পূর্ণিমার আলোয় রজনীগন্ধা গ্রামটাকে মায়াপুরী বলে ভুল করার কোনো কারণ অন্তত সুষমার ছিল না। জ্যোৎস্নার একটা নিজস্ব নির্মমতা আছে; তা ভাঙা দেয়ালের নোনা ধরা অংশ কিংবা উঠোনের এক কোণে জমে থাকা আবর্জনা — সবকিছুকে বড় বেশি নগ্ন করে দেখিয়ে দেয়। শহরের ফ্ল্যাটবাড়ি ছেড়ে যখন রজতের হাত ধরে সুষমা এই মফস্বল গাঁয়ে চলে এসেছিল, তখন তার চোখে একটা রোমান্টিক কুয়াশা ছিল। আজ তিন বছর পর, সেই কুয়াশা কেটে গিয়ে যে সত্যটা দাঁড়িয়েছে, তা ভাঙা কাঁচের মতো খাঁখাঁ করছে।
রজনীগন্ধা গ্রামটার নাম আসলে অন্য কিছু ছিল। কিন্তু এই অঞ্চলের মাঠের পর মাঠ জুড়ে রজনীগন্ধা ফুলের চাষ হয় বলে কালক্রমে এর নামই হয়ে গেছে রজনীগন্ধা। সাদা, পবিত্র, সুবাসিত ফুল — যা মানুষের জীবনের প্রতিটি সন্ধিক্ষণে লাগে। বিয়েতে, উৎসবে, আবার শবযাত্রার খাটিয়াতেও। সুষমার প্রায়ই মনে হয়, এই গ্রামটাও যেন একটা সুসজ্জিত লাশ, যাকে রজনীগন্ধার সুবাস আর সাদা পাপড়ি দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে, যাতে পচাগন্ধটা বাইরে না আসে।
টেবিলের ওপর রাখা কাঁচের গ্লাসে জলটা সামান্য কাঁপছে। ওপাশের ঘরে রজত ঘুমাচ্ছে। তার ভারী শ্বাসের শব্দ এ ঘরেও স্পষ্ট। রজত মানুষটা মন্দ নয়, কিন্তু বড্ড বেশি হিসেবি। তার ভালোবাসার ভেতরেও এক নিখুঁত খতিয়ান আছে — কতটা বিনিয়োগ করলে ঠিক কতটুকু লভ্যাংশ ফেরত পাওয়া যাবে। রজত এখানকার বড় ব্যবসায়ী, সমবায় ব্যাংকের ডিরেক্টর। তার জীবনের সবকিছু একটা ছকে বাঁধা। সুষমা সেই ছকের একটা নিখুঁত বোড়ে মাত্র, যার নিজস্ব কোনো চাল নেই।
আর ঠিক এইখানেই অজয় সম্পূর্ণ আলাদা।
বিকেলের দিকে একটা ঘটনা ঘটেছিল, যা এই পূর্ণিমার রাতে সুষমাকে ঘুমাতে দিচ্ছে না। শুধু ঘুমাতে দিচ্ছে না বললে ভুল হবে, একটা চাপা আতঙ্ক আর রহস্যের মেঘ তার মনের ভেতর ঘনীভূত হচ্ছে। গ্রামের রায়বাড়ির মেজোবউ আজ বিকেলে পুকুরঘাটে বাসন মাজতে মাজতে ফুঁপিয়ে কাঁদছিল। সুষমা জল নিতে গিয়ে তাকে ওভাবে দেখে থমকে দাঁড়ায়। রায়বাড়ি এই গ্রামের অত্যন্ত প্রভাবশালী পরিবার।
সুষমা জিজ্ঞেস করায় মেজোবউ শাড়ির আঁচলে চোখ মুছে বলেছিল, "কিছু না দিদিভাই, চোখে সাবান ঢুকেছে।"
কিন্তু মেজোবউয়ের হাতের কবজিতে কালশিটে দাগগুলো সুষমার নজর এড়ায়নি। সাবান চোখে ঢুকলে কবজিতে আঙুলের নখের আঁচড় পড়ে না — ওটা পড়ে কোনো আদিম পাশবিকতায়। সবচেয়ে বড় কথা, মেজোবউয়ের ভেজা শাড়ির কোঁচড় থেকে তখন একটা ছোট শিশি টুপ করে খসে পড়েছিল পুকুরের ঘাটে। সুষমা সেটা দেখেছিল, কিন্তু মেজোবউ ক্ষিপ্র হাতে সেটা লুকিয়ে ফেলে। শিশিটার গায়ে কোনো লেবেল ছিল না, শুধু একটা চটচটে কালচে তরল লেগে ছিল। রায়বাড়ির মেজোবাবু, অর্থাৎ রজতের ব্যবসার অন্যতম অংশীদার প্রমথ রায়, কদিন ধরেই এক অদ্ভুত রোগে ভুগছেন। ডাক্তাররা রোগ ধরতে পারছে না। সুষমার শিরদাঁড়া দিয়ে একটা শীতল স্রোত বয়ে গেল।
