Go to Bangali.Network
Go to Bangali.Network



লেখা পাঠান


আমাদের কথা
Contests

উদ্যোগ
Web Magazine


উদ্যোগ Web Magazine
Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
সুখানুভূতি
সুখানুভূতি

সকাল থেকেই পেটটা কেমন একটু ব্যথা-ব্যথা করছে। বাড়িতে কি এখন জানানো উচিত? জানালেই তো শান্তনু স্কুল ছুটি নেবে। সেটা কি ঠিক হবে! এর আগেও তো দুদিন ব্যথা হয়েছিল, নার্সিংহোমেও ভর্তি করেছিল। ডাঃ দত্ত বলেছিলেন এটা "ফলস পেইন"। এখনও সময় হয়নি। ফালতু ফালতু দুটো ছুটি নষ্ট হলো তাই-ই নয়, বাড়ির সকলের ওকে নিয়ে অযথা হয়রানিও হলো।

সবে ন’মাস চলছে। কথায় আছে, দশ মাস দশ দিন গর্ভে সন্তান ধারণ করার পর তবেই সন্তানের জন্ম হয়। মা হওয়া কি সোজা কথা! প্রসবব্যথা উঠলে এমন শান্ত হয়ে থাকতে পারবে না। কারোর ক্ষেত্রে আবার সময়ের আগেই সন্তান জন্ম নেয়। একশো জনের মধ্যে হয়তো দু-চারজনের প্রিম্যাচিউর ডেলিভারিও হয়।

ওসব অযথা ভেবো না। আমরা তো সবাই বাড়িতেই আছি — শাশুড়িমায়ের কাছে এই আশ্বাসবাণী পাওয়ার পর থেকে তিন্নি আর এখন অতটা ভয় পায় না। ওর মনের জোর খুব। সহজে ঘাবড়ে যায় না।

বিয়ের বারো বছর বাদে তিন্নি মা হতে চলেছে। এতগুলো বছর বাড়ির লোক ওর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার না করলেও আত্মীয়স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশীর কাছ থেকে পাওয়া মানসিক যন্ত্রণার থেকে মা হওয়ার কষ্ট তিন্নির কাছে কিছুই না। ও নিজে আর বাড়ির সকলে আজ কত খুশি। সকলেই বাড়িতে নতুন সদস্যকে বরণ করার অপেক্ষায়।

ওদের শোবার ঘরের সামনের দেয়ালে শান্তনু সুন্দর মুখের দুষ্টু-মিষ্টি, হাসিখুশি একটা বাচ্চার ছবি টাঙিয়ে রেখেছে। তিন্নি ওই ছবিটির দিকে একমনে তাকিয়ে নিজের সন্তানের চেহারার কল্পনা করতে থাকে। শান্তনু বলেছে ওদের মেয়ে হলে নাম রাখবে "তিয়াশা", আর ছেলে হলে নাম রাখবে "শান্তিময়"। তিন্নির নাম দুটো পছন্দ হলে তবেই রাখবে। না হলে অন্য নাম ওরা দুজনে মিলে ঠিক করবে। মানুষটা অদ্ভুত। কখনো নিজের ইচ্ছা জোর করে কারোর উপর চাপিয়ে দেয় না।

এসব ভাবতে ভাবতে শান্তনু যে কখন তিন্নির কাছে এসে দাঁড়িয়েছে, ও টেরই পায়নি। শান্তনু ওর ধীর, স্থির, শান্ত, সুন্দর মুখের দিকে কয়েক পলক তাকিয়ে থেকে ঘরের নিস্তব্ধতা ভঙ্গ করে হালকা রসিকতা করল। "মহারানী তো দেখছি এখন থেকেই আমাকে পাত্তা দিচ্ছে না।" — বলে পাশে বসে তিন্নির হাত দুটো নিজের কোলের উপর রাখে।

মৃদু হাসল তিন্নি। ও দেখতে বরাবরই সুন্দরী। তবে গর্ভাবস্থায় রূপ আরও বেড়েছে। নতুন করে শান্তনু যেন আবার ওর প্রেমে পড়েছে। সেই মনমরা তিন্নি আর এখনকার তিন্নির মধ্যে কত তফাৎ। মেয়েরা মা হলে বুঝি এমনই হয়।

"কি ভাবছো তিন্নি?"

