Go to Bangali.Network
Go to Bangali.Network
মাসিক সংখ্যা
লেখক–লেখিকা
লেখা পাঠান
আমাদের কথা
Contests

উদ্যোগ
Web Magazine


উদ্যোগ Web Magazine
Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
Glocal বাঙালি | Vocal বাঙালি
স্তন ক্যান্সার গবেষণায় নতুন আশা দেখাচ্ছে মৌমাছির বিষ
ডিসক্লেইমার

লেখা, মতামত, মন্তব্য বা সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত সকল বক্তব্য সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকা / সাক্ষাৎকারদাতার নিজস্ব এবং সম্পূর্ণ দায়ভার তাঁদের উপরই বর্তায়। প্রকাশিত মতামত, বিশ্লেষণ বা ব্যাখ্যা Bangali Network-এর নিজস্ব অবস্থান, নীতি বা মতাদর্শের প্রতিফলন নাও হতে পারে।

তথ্যভিত্তিক প্রবন্ধে ব্যবহৃত তথ্য, উদ্ধৃতি, অনুবাদ, পরিসংখ্যান, গবেষণা, শাস্ত্রীয় বা ঐতিহাসিক সূত্র, আইনগত বা বৈজ্ঞানিক তথ্যের যথার্থতা, ব্যাখ্যা এবং প্রাসঙ্গিকতার দায় সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকার। Bangali Network প্রকাশের পূর্বে যুক্তিসঙ্গত সম্পাদকীয় পর্যালোচনা সম্পন্ন করলেও উল্লিখিত তথ্য, উদ্ধৃতি, সূত্র বা ব্যাখ্যার সম্পূর্ণ নির্ভুলতা, পূর্ণতা বা হালনাগাদকরণের বিষয়ে কোনো প্রকার নিশ্চয়তা প্রদান করে না এবং এ সংক্রান্ত কোনো দায় গ্রহণ করে না।

লেখক পরিচিতিতে প্রদত্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজস্ব বিবরণ অনুযায়ী প্রকাশিত। Bangali Network উক্ত তথ্যের যথার্থতা, সম্পূর্ণতা বা নির্ভুলতা সম্পর্কে কোনো প্রকার নিশ্চয়তা প্রদান করে না এবং এ সংক্রান্ত কোনো দায় গ্রহণ করে না।

ডিসক্লেইমার

লেখা, মতামত, মন্তব্য বা সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত সকল বক্তব্য সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকা / সাক্ষাৎকারদাতার নিজস্ব এবং সম্পূর্ণ দায়ভার তাঁদের উপরই বর্তায়। প্রকাশিত মতামত, বিশ্লেষণ বা ব্যাখ্যা Bangali Network-এর নিজস্ব অবস্থান, নীতি বা মতাদর্শের প্রতিফলন নাও হতে পারে।

তথ্যভিত্তিক প্রবন্ধে ব্যবহৃত তথ্য, উদ্ধৃতি, অনুবাদ, পরিসংখ্যান, গবেষণা, শাস্ত্রীয় বা ঐতিহাসিক সূত্র, আইনগত বা বৈজ্ঞানিক তথ্যের যথার্থতা, ব্যাখ্যা এবং প্রাসঙ্গিকতার দায় সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট লেখক / লেখিকার। Bangali Network প্রকাশের পূর্বে যুক্তিসঙ্গত সম্পাদকীয় পর্যালোচনা সম্পন্ন করলেও উল্লিখিত তথ্য, উদ্ধৃতি, সূত্র বা ব্যাখ্যার সম্পূর্ণ নির্ভুলতা, পূর্ণতা বা হালনাগাদকরণের বিষয়ে কোনো প্রকার নিশ্চয়তা প্রদান করে না এবং এ সংক্রান্ত কোনো দায় গ্রহণ করে না।

লেখক পরিচিতিতে প্রদত্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজস্ব বিবরণ অনুযায়ী প্রকাশিত। Bangali Network উক্ত তথ্যের যথার্থতা, সম্পূর্ণতা বা নির্ভুলতা সম্পর্কে কোনো প্রকার নিশ্চয়তা প্রদান করে না এবং এ সংক্রান্ত কোনো দায় গ্রহণ করে না।

স্তন ক্যান্সার গবেষণায় নতুন আশা দেখাচ্ছে মৌমাছির বিষ

চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাস জুড়ে মানুষ প্রকৃতির বুকেই খুঁজে নিয়েছে তার সবচেয়ে জটিল রোগগুলোর নিরাময়। পেনিসিলিন থেকে শুরু করে ম্যালেরিয়ার ওষুধ — সবকিছুর পেছনেই রয়েছে কোনো না কোনো প্রাকৃতিক উপাদান। সম্প্রতি এই তালিকায় যুক্ত হয়েছে প্রকৃতির এক অত্যন্ত চেনা এবং ক্ষুদ্র পতঙ্গ — মৌমাছি। ল্যাবরেটরির টেস্টটিউব থেকে শুরু করে আধুনিক ন্যানোপ্রযুক্তির সীমানা পেরিয়ে মৌমাছির বিষ এখন স্তন ক্যান্সারের গবেষণায় এক নতুন আলো দেখাচ্ছে।