সমাজ এইভাবেই চলে। নিটোল হাসির আড়ালে প্রত্যেকে নিজের নিজের পাপগুলো চাদর চাপা দিয়ে রাখে। রজতের সংসারটাও কি তাই নয়? ওপর থেকে দেখলে সুখী, সচল, অথচ ভেতরে ভেতরে একটা শীতল মরুভূমি। রজত আর প্রমথ রায়ের ব্যবসার খাতা সুষমা একদিন ভুল করে দেখে ফেলেছিল। সেখানে কিছু নাম আর সংখ্যার পাশে লাল কালিতে "কাটা চিহ্ন" দেওয়া ছিল। তার পরদিনই গ্রামের এক চাষি, যে ঋণের দায়ে জমি হারাচ্ছিল, সে রহস্যজনকভাবে "নিখোঁজ" হয়ে যায়।
সুষমা যখন রজতকে জিজ্ঞেস করেছিল, রজত তার চশমার কাঁচটা মুছতে মুছতে শান্ত গলায় বলেছিল, "সংসারে সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে নেই, সুষমা। তাতে অঙ্ক মেলে না, শুধু জীবনটা জটিল হয়।"
অজয় এই গাঁয়েরই ছেলে, রজতের দূর সম্পর্কের মামাতো ভাই। আপাতদৃষ্টিতে সে লক্ষ্যহীন, বাউন্ডুলে। কলকাতার এক নামী কলেজে পড়ত, কিন্তু হঠাৎই পড়া ছেড়ে গ্রামে ফিরে এসেছে। কেন ফিরে এসেছে, তা কেউ জানে না। কেউ বলে সে কোনো রাজনৈতিক ঝামেলায় জড়িয়েছিল, কেউ বলে কোনো নিষিদ্ধ চক্রের খপ্পরে পড়েছিল। কিন্তু তার চোখের দিকে তাকালে সুষমার মনে হতো, সে একটা অতলান্তিক খাদের কিনারে দাঁড়িয়ে আছে। অজয় কথা বলে কম, কিন্তু যখন তাকায়, মনে হয় সুষমার ভেতরের সমস্ত গোপন হাহাকার সে এক নিমেষে পড়ে ফেলেছে।
রাত তখন একটা। সুষমার ছটফটানি বাড়ছিল। ঘরের ভেতরের বাতাসটা যেন ভারী হয়ে উঠেছে। কাঁচের গ্লাসের জলটা তখনও স্থির হয়নি। বাইরে দূর থেকে কোনো নিশাচর পাখির ডাক ভেসে আসছে। সুষমা আস্তে করে বিছানা ছাড়ল। রজতের ঘুমন্ত মুখের দিকে তাকাল একবার। কী শান্ত, কী নির্বিকার! কোনো পাপবোধ বা জটিলতা যেন এই পাথরের মতো মানুষকে স্পর্শ করতে পারে না।
সুষমা খিল খুলে বারান্দায় এসে দাঁড়াল। বাইরে বেরোতেই রজনীগন্ধা ফুলের তীব্র, প্রায় দমবন্ধকর গন্ধ বাতাসে। জ্যোৎস্নার আলোয় পুরো উঠোনটা ধুয়ে যাচ্ছে। ঠিক তখনই উঠোনের আমগাছের ঘন কালো ছায়া থেকে একটা অবয়ব আলাদা হয়ে এগিয়ে এল। সুষমা চমকে উঠল না। কেমন যেন একটা অবশ ভাব তাকে গ্রাস করেছিল। সে জানত, কেউ একজন ওখানে আছে। গত কয়েকদিন ধরেই সে অনুভব করছিল, কেউ তার ওপর নজর রাখছে।
"এত রাতে জাগছ যে?" অজয়ের গলা নিচু, কিন্তু তাতে এক অদ্ভুত মাদকতা আর প্রচ্ছন্ন উত্তেজনা।
সুষমা নিজেকে সামলে নিয়ে বলল, "ঘুম আসছে না। তোমারও তো ঘুম নেই দেখছি। তুমি এত রাতে আমাদের উঠোনে কী করছ, অজয়?"
