About Bangali.Network
About Bangali.Network
মাসিক সংখ্যা
লেখক–লেখিকা
লেখা পাঠান
আমাদের কথা
উদ্যোগ
Web Magazine
Contests


উদ্যোগ Web Magazine
Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
দিল্লির লোধি গার্ডেনে ধনেশ পাখির নজিরবিহীন আচরণ
দায়স্বীকার

লেখা, মতামত, মন্তব্য, বিশ্লেষণ, সাক্ষাৎকার বা অন্য যে কোনো প্রকাশিত লেখার সকল বক্তব্য সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকা / সাক্ষাৎকারদাতার নিজস্ব এবং সকল বক্তব্যের নৈতিক, তথ্যগত ও আইনগত দায় সম্পূর্ণভাবে তাঁদের উপরই বর্তায়। কোনো লেখা প্রকাশিত হওয়া মাত্রেই তা Bangali Network-এর সম্পাদকীয় অবস্থান, নীতি, মতাদর্শ, সমর্থন, অনুমোদন বা সরকারি মতামতের প্রতিফলন হিসেবে গণ্য করা যাবে না।

তথ্যভিত্তিক প্রবন্ধে ব্যবহৃত তথ্য, উদ্ধৃতি, অনুবাদ, পরিসংখ্যান, গবেষণা, শাস্ত্রীয় বা ঐতিহাসিক সূত্র, আইনগত বা বৈজ্ঞানিক তথ্য, বিশ্লেষণ, ব্যাখ্যা, সিদ্ধান্ত ও উপসংহারের যথার্থতা, নির্ভুলতা, পূর্ণতা, প্রাসঙ্গিকতা, বৈধতা ও হালনাগাদকরণের দায় সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকার। Bangali Network সম্পাদকীয় বিবেচনায় কোনো লেখা প্রকাশ, সম্পাদনা, সংক্ষিপ্তকরণ বা ভাষাগত সংশোধন করতে পারে; তবে এ ধরনের সম্পাদকীয় প্রক্রিয়াকে প্রকাশিত তথ্য, সূত্র, উদ্ধৃতি, বিশ্লেষণ, ব্যাখ্যা বা মতামতের সত্যতা, নির্ভুলতা, বৈধতা বা নির্ভরযোগ্যতার প্রত্যয়ন বা নিশ্চয়তা হিসেবে গণ্য করা যাবে না। এ-সংক্রান্ত কোনো দায় Bangali Network গ্রহণ করে না।

লেখক পরিচিতিতে প্রকাশিত তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজস্ব বিবরণের ভিত্তিতে প্রকাশিত। Bangali Network উক্ত তথ্যের যথার্থতা, সম্পূর্ণতা বা নির্ভুলতা সম্পর্কে কোনো প্রকার নিশ্চয়তা প্রদান করে না এবং এ-সংক্রান্ত কোনো দায় গ্রহণ করে না।

কোনো প্রকাশিত বিষয়বস্তুর কারণে কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, সংস্থা বা গোষ্ঠীর আপত্তি, দাবি বা আইনগত প্রশ্ন উত্থাপিত হলে, প্রযোজ্য আইন অনুসারে তার দায় সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকা বা সাক্ষাৎকারদাতার উপর বর্তাবে, যদি না আইন ভিন্নভাবে নির্ধারণ করে।

কোনো প্রকাশিত তথ্য বা দাবির যথার্থতা সম্পর্কে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণসহ আপত্তি উত্থাপিত হলে Bangali Network বিষয়টি সম্পাদকীয়ভাবে পর্যালোচনা করবে। পর্যালোচনায় তথ্যগত ভুল প্রমাণিত হলে, Bangali Network নিজস্ব সম্পাদকীয় বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট অংশ সংশোধন, অপসারণ, প্রত্যাহার বা প্রয়োজনীয় সম্পাদকীয় নোট সংযোজন করার অধিকার সংরক্ষণ করে।

