About Bangali.Network
About Bangali.Network
মাসিক সংখ্যা
লেখক–লেখিকা
লেখা পাঠান
আমাদের কথা
উদ্যোগ
Web Magazine
Contests


উদ্যোগ Web Magazine
Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
পাসবই থেকে পাসওয়ার্ড
দায়স্বীকার

লেখা, মতামত, মন্তব্য, বিশ্লেষণ, সাক্ষাৎকার বা অন্য যে কোনো প্রকাশিত লেখার সকল বক্তব্য সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকা / সাক্ষাৎকারদাতার নিজস্ব এবং সকল বক্তব্যের নৈতিক, তথ্যগত ও আইনগত দায় সম্পূর্ণভাবে তাঁদের উপরই বর্তায়। কোনো লেখা প্রকাশিত হওয়া মাত্রেই তা Bangali Network-এর সম্পাদকীয় অবস্থান, নীতি, মতাদর্শ, সমর্থন, অনুমোদন বা সরকারি মতামতের প্রতিফলন হিসেবে গণ্য করা যাবে না।

তথ্যভিত্তিক প্রবন্ধে ব্যবহৃত তথ্য, উদ্ধৃতি, অনুবাদ, পরিসংখ্যান, গবেষণা, শাস্ত্রীয় বা ঐতিহাসিক সূত্র, আইনগত বা বৈজ্ঞানিক তথ্য, বিশ্লেষণ, ব্যাখ্যা, সিদ্ধান্ত ও উপসংহারের যথার্থতা, নির্ভুলতা, পূর্ণতা, প্রাসঙ্গিকতা, বৈধতা ও হালনাগাদকরণের দায় সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকার। Bangali Network সম্পাদকীয় বিবেচনায় কোনো লেখা প্রকাশ, সম্পাদনা, সংক্ষিপ্তকরণ বা ভাষাগত সংশোধন করতে পারে; তবে এ ধরনের সম্পাদকীয় প্রক্রিয়াকে প্রকাশিত তথ্য, সূত্র, উদ্ধৃতি, বিশ্লেষণ, ব্যাখ্যা বা মতামতের সত্যতা, নির্ভুলতা, বৈধতা বা নির্ভরযোগ্যতার প্রত্যয়ন বা নিশ্চয়তা হিসেবে গণ্য করা যাবে না। এ-সংক্রান্ত কোনো দায় Bangali Network গ্রহণ করে না।

লেখক পরিচিতিতে প্রকাশিত তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজস্ব বিবরণের ভিত্তিতে প্রকাশিত। Bangali Network উক্ত তথ্যের যথার্থতা, সম্পূর্ণতা বা নির্ভুলতা সম্পর্কে কোনো প্রকার নিশ্চয়তা প্রদান করে না এবং এ-সংক্রান্ত কোনো দায় গ্রহণ করে না।

কোনো প্রকাশিত বিষয়বস্তুর কারণে কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, সংস্থা বা গোষ্ঠীর আপত্তি, দাবি বা আইনগত প্রশ্ন উত্থাপিত হলে, প্রযোজ্য আইন অনুসারে তার দায় সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকা বা সাক্ষাৎকারদাতার উপর বর্তাবে, যদি না আইন ভিন্নভাবে নির্ধারণ করে।

কোনো প্রকাশিত তথ্য বা দাবির যথার্থতা সম্পর্কে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণসহ আপত্তি উত্থাপিত হলে Bangali Network বিষয়টি সম্পাদকীয়ভাবে পর্যালোচনা করবে। পর্যালোচনায় তথ্যগত ভুল প্রমাণিত হলে, Bangali Network নিজস্ব সম্পাদকীয় বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট অংশ সংশোধন, অপসারণ, প্রত্যাহার বা প্রয়োজনীয় সম্পাদকীয় নোট সংযোজন করার অধিকার সংরক্ষণ করে।