"আমি পাহারা দিচ্ছি, সুষমা," অজয় আরও এক পা এগিয়ে এল। চাঁদের আলো তার মুখের একপাশে পড়ায় তাকে কোনো গ্রিক দেবতার মতো রহস্যময় দেখাচ্ছিল। "এই রজনীগন্ধার সুবাস যতটা সুন্দর, এর নিচের মাটিটা ততটাই বিষাক্ত। তুমি কি জানো, এই ফুলের শিকড়গুলো পচা মাটির ভেতর থেকে ঠিক কী শুষে নিয়ে বাঁচে?"
সুষমা ভ্রু কুঁচকে তাকাল, "কী বলতে চাও?"
"রায়বাড়ির মেজোবউয়ের সঙ্গে আজ তোমার দেখা হয়েছিল, তাই না?" অজয়ের গলায় একটা চাপা উপহাস। "মেজোবউ যে শিশিটা লুকিয়েছিল, ওটা আসলে একধরনের বুনো লতার বিষ। যা ধীরে ধীরে মানুষের স্নায়ু অবশ করে দেয়। প্রমথ রায় মরছে না, তাকে কুরে কুরে মারা হচ্ছে। আর এই মরণ-খেলায় তোমার স্বামী, আমাদের পরম পূজনীয় রজতদা কতখানি জড়িত, তা জানো? আসলে রজনীগন্ধার চাষ করতে গেলে মাঝেমধ্যে পুরোনো আগাছা উপড়ে ফেলতে হয়, সুষমা।"
সুষমার পা দুটো যেন মাটিতে গেঁথে গেল। সে কাঁপতে কাঁপতে বলল, "তুমি বানিয়ে বলছ। রজত ব্যবসায়ী হতে পারে, কিন্তু সে কোনো খুনি নয়।"
"অপরাধের সংজ্ঞা একেক জনের কাছে একেক রকম, সুষমা," অজয় প্রথমবার তার নাম ধরে ডাকল। 'বউদি' সম্বোধনের দেওয়ালটা কখন যেন খসে পড়েছে। সে সুষমার খুব কাছে এসে দাঁড়াল। এত কাছে যে, সুষমা তার গায়ের তামাক আর ভেজা মাটির গন্ধ পাচ্ছিল। "রজতদা এই গ্রামের সমবায় ব্যাংকের আড়ালে কী পাচার করে, তার প্রমাণ আমার কাছে আছে। আর সেই কারণেই রজতদা আমাকে এখান থেকে সরিয়ে দিতে চায়। কাল সকালেই হয়তো আমাকে কোনো মিথ্যে কেসে ফাঁসিয়ে দেওয়া হবে, কিংবা..." অজয় হাসল। সে হাসি বড় করুণ। "কিংবা শ্মশানের রাস্তায় আমার লাশ পাওয়া যাবে।"
চাঁদটা তখন ঠিক তাদের মাথার ওপর। অজয়ের চোখের মণি দুটো জ্বলজ্বল করছে। সুষমা চাইলে পিছিয়ে যেতে পারত, কিন্তু এক তীব্র মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন তাকে ছিঁড়ে ফেলতে চাইল। একদিকে রজতের নিশ্চিত, নিরাপদ কিন্তু আবেগহীন, রহস্যময় অন্ধকার সংসার; অন্যদিকে অজয়ের এই অনিশ্চিত, ঝোড়ো কিন্তু জীবন্ত এবং ভয়ঙ্কর আহ্বান।
"যদি বলি, এখান থেকে তোমাকে নিয়ে আমি অনেক দূরে চলে যেতে চাই? আজ রাতেই?" অজয়ের কণ্ঠস্বরে এক তীব্র আর্তি, এক আদিম স্পর্শের ব্যাকুলতা। তার হাতটা সুষমার ঠান্ডা, অবশ আঙুলগুলো ছুঁল। "যেখানে কোনো হিসেব নেই, কোনো সামাজিক অভিনয় নেই, কোনো রক্তের দাগ নেই। যাবে আমার সঙ্গে?"