দায়স্বীকার

লেখা, মতামত, মন্তব্য, বিশ্লেষণ, সাক্ষাৎকার বা অন্য যে কোনো প্রকাশিত লেখার সকল বক্তব্য সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকা / সাক্ষাৎকারদাতার নিজস্ব এবং সকল বক্তব্যের নৈতিক, তথ্যগত ও আইনগত দায় সম্পূর্ণভাবে তাঁদের উপরই বর্তায়। কোনো লেখা প্রকাশিত হওয়া মাত্রেই তা Bangali Network-এর সম্পাদকীয় অবস্থান, নীতি, মতাদর্শ, সমর্থন, অনুমোদন বা সরকারি মতামতের প্রতিফলন হিসেবে গণ্য করা যাবে না।

তথ্যভিত্তিক প্রবন্ধে ব্যবহৃত তথ্য, উদ্ধৃতি, অনুবাদ, পরিসংখ্যান, গবেষণা, শাস্ত্রীয় বা ঐতিহাসিক সূত্র, আইনগত বা বৈজ্ঞানিক তথ্য, বিশ্লেষণ, ব্যাখ্যা, সিদ্ধান্ত ও উপসংহারের যথার্থতা, নির্ভুলতা, পূর্ণতা, প্রাসঙ্গিকতা, বৈধতা ও হালনাগাদকরণের দায় সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকার। Bangali Network সম্পাদকীয় বিবেচনায় কোনো লেখা প্রকাশ, সম্পাদনা, সংক্ষিপ্তকরণ বা ভাষাগত সংশোধন করতে পারে; তবে এ ধরনের সম্পাদকীয় প্রক্রিয়াকে প্রকাশিত তথ্য, সূত্র, উদ্ধৃতি, বিশ্লেষণ, ব্যাখ্যা বা মতামতের সত্যতা, নির্ভুলতা, বৈধতা বা নির্ভরযোগ্যতার প্রত্যয়ন বা নিশ্চয়তা হিসেবে গণ্য করা যাবে না। এ-সংক্রান্ত কোনো দায় Bangali Network গ্রহণ করে না।

লেখক পরিচিতিতে প্রকাশিত তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজস্ব বিবরণের ভিত্তিতে প্রকাশিত। Bangali Network উক্ত তথ্যের যথার্থতা, সম্পূর্ণতা বা নির্ভুলতা সম্পর্কে কোনো প্রকার নিশ্চয়তা প্রদান করে না এবং এ-সংক্রান্ত কোনো দায় গ্রহণ করে না।

কোনো প্রকাশিত বিষয়বস্তুর কারণে কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, সংস্থা বা গোষ্ঠীর আপত্তি, দাবি বা আইনগত প্রশ্ন উত্থাপিত হলে, প্রযোজ্য আইন অনুসারে তার দায় সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকা বা সাক্ষাৎকারদাতার উপর বর্তাবে, যদি না আইন ভিন্নভাবে নির্ধারণ করে।

কোনো প্রকাশিত তথ্য বা দাবির যথার্থতা সম্পর্কে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণসহ আপত্তি উত্থাপিত হলে Bangali Network বিষয়টি সম্পাদকীয়ভাবে পর্যালোচনা করবে। পর্যালোচনায় তথ্যগত ভুল প্রমাণিত হলে, Bangali Network নিজস্ব সম্পাদকীয় বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট অংশ সংশোধন, অপসারণ, প্রত্যাহার বা প্রয়োজনীয় সম্পাদকীয় নোট সংযোজন করার অধিকার সংরক্ষণ করে।

