তিনি এমন একজন চিকিৎসক ছিলেন, যিনি পর্দার আড়ালে রোগীকে দেখেও রোগ নির্ণয় করে ফেলতে পারতেন। কথিত আছে, একবার একটি স্থূলকায় লোক ডাক্তারবাবুর কাছে বারবার এসে রোগের ফিরিস্তি দিয়ে কাঁদুনি গাইতেন। ডাক্তারবাবু বললেন, “তোমার ক্যান্সার হয়েছে। ওষুধ খাও, আবার ছয় মাস পরে এসে দেখা করো।” দেখা গেল, ছয় মাস পরে ওই স্থূলকায় লোকটি রোগা হয়ে গেছে বাঁশের কঞ্চির মতো, প্রচণ্ড টেনশনে। তারপর ডাক্তারবাবু তাকে বললেন, “তুমি সম্পূর্ণ সুস্থ। তোমার এখন কোনো রোগ নেই।” লোকটি খুশিমনে চলে গেল।
১৮৮২ সালের ১লা জুলাই ডাঃ বিধানচন্দ্র রায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় মুখ্যমন্ত্রী। ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দ থেকে আমৃত্যু তিনি ওই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। চিকিৎসক হিসেবেও তাঁর বিশেষ খ্যাতি ছিল। পাটনা কলেজ থেকে গণিতে অনার্স নিয়ে গ্র্যাজুয়েশনের পর তিনি কলকাতা মেডিকেল কলেজে ডাক্তারি ও শিবপুর বি ই কলেজে (বর্তমানে আই আই ই এস টি, শিবপুর) ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার জন্য আবেদন করেন, এবং উভয় প্রতিষ্ঠানেই সুযোগ পান। তিনি ডাক্তারি পড়ার সিদ্ধান্ত নেন, কারণ মেডিকেল কলেজের কল লেটার তাঁর কাছে আগে পৌঁছেছিল!
১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি ১২০০ টাকা পকেটে নিয়ে ব্রিটেনে যান এবং সেন্ট বার্থোলোমিউ হাসপাতালে আবেদন করেন। কিন্তু সেখানকার ডিন তাঁর আবেদন প্রত্যাখ্যান করে দেন। বিধানচন্দ্র পুনরায় আবেদন করেন এবং পুনরায় প্রত্যাখ্যাত হয়ে আবারো আবেদন করেন। এইভাবে ২৯টি প্রত্যাখানের পর তাঁর ৩০তম ভর্তির আবেদন মঞ্জুর হয়! এরপর মাত্র ২ বছর ৩ মাসের মধ্যে ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে তিনি একই সাথে এমআরসিপি (রয়েল কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস-এর সদস্যপদ) এবং এফআরসিএস (রয়েল কলেজ অফ সার্জনস-এর ফেলোশিপ) উপাধি অর্জন করে কলকাতার ক্যাম্পবেল মেডিক্যাল স্কুলে (বর্তমানে নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ) শিক্ষকতা ও চিকিৎসা পেশা শুরু করেন। পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেনেট সদস্য, রয়্যাল সোসাইটি অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড হাইজিন এবং আমেরিকান সোসাইটি অফ চেস্ট ফিজিশিয়ানের ফেলো নির্বাচিত হন।
১৯৩৫-১৯৪০ সময় তাঁর জন্য ঘটনাবহুল ছিল। শরৎ বসুর সঙ্গে মতবিরোধের কারণে বঙ্গীয় প্রাদেশিক কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট পদ থেকে তিনি ইস্তফা দেন এবং কিছু সময়ের জন্য রাজনীতি থেকে দূরে থাকেন। অবশ্য গান্ধীর মধ্যস্থতায় কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য হিসেবে তিনি পুনরায় যোগ দেন। তিনি ভারতীয় মেডিক্যাল কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফেলো মনোনীত করা হয়। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সূত্রপাতে এ.আই.সি.সি তাদের নীতি পরিবর্তন করে আইন পরিষদ বর্জন করলে তিনি ওয়ার্কিং কমিটি থেকে ইস্তফা দেন।