গল্পটা শুনতে খুব আশাব্যঞ্জক, কিন্তু বিষয়টা ঠিকভাবে বুঝতে হলে একটু বিস্তারিত জানা দরকার — গবেষণাটা সত্যি, তবে এখনো পুরোপুরি চিকিৎসা হিসেবে প্রমাণিত হয়নি। অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞানীরা মৌমাছির বিষ নিয়ে পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করেন। তারা ৩০০-রও বেশি মৌমাছির বিষ সংগ্রহ করে বিভিন্ন ধরনের স্তন ক্যান্সার কোষের ওপর প্রয়োগ করেন। এর মধ্যে সবচেয়ে আক্রমণাত্মক এক ধরনের ক্যান্সার হলো Triple-Negative Breast Cancer (এটি এমন এক ধরনের স্তন ক্যান্সার, যার চিকিৎসার উপায় কম এবং দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার প্রবণতা বেশি)।

এই গবেষণায় দেখা যায়, মৌমাছির বিষে থাকা মেলিটিন (Melittin) নামের উপাদান খুব দ্রুত ক্যান্সার কোষের ওপর কাজ করতে পারে। পরীক্ষাগারের নির্দিষ্ট কিছু ক্যান্সার কোষে উপযুক্ত মাত্রায় প্রয়োগ করলে অনেক ক্ষেত্রে ৬০ মিনিটের মধ্যেই উল্লেখযোগ্য ক্যান্সার কোষ ধ্বংস হতে দেখা গেছে। মেলিটিনের কাজ করার পদ্ধতিও বেশ অভিনব — প্রথমত, এটি ক্যান্সার কোষের বাইরের আবরণ বা কোষঝিল্লিতে ছোট ছোট ছিদ্র তৈরি করে, ফলে কোষটি টিকে থাকতে পারে না এবং নষ্ট হয়ে যায়। দ্বিতীয়ত, এটি সেই রাসায়নিক সংকেতগুলো বন্ধ করে দেয়, যেগুলো ক্যান্সার কোষকে বারবার বিভাজিত হয়ে দ্রুত বাড়তে সাহায্য করে। অর্থাৎ, এটি একসঙ্গে কোষ ধ্বংস করে এবং তার বৃদ্ধি বন্ধ করে দেয়।

তবে পরীক্ষাগারের পরিবেশে দেখা গেছে, নির্দিষ্ট মাত্রায় মেলিটিন ক্যান্সার কোষের ওপর তুলনামূলকভাবে বেশি প্রভাব ফেললেও সুস্থ কোষেও প্রভাব ফেলতে পারে। তাই নিরাপদভাবে এটি ব্যবহার করাই এখন গবেষণার অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। এই কারণেই এটি ভবিষ্যতের সম্ভাবনাময় চিকিৎসা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এই গবেষণার গুরুত্ব বুঝতে হলে আমাদের প্রথমে বুঝতে হবে Triple-Negative Breast Cancer কেন চিকিৎসকদের জন্য এত বড় দুঃস্বপ্ন। সাধারণ স্তন ক্যান্সারের কোষগুলোতে সাধারণত তিন ধরনের রিসেপ্টর বা সংকেতগ্রাহক থাকে — ইস্ট্রোজেন, প্রজেস্টেরন এবং HER2 প্রোটিন। প্রচলিত হরমোন থেরাপির ওষুধগুলো এই রিসেপ্টরগুলোকে লক্ষ্য করে ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করে।

কিন্তু ট্রিপল-নেগেটিভ ক্যান্সারের ক্ষেত্রে এই তিনটি রিসেপ্টরের কোনোটিই উপস্থিত থাকে না। ফলে প্রচলিত কোনো লক্ষ্যভেদী ওষুধ (Targeted Therapy) এর ওপর কাজ করতে পারে না। বর্তমানে এই ক্যান্সারের চিকিৎসায় কেমোথেরাপি এখনও প্রধান ভূমিকা পালন করে। তবে নির্দিষ্ট কিছু রোগীর ক্ষেত্রে ইমিউনোথেরাপি ও লক্ষ্যভেদী ওষুধও ব্যবহার করা হচ্ছে।