দিল্লির লোধি গার্ডেনে ধনেশ পাখির নজিরবিহীন আচরণ

নয়াদিল্লির লোধি গার্ডেন মানেই আমাদের চোখে ভেসে ওঠে মুঘল আমলের গম্বুজ, শান্ত পরিবেশ আর ভিআইপিদের সকাল-বিকালের জগিং। কিন্তু গত কিছুদিন ধরে এই চেনা উদ্যানই হয়ে উঠেছে পক্ষীবিদ আর ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফারদের প্রধান হটস্পট। সৌজন্যে — একটি ওরিয়েন্টাল পাইড হর্নবিল এবং একটি স্থানীয় ইন্ডিয়ান গ্রে হর্নবিল পরিবারের মধ্যে চলা এক নজিরবিহীন, অদ্ভুত মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন। পাখিদের দুনিয়ায় এমন ঘটনা এতটাই বিরল যে, খোদ 'ডাব্লিউডাব্লিউএফ ইন্ডিয়া' এবং 'দিল্লিবার্ড ফাউন্ডেশন' মাঠের নেমে পড়েছে এদের ওপর নজর রাখতে।

ঘটনার গভীরে যাওয়ার আগে চরিত্রগুলোর সঙ্গে একটু পরিচয় করিয়ে দেওয়া যাক। দিল্লির আদি বাসিন্দা হলো ইন্ডিয়ান গ্রে হর্নবিল। এরা আকারে মাঝারি, ধূসর রঙের এবং খাস দিল্লির রুক্ষ আবহাওয়াতেই অভ্যস্ত। লোধি গার্ডেনের একটা পুরনো শিমুল গাছের কোটরে এই গ্রে হর্নবিল অর্থাৎ ধূসর ধনেশদম্পতি বাসা বেঁধেছিল। ধূসর ধনেশদের প্রজনন প্রক্রিয়াটা বেশ অদ্ভুত। ডিম পাড়ার পর মা পাখিটি গাছের কোটরে নিজেকে বন্দি করে ফেলে এবং কাদা ও মলমূত্র দিয়ে কোটরের মুখটা সিল করে দেয়। শুধু একটা সরু লম্বালম্বি ফুটো খোলা থাকে, যা দিয়ে বাইরে থেকে বাবা পাখিটি রোজ খাবার এনে মা ও বাচ্চাদের মুখে তুলে দেয়। বাচ্চা ওড়ার যোগ্য না হওয়া পর্যন্ত মা পাখিটি ওই অন্ধকার কোটরেই বন্দি থাকে।

এই নিখুঁত ও স্বাভাবিক নিয়মে টুইস্ট এনে হাজির করল ওরিয়েন্টাল পাইড ধনেশটি। এই প্রজাতিটি আকারে ধূসর ধনেশের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ, গায়ের রঙ কুচকুচে কালো আর ধবধবে সাদা, আর মাথায় থাকে এক বিশাল হলুদ রঙের চঞ্চু বা ক্যাস্ক। এদের আসল বাড়ি কিন্তু দিল্লিতে নয়, এরা মূলত বাস করে হিমালয়ের পাদদেশ, তরাইয়ের স্যাঁতসেঁতে জঙ্গল বা উত্তর-পূর্ব ভারতে। খাস দিল্লিতে এই পাখির দেখা মেলাটাই একটা বড় বিস্ময়। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এই হর্নবিলটি কোনো বন্য পরিযায়ী পাখি নয়, বরং এটি কোনো ব্যক্তিগত কালেকশন বা ফার্মহাউস থেকে পালিয়ে এসেছে।

ওরিয়েন্টাল পাইড ধনেশ তাদের বুদ্ধি ও চমৎকার চেহারার কারণে পেটস বা পোষা পাখির বাজারে বেশ জনপ্রিয়। দিল্লির এনসিআর বা ছতরপুরের বিলাসবহুল ফার্মহাউসগুলোতে অনেকেই খাঁচায় বা প্রাইভেট অ্যাভিয়ারিতে এই ধরনের বিদেশি বা বিরল পাখি রাখেন।

