোদিন তোমাদের রামবিলাসের মেসে এসেছিল?" গার্গী মুখে চানাচুর ছুড়তে ছুড়তে জিজ্ঞাসা করল।
"না। আমরা তাকে কেউ কোনোদিন কোথাও দেখিনি," শংকর চায়ে চুমুক দিয়ে আবার বলল, "শুনেছি তিনি শঙ্খদার মানসপ্রতিমা। কল্পনায় গড়া নারী।"
"মানসপ্রতিমার বিসর্জন হতে বেশি দেরি নেই।"
"মানে?"
"দুদিনের বৈরাগী ভাতকে সেই ভাতই বলবে।"
"খুলে বলবে ব্যাপারটা?" শংকর চায়ের কাপটা সাবধানে নামিয়ে রেখে জানার আগ্রহ দেখাল।
"না, আভাস দিয়ে গেলাম, মিলিয়ে নিও। শুনলাম রিন্টুদা নাকি বিয়ে করেছেন, খবরটা কি ঠিক?" গার্গী চায়ের কাপটা রেখে জিজ্ঞাসা করল। শংকর মাথা নাড়িয়ে জানাল খবরটা ঠিকই।
"রিন্টুদা এমন ভাব দেখাত যেন ওর ভগ্ন হৃদয় আর কোনোদিনই জোড়া লাগবে না। যেন আর একটা তাজমহল গড়ে মনীষার স্মৃতি রোমন্থন করবে সারাজীবন। বাবা, কত গান, কত গজল।"

একটা সিগারেট ধরাল শংকর। বলে, "রিন্টুদা ভালোই করেছে, কী বলো?" গার্গী চকিতে বলে উঠল, "অবশ্যই। জীবনে কত কিছু বিচ্ছেদ হয় — সবই তো আমরা স্বাভাবিক বলে মেনে নিই। শংকর, একটা কথা বলব তোমাকে?"
"বলো।" সিগারেটের ধোঁয়াটা খোলা জানালার দিকে ঠেলে দিল শংকর।
"যে আঘাত তোমাকে দিয়েছি, তা বোধ হয় কোনোদিন ভুলতে পারবে না, তাই না!" শংকর গার্গীর মুখের দিকে প্রসন্নচিত্তে চেয়ে রইল। এতক্ষণ পর্যন্ত গার্গী ওজস্বিনীর মতো কথাবার্তা বলে আসছিল, কিন্তু এক্ষণে কেমন যেন উদাস ভাব তার ওপর ভার করে বসল। শংকর মৃদু হাসি ছড়াল চোখে-মুখে। বলল, "ভয় নেই, ভগ্নহৃদয় মেসের আমিও একজন সদস্য। এখানে সবাই দুদিনের বৈরাগী... অতনুদাকে তোমার মনে আছে?"
গার্গী মনে করার চেষ্টা করল। বলল, "কে, দাশগুপ্তদা?"
"না না। দাশগুপ্ত তো আর এক রেকর্ড করে চলেছেন। সন্ন্যাসী হয়ে মজা লুটছেন।"
"দূর! তুমি মজা করছ। দাশগুপ্তদা কিন্তু সত্যিই ভালো লোক ছিলেন। তার সম্বন্ধে এমন কথা বলো না। একদিন তোমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছি। তুমি ছিলে না, তখন উনি বললেন, আর কাউকে না বলো, মাকে জানিয়ে রাখবে শংকরের সঙ্গে মেলামেশার কথা।"

টেবিলের ওপর একটা পেন নিয়ে গার্গী অনেকক্ষণ ধরে নাড়াচাড়া করছে আর কথা বলছে। শংকর তাই দেখছিল। পেনটা গার্গীই প্রেজেন্ট করেছিল কী একটা উপলক্ষে। আজ কি আর তার মনে আছে! হয়তো আছে, হয়তো নেই। দাশগুপ্তদার যে মূল্যায়ন গার্গী করেছে, সেথায় লাল কালি চড়ানোর প্রয়োজন বোধ করল না শংকর। চুপ রইল। "তুমি কোন অতনুদার কথা বলছিলে?"
"অতনু মিশ্র।"
"চিনেছি। মুখভর্তি দাড়ি। খুব ভালো ছবি আঁকেন। নীলিমাদি ওনার খুব অ্যাডমায়ারার ছিলেন।"
"অতনুদা কাজের মেয়েকে বিয়ে করেছে! শংকর, তুমি এরকম অন্ধ হয়ো না।"
"অন্ধ তো কবেই হয়ে আছি, গার্গী।"
"ভালোবাসা তোমাকে কিন্তু অন্ধ করতে পারেনি। এজন্য তোমার কাছে আমি চিরকৃতজ্ঞ, শংকর।" গার্গী আবেগপ্রবণ হলো।
"আমি কী করলাম?"
"আমাকে তুমি যুক্তিবাদী হতে শিখিয়েছো। বাস্তবের কঠিন মাটিতে কল্পনার কুসুম ছুঁড়ে ফেলতে শিখিয়েছ।"

