About Bangali.Network
About Bangali.Network
মাসিক সংখ্যা
লেখক–লেখিকা
লেখা পাঠান
আমাদের কথা
উদ্যোগ
Web Magazine
Contests


উদ্যোগ Web Magazine
Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
একুশ শতকে দাসপ্রথার নতুন রূপ
দায়স্বীকার

লেখা, মতামত, মন্তব্য, বিশ্লেষণ, সাক্ষাৎকার বা অন্য যে কোনো প্রকাশিত লেখার সকল বক্তব্য সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকা / সাক্ষাৎকারদাতার নিজস্ব এবং সকল বক্তব্যের নৈতিক, তথ্যগত ও আইনগত দায় সম্পূর্ণভাবে তাঁদের উপরই বর্তায়। কোনো লেখা প্রকাশিত হওয়া মাত্রেই তা Bangali Network-এর সম্পাদকীয় অবস্থান, নীতি, মতাদর্শ, সমর্থন, অনুমোদন বা সরকারি মতামতের প্রতিফলন হিসেবে গণ্য করা যাবে না।

তথ্যভিত্তিক প্রবন্ধে ব্যবহৃত তথ্য, উদ্ধৃতি, অনুবাদ, পরিসংখ্যান, গবেষণা, শাস্ত্রীয় বা ঐতিহাসিক সূত্র, আইনগত বা বৈজ্ঞানিক তথ্য, বিশ্লেষণ, ব্যাখ্যা, সিদ্ধান্ত ও উপসংহারের যথার্থতা, নির্ভুলতা, পূর্ণতা, প্রাসঙ্গিকতা, বৈধতা ও হালনাগাদকরণের দায় সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকার। Bangali Network সম্পাদকীয় বিবেচনায় কোনো লেখা প্রকাশ, সম্পাদনা, সংক্ষিপ্তকরণ বা ভাষাগত সংশোধন করতে পারে; তবে এ ধরনের সম্পাদকীয় প্রক্রিয়াকে প্রকাশিত তথ্য, সূত্র, উদ্ধৃতি, বিশ্লেষণ, ব্যাখ্যা বা মতামতের সত্যতা, নির্ভুলতা, বৈধতা বা নির্ভরযোগ্যতার প্রত্যয়ন বা নিশ্চয়তা হিসেবে গণ্য করা যাবে না। এ-সংক্রান্ত কোনো দায় Bangali Network গ্রহণ করে না।

লেখক পরিচিতিতে প্রকাশিত তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজস্ব বিবরণের ভিত্তিতে প্রকাশিত। Bangali Network উক্ত তথ্যের যথার্থতা, সম্পূর্ণতা বা নির্ভুলতা সম্পর্কে কোনো প্রকার নিশ্চয়তা প্রদান করে না এবং এ-সংক্রান্ত কোনো দায় গ্রহণ করে না।

কোনো প্রকাশিত বিষয়বস্তুর কারণে কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, সংস্থা বা গোষ্ঠীর আপত্তি, দাবি বা আইনগত প্রশ্ন উত্থাপিত হলে, প্রযোজ্য আইন অনুসারে তার দায় সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকা বা সাক্ষাৎকারদাতার উপর বর্তাবে, যদি না আইন ভিন্নভাবে নির্ধারণ করে।

কোনো প্রকাশিত তথ্য বা দাবির যথার্থতা সম্পর্কে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণসহ আপত্তি উত্থাপিত হলে Bangali Network বিষয়টি সম্পাদকীয়ভাবে পর্যালোচনা করবে। পর্যালোচনায় তথ্যগত ভুল প্রমাণিত হলে, Bangali Network নিজস্ব সম্পাদকীয় বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট অংশ সংশোধন, অপসারণ, প্রত্যাহার বা প্রয়োজনীয় সম্পাদকীয় নোট সংযোজন করার অধিকার সংরক্ষণ করে।