পাখিটি মানুষের উপস্থিতিতে খুব একটা ভয় পাচ্ছে না এবং শহুরে পরিবেশে সহজেই মানিয়ে নিয়েছে। তা ছাড়া জানা গেছে যে, দিল্লিতে এই মুহূর্তে অন্তত দু’টি স্ত্রী ওরিয়েন্টাল পাইড ধনেশ রয়েছে (অন্যটি জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া ক্যাম্পাসের দিকে দেখা গেছে)। যেহেতু দু’টিই স্ত্রী পাখি, তাই ধারণা করা হচ্ছে কোনো সৌখিন সংগ্রাহক এদের একসাথে এনেছিলেন, যেখান থেকে এরা কোনোভাবে মুক্ত হয়ে গেছে।

আসল ঘটনাটি শুরু হয় যখন লোধি গার্ডেনের নিঃসঙ্গ স্ত্রী পাইড ধনেশটির মধ্যে প্রজনন-সম্পর্কিত হরমোনজনিত তাড়না জেগে ওঠে। নিজের কোনো সঙ্গী বা ডিম না থাকায়, সে লোধি গার্ডেনের ওই ধূসর ধনেশের বাসাটিকে লক্ষ্যবস্তু বানায়। বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় একে বলা হয় Inter-species provisioning, অর্থাৎ নিজের প্রজাতি ছেড়ে অন্য প্রজাতির বাচ্চাকে খাওয়ানো। পাইড ধনেশটি প্রতিদিন সকাল থেকে লোধি গার্ডেনের আনাচ-কানাচ ঘুরে ভালো ডুমুর, জামজাতীয় ফল এবং বড় বড় শামুক বা পোকা জোগাড় করে আনতে শুরু করে। এরপর সে সোজা চলে যায় ধূসর ধনেশের বাসার সামনে এবং ওই সরু ফুটো দিয়ে ভেতরের বন্দি মা ও ছানাদের খাওয়াতে থাকে। কোটরের ভেতরে থাকা পাখিরাও এই পুষ্টিকর খাবার পেয়ে সানন্দে তা গ্রহণ করতে শুরু করে।

সমস্যা তৈরি হলো বাসার আসল কর্তা, অর্থাৎ ধূসর বাবা পাখিটিকে নিয়ে। সে যখন সারাদিন হাড়ভাঙা খাটুনি খেটে ছোটখাটো জংলি ফল ঠোঁটে নিয়ে নিজের বউ-বাচ্চার জন্য বাসার সামনে আসে, তখন এই বিশাল চেহারার পাইড ধনেশটি তার ওপর চড়াও হয়। আকারে দ্বিগুণ হওয়ায় পাইড ধনেশটি অনায়াসেই আসল বাবা পাখিটিকে ঠুকরে, তাড়া করে এলাকা ছাড়া করছে। পরিস্থিতি এখন এতটাই জটিল যে, আসল বাবা পাখিটি নিজের বাসার ধারেকাছে ঘেঁষার সাহস পাচ্ছে না। সে দূর থেকে গাছের ডালে বসে করুণ চোখে দেখছে, কীভাবে এক বহিরাগত এসে তার পুরো সংসারের দায়িত্ব 'হাইজ্যাক' করে নিয়েছে।

এই অদ্ভুত আচরণ পাখি বিজ্ঞানীদের ঘুম উড়িয়ে দিয়েছে। সাধারণত পাখিদের মধ্যে এই স্তরের পরোপকার বা অন্য প্রজাতির বাচ্চার প্রতি এমন অন্ধ স্নেহ দেখা যায় না। এই ড্রামা ট্র্যাক করার জন্য শুরু হয়েছে 'দিল্লি হর্নবিল নেস্ট মনিটরিং প্রজেক্ট'। প্রতিদিন ভোর ৫টা থেকে গবেষক ও স্বেচ্ছাসেবকদের টিম দূরবীন ও ক্যামেরা নিয়ে ওই শিমুল গাছের নিচে শিফটে ডিউটি দিচ্ছেন। তারা নিখুঁতভাবে ডায়েরিতে নোট করছেন — পাইডেড পাখিটি দিনে কতবার আসছে, কী খাবার আনছে এবং আসল বাবার সঙ্গে তার সংঘাত কতটা তীব্র হচ্ছে।