তবুও এই ক্যান্সারের চিকিৎসার বিকল্প এখনও তুলনামূলকভাবে সীমিত, আর কেমোথেরাপি শরীরের ভালো-মন্দ অনেক কোষকেই ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। অস্ট্রেলিয়ার হ্যারি পারকিনস ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল রিসার্চ-এর প্রধান গবেষক ড. সিয়ারা ডাফি যখন মৌমাছির বিষের প্রধান উপাদান এই মেলিটিন নিয়ে কাজ শুরু করেন, তখন দেখা যায় মেলিটিন মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যে ক্যান্সার কোষের সেই সিগন্যাল বা বার্তা পাঠানোর রাস্তাগুলো বন্ধ করে দেয়, যা কোষগুলোকে বেঁচে থাকার সংকেত পাঠাচ্ছিল। এটি গবেষকদের কাছে অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক একটি পর্যবেক্ষণ। কারণ যে ধরনের ক্যান্সারের চিকিৎসার বিকল্প তুলনামূলকভাবে সীমিত, সেখানে মেলিটিন তার বৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ সংকেতগুলোকে বাধাগ্রস্ত করার সম্ভাবনা দেখিয়েছে।

বিজ্ঞানীরা এখন কৃত্রিমভাবে তৈরি মেলিটিন ব্যবহার করে নতুন পদ্ধতির চিকিৎসা তৈরির চেষ্টা করছেন। তারা খুব ছোট কণার (ন্যানোস্তরের কণা বা Nanoparticles) মধ্যে মেলিটিন ভরে সরাসরি ক্যান্সারের গাঁট বা টিউমারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উপায় খুঁজছেন। এতে এমন চিকিৎসা সম্ভব হতে পারে, যা নির্দিষ্টভাবে ক্যান্সার কোষকে আক্রমণ করবে এবং শরীরের অন্য অংশে কম ক্ষতি করবে—যা বর্তমান অনেক চিকিৎসা পদ্ধতির তুলনায় কম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।

এখানেই আসে ন্যানোপ্রযুক্তির চমৎকার প্রকৌশল। কাঁচা মৌমাছির বিষ বা বিশুদ্ধ মেলিটিন যদি সরাসরি মানুষের রক্তে প্রবেশ করানো হয়, তবে তা রক্তের লোহিত কণিকার মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে, যা প্রাণঘাতী জটিলতার কারণ হতে সক্ষম। এই কারণেই বিজ্ঞানীরা ল্যাবরেটরিতে কৃত্রিম মেলিটিন তৈরি করছেন এবং সেটিকে এক ধরনের আণুবীক্ষণিক বা ন্যানো-ক্যাপসুলের ভেতর বন্দি করছেন।

অনেক পরীক্ষামূলক ন্যানো-ক্যাপসুল এমনভাবে নকশা করা হচ্ছে, যাতে টিউমারের বিশেষ পরিবেশ বা নির্দিষ্ট জৈব সংকেতের উপস্থিতিতেই মেলিটিন মুক্ত হয়। এর ফলে সুস্থ রক্তকণিকা বা শরীরের অন্য অঙ্গের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

তবে এই সব ফলাফল এখনো পরীক্ষাগার এবং প্রাথমিক গবেষণার স্তরে রয়েছে। মানুষের শরীরে এই পদ্ধতি নিরাপদ ও কার্যকর কিনা, তা নিশ্চিত হতে আরও বহু ধাপের পরীক্ষা প্রয়োজন। অনেক সময় দেখা যায়, ল্যাবে সফল হওয়া কোনো চিকিৎসা মানুষের শরীরে একইভাবে কাজ করে না। ল্যাবরেটরির একটি প্লাস্টিকের ডিশের পরিবেশ আর মানুষের জটিল রক্তসংবহন ও রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি জগৎ।

ল্যাবের এই সফলতার পর বিজ্ঞানীদের প্রথমে এটি জীবিত প্রাণীর (যেমন ইঁদুর) ওপর পরীক্ষা করতে হবে, যাকে বলা হয় 'প্রি-ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল'। সেখানে এটি নিরাপদ প্রমাণিত হলে তবেই তা মানুষের ওপর 'ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল'-এর তিনটি কঠিন ধাপে প্রবেশ করার অনুমতি পাবে। এই পুরো প্রক্রিয়ায় শত শত মানুষের ওপর বছরের পর বছর পরীক্ষা চালিয়ে দেখা হবে এর কোনো দীর্ঘমেয়াদি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে কিনা। সাধারণভাবে গবেষণাগারের সফলতা থেকে অনুমোদিত ওষুধে পরিণত হতে প্রায় এক দশক বা তারও বেশি সময় লেগে যেতে পারে।