শান্তনুর কাঁধে মাথা রেখে তিন্নি বলল — "জানো মা কি বলেছেন! গতকাল পুজো করে উঠে প্রসাদ দিতে দিতে মা বললেন, ‘বৌমা, আমাদের বাড়িতে দেখবে লক্ষ্মী আসবে। তোমার দেখো মেয়ে-ই হবে।’ আমি অবাক হয়ে মাকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘কি করে বুঝলেন?’ মা বললেন, ‘বৌমা, আমরা হলাম আগেকার দিনের মানুষ। গর্ভবতী মায়ের শরীর-স্বাস্থ্য দেখেই আমরা অনুমান করতে পারি। এই সময় যদি শরীর ভেঙে যায়, মানে চেহারা খারাপ হয়ে যায়, বুঝবে ছেলে হবে।’

আমি বললাম, ‘ওহ! তাই! তবে আপনার কথা মতো যদি সত্যিই আমার মেয়ে হয়, আপনার খারাপ লাগবে না?’ মা বললেন, ‘কি যে বলো বৌমা। ওসব কথা মুখেও এনো না। তোমার সন্তান যেন সুস্থ ও স্বাভাবিক হয়, এটাই পরমেশ্বরের কাছে প্রার্থনা। এই সংসারে ছেলে-মেয়ে দুজনকেই যে সমানভাবে প্রয়োজন। একজন আরেকজনের থেকে সংখ্যায় কম বা বেশি হলে সমাজের স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট হবে। আর নিজে একজন মেয়ে হয়ে অন্য মেয়েকে না মানলে যে নিজেকেই অপমান করা হয়। তুমি মনের খুশিতে থাকো, আনন্দে থাকো আর নিজের শরীরের প্রতি খেয়াল রেখো।’

আমি অবাক হলাম জানো। আগেকার দিনের মানুষ হয়েও মনের দিক দিয়ে কত উদার!"

শান্তনু বলল — "মা তো ঠিকই বলেছে। আর আমিও চাই মায়ের কথাই যেন সত্যি হয়। আমি আমার তিন্নির মতোই প্রাণোচ্ছল, মিষ্টি একটা ফুটফুটে মেয়ে চাই, বুঝেছ?" বলে তিন্নির চিবুকটা আলতো করে নাড়িয়ে দেয়। "'তিয়াশা'। হ্যাঁ, আমাদের 'তিয়াশা' যে ভালোবাসা আর আনন্দে ভরিয়ে দেবে আমাদের জীবনকে। ওর অপেক্ষায় আমি প্রত্যেকটা প্রহর গুনছি।"

হঠাৎ নড়ে উঠল তিন্নি। শান্তনুর হাত দুটো নিজের পেটের ডানদিকে রেখে বলল — "দেখো দেখো, ও কেমন নড়ছে।"
শান্তনু বলল — "তার মানে আমার কথাগুলো ও ঠিক শুনেছে বুঝলে তিন্নি।"
তিন্নি বলল — "সে তো না হয় বুঝলাম, কিন্তু মশাই ধরো যদি মেয়ে না হয়ে ছেলে হয়, তুমি কি করবে?"
"কি আবার করব। একইরকমভাবে তাকেও বরণ করব। সেও আমাদের জীবনে শান্তির প্রতীক হয়ে শান্তি-সুধায় ভরিয়ে দেবে। মেয়ে হলো বাবা-মায়ের আর সংসারের সৌভাগ্যের প্রতীক, আর ছেলে গৌরবের। মেয়ে জন্মের পর থেকেই বাবা-মাকে বুঝে বড় হয়, আর ছেলেকে বুঝিয়ে বড় করতে হয়। এই যা পার্থক্য, বুঝলে?