লোধি গার্ডেনের এই ঘটনাটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, প্রকৃতির আচরণ সবসময় আমাদের পাঠ্যবইয়ের নিয়ম মেনে চলে না। মানুষের তৈরি খাঁচা থেকে মুক্ত হয়ে এই বিরল পাখিটি যেভাবে দিল্লির বুকে নিজের প্রজনন-প্রবৃত্তির এক অস্বাভাবিক বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে, তা যেমন বিস্ময়কর, তেমনই গবেষকদের কাছে এক বিরল আচরণগত ধাঁধা। ধনেশ পাখির এই সহাবস্থানের শেষ পরিণতি কী হবে — তা দেখার জন্য আপাতত চাতক পাখির মতো অপেক্ষা করছেন দিল্লির প্রকৃতিপ্রেমীরা।




আপনার প্রতিক্রিয়াতেই নির্ধারিত হবে ‘মাসের সেরা কলম’

এখনই আপনার পছন্দ বেছে নিন

প্রতিক্রিয়া দেওয়ার নিয়ম

আপনি এই সংখ্যায় আপনার পছন্দের সব লেখাতেই প্রতিক্রিয়া জানাতে পারবেন। তবে একটি লেখায় সর্বোচ্চ ২টি ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেওয়া যাবে। একই লেখায় তৃতীয় প্রতিক্রিয়া নির্বাচন করলে, প্রথমে নির্বাচিত প্রতিক্রিয়াটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে এবং নতুন প্রতিক্রিয়াটি গণ্য হবে। আপনার প্রতিটি প্রতিক্রিয়া লেখকদের অনুপ্রেরণা জোগায় এবং বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সৃজনশীলতার প্রতি আপনার সমর্থনকে তুলে ধরে।

আগামী সংখ্যার জন্য লেখা পাঠান

❛উদ্যোগ❜ ওয়েব ম্যাগাজিনের শারদ ১৪৩৩ সংখ্যাটি ৫ অক্টোবর ২০২৬ (১৭ই আশ্বিন) প্রকাশিত হবে। ওয়েবসাইটে প্রদত্ত লেখার বিভাগ ও বিষয় থেকে আপনার পছন্দের বিষয় বেছে নিয়ে লেখা পাঠান ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। নির্বাচিত লেখাগুলি লেখক / লেখিকার ছবি ও সংক্ষিপ্ত পরিচিতিসহ প্রকাশিত হবে। লেখা পাঠানোর ফর্ম এবং অন্যান্য সকল তথ্যের জন্য অনুগ্রহ করে মেনুতে ‘লেখা পাঠান’ বিভাগটি দেখুন।

পৃষ্ঠা
ভালো লাগলে ভালোবাসা দিন
অপছন্দ হলে পরামর্শ দিন
মতামত জানাতে মন্তব্য করুন
0 0 ভোট
স্টার
guest
3 কমেন্ট
নতুন থেকে পুরোনো
পুরোনো থেকে নতুন ভোটসংখ্যা অনুসারে
ফেসবুক পেজ
Udyog Bengali Web Magazine by Bangali Network

বিভিন্ন বিষয় থেকে বেছে নিয়ে লেখা পড়ুন

    বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশিত হওয়া লেখা পড়ুন

    মাসিক সংখ্যাগুলি দেখুন
    Scroll to Top

    ‘উদ্যোগ’ ফোনে রাখুন

    ‘উদ্যোগ’ ওয়েব ম্যাগাজিন ইনস্টল করুন। ইনস্টলের পর অ্যাপ তালিকা থেকে আইকনটি হোমস্ক্রিনে যোগ করে নিতে পারেন। এরপর সহজেই পড়ুন আপনার প্রিয় ম্যাগাজিন। ভালো না লাগলে যেকোনো সময় এক ক্লিকে আনইনস্টল করতে পারবেন।