এই পুরো গবেষণার সবচেয়ে চমকপ্রদ দিক হলো প্রকৃতির এক অদ্ভুত প্যারাডক্স বা বৈজ্ঞানিক বৈপরীত্য। একটি শ্রমিক মৌমাছির রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল এবং তাদের জীবনকাল মাত্র কয়েক সপ্তাহের (সাধারণত ৫ থেকে ৬ সপ্তাহ)।

প্রকৃতির বিবর্তনের খেলায় জীবটি এত ক্ষণস্থায়ী যে তাকে তার মৌচাক ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বাঁচানোর জন্য এমন এক চরম আত্মরক্ষামূলক অস্ত্র তৈরি করতে হয়েছে, যা মুহূর্তের মধ্যে প্রতিপক্ষকে পঙ্গু করে দিতে পারে। কিন্তু আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান আজ সেই একই অস্ত্রকে সম্পূর্ণ ভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার সম্ভাবনা দেখছে।

ক্যান্সার কোষের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তার অভিযোজন ক্ষমতা; সে অনেক ক্ষেত্রেই ওষুধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে। কিন্তু মেলিটিন যেহেতু সরাসরি কোষঝিল্লিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, তাই ধারণা করা হয় এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা ক্যান্সার কোষের জন্য তুলনামূলকভাবে কঠিন হতে পারে। তবে বিষয়টি নিশ্চিত করতে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

সংক্ষেপে বলা যায়, মৌমাছির বিষে থাকা মেলিটিন ভবিষ্যতে ক্যান্সার চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। কিন্তু এটিকে এখনই নিশ্চিত বা সম্পূর্ণ কার্যকর চিকিৎসা হিসেবে ধরা যাবে না। বাস্তবে প্রয়োগের আগে আরও সময়, পরীক্ষা এবং বৈজ্ঞানিক প্রমাণ প্রয়োজন।




আপনার প্রতিক্রিয়াতেই নির্ধারিত হবে ‘মাসের সেরা কলম’

এখনই আপনার পছন্দ বেছে নিন

প্রতিক্রিয়া দেওয়ার নিয়ম

আপনি এই সংখ্যায় আপনার পছন্দের সব লেখাতেই প্রতিক্রিয়া জানাতে পারবেন। তবে একটি লেখায় সর্বোচ্চ ২টি ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেওয়া যাবে। একই লেখায় তৃতীয় প্রতিক্রিয়া নির্বাচন করলে, প্রথমে নির্বাচিত প্রতিক্রিয়াটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে এবং নতুন প্রতিক্রিয়াটি গণ্য হবে। আপনার প্রতিটি প্রতিক্রিয়া লেখকদের অনুপ্রেরণা জোগায় এবং বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সৃজনশীলতার প্রতি আপনার সমর্থনকে তুলে ধরে।

আপনি কি লিখতে ভালোবাসেন?

❛উদ্যোগ❜ ওয়েব ম্যাগাজিনের ভাদ্র ১৪৩৩ সংখ্যাটি ২৫ আগস্ট ২০২৬ (৮ই ভাদ্র) প্রকাশিত হবে। ওয়েবসাইটে প্রদত্ত লেখার বিভাগ ও বিষয় থেকে আপনার পছন্দের বিষয় বেছে নিয়ে লেখা পাঠান ২০ আগস্টের মধ্যে। নির্বাচিত লেখাগুলি লেখক / লেখিকার ছবি ও সংক্ষিপ্ত পরিচিতিসহ প্রকাশিত হবে। লেখা পাঠানোর ফর্ম এবং অন্যান্য সকল তথ্যের জন্য অনুগ্রহ করে মেনুতে ‘লেখা পাঠান’ বিভাগটি দেখুন।

পৃষ্ঠা
ভালো লাগলে ভালোবাসা দিন
অপছন্দ হলে পরামর্শ দিন
মতামত জানাতে মন্তব্য করুন
0 0 ভোট
স্টার
guest
1 কমেন্ট
নতুন থেকে পুরোনো
পুরোনো থেকে নতুন ভোটসংখ্যা অনুসারে
ফেসবুক পেজ
Udyog Bengali Web Magazine by Bangali Network

বিভিন্ন বিষয় থেকে বেছে নিয়ে লেখা পড়ুন

    বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশিত হওয়া লেখা পড়ুন

    মাসিক সংখ্যাগুলি দেখুন
    Scroll to Top

    ‘উদ্যোগ’ ফোনে রাখুন

    ‘উদ্যোগ’ ওয়েব ম্যাগাজিন ইনস্টল করুন। ইনস্টলের পর অ্যাপ তালিকা থেকে আইকনটি হোমস্ক্রিনে যোগ করে নিতে পারেন। এরপর সহজেই পড়ুন আপনার প্রিয় ম্যাগাজিন। ভালো না লাগলে যেকোনো সময় এক ক্লিকে আনইনস্টল করতে পারবেন।