দায়স্বীকার

লেখা, মতামত, মন্তব্য, বিশ্লেষণ, সাক্ষাৎকার বা অন্য যে কোনো প্রকাশিত লেখার সকল বক্তব্য সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকা / সাক্ষাৎকারদাতার নিজস্ব এবং সকল বক্তব্যের নৈতিক, তথ্যগত ও আইনগত দায় সম্পূর্ণভাবে তাঁদের উপরই বর্তায়। কোনো লেখা প্রকাশিত হওয়া মাত্রেই তা Bangali Network-এর সম্পাদকীয় অবস্থান, নীতি, মতাদর্শ, সমর্থন, অনুমোদন বা সরকারি মতামতের প্রতিফলন হিসেবে গণ্য করা যাবে না।

তথ্যভিত্তিক প্রবন্ধে ব্যবহৃত তথ্য, উদ্ধৃতি, অনুবাদ, পরিসংখ্যান, গবেষণা, শাস্ত্রীয় বা ঐতিহাসিক সূত্র, আইনগত বা বৈজ্ঞানিক তথ্য, বিশ্লেষণ, ব্যাখ্যা, সিদ্ধান্ত ও উপসংহারের যথার্থতা, নির্ভুলতা, পূর্ণতা, প্রাসঙ্গিকতা, বৈধতা ও হালনাগাদকরণের দায় সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকার। Bangali Network সম্পাদকীয় বিবেচনায় কোনো লেখা প্রকাশ, সম্পাদনা, সংক্ষিপ্তকরণ বা ভাষাগত সংশোধন করতে পারে; তবে এ ধরনের সম্পাদকীয় প্রক্রিয়াকে প্রকাশিত তথ্য, সূত্র, উদ্ধৃতি, বিশ্লেষণ, ব্যাখ্যা বা মতামতের সত্যতা, নির্ভুলতা, বৈধতা বা নির্ভরযোগ্যতার প্রত্যয়ন বা নিশ্চয়তা হিসেবে গণ্য করা যাবে না। এ-সংক্রান্ত কোনো দায় Bangali Network গ্রহণ করে না।

লেখক পরিচিতিতে প্রকাশিত তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজস্ব বিবরণের ভিত্তিতে প্রকাশিত। Bangali Network উক্ত তথ্যের যথার্থতা, সম্পূর্ণতা বা নির্ভুলতা সম্পর্কে কোনো প্রকার নিশ্চয়তা প্রদান করে না এবং এ-সংক্রান্ত কোনো দায় গ্রহণ করে না।

কোনো প্রকাশিত বিষয়বস্তুর কারণে কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, সংস্থা বা গোষ্ঠীর আপত্তি, দাবি বা আইনগত প্রশ্ন উত্থাপিত হলে, প্রযোজ্য আইন অনুসারে তার দায় সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকা বা সাক্ষাৎকারদাতার উপর বর্তাবে, যদি না আইন ভিন্নভাবে নির্ধারণ করে।

কোনো প্রকাশিত তথ্য বা দাবির যথার্থতা সম্পর্কে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণসহ আপত্তি উত্থাপিত হলে Bangali Network বিষয়টি সম্পাদকীয়ভাবে পর্যালোচনা করবে। পর্যালোচনায় তথ্যগত ভুল প্রমাণিত হলে, Bangali Network নিজস্ব সম্পাদকীয় বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট অংশ সংশোধন, অপসারণ, প্রত্যাহার বা প্রয়োজনীয় সম্পাদকীয় নোট সংযোজন করার অধিকার সংরক্ষণ করে।

পাসবই থেকে পাসওয়ার্ড

সকালের চা হাতে নিয়ে ঠাকুমা যখন ব্যাংক থেকে আসা এসএমএসটি আমার সামনে ধরে বললেন, "এই যে একটা নম্বর এসেছে, এটা আবার কাকে বলব?", তখন বুঝতে পারলাম, আমাদের জীবনে প্রযুক্তির অগ্রগতি যত দ্রুত ঘটছে, তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা সবার পক্ষে সমান সহজ নয়। যে মানুষটি একসময় সংসারের হিসাব মাথায় রেখে পুরো পরিবার সামলেছেন, বাজারের দাম মুখস্থ জানতেন, আত্মীয়-স্বজনের জন্মদিন থেকে পারিবারিক আচার — সবকিছু নিখুঁতভাবে মনে রাখতেন, সেই মানুষটিই আজ একটি ওটিপির সামনে অসহায় বোধ করেন।