কাজের মেয়ে বাসনপত্র ধুয়ে ঘরে ঢুকল। এত তাড়াতাড়ি ধোয়া-মোছা করেছে, হাঁপিয়ে উঠেছে। একটু জিরিয়ে নিয়ে বলল, "দাদা, কলে এখন জল আসবে না। দু-ঘণ্টার নোটিশ আছে। তা আমি কি আবার আসব, নাকি খাবার জল তুমি নিজেই নিয়ে আসবে?"
শংকর বলল, "আচ্ছা, তুই চলে যা। আমিই নিয়ে আসব।" মেয়েটি চলে গেল।

গার্গী চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়াল। বলল, "যাই, অনেকক্ষণ কাটিয়ে গেলাম।" এদিক-ওদিক চেয়ে গার্গী শংকরের ঘরখানি দেখতে রইল। এক কোণে একটা শেলফের ওপর সেই ফটো ফ্রেমটা। একদিকে শংকরের ছবি, অন্য দিকটা ফাঁকা। গার্গী চাইলে জায়গাটা শূন্য থাকত না। শংকর সেই স্বপ্নই দেখেছিল। গার্গী চোখ ফিরিয়ে নিয়ে বলল, "কেন এসেছিলাম জানতে চাইলে না তো?"

"পথ ভুল হওয়ার কোনো কারণ দেখি না, তবুও কেন করলে কে জানে?"
"আচ্ছা শংকর, তোমার জীবনের কোনো স্মরণীয় দিন!"
"ছিল, কিন্তু তা এখন স্মরণাতীত।"
"সত্যকে লুকানো কি এতই সহজ!"
"তোমার পক্ষে বোঝা তা দুঃসাধ্য, গার্গী।"
"দুঃসাধ্য কিছুই নয়। পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছি।" গার্গী অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে জানাল। "পাথর কখনো কথা বলে না, ওরা মৃত। কিন্তু ওরা শ্বাসরোধ করে। মনকে সংকুচিত করে, আমি বেশ অনুভব করছি শংকর। এই ছোট্ট ঘরটা উত্তপ্ত নিশ্বাস-বায়ুতে ভরে গেছে। তোমার সেই বিরাট পৃথিবীটা কত ক্ষুদ্র করে দিয়েছে। তুমি হাঁপিয়ে ওঠো। জীবনটা বোগাস মনে করো। জীবন তোমার কাছে এখন অর্থহীন বাক্য — যার উদ্দেশ্য নেই, বিধেয় নেই, ব্যাকরণ নেই।"

কথা বলতে বলতে গার্গী জানালার কাছে এসে দাঁড়াল। শংকর লক্ষ্য করল, গার্গীর চোখ বাইরে নেই। দেয়ালে কাঁধে ঝোলানো ব্যাগটার ওপর। সুন্দর সূচিশিল্পের কারুকার্যগুলো গার্গীর নিজের হাতের। শংকর সযত্নে রেখেছে ওটা। হাত বাড়িয়ে স্পর্শ করতে গিয়েও করল না গার্গী।

শংকর বলল, "জেনে রেখো, জীবনটা জ্যামিতি নয়। প্রতি সেকেন্ডে এর পরিবর্তন আসতে পারে।"
গার্গী সবেগে গিয়ে শংকরের মুখোমুখি হয়ে বলল, "এই মুহূর্তে তুমি পরিবর্তন আনো, শংকর। এই... এইসব... কেন এখনও আঁকড়ে ধরে আছো? এসব মিথ্যা! কী গৌরব আছে এর মধ্যে?" অপ্রকৃতিস্থের মতো গার্গী দেওয়ালের ব্যাগটা মেঝেতে ছুড়ে ফেলল। ফটো ফ্রেমটা মেঝেতে আছড়ে দিলে মুহূর্তে ওটা টুকরো টুকরো হয়ে ছড়িয়ে পড়ল সারা ঘর। প্রচণ্ড শক্তিতে ফুলদানিটা ছুড়ে ফেলতে উদ্যত হলে, শংকর বাধা দিল। বলল, "প্লিজ ভেঙো না।"
"এটা কাগজের ফুল। এর কী আছে? না আছে গন্ধ, না আছে মাধুর্য!"
"মাধুর্য মানুষের মনে থাকে, শংকর। তোমার মনের ভিতর মাধুর্য আছে। তাই দিয়ে তুমি একে জীবন্ত করবে। দুঃখের আতিশয্যে নিজেকে সুখী ভাববে আর গার্গীর সুখকে অভিশপ্ত করবে। এ আমি রাখতে দেব না।"

বলপূর্বক গার্গী ছিনিয়ে নিয়ে আছড়ে ফেলল মেঝেতে। শংকর স্তম্ভিত হয়ে গেল, কিন্তু ধৈর্যহারা হলো না। বলল, "এ কী পাগলামি শুরু করলে। যাও, বাড়ি যাও।"