সুষমার শরীরে একটা মৃদু কম্পন বয়ে গেল। এই তো সেই উত্তর, যার জন্য সে হয়তো অবচেতনে অপেক্ষা করছিল। এই মায়াপুরী থেকে, এই বিষাক্ত ফুলের গন্ধ থেকে মুক্তি। সে অজয়ের হাতের মুঠোয় নিজের আঙুলগুলো শিথিল করে দিল।
"সুষমা।"
ঠিক তখনই পিছনের ঘরের জানলাটা মৃদু শব্দে খুলে গেল। অন্ধকার জানলার ওপারে রজতের অবয়ব। চাঁদের আলো তার চশমার কাঁচের ওপর প্রতিফলিত হয়ে একটা ভৌতিক দ্যুতি তৈরি করেছে। সে কিন্তু চেঁচামেচি করল না, আলো জ্বালল না। কোনো নাটকীয়তা নেই তার আচরণে।
সে শুধু অন্ধকারে দাঁড়িয়ে শান্ত, বরফশীতল গলায় বলল, "বাইরে বড্ড ঠান্ডা। ভেতরে এসো। আর অজয়, কাল সকালে তোমাকে কলকাতায় যেতে হবে রেশনের চালের তদ্বির করতে। সঙ্গে প্রমথ রায়ের কিছু খাতা সই করিয়ে আনতে হবে। প্রমথবাবু তো আর সই করতে পারবেন না, ওনার হয়ে মেজোবউ সই করে দেবে। তুমি তৈরি থেকো। এবার শুয়ে পড়ো।"
রজতের গলার সেই চেনা পরিমিতিবোধ। কোনো রাগ নেই, কোনো উত্তেজনা নেই। যেন সে জানত এই দৃশ্যটা ঠিক এই সময়ে, এই স্থানেই ঘটবে, এবং সে এর জন্যও প্রস্তুত। এই ঠান্ডা মাথার নিয়ন্ত্রণই রজতের সবচেয়ে বড় অস্ত্র। সে সমাজকে পরোয়া করে, নিজের ব্যবসাকে পরোয়া করে, তাই সে কোনো "দৃশ্য" তৈরি হতে দেবে না। সবচেয়ে বড় কথা, সে অজয়কে একটা প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়ে দিল — মেজোবউয়ের সই এবং প্রমথ রায়ের ব্যবসার চাবিকাঠি এখন রজতের হাতে, আর অজয় যদি মুখ খোলে, তবে মেজোবউ আর অজয় দুজনেই ফেঁসে যাবে।
অজয় আস্তে করে সুষমার হাত থেকে নিজের হাতটা সরিয়ে নিল। তার ঠোঁটের কোণে ফুটে উঠল এক নির্মম, বিষণ্ন এবং পরাজয়ের হাসি। সে বুঝল, সে হেরে গেছে। এই সমাজের অদৃশ্য সুতোর টান, আইনের ফাঁক আর মানুষের দুর্বলতার সুযোগ রজতের চেয়ে ভালো কেউ বোঝে না। রজত শুধু একজন স্বামী বা ব্যবসায়ী নয়, সে এই অন্ধকার দাবার বোর্ডের আসল খেলোয়াড়। বাকিরা সবাই তার প্রয়োজনে ব্যবহৃত হওয়া ঘুঁটি।
"আসছি রজতদা," অজয় নিচু গলায় বলল। তারপর সুষমার দিকে আর একবারও না তাকিয়ে সে অন্ধকারে মিশে গেল।
সুষমা কয়েক মুহূর্ত স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইল। রজনীগন্ধার গন্ধটা এখন তার কাছে তীব্র রাসায়নিকের মতো দমবন্ধকর মনে হচ্ছে। এই ফুলগুলো যেন লাশের ওপর ছড়ানো ফুল। সে ধীর পায়ে ঘরের দিকে পা বাড়াল।