ওটিপি — ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড। আধুনিক ডিজিটাল নিরাপত্তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। ব্যাংকিং, অনলাইন কেনাকাটা, সরকারি পরিষেবা, মোবাইল রিচার্জ, গ্যাস বুকিং, বিমার প্রিমিয়াম জমা — প্রায় সব ক্ষেত্রেই এখন ওটিপি অপরিহার্য। এর উদ্দেশ্য হলো ব্যবহারকারীর পরিচয় নিশ্চিত করা এবং প্রতারণা রোধ করা। কিন্তু প্রযুক্তির এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেক প্রবীণ মানুষের কাছে এক নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আমার ঠাকুমার বয়স পঁচাত্তর বছর। জীবনের অধিকাংশ সময় তিনি কাটিয়েছেন এমন এক পৃথিবীতে, যেখানে ব্যাংকের কাজ মানে ছিল পাসবই আপডেট করা, বিদ্যুতের বিল জমা দেওয়া মানে লাইনে দাঁড়ানো, আর খবর নেওয়ার জন্য দরকার হতো মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলা। তাঁর কাছে বিশ্বাস মানে ছিল মানুষের মুখের কথা। অথচ আজকের পৃথিবীতে একটি ছোট্ট ছয় সংখ্যার কোডের উপর নির্ভর করছে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা।

প্রযুক্তির উন্নয়ন নিঃসন্দেহে আমাদের জীবনকে সহজ করেছে। ভারতের ডিজিটাল বিপ্লবের ফলে কোটি কোটি মানুষ ঘরে বসে নানা পরিষেবা পাচ্ছেন। ইউনিফাইড পেমেন্টস ইন্টারফেস (UPI)-এর মাধ্যমে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ লেনদেন হচ্ছে। সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধাও এখন ডিজিটাল মাধ্যমের মাধ্যমে পৌঁছে যাচ্ছে সাধারণ মানুষের কাছে। কিন্তু এই পরিবর্তনের মধ্যে প্রবীণদের একটি বড় অংশ নিজেদের বিচ্ছিন্ন মনে করছেন।

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, বয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারে আত্মবিশ্বাসের অভাব একটি বড় সমস্যা। নতুন প্রযুক্তি শেখার ক্ষেত্রে তাঁদের মধ্যে ভুল করার ভয় কাজ করে। অনেকেই আশঙ্কা করেন, ভুল বোতাম চাপলে হয়তো টাকা কেটে যাবে বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হারিয়ে যাবে।

এই ভয় অমূলক নয়। বর্তমানে ওটিপি প্রতারণা বা সাইবার জালিয়াতির ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। প্রতারকেরা নিজেদের ব্যাংককর্মী বা সরকারি আধিকারিক পরিচয় দিয়ে ফোন করে ওটিপি জেনে নেওয়ার চেষ্টা করে। ফলে প্রবীণদের মধ্যে বিভ্রান্তি আরও বাড়ে।

আমার ঠাকুমাও একদিন এমন একটি ফোন পেয়েছিলেন। ফোনের ওপারে থাকা ব্যক্তি বলছিলেন যে, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আপডেট করতে ওটিপি জানাতে হবে। ঠাকুমা কিছুটা বিচলিত হয়ে আমাকে ডাকলেন। আমি তাঁকে বুঝিয়ে বললাম যে, ব্যাংক কখনও ফোন করে ওটিপি চায় না। সেদিন তাঁর মুখে স্বস্তির হাসি ফুটে উঠেছিল। কিন্তু সেই হাসির আড়ালে আমি একটি বড় সত্য উপলব্ধি করেছিলাম — প্রযুক্তি সম্পর্কে সচেতনতার অভাব শুধু অসুবিধা নয়, বিপদেরও কারণ হতে পারে।

তবে এই গল্প কেবল অসহায়তার নয়; এটি শেখার ইচ্ছা ও মানিয়ে নেওয়ার গল্পও। প্রথমদিকে ঠাকুমা স্মার্টফোন হাতে নিতেই ভয় পেতেন। কিন্তু ধীরে ধীরে তিনি শিখলেন কীভাবে এসএমএস পড়তে হয়, কীভাবে ওটিপি খুঁজে বের করতে হয় এবং কোন পরিস্থিতিতে সেটি ব্যবহার করতে হয়। এখন তিনি মাঝেমধ্যে নিজেই বলেন, "এই নম্বরটা কি ওই ওটিপি?" তাঁর এই ছোট্ট প্রশ্নের মধ্যেই লুকিয়ে আছে এক বড় জয়।

প্রবীণ মানুষদের প্রযুক্তি ব্যবহারে সক্ষম করে তোলার দায়িত্ব শুধু তাঁদের ব্যক্তিগত নয়; এটি পরিবারের এবং সমাজেরও দায়িত্ব। ধৈর্য ধরে তাঁদের শেখানো, একই বিষয় বারবার বোঝানো, নিরাপত্তা-সংক্রান্ত তথ্য সহজ ভাষায় জানানো অত্যন্ত জরুরি। অনেক সময় আমরা তরুণরা অধৈর্য হয়ে বলি, "এত সহজ জিনিসও বুঝতে পারো না?" কিন্তু আমরা ভুলে যাই, যাঁরা আজ প্রযুক্তির সঙ্গে লড়াই করছেন, তাঁরাই একদিন আমাদের হাঁটতে, কথা বলতে এবং জীবনের নানা শিক্ষা নিতে সাহায্য করেছিলেন।

ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি কেবল প্রযুক্তির প্রসার নয়; এটি সমান অংশগ্রহণের বিষয়। একটি সমাজ তখনই সত্যিকারের উন্নত হয়, যখন উন্নয়নের সুবিধা সব বয়সের মানুষের কাছে পৌঁছায়। যদি কোনও প্রবীণ মানুষ শুধুমাত্র প্রযুক্তিগত জটিলতার কারণে নিজের প্রাপ্য পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হন, তবে সেই উন্নয়ন অসম্পূর্ণ থেকে যায়।

আমার ঠাকুমার কাছে ওটিপি এখনও খুব প্রিয় কোনও শব্দ নয়। মাঝেমধ্যে তিনি বিরক্ত হয়ে বলেন, "আগে কত সহজ ছিল সব!" তাঁর কথায় নস্টালজিয়া আছে, কিছুটা আক্ষেপও আছে। কিন্তু একই সঙ্গে তিনি এখন জানেন যে পরিবর্তন জীবনেরই অংশ। তিনি চেষ্টা করছেন নতুন পৃথিবীকে বুঝতে, আর আমরা চেষ্টা করছি তাঁকে সেই পথে সঙ্গ দিতে।

আসলে ওটিপির যুগে আমার ঠাকুমার গল্প শুধুমাত্র একজন প্রবীণ নারীর প্রযুক্তি শেখার গল্প নয়। এটি প্রজন্মের মধ্যে সেতুবন্ধনের গল্প। এটি ধৈর্যের গল্প, সহমর্মিতার গল্প এবং একসঙ্গে এগিয়ে চলার গল্প। প্রযুক্তি যতই উন্নত হোক, মানবিকতা যদি তার সঙ্গে না থাকে, তবে সেই উন্নয়ন অপূর্ণ থেকে যায়।

একটি ছয় সংখ্যার ওটিপি আমাদের কাছে হয়তো কয়েক সেকেন্ডের ব্যাপার। কিন্তু একজন প্রবীণ মানুষের কাছে এটি হতে পারে আত্মবিশ্বাস অর্জনের একটি নতুন ধাপ, স্বাধীনভাবে কাজ করার একটি সুযোগ এবং পরিবর্তিত সময়ের সঙ্গে নিজেকে খাপ খাইয়ে নেওয়ার এক সাহসী প্রচেষ্টা।

আজ যখন ঠাকুমা নিজেই ফোন হাতে নিয়ে বলেন, "দেখ তো, ওটিপি এসেছে কি না," তখন মনে হয়, প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় সাফল্য শুধু দ্রুততা বা সুবিধা নয়। তার সবচেয়ে বড় সাফল্য হলো মানুষের মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে আনা এবং কাউকে পিছনে ফেলে না রেখে একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করা।

ওটিপির যুগে আমার ঠাকুমা তাই কেবল একজন প্রবীণ নারী নন; তিনি পরিবর্তনকে গ্রহণ করার সাহসের প্রতীক। তিনি আমাদের মনে করিয়ে দেন যে শেখার কোনও বয়স হয় না, আর সামান্য সহানুভূতি ও সহযোগিতা থাকলে ডিজিটাল পৃথিবীতেও মানবিক সম্পর্কের উষ্ণতা অটুট রাখা সম্ভব। প্রযুক্তি হয়তো আমাদের ভবিষ্যতের পথ দেখায়, কিন্তু সেই পথে এগিয়ে চলার শক্তি আমরা পাই পরিবার, ভালোবাসা এবং একে অপরের পাশে থাকার মধ্য দিয়ে।




আপনার প্রতিক্রিয়াতেই নির্ধারিত হবে ‘মাসের সেরা কলম’

এখনই আপনার পছন্দ বেছে নিন

প্রতিক্রিয়া দেওয়ার নিয়ম

আপনি এই সংখ্যায় আপনার পছন্দের সব লেখাতেই প্রতিক্রিয়া জানাতে পারবেন। তবে একটি লেখায় সর্বোচ্চ ২টি ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেওয়া যাবে। একই লেখায় তৃতীয় প্রতিক্রিয়া নির্বাচন করলে, প্রথমে নির্বাচিত প্রতিক্রিয়াটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে এবং নতুন প্রতিক্রিয়াটি গণ্য হবে। আপনার প্রতিটি প্রতিক্রিয়া লেখকদের অনুপ্রেরণা জোগায় এবং বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সৃজনশীলতার প্রতি আপনার সমর্থনকে তুলে ধরে।

আগামী সংখ্যার জন্য লেখা পাঠান

❛উদ্যোগ❜ ওয়েব ম্যাগাজিনের শারদ ১৪৩৩ সংখ্যাটি ৫ অক্টোবর ২০২৬ (১৭ই আশ্বিন) প্রকাশিত হবে। ওয়েবসাইটে প্রদত্ত লেখার বিভাগ ও বিষয় থেকে আপনার পছন্দের বিষয় বেছে নিয়ে লেখা পাঠান ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। নির্বাচিত লেখাগুলি লেখক / লেখিকার ছবি ও সংক্ষিপ্ত পরিচিতিসহ প্রকাশিত হবে। লেখা পাঠানোর ফর্ম এবং অন্যান্য সকল তথ্যের জন্য অনুগ্রহ করে মেনুতে ‘লেখা পাঠান’ বিভাগটি দেখুন।

পৃষ্ঠা
ভালো লাগলে ভালোবাসা দিন
অপছন্দ হলে পরামর্শ দিন
মতামত জানাতে মন্তব্য করুন
0 0 ভোট
স্টার
guest
1 কমেন্ট
নতুন থেকে পুরোনো
পুরোনো থেকে নতুন ভোটসংখ্যা অনুসারে
ফেসবুক পেজ
Udyog Bengali Web Magazine by Bangali Network

বিভিন্ন বিষয় থেকে বেছে নিয়ে লেখা পড়ুন

    বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশিত হওয়া লেখা পড়ুন

    মাসিক সংখ্যাগুলি দেখুন
    Scroll to Top

    ‘উদ্যোগ’ ফোনে রাখুন

    ‘উদ্যোগ’ ওয়েব ম্যাগাজিন ইনস্টল করুন। ইনস্টলের পর অ্যাপ তালিকা থেকে আইকনটি হোমস্ক্রিনে যোগ করে নিতে পারেন। এরপর সহজেই পড়ুন আপনার প্রিয় ম্যাগাজিন। ভালো না লাগলে যেকোনো সময় এক ক্লিকে আনইনস্টল করতে পারবেন।