দায়স্বীকার

লেখা, মতামত, মন্তব্য, বিশ্লেষণ, সাক্ষাৎকার বা অন্য যে কোনো প্রকাশিত লেখার সকল বক্তব্য সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকা / সাক্ষাৎকারদাতার নিজস্ব এবং সকল বক্তব্যের নৈতিক, তথ্যগত ও আইনগত দায় সম্পূর্ণভাবে তাঁদের উপরই বর্তায়। কোনো লেখা প্রকাশিত হওয়া মাত্রেই তা Bangali Network-এর সম্পাদকীয় অবস্থান, নীতি, মতাদর্শ, সমর্থন, অনুমোদন বা সরকারি মতামতের প্রতিফলন হিসেবে গণ্য করা যাবে না।

তথ্যভিত্তিক প্রবন্ধে ব্যবহৃত তথ্য, উদ্ধৃতি, অনুবাদ, পরিসংখ্যান, গবেষণা, শাস্ত্রীয় বা ঐতিহাসিক সূত্র, আইনগত বা বৈজ্ঞানিক তথ্য, বিশ্লেষণ, ব্যাখ্যা, সিদ্ধান্ত ও উপসংহারের যথার্থতা, নির্ভুলতা, পূর্ণতা, প্রাসঙ্গিকতা, বৈধতা ও হালনাগাদকরণের দায় সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকার। Bangali Network সম্পাদকীয় বিবেচনায় কোনো লেখা প্রকাশ, সম্পাদনা, সংক্ষিপ্তকরণ বা ভাষাগত সংশোধন করতে পারে; তবে এ ধরনের সম্পাদকীয় প্রক্রিয়াকে প্রকাশিত তথ্য, সূত্র, উদ্ধৃতি, বিশ্লেষণ, ব্যাখ্যা বা মতামতের সত্যতা, নির্ভুলতা, বৈধতা বা নির্ভরযোগ্যতার প্রত্যয়ন বা নিশ্চয়তা হিসেবে গণ্য করা যাবে না। এ-সংক্রান্ত কোনো দায় Bangali Network গ্রহণ করে না।

লেখক পরিচিতিতে প্রকাশিত তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজস্ব বিবরণের ভিত্তিতে প্রকাশিত। Bangali Network উক্ত তথ্যের যথার্থতা, সম্পূর্ণতা বা নির্ভুলতা সম্পর্কে কোনো প্রকার নিশ্চয়তা প্রদান করে না এবং এ-সংক্রান্ত কোনো দায় গ্রহণ করে না।

কোনো প্রকাশিত বিষয়বস্তুর কারণে কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, সংস্থা বা গোষ্ঠীর আপত্তি, দাবি বা আইনগত প্রশ্ন উত্থাপিত হলে, প্রযোজ্য আইন অনুসারে তার দায় সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকা বা সাক্ষাৎকারদাতার উপর বর্তাবে, যদি না আইন ভিন্নভাবে নির্ধারণ করে।

কোনো প্রকাশিত তথ্য বা দাবির যথার্থতা সম্পর্কে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণসহ আপত্তি উত্থাপিত হলে Bangali Network বিষয়টি সম্পাদকীয়ভাবে পর্যালোচনা করবে। পর্যালোচনায় তথ্যগত ভুল প্রমাণিত হলে, Bangali Network নিজস্ব সম্পাদকীয় বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট অংশ সংশোধন, অপসারণ, প্রত্যাহার বা প্রয়োজনীয় সম্পাদকীয় নোট সংযোজন করার অধিকার সংরক্ষণ করে।

একুশ শতকে দাসপ্রথার নতুন রূপ

দাসপ্রথা একদিন আইন করে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। সভ্যতা তখন নিজের পিঠ চাপড়ে বলেছিল — আমরা উন্নত হয়েছি, আমরা মানবিক হয়েছি। কিন্তু ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ভুলটা সেখানেই হয়েছিল।

