জগদীশচন্দ্র বসুর ইলেক্ট্রো মাইক্রোওয়েভ-এর প্রথম প্রদর্শনীর সাক্ষী কলকাতা টাউনহল। ব্রিটিশ পণ্য বর্জনের মধ্যে দিয়ে স্বদেশী আন্দোলনের সূচনাও এই টাউনহলেই।
মহাত্মা গান্ধী, মোরারজি দেশাই, ডঃ বিধানচন্দ্র রায়, সত্যজিৎ রায়ের মতো কিংবদন্তিরা এই কালির কলম দিয়ে লিখতেন। স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ নাকি এই কালির নাম রেখেছিলেন।
সপ্তাহে একদিন খাসির মাংস খাওয়া মধ্যবিত্ত বাঙালির স্বপ্ন এখন আর ন্যানো তে আটকে নেই। এক নিঃশ্বাসে বলে দিতে পারে পৃথিবী বিখ্যাত অনেকগুলো গাড়ির মডেলের নাম।
১,৭০০ পুলিশ মোতায়েন করেও শেষরক্ষা হয় নি। দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে ফুটবল ম্যাচের ফলাফল শেষ পর্যন্ত একটি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে পরিণত হয় যাতে ৩,০০০ মানুষ প্রাণ হারান।
তাঁর কল্পনার রেলপথ দিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়ান রেলওয়ে কোম্পানির মালগাড়ি রাণীগঞ্জে প্রবেশ করে এবং তাঁরই প্রতিষ্ঠিত ‘বেঙ্গল কোল কোম্পানি’র কয়লা কলকাতায় বয়ে আনে।
সেদিন যদিও সিনের প্রয়োজন অনুযায়ী লাইট ছিল। তাও ওই ঘন অন্ধকারকে টেক্কা দিতে পারছিল না। আমি পরিচালকের কথামতো খোঁজার অভিনয় করছি। হঠাৎ সবাই "রে রে রে রে" করে চেঁচিয়ে উঠল।