এবার উঠতে হবে। আমার স্কুল যাওয়ার সময় হয়ে গেছে, আমি আসছি। তুমি সাবধানে থেকো।" বলে তিন্নির মাথায় স্নেহের হাত বুলিয়ে দিল। তিন্নিও বাধ্য বৌয়ের মতো হাসিমুখে মাথা নেড়ে শান্তনুকে টা-টা করল।

এখন ব্যথাটা অনেকটাই কম। তিন্নি আস্তে আস্তে উঠে ঘরের মধ্যেই একটু হাঁটাচলা করে বিশ্রামের জন্য একটু শুয়ে পড়ল। কয়েক দিন ধরে তো কোনো কিছু করতেই ইচ্ছে করছে না। শরীরটা এখন বড্ড ভারী লাগে, একটুতেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে। ক্লান্ত শরীরটা বিছানায় এলিয়ে দিতেই ঘুমের রাজ্যে ঢলে পড়ল তিন্নি।

ঘুম ভাঙল শাশুড়ির ডাকে। "বৌমা, এই অসময়ে ঘুমিয়ে পড়লে নাকি?"
"হ্যাঁ মা, একটু চোখটা লেগে গিয়েছিল।"
"ঠিক আছে, কিন্তু সময়মতো খেতে হবে তো। আমি স্নানটা করে আসি, তারপর একসঙ্গে খাবো।"
"তাই যাও। আমি ততক্ষণে তোমার শ্বশুরকে ভাত দিই।"

বলে রান্নাঘরের দিকে গেলেন। তিন্নিও স্নান সেরে খাবার টেবিলে গিয়ে বসল। ওরা তিনজনেই একসঙ্গে ভাত খেল।

খাওয়ার পর টেবিল, রান্নাঘর পরিষ্কার করে শোবার ঘরের দিকে যেতে গিয়ে পেটটা এমন জোরে ব্যথা করে উঠল যে তিন্নি পাশের চেয়ারে বসে "মা মা" বলে চিৎকার করে উঠল।

ওর শাশুড়ি ছুটে এসে তিন্নিকে ধরে ধরে নিয়ে গিয়ে বিছানায় শুইয়ে দিয়ে বললেন — "একটু সহ্য কর মা। এক্ষুনি নার্সিংহোম নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করছি।" বলে তিন্নির শ্বশুরমশাই মানে রমেনবাবুকে বললেন — "তুমি ডাক্তার দত্তকে ফোন করে বলো তিন্নিকে নার্সিংহোমে নিয়ে যাচ্ছি, আর গাড়ির ড্রাইভারকে ফোন করে এখুনি আসতে বলো। আমি সুদীপ আর সোমাকে খবর দিয়ে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ব্যাগে ঢুকিয়ে নিচ্ছি।"

সুদীপ শান্তনুর কাকার ছেলে। ও সে সময় বাড়িতে থাকায় সুবিধা হলো। ওরা সকলে চটজলদি তৈরি হয়ে গাড়ি আসতেই তিন্নিকে নিয়ে গিয়ে নার্সিংহোমে ভর্তি করল। গাড়িতে যেতে যেতেই রমেনবাবু শান্তনু আর তিন্নির বাবাকে ফোন করে দিয়েছিলেন।

তিন্নি যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। সোমা ওর পাশে বসে গায়ে-মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে দিতে বলছে — "আর একটু কষ্ট সহ্য কর দিদি। ডাক্তারবাবু এলেই সব ঠিক হয়ে যাবে।"

রমেনবাবু বাইরে পায়চারি করছেন আর সুদীপকে বলছেন — "একঘন্টা হয়ে গেল, এখনো ডাক্তার দত্ত আসছেন না। ওনার আসতে কত দেরি হবে একবার অফিসে খোঁজ নে।"
"দেখছি জ্যাঠু।" বলে সুদীপ করিডোরের দিকে যেতেই দেখল ডাক্তার দত্ত আর শান্তনু একসঙ্গে ঢুকছেন।