গার্গী নিঃশব্দে বেরিয়ে পড়ল।




আপনার ভোটেই নির্ধারিত হবে ‘মাসের সেরা কলম’

এখনই আপনার পছন্দ বেছে নিন

বিস্তারিত নিয়ম

একজন পাঠক একটি সংখ্যায় সর্বোচ্চ ৫টি ভিন্ন কলম প্রতিক্রিয়া দিতে পারবেন — অর্থাৎ প্রতিটি প্রতিক্রিয়া একবার করে দেওয়া যাবে। একই মাসে একই প্রতিক্রিয়া ভিন্ন কোনো লেখায় নতুন করে নির্বাচন করলে, আগেরটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে এবং সর্বশেষ নির্বাচিত প্রতিক্রিয়াটিই গণ্য হবে। অর্থাৎ, পাঠক প্রতিটি প্রতিক্রিয়া বিভাগে একটি করে লেখা নির্বাচন করতে পারবেন। এই প্রতিক্রিয়াগুলির ভিত্তিতেই নির্বাচিত হবেন ‘মাসের সেরা কলম’ সম্মানের ‘পাঠকের প্রতিক্রিয়া’ বিভাগে পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক–লেখিকারা।

আপনি কি লিখতে ভালোবাসেন?

❛উদ্যোগ❜ ওয়েব ম্যাগাজিনের আষাঢ় সংখ্যাটি প্রকাশিত হবে ৩০ জুন, ২০২৬ (১৪ আষাঢ়, ১৪৩৩)। ওয়েবসাইটে ঘোষিত বিভাগগুলি থেকে আপনার পছন্দের বিষয়ে লেখা পাঠান ২৫ জুনের মধ্যে। লেখা পাঠানোর আগে অবশ্যই শর্তাবলী পড়ুন। নির্বাচিত লেখাগুলি লেখক / লেখিকার ছবি ও সংক্ষিপ্ত পরিচিতিসহ প্রকাশিত হবে, এবং ১২ জন পর্যন্ত লেখক / লেখিকা পাবেন ‘মাসের সেরা কলম’ সম্মান। বিস্তারিত তথ্য এবং লেখা পাঠানোর ডিজিটাল ফর্ম ওয়েবসাইটে দেওয়া আছে।

পৃষ্ঠা

ডিসক্লেইমার : লেখা, মতামত, মন্তব্য বা সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত সকল বক্তব্য সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকা / সাক্ষাৎকারদাতার নিজস্ব এবং সম্পূর্ণ দায়ভার তাঁদের উপরই বর্তায়। প্রকাশিত মতামত বা বিশ্লেষণ Bangali Network-এর নিজস্ব অবস্থান, নীতি বা মতাদর্শের প্রতিফলন নাও হতে পারে। লেখক পরিচিতিতে প্রদত্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজস্ব বিবরণ অনুযায়ী প্রকাশিত। Bangali Network উক্ত তথ্যের যথার্থতা, সম্পূর্ণতা বা নির্ভুলতা সম্পর্কে কোনো প্রকার নিশ্চয়তা প্রদান করে না এবং এ সংক্রান্ত কোনো দায় গ্রহণ করে না।

ডিসক্লেইমার : লেখা, মতামত, মন্তব্য বা সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত সকল বক্তব্য সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকা / সাক্ষাৎকারদাতার নিজস্ব এবং সম্পূর্ণ দায়ভার তাঁদের উপরই বর্তায়। প্রকাশিত মতামত বা বিশ্লেষণ Bangali Network-এর নিজস্ব অবস্থান, নীতি বা মতাদর্শের প্রতিফলন নাও হতে পারে। লেখক পরিচিতিতে প্রদত্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজস্ব বিবরণ অনুযায়ী প্রকাশিত। Bangali Network উক্ত তথ্যের যথার্থতা, সম্পূর্ণতা বা নির্ভুলতা সম্পর্কে কোনো প্রকার নিশ্চয়তা প্রদান করে না এবং এ সংক্রান্ত কোনো দায় গ্রহণ করে না।

ভালো লাগলে ভালোবাসা দিন
অপছন্দ হলে পরামর্শ দিন
মতামত জানাতে মন্তব্য করুন
0 0 ভোট
স্টার
guest
0 কমেন্ট
নতুন থেকে পুরোনো
পুরোনো থেকে নতুন ভোটসংখ্যা অনুসারে
ইনলাইন প্রতিক্রিয়া
সকল কমেন্ট দেখুন
ফেসবুক পেজ
Udyog Bengali Web Magazine by Bangali Network

বিভিন্ন বিষয় থেকে বেছে নিয়ে লেখা পড়ুন

    বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশিত হওয়া লেখা পড়ুন

    মাসিক সংখ্যাগুলি দেখুন
    Scroll to Top