জানলার ওপাশ থেকে রজত সরে গেছে। সুষমা যখন ঘরে ঢুকল, দেখল রজত আবার শান্তভাবে কম্বল গায়ে দিয়ে শুয়ে পড়েছে। টেবিলের ওপর সেই কাঁচের গ্লাসের জলটা এখন একদম স্থির, নিথর। কোনো কম্পন নেই।
রজতের এই প্রশান্ত নীরবতাই হবে সুষমার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। সে কোনোদিন জানতেও পারবে না, রজত তাকে ভালোবাসে নাকি নিজের সামাজিক মর্যাদা রক্ষার জন্য একটা পুতুল হিসেবে রেখে দিয়েছে। সে কোনোদিন জানতে পারবে না, রজতের ওই শান্ত চোখের আড়ালে আর কতগুলো রহস্য জ্যান্ত চাপা পড়ে আছে।
গাঁয়ের মানুষ কোনোদিন জানতেও পারবে না, এই পূর্ণিমার রাতে একটা চিলতে ভালোবাসার এবং প্রতিবাদের গল্প জন্ম নেওয়ার আগেই কেমন করে টুঁটি টিপে মারা হলো। তারা শুধু জানবে, রজত আর সুষমা এই গ্রামের "আদর্শ দম্পতি"। তাদের ঘরে কোনো অশান্তি নেই, কোনো চিৎকার নেই। আর এটাই এই রজনীগন্ধা গ্রামের সবচেয়ে মর্মান্তিক, নিখুঁত এবং কুৎসিত সাফল্য।
লেখক ২২ শে সেপ্টেম্বর, ১৯৫৫ সালে দমদম রবীন্দ্রনগরে জন্মগ্রহণ করেন এবং জন্মাবধি সপরিবারে পৈতৃক বসত বাড়িতেই বসবাস করেন। পিতা স্বর্গীয় সুরেন্দ্র নাথ চক্রবর্ত্তী এবং মাতা স্বর্গীয় বীনাপানি চক্রবর্ত্তী। বর্তমানে তাঁর পরিবারে রয়েছেন স্ত্রী শিবানী চক্রবর্ত্তী, কন্যা পূবালী (বিবাহিত) এবং পুত্র নবীন কুমার। 'নবু' নামে পরিচিত এই লেখক বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন অঙ্গনে তাঁর অনন্য প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন।
আপনার ভোটেই নির্ধারিত হবে ‘মাসের সেরা কলম’
এখনই আপনার পছন্দ বেছে নিন
বিস্তারিত নিয়ম
একজন পাঠক একটি সংখ্যায় সর্বোচ্চ ৫টি ভিন্ন কলম প্রতিক্রিয়া দিতে পারবেন — অর্থাৎ প্রতিটি প্রতিক্রিয়া একবার করে দেওয়া যাবে। একই মাসে একই প্রতিক্রিয়া ভিন্ন কোনো লেখায় নতুন করে নির্বাচন করলে, আগেরটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে এবং সর্বশেষ নির্বাচিত প্রতিক্রিয়াটিই গণ্য হবে। অর্থাৎ, পাঠক প্রতিটি প্রতিক্রিয়া বিভাগে একটি করে লেখা নির্বাচন করতে পারবেন। এই প্রতিক্রিয়াগুলির ভিত্তিতেই নির্বাচিত হবেন ‘মাসের সেরা কলম’ সম্মানের ‘পাঠকের প্রতিক্রিয়া’ বিভাগে পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক–লেখিকারা।