শান্তনু, সুদীপের সঙ্গে তিন নম্বর কেবিনে এল। তিন্নি যন্ত্রণায় ছটফট করছে দেখে ও নিজেই অস্থির হয়ে বলল — "ভয় পেয়ো না তিন্নি, ডাক্তার এসে গেছেন।"

সোমা, সুদীপ, তিন্নির শাশুড়ি ডাক্তার কেবিনে ঢুকতেই বাইরে বেরিয়ে গেলেন। ডাক্তার দত্ত তিন্নিকে পরীক্ষা করে বললেন — "মনে হচ্ছে নরম্যাল ডেলিভারি হবে।" নার্সকে একটা ইনজেকশন আর দুটো ওষুধ খাইয়ে দিতে বলে শান্তনুকে বললেন — "একটা ইসিজি করাতে হবে।" বলে প্রেসক্রিপশনে লিখে দিলেন।

শান্তনু প্রেসক্রিপশনটা নিয়ে ডাক্তার দত্তের হাত দুটো ধরে বললেন — "নরম্যাল ডেলিভারি না হলে সিজার করবেন, কিন্তু ফোর্সেপ ডেলিভারি করবেন না ডাক্তারবাবু।"

ডাক্তার দত্ত বললেন — "আরে ঠিক আছে। আগে তো ইসিজিটা হোক, তারপর দেখছি। এত ভয় পাওয়ার কিছু নেই। তিন্নির শরীরের অবস্থা ভালো।"

নার্সিংহোমেই ইসিজি সেন্টার বলে সময়মতো সবকিছু খুব চটজলদি হলো। ডাক্তার এসে তিন্নির ইসিজি করে নিয়ে গেলেন। রিপোর্ট দেখে আর একটা ইনজেকশন তিন্নিকে দেওয়ার জন্য নার্সকে বলে দিলেন ডাঃ দত্ত। ইনজেকশন দেওয়ার আধঘন্টার মধ্যে তিন্নির প্রচণ্ড ব্যথা ওঠায় সঙ্গে সঙ্গে ওকে লেবার রুমে নিয়ে গেল।

বাইরে বাড়ির সকলেই উদ্বিগ্ন। প্রায় একঘন্টা পর লেবার রুম থেকে বেরিয়ে নার্স কোলে করে কাপড়ে জড়ানো একটা ফুটফুটে বাচ্চাকে নিয়ে এসে শান্তনুকে দেখিয়ে বলল — "অভিনন্দন। আপনার মেয়ে হয়েছে।"

শান্তনু নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছে না। ওর সবকিছু স্বপ্নের মতো লাগছে।

"'তিয়াশা'... আমাদের সন্তান, আমাদের রাজকন্যা!"

এক বিস্ময়ভরা দৃষ্টিতে মেয়ের দিকে চেয়ে রইল। পিতৃত্বের সুখানুভূতির আনন্দে আত্মহারা শান্তনু মনে মনে তিন্নিকে ধন্যবাদ জানাল। তিন্নির কথা মনে পড়তেই ওর সম্বিত ফিরল — "তিন্নি কেমন আছে?"

শান্তনু ডাঃ দত্তের কাছে গিয়ে তিন্নির খবর নিল। ডাক্তারবাবু বললেন — "মা এবং মেয়ে দুজনেই সুস্থ ও স্বাভাবিক। একদিন পরই ছুটি দেবো। তিন্নিকে বেডে দেওয়া হয়েছে, আপনি দেখা করতে পারেন।"

শান্তনু কেবিনে গিয়ে দেখে তিন্নি মেয়েকে স্তনপান করাচ্ছে। মেয়েও যেন পরম নিশ্চিন্তে মায়ের কোলে শুয়ে মাতৃদুগ্ধ পান করছে। চিরন্তন সত্য মাতৃত্বের এই দৃশ্য শান্তনু মনের মণিকোঠায় ফ্রেমবন্দি করে রাখল। শান্তনুকে দেখে তিন্নি লাজুক মুখে একটা মিষ্টি হাসি হাসল। তিন্নির মুখে ক্লান্তির ছাপ থাকলেও মুখের হাসিতে ছিল পরম তৃপ্তি, আনন্দ আর সুখ। শান্তনু স্বস্তি পেল।