যুদ্ধ চলাকালে ভারতীয় সরকার আর্মি মেডিক্যাল কোর গঠনের জন্য বিধানচন্দ্রের সহযোগিতা প্রার্থনা করলে ১৯৪২ সালে গান্ধীর সম্মতি নিয়ে তিনি এ দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ওই একই বছর তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর পদে নিযুক্ত হন। ১৩ মার্চ ১৯৪২ থেকে ১২ মার্চ ১৯৪৪ পর্যন্ত তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর ছিলেন। ১৯৪৩ সালে গান্ধী তাঁর অনশন শুরু করলে তিনি স্বেচ্ছায় এই নেতার শারীরিক অবস্থা তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব নেন। পরবর্তী বছর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় রায়কে ‘Doctor of Science’ সম্মানে ভূষিত করে।
তাঁর ঐকান্তিক ইচ্ছায় গড়ে উঠল রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন কেন্দ্র থেকে কংগ্রেস প্রার্থীরূপে আইনসভায় নির্বাচিত হন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল হওয়ার জন্য তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর লোভনীয় প্রস্তাব সবিনয় ফিরিয়ে দেন। ১৯৪৮ সালে পশ্চিম বাংলায় প্রফুল্ল ঘোষের মন্ত্রিসভা ভেঙে গেলে তিনি প্রাদেশিক কংগ্রেসের প্রধান নির্বাচিত হন এবং তাঁকে পশ্চিম বাংলা সরকারের দায়িত্ব নিতে হয়। পশ্চিমবঙ্গ আইনসভার সদস্যগণ একবাক্যে তাঁকে দলনেতা নির্বাচন করলে সমস্যাকণ্টকিত পশ্চিমবঙ্গের নব রূপায়ণকল্পে দায়িত্বপূর্ণ মুখ্যমন্ত্রীর পদ অলংকৃত করেন। ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দের ২৩ জানুয়ারি তিনি পশ্চিমবঙ্গের Premier হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২৬ জানুয়ারি ১৯৫০ থেকে এই পদের designation হয় Chief Minister। মৃত্যুকাল অবধি তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। ১৯৫২ সালে তিনি দ্বিতীয় বারের মতো মুখ্যমন্ত্রী নিযুক্ত হন। ১৯৫৭ সালের নির্বাচনে তিনি তৃতীয় বারের মতো মুখ্যমন্ত্রী হন।
সময়টা ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দ। সদ্যখণ্ডিত পূর্ব পাকিস্তান থেকে ছিন্নমূল লক্ষ লক্ষ নরনারী শিশু নিঃসম্বল অবস্থায় শুধু প্রাণটুকু বাঁচাবার তাগিদে পশ্চিমবঙ্গে আছড়ে পড়ছে সাতপুরুষের পদধূলিরঞ্জিত বাস্তুভূমি ছেড়ে। এই অক্লিষ্টকর্মা কর্মবীর তাদের দিয়েছিলেন মাথাগোঁজার ঠাঁই, একমুঠো খাবারের প্রতিশ্রুতি। উদ্বাস্তুর আগমনে রাজ্যে তখন খাদ্য ও বাসস্থানের সমস্যা ভয়াবহ আকার নিয়েছে। তাছাড়া পূর্ব পাকিস্তান থেকে কাঁচামাল পাটের জোগান বন্ধ। তিনি বহু পতিত জমি উদ্ধার করে এবং কিছু ধানের জমিতে পাটচাষের ব্যবস্থা করে লক্ষাধিক চটকলকর্মীর সম্ভাব্য বেকারি রুখলেন।
স্বাধীনতার পর তখন পিলপিল করে ওপার বাংলা থেকে আসছে উদ্বাস্তুরা। ছড়িয়ে গেল বাংলার নানা জায়গায়। এত এত মানুষ থাকবে কোথায়? খাবে কী? কর্মসংস্থানই বা হবে কোথায়? সমস্যা বেশ গুরুতর। মুখ্যমন্ত্রী বিধানচন্দ্র রায়ের সামনে বড় এক চ্যালেঞ্জ।
একদিন ডেকে পাঠালেন প্রফুল্ল সেনকে। মন্ত্রিসভার কাজ চালানোর ব্যাপারে প্রফুল্লবাবুর ওপর অনেকটাই নির্ভর করতেন। প্রফুল্লবাবুকে নিজের ঘরে ডেকে বললেন, পূর্ব কলকাতায় অনেক জলা জমি আছে। অনেক ভেড়ি আছে। সেগুলি বুজিয়ে ফেলতে হবে। এবং এই কাজটা তোমাকেই করতে হবে। শুনেই মাথায় হাত প্রফুল্ল সেনের। তিনি বললেন, “সেটা কী করে সম্ভব? পুরো জায়গাটাই তো আমাদের হেমদার।” হেমদা মানে, হেমচন্দ্র নস্কর, বিধান রায়ের ক্যাবিনেটে তিনিও একজন মন্ত্রী। বয়সে বিধানবাবুর থেকেও বড়। তাঁর জায়গা নিয়ে নেওয়া হবে! বিধানচন্দ্র বললেন, “যেভাবে হোক হেমদাকে বুঝিয়ে রাজি করাও।”
প্রফুল্ল সেন পড়লেন মহা সমস্যায়। খোঁজ নিলেন সেচমন্ত্রী হেমচন্দ্র নস্করের। তখনও তিনি মহাকরণে ঢোকেননি। আধঘণ্টা পর পর ফোন হেম নস্করের ঘরে। এবার হেম নস্কর বললেন, “কী ব্যাপার বলো তো। তোমরা তো আমাকে মন্ত্রী বলে মনেই করো না। আমাকে কোনো গুরুত্বই দাও না। আজ হঠাৎ এতবার খোঁজ কেন? ঠিক আছে, তোমার ঘরে যাচ্ছি।” প্রফুল্ল সেন বললেন, “আপনাকে আসতে হবে না, আমি আপনার ঘরে আসছি। ডাক্তার রায়ের আপনাকে দরকার।” হেম নস্করকে একরকম পাকড়াও করেই নিয়ে গেলেন বিধান রায়ের কাছে। হেম নস্কর ভাবলেন অন্য কথা। বললেন, “বুঝতে পেরেছি। মাছ লাগবে তো! ঠিক আছে, আপনাকে বড় মাছ পাঠিয়ে দেব। আর প্রফুল্ল, তুমিও তো মাছ খেতে ভালোবাসো। তোমাকেও মাছ পাঠিয়ে দেব।” তখন বিধান রায় বললেন, “না না, মাছের কথা বলছি না। প্রফুল্ল, হেমদাকে বুঝিয়ে দাও আমরা কী করতে চাইছি।”
পরিকল্পনা সাজানোই ছিল। ঘরে ঢুকে পড়লেন চিফ সেক্রেটারি। হাতে নকশা। আর জমি হস্তান্তরের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। ওই ঘরে বসিয়েই সই করিয়ে নেওয়া হলো হেম নস্করকে। বেচারা মন্ত্রী! ঠিকমতো বুঝে ওঠার আগেই বিধানবাবুর কথায় সই করে ফেলতে হলো।
আগে থেকেই সল্টলেকের নকশা তৈরি করে রেখেছিলেন বিধান রায়। ফলে, কাজ শুরু হতে সময় লাগল না। দ্রুত শুরু হয়ে গেল সল্টলেক তৈরির কাজ। পুরো কাজটা বিধানবাবু দেখে যেতে পারেননি। আজকে আমরা যে সল্টলেক দেখছি, তার প্রায় পুরোটাই ছিল বিধান রায়ের পরিকল্পনা ও দূরদৃষ্টির ফসল।
শিল্পসমৃদ্ধ বাংলা গড়তে তাঁর ত্রুটিহীন পরিকল্পনায় স্থাপিত হলো দুর্গাপুর ইস্পাতনগরী, চিত্তরঞ্জন রেল ইঞ্জিন কারখানা। বাসস্থানের জন্য তৈরি হলো কল্যাণী উপনগরী, লেক টাউন, লবণহ্রদ নগর। দুগ্ধ সরবরাহের জন্য গড়ে তুললেন হরিণঘাটা দুগ্ধ প্রকল্প। শিক্ষিত বেকারদের বিপুল পরিমাণে কর্মনিয়োগের জন্য সৃষ্টি করলেন কলকাতা রাষ্ট্রীয় সংস্থা।
তাঁরই উদ্যোগে ভারত সরকার ‘দণ্ডকারণ্য’-এ শরণার্থী পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেয়। ড. রায় সল্টলেক, কল্যাণী এবং দুর্গাপুর উপশহর কর্ম-পরিকল্পনার উদ্যোগ নেন এবং দিঘায় একটি আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্রের পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। তিনি বর্ধমান, কল্যাণী ও উত্তর-বাংলায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন।
বিধানচন্দ্র রায়ের প্রশাসনিক দৃষ্টিভঙ্গি শুধু নতুন শহর, শিল্প বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। চিকিৎসাব্যবস্থাকেও আধুনিক ও বিশেষায়িত করে তোলার জন্য তিনি দক্ষ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য প্রশাসকদের কাজে যুক্ত করেছিলেন। সেই ধারারই একজন ছিলেন ডাঃ মণি কুমার ছেত্রী।
লন্ডন থেকে ফিরে কলকাতার স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিনে কর্মজীবন শুরু করেন ডাঃ মণি কুমার ছেত্রী। পরবর্তীকালে ডাঃ বিধানচন্দ্র রায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন কনসালট্যান্ট ফিজিশিয়ান হিসেবে তাঁকে প্রেসিডেন্সি জেনারেল হাসপাতালে, বর্তমানে এসএসকেএম হাসপাতালে, নিয়ে আসা হয়। পরে তিনি এই হাসপাতালের সার্জেন সুপারিনটেনডেন্ট এবং আইপিজিএমইআর-এর গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও চিকিৎসা-শিক্ষার দায়িত্ব পালন করেন। পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য পরিষেবায় বিশেষায়িত চিকিৎসা বিভাগের বিকাশেও তাঁর উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল।
এমন চিকিৎসক ও প্রতিষ্ঠানকে সামনে এনে স্বাস্থ্যব্যবস্থার ভিত শক্ত করার মধ্যেও বিধানচন্দ্র রায়ের চিকিৎসকসত্তা ও প্রশাসকসত্তার মিলন দেখা যায়। চিকিৎসা, শিক্ষা, নগরায়ণ এবং শিল্পায়ন — বিভিন্ন ক্ষেত্রেই তাঁর পরিকল্পনার প্রভাব পরবর্তী বহু দশক ধরে পশ্চিমবঙ্গের পরিকাঠামোয় থেকে গেছে।
১৯৬১ সালে তাঁকে ‘ভারতরত্ন’ উপাধি প্রদান করা হয়। ১৯৬২ সালের ১লা জুলাই তাঁর তিরোধান দিবস। একই দিনে তাঁর জন্ম-মৃত্যুর দিন পয়লা জুলাই, আমাদের কাছে অবশ্য পালনীয় দিন। তাঁর জন্ম ও মৃত্যুদিন ১লা জুলাই দিনটি সারা ভারতে “চিকিৎসক দিবস” রূপে পালিত হয়।
লেখক কাটোয়া শহরের বাসিন্দা — কবিতা,গল্প, উপন্যাস লিখতে ভালোবাসেন। ছোটবেলায় স্কুলে পড়তে গল্প দিয়ে লেখা শুরু — বর্তমানে আরও আনন্দ, সানন্দা ব্লগ কবি সম্মেলন, কবিতাপাক্ষিক, আরম্ভ, ধুলামন্দির, অক্ষর ওয়েব, দৈনিক বজ্রকন্ঠ, দৈনিক সংবাদ, তথ্যকেন্দ্র, যুগশঙ্খ, আবহমান, অপরজন, কৃত্তিবাসী ওয়েব, ম্যাজিক ল্যাম্প, জয়ঢাক, অংশুমালী, প্রভাতফেরী, দৈনিক গতি প্রভৃতি পত্রিকায় নিয়মিত লেখালেখি করেন। বিভিন্ন প্রকাশনী থেকে অন্তরে আলো জ্বলে, শিশিরের ছৌ (কবিতা সংকলন), তিন-এ নেত্র সহ আরও অনেকগুলি বই প্রকাশিত হয়েছে।
আপনার প্রতিক্রিয়াতেই নির্ধারিত হবে ‘মাসের সেরা কলম’
এখনই আপনার পছন্দ বেছে নিন
প্রতিক্রিয়া দেওয়ার নিয়ম
আপনি এই সংখ্যায় আপনার পছন্দের সব লেখাতেই প্রতিক্রিয়া জানাতে পারবেন। তবে একটি লেখায় সর্বোচ্চ ২টি ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেওয়া যাবে। একই লেখায় তৃতীয় প্রতিক্রিয়া নির্বাচন করলে, প্রথমে নির্বাচিত প্রতিক্রিয়াটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে এবং নতুন প্রতিক্রিয়াটি গণ্য হবে। আপনার প্রতিটি প্রতিক্রিয়া লেখকদের অনুপ্রেরণা জোগায় এবং বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সৃজনশীলতার প্রতি আপনার সমর্থনকে তুলে ধরে।