কারণ দাসত্ব শুধু হাত-পায়ে পরানো শিকলের নাম নয়। শিকল যদি লোহার না-ও হয়, তা হতে পারে ভয়ের, অভ্যাসের, অভাবের কিংবা মাথার ভেতরে জন্ম নেওয়া আত্মসমর্পণের। আর সেই শিকল আইন মানে না, সংবিধান বোঝে না, নিষেধাজ্ঞায় ভাঙে না।

শরীর মুক্ত হলেও মন যদি বন্দি থাকে, তবে মানুষ নিজেই নিজের কারাগারের প্রহরী হয়ে ওঠে। তখন আর বাইরের অত্যাচারী লাগে না। মানুষ নিজেই নিজের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যায় — প্রশ্ন করতে ভয় পায়, প্রতিবাদ করতে লজ্জা পায়, আর ধীরে ধীরে অন্যায়কে 'স্বাভাবিক' বলে মেনে নিতে শেখে।

আজ আমরা যে সময়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছি, সেখানে দাসত্বের নাম বদলে গেছে। তার মুখে আর পুরোনো চাবুক নেই, গায়ে আর শেকলের শব্দ নেই। তার বদলে এসেছে আধুনিক শব্দ — 'চুক্তি', 'ঋণ', 'চাকরি', 'ভিসা', 'ক্লিক', 'ইমেজ', 'অ্যালগরিদম'।

শব্দগুলো শুনতে পরিশীলিত, আধুনিক, এমনকি সম্মানজনক। কিন্তু এই শব্দগুলোর আড়ালে যে নিয়ন্ত্রণ লুকিয়ে আছে, তা আগের চেয়েও সূক্ষ্ম, আগের চেয়েও গভীর। আগে দাসত্ব দেখা যেত। এখন দাসত্ব অনুভব করা যায় না, কারণ তা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের স্বাভাবিক অংশ হয়ে গেছে।

শুনলে অবাক লাগতে পারে, কিন্তু সত্যটা অস্বস্তিকর — দাসপ্রথা নিষিদ্ধ হলেও আধুনিক দাসত্ব পৃথিবী থেকে মুছে যায়নি। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর যৌথ হিসাব বলছে, ২০২১ সালে পৃথিবীর যেকোনো একদিনে প্রায় ৫০ মিলিয়ন মানুষ আধুনিক দাসত্বের ভেতরে বাস করছিল। কেউ জোরপূর্বক শ্রমে আটকে, কেউ জোর করে বিয়ে দেওয়ার শিকার হয়ে।

ভারতের চিত্রও আলাদা নয়। ২০২৩ সালের 'গ্লোবাল স্লেভারি ইনডেক্স' জানাচ্ছে, ২০২১ সালে এই দেশে আনুমানিক ১১ মিলিয়ন মানুষ জোরপূর্বক শ্রম বা জোর করে বিয়ের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছে।

এই সংখ্যাগুলো কেবল পরিসংখ্যান নয়। এগুলো আসলে কোটি কোটি নিঃশ্বাসের হিসাব — যাদের কণ্ঠ রুদ্ধ, যাদের জীবনের সিদ্ধান্ত অন্য কেউ নিয়ে নিয়েছে। এই তথ্যগুলো আমাদের একটাই কথা বলে — দাসত্ব আজ আর 'চেনা' নয়, দাসত্ব আজ 'লুকানো'।

সে লুকিয়ে আছে অফিসের কেবিনে, ঋণের কাগজে, ভিসার শর্তে, স্মার্টফোনের স্ক্রিনে আর সামাজিক স্বীকৃতির অদৃশ্য মাপে।

সবচেয়ে ভয়ংকর দাসত্ব জন্ম নেয় মানুষের মনের ভেতর। যখন মানুষ বিশ্বাস করতে শেখে — সহ্য করাই স্বাভাবিক। অপমানই বুঝি নিয়তি। অন্যায়ের বিরুদ্ধে মুখ খুললেই দেশদ্রোহী, ধর্মদ্রোহী, পরিবারদ্রোহী হয়ে যাওয়া অনিবার্য। তখন মানুষ প্রশ্ন করাকে অপরাধ ভাবতে শেখে, নীরবতাকে গুণ বলে ধরে নেয়। আর যখন মানুষ নিজের মূল্য নির্ধারণ করতে শুরু করে টাকা দিয়ে, পদবি দিয়ে, ফলোয়ার সংখ্যা দিয়ে, মানুষের বাহবা দিয়ে — ঠিক তখনই সে নিজের অজান্তেই বাজারের দাসে পরিণত হয়। তার আত্মসম্মান তখন আর তার নিজের হাতে থাকে না। থাকে অ্যালগরিদমের রেটিংয়ে, লাইক আর শেয়ারের ওঠানামায়।

এই দাসত্ব টিকে থাকে, কারণ এতে কারও না কারও লাভ হয়। শাসকের সুবিধা হয়, কারণ প্রশ্নহীন মানুষকে শাসন করা সহজ। বাজারের মুনাফা বাড়ে, কারণ ক্লান্ত, ভীত, অনিশ্চিত মানুষ বেশি কেনে, বেশি খরচ করে, বেশি সমঝোতা করে।

আর মানুষ নিজে? সে শুধু ক্লান্ত হয়ে পড়ে। বেঁচে থাকার দৌড়ে সে “না” বলতে ভুলে যায়। ঋণের চাপে মানুষ মাথা নোয়ায়। চাকরি হারানোর ভয়ে অন্যায় মেনে নেয়। ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তায় আজকের অপমান সহ্য করে। আর স্ক্রিনের নেশায় নিজের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ — সময় আর মনোযোগ — বিনা দামে দিয়ে দেয়। ফ্রি অ্যাপের বিনিময়ে সে বিক্রি করে নিজের চিন্তার স্বাধীনতা, নিজের একান্ত মুহূর্ত, নিজের গভীরতা।

এইখানেই আধুনিক দাসত্ব সবচেয়ে নিঃশব্দ। কেউ চাবুক মারে না, তবু মানুষ দৌড়ায়। কেউ শেকল পরায় না, তবু মানুষ বাঁধা পড়ে থাকে। কারণ শিকলটা এখন বাইরে নয় — ভিতরে।

অনেকে ভাবে, দাসপ্রথা শেষ মানেই দাসত্ব শেষ। কিন্তু সত্যটা আরও কঠিন। দাসপ্রথা শেষ হওয়া মানে কেবল একটি ব্যবস্থা ভেঙে পড়া। দাসত্ব শেষ হয় তখনই, যখন মানুষ নিজের ভয়কে চিনতে শেখে, প্রশ্ন করতে শেখে আর নিজের মূল্যকে আবার নিজের হাতে ফিরিয়ে আনে। স্বাধীনতা কোনো কাগজে লেখা অধিকার নয়, কোনো দিবসে উদ্‌যাপনের বিষয়ও নয়। স্বাধীনতা একটা প্রতিদিনের অভ্যাস। প্রতিদিন অন্যায়ের সামনে “না” বলার সাহস। প্রতিদিন নিজের সময়, চিন্তা আর সম্মানকে সস্তায় না বেচার সংকল্প। প্রতিদিন মনে করিয়ে দেওয়া — আমি মানুষ, আমি পণ্য নই।

আজকের পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় লড়াইটা বাহ্যিক শাসনের বিরুদ্ধে নয়, এই মানসিক দাসত্বের বিরুদ্ধে। কারণ শাসক বদলানো যায়, আইন বদলানো যায় — কিন্তু ভেতরের ভয় ভাঙতে হলে লাগে চেতনা, সাহস আর সচেতনতা।

তাই প্রশ্নটা আজ জরুরি। আজকের সময়ে আপনার চোখে সবচেয়ে ভয়ংকর মানসিক দাসত্ব কোনটা? ঋণের অদৃশ্য শিকল? চাকরি হারানোর আতঙ্ক? নাকি সোশ্যাল মিডিয়ার নেশা — যা ধীরে ধীরে আমাদের মন আর চিন্তাকে গ্রাস করছে? এই প্রশ্নের উত্তরই হয়তো ঠিক করবে — আমরা সত্যিই স্বাধীন হচ্ছি, না কি কেবল দাসত্বের নাম বদলাচ্ছি।




আপনার ভোটেই নির্ধারিত হবে ‘মাসের সেরা কলম’

এখনই আপনার পছন্দ বেছে নিন

এই সংখ্যায় প্রযোজ্য নিয়ম

একজন পাঠক এই সংখ্যায় সর্বোচ্চ ৫টি ভিন্ন কলম প্রতিক্রিয়া দিতে পারবেন — অর্থাৎ প্রতিটি প্রতিক্রিয়া একবার করে দেওয়া যাবে। একই প্রতিক্রিয়া এই সংখ্যার অন্য কোনো লেখায় নতুন করে নির্বাচন করলে, আগেরটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে এবং সর্বশেষ নির্বাচিত প্রতিক্রিয়াটিই গণ্য হবে। অর্থাৎ, পাঠক প্রতিটি প্রতিক্রিয়া বিভাগে একটি করে লেখা নির্বাচন করতে পারবেন। এই প্রতিক্রিয়াগুলির ভিত্তিতেই নির্বাচিত হবেন ‘মাসের সেরা কলম’ সম্মানের ‘পাঠকের প্রতিক্রিয়া’ বিভাগে পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক–লেখিকারা। দ্রষ্টব্য: আষাঢ় ১৪৩৩ সংখ্যা থেকে এই নিয়ম আরও সহজ ও উদার করা হয়েছে।

আগামী সংখ্যার জন্য লেখা পাঠান

❛উদ্যোগ❜ ওয়েব ম্যাগাজিনের শারদ ১৪৩৩ সংখ্যাটি ৫ অক্টোবর ২০২৬ (১৭ই আশ্বিন) প্রকাশিত হবে। ওয়েবসাইটে প্রদত্ত লেখার বিভাগ ও বিষয় থেকে আপনার পছন্দের বিষয় বেছে নিয়ে লেখা পাঠান ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। নির্বাচিত লেখাগুলি লেখক / লেখিকার ছবি ও সংক্ষিপ্ত পরিচিতিসহ প্রকাশিত হবে। লেখা পাঠানোর ফর্ম এবং অন্যান্য সকল তথ্যের জন্য অনুগ্রহ করে মেনুতে ‘লেখা পাঠান’ বিভাগটি দেখুন।

পৃষ্ঠা
ভালো লাগলে ভালোবাসা দিন
অপছন্দ হলে পরামর্শ দিন
মতামত জানাতে মন্তব্য করুন
0 0 ভোট
স্টার
guest
1 কমেন্ট
নতুন থেকে পুরোনো
পুরোনো থেকে নতুন ভোটসংখ্যা অনুসারে
ফেসবুক পেজ
Udyog Bengali Web Magazine by Bangali Network

বিভিন্ন বিষয় থেকে বেছে নিয়ে লেখা পড়ুন

    বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশিত হওয়া লেখা পড়ুন

    মাসিক সংখ্যাগুলি দেখুন
    Scroll to Top

    ‘উদ্যোগ’ ফোনে রাখুন

    ‘উদ্যোগ’ ওয়েব ম্যাগাজিন ইনস্টল করুন। ইনস্টলের পর অ্যাপ তালিকা থেকে আইকনটি হোমস্ক্রিনে যোগ করে নিতে পারেন। এরপর সহজেই পড়ুন আপনার প্রিয় ম্যাগাজিন। ভালো না লাগলে যেকোনো সময় এক ক্লিকে আনইনস্টল করতে পারবেন।