সকলেই কিছুক্ষণ থেকে বাড়ি ফিরল। শুধু সোমা তিন্নির কাছে থাকল।

শান্তনু স্কুলের হেডমাস্টারমশাইকে ফোন করে মেয়ে হওয়ার আনন্দসংবাদ দিতেই স্যার ওপাশ থেকে বললেন — "দুঃখ করবেন না শান্তনুবাবু, পরেরটা দেখবেন ছেলে-ই হবে।" কথাটা শুনে হতভম্ব শান্তনু এর কি উত্তর দেবে ভেবে না পেয়ে ফোনটা কেটে দিল। শিক্ষিত মানুষের কাছে এমন কথা ও আশা করেনি।

বাকি সহকর্মী ও আত্মীয়স্বজনরা অবশ্য খুশিই হলো খবরটা শুনে। যদিও এসব ব্যাপারকে ও এত গুরুত্ব দেয় না। সমাজে থাকতে গেলে কিছু সামাজিকতা মানতে হয় বলেই মানা। বিচিত্র মানুষের বিচিত্র মনোভাব। সবকিছু এত পাত্তা দিলে জীবনের আনন্দ নষ্ট হবে। এখন ওর অনেক কাজ। পূর্ব দিকের খোলা-মেলা ঘরটায় আঁতুড়ঘর করতে হবে। ঘরটায় বেশ আলো-বাতাস ঢোকে।

দেখতে দেখতে দুদিন কেটে গেল। শান্তনু তিন্নি আর মেয়েকে বাড়ি আনতে যাওয়ার সময় নার্সিংহোমের সমস্ত কর্মীদের জন্য মিষ্টি নিয়ে গেল। নার্সিংহোমের পেমেন্ট মিটিয়ে, সকলকে মিষ্টির প্যাকেট দিয়ে শান্তনু মেয়ে আর বৌকে নিয়ে বাড়ি ফিরল।

ওর মা দরজায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিল ওদের আসার। শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি আর জলধারা দিয়ে নাতনিকে ঘরে ঢোকাল।

এই সময় পাশ থেকে প্রতিবেশী মুক্তা কাকিমা বলে বসল — "যত আদিখ্যেতা! বুড়ো বয়সে মেয়ে হলো, তাতেই এই! ছেলে হলে কি না করত!" অবিবাহিতা বয়স্ক অনু পিসি মুক্তা কাকিমাকে বলল — "কালে কালে কতই না দেখবো!"

কথাগুলো শান্তনুর কানে এলেও ও চুপ করে থাকল, যাতে এই সুন্দর মুহূর্তটা নষ্ট না হয়। ঘরে ঢুকে তিন্নি মেয়েকে শাশুড়ির কোলে দিল। ঠাকুমা নাতনিকে কোলে নিয়ে বলল — "আমাদের ঘরে লক্ষ্মী এসেছে।"
শান্তনু মাকে বলল — "লক্ষ্মী হলেই হবে না মা, ওকে দুর্গা হতে হবে। অসুরনাশিনী দুর্গা।"

তারপর মেয়েকে কোলে তুলে কপালে চুম্বন দিয়ে জয়টিকা এঁকে মনে মনে বলল — "জয়তু ভব।"




আপনার ভোটেই নির্ধারিত হবে ‘মাসের সেরা কলম’

এখনই আপনার পছন্দ বেছে নিন

বিস্তারিত নিয়ম

একজন পাঠক একটি সংখ্যায় সর্বোচ্চ ৫টি ভিন্ন কলম প্রতিক্রিয়া দিতে পারবেন — অর্থাৎ প্রতিটি প্রতিক্রিয়া একবার করে দেওয়া যাবে। একই মাসে একই প্রতিক্রিয়া ভিন্ন কোনো লেখায় নতুন করে নির্বাচন করলে, আগেরটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে এবং সর্বশেষ নির্বাচিত প্রতিক্রিয়াটিই গণ্য হবে। অর্থাৎ, পাঠক প্রতিটি প্রতিক্রিয়া বিভাগে একটি করে লেখা নির্বাচন করতে পারবেন। এই প্রতিক্রিয়াগুলির ভিত্তিতেই নির্বাচিত হবেন ‘মাসের সেরা কলম’ সম্মানের ‘পাঠকের প্রতিক্রিয়া’ বিভাগে পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক–লেখিকারা।

আপনি কি লিখতে ভালোবাসেন?

❛উদ্যোগ❜ ওয়েব ম্যাগাজিনের আষাঢ় সংখ্যাটি প্রকাশিত হবে ২৫ জুন, ২০২৬। ওয়েবসাইটে ঘোষিত বিভাগগুলি থেকে আপনার পছন্দের বিষয়ে লেখা পাঠান ২০ জুনের মধ্যে। লেখা পাঠানোর আগে অবশ্যই শর্তাবলী পড়ুন। নির্বাচিত লেখাগুলি লেখক / লেখিকার ছবি ও সংক্ষিপ্ত পরিচিতিসহ প্রকাশিত হবে, এবং ১২ জন পর্যন্ত লেখক / লেখিকা পাবেন ‘মাসের সেরা কলম’ সম্মান। বিস্তারিত তথ্য এবং লেখা পাঠানোর ডিজিটাল ফর্ম ওয়েবসাইটে দেওয়া আছে।

পৃষ্ঠা

ডিসক্লেইমার : লেখা, মতামত, মন্তব্য বা সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত সকল বক্তব্য সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকা / সাক্ষাৎকারদাতার নিজস্ব এবং সম্পূর্ণ দায়ভার তাঁদের উপরই বর্তায়। প্রকাশিত মতামত বা বিশ্লেষণ Bangali Network-এর নিজস্ব অবস্থান, নীতি বা মতাদর্শের প্রতিফলন নাও হতে পারে। লেখক পরিচিতিতে প্রদত্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজস্ব বিবরণ অনুযায়ী প্রকাশিত। Bangali Network উক্ত তথ্যের যথার্থতা, সম্পূর্ণতা বা নির্ভুলতা সম্পর্কে কোনো প্রকার নিশ্চয়তা প্রদান করে না এবং এ সংক্রান্ত কোনো দায় গ্রহণ করে না।

ডিসক্লেইমার : লেখা, মতামত, মন্তব্য বা সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত সকল বক্তব্য সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকা / সাক্ষাৎকারদাতার নিজস্ব এবং সম্পূর্ণ দায়ভার তাঁদের উপরই বর্তায়। প্রকাশিত মতামত বা বিশ্লেষণ Bangali Network-এর নিজস্ব অবস্থান, নীতি বা মতাদর্শের প্রতিফলন নাও হতে পারে। লেখক পরিচিতিতে প্রদত্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজস্ব বিবরণ অনুযায়ী প্রকাশিত। Bangali Network উক্ত তথ্যের যথার্থতা, সম্পূর্ণতা বা নির্ভুলতা সম্পর্কে কোনো প্রকার নিশ্চয়তা প্রদান করে না এবং এ সংক্রান্ত কোনো দায় গ্রহণ করে না।

ভালো লাগলে ভালোবাসা দিন
অপছন্দ হলে পরামর্শ দিন
মতামত জানাতে মন্তব্য করুন
0 0 ভোট
স্টার
guest
1 কমেন্ট
নতুন থেকে পুরোনো
পুরোনো থেকে নতুন ভোটসংখ্যা অনুসারে
ইনলাইন প্রতিক্রিয়া
সকল কমেন্ট দেখুন
ফেসবুক পেজ
Udyog Bengali Web Magazine by Bangali Network

বিভিন্ন বিষয় থেকে বেছে নিয়ে লেখা পড়ুন

    বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশিত হওয়া লেখা পড়ুন

    মাসিক সংখ্যাগুলি দেখুন
